Robot – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Mon, 26 Jul 2021 09:45:50 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Robot – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 মার্কিন সামরিক বাহিনীর চমক, বিশ্বকে তাক লাগাচ্ছে যন্ত্রকুকুর https://runnerbangla.com/us-military-bigdog-robots-astonishing-world/ Mon, 26 Jul 2021 06:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4468 রানার প্রতিবেদন : সামরিক ক্ষেত্ৰে বিশ্বের অন্যতম শীৰ্ষস্থানীয় রাষ্ট্ৰ মাৰ্কিন যুক্তরাষ্ট্ৰ ( USA ) তাদের সামরিক বাহিনীতে সংযোজন করেছে বিগডগ ( Bigdog ) নামের এক অত্যাধুনিক রোবট ( Robot )। বোসটন ডাইনামিকসের নিৰ্মিত এই প্রকল্পে আরও যুক্ত হয়েছে নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি, হাৰ্ভাৰ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কনকৰ্ড ফিল্ড স্টেশন। এই প্রকল্পে অৰ্থ বিনিয়োগ করেছে ডিফেন্স অ্যাডভান্সড রিসাৰ্চ প্রজেক্ট এজেন্সির (ডাৰ্পা) টেকটিক্যাল টেকনোলজি অফিস।

বিগডগ ( Bigdog ) প্রজেক্টের মূল লক্ষ্য ছিল এমন ধরনের রোবট তৈরি করা যা এমন সব জায়গায় যেতে সক্ষম যেখানে মানুষ এবং প্রাণীরা সহজে যেতে পারে না। নবনিৰ্মিত এই রোবটটি হাঁটতে, দৌড়াতে, লাফাতে এবং ভারী মালপত্ৰ বহন করতে সক্ষম। সাধারণ একজন সৈনিকের পক্ষে যা বহন করা সম্ভব নয়, সেক্ষেত্ৰে এ ধরনের রোবট অনায়াসে তা করতে পারে।

যেসব স্থানে সৈনিকেরা যেতে পারেন না বা ঝুঁকি থাকে, সেক্ষেত্ৰে একটি হাইড্ৰোলিক অ্যাকচুয়েশন সিসটেম দ্বারা নিৰ্মিত বিগডগ পরিচালিত হচ্ছে এক সিলিণ্ডার বিশিষ্ট একটি টু স্ট্রোক ১৫-এইচপি ইঞ্জিন দ্বারা। এর রোটেশন পার মিনিট ( আরপিএম ) ৯০০০-এর বেশি। ইঞ্জিনটি একটি হাইড্ৰোলিক পাম্প চালায়, যা এর হাইড্ৰোলিক পায়ের সঙ্গে যুক্ত। বিগডগের এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি চারটি পায়ের সঙ্গে সংযুক্ত যা প্রস্তুত করা হয়েছে চারটি লো-ফ্ৰিকশন হাইড্ৰোলিক সিলিণ্ডার দ্বারা।

প্রতিটি পায়ে চারটি অ্যাকুয়েটর রয়েছে। এর মধ্যে দুটি থাইয়ের সন্ধিক্ষণে, একটি হাঁটুতে এবং অন্যটি গোড়ালির সংযোগস্থলে রয়েছে। অৰ্থাৎ ৰþছটি অ্যাকুয়েটর রয়েছে যার তিটিতে একটি হাইড্ৰোলিক সিলিণ্ডার, সারভোভালভ, পজিশন সেন্সর এবং ফোৰ্স সেন্সর রয়েছে। অত্যাধুনিক এই রোবটটির নড়াচড়ার জন্য প্রাণীসদৃশ চারটি পায়ে ধাক্কা সামলাতে রয়েছে শকঅ্যাবজৰ্ব সিসটেম। আকৃতিতে ছোট আকারের গাধার মতো ৩ ফুট (০.৯১ মিটার) লম্বা এবং ২.৫ ফুট (০.৭৬ মিটার) উচ্চতার রোবটটির ওজন ২৪০ পাউণ্ড বা ১১০ কেজি।

কম্পিউটার সেন্সর এর নিয়ন্ত্ৰণ, ভারসাম্য, পরিচালনা করে থাকে। নিৰ্মাতারা রোবটটির পায়ে এবং পৃষ্ঠতলেও সেন্সর সংযুক্ত করেছেন। প্রায় ৫০টি সেন্সর আছে বিগডগের মধ্যে। এগুলো শরীর ও অঙ্গের নড়াচড়া করার বিষয়গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে। ইঞ্জিনের গতি, তাপমাত্ৰা এবং হাইড্ৰোলিক প্রসারের বিষয়গুলোর সঙ্গে রোবটের অভ্যন্তরের ইজিনের সামঞ্জস্য বজায় রাখে। অন্য সেন্সরগুলো এর অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো, যেমন হাইড্ৰোলিক প্রেসার, তাপমাত্ৰা, ইঞ্জিন ব্যবস্থা, ব্যাটারি চাৰ্জ এবং অন্যান্য বিষয় পৰ্যবেক্ষণ করে।

রোবটটির বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের মধ্যে আরও রয়েছে লেসার গিরোসকপ এবং স্টিরিও ভিশন প্রযুক্তি। একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে, বিগডগ ঘণ্টায় ৪ মাইল বেগে দৌড়াতে পারে, ৩৫ ডিগ্রি কোণ বেয়ে উঠতে পারে এবং ৩৪০ পাউণ্ড বা ১৫৫ কেজি মাল বহনে সক্ষম। রোবটটি তুষারখণ্ডের ওপর চলাফেরা করতে এবং পাশ দিয়ে কেউ লাথি মারার পরও এটি ভারসাম্য ধরে রাখতে সক্ষম।

সম্প্ৰতি বিগডগ ( Bigdog ) ২৪ ঘণ্টায় ৪০০ পাউণ্ড বা ১৮১ কেজি মালপত্ৰ নিয়ে ২০ মাইল পাড়ি দিয়েছে কোনও ধরনের বাড়তি জ্বালানি সরবরাহ ছাড়াই। সামনের দিনগুলোতে আরও বেশকিছু বৈশিষ্ট্য যুক্ত হবে। যুদ্ধক্ষেত্ৰে এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সময়ে বিগডগ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে এবং সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবেই কমিয়ে আনবে যুদ্ধক্ষেত্ৰে সেনা জওয়ানদের অবধারিত প্রাণহানির আশঙ্কা।

]]>
হাসপাতালে করোনা রুগীর একাকিত্ত্ব ঘোচাতে এলো “বন্ধু রোবট” https://runnerbangla.com/laluchi-robotina-corona-patient-loneliness/ Mon, 12 Jul 2021 04:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3787 রানার প্রতিবেদন : বৰ্তমানে করোনা ( Corona ) চিকিৎসার অনেককিছুতেই রোবটের ব্যবহার হচ্ছে। ওষুধ দেওয়া, রোগীদের মনিটরিং করা, তাঁদের খাবার পৌঁছে দেওয়া ইত্যাদি কাজ রোবট করেছে। এবার রোগীদের একাকীত্ব কাটানোর কাজেও নেমে পড়ল রোবট ( Robot )। করোনা রোগীদের এমনিতেই সকলের থেকে আলাদা করে আইসোলেশন ওয়াৰ্ডে রাখা হয়, কেননা রোগটি অসম্ভব ছোঁয়াচে। আত্মীয়-পরিজন-বন্ধু কারও সঙ্গেই দেখা করতে দেওয়া হয় না।

ফলত তাঁদের একটা অবসাদ তৈরি হয়। সেই একাকীত্ব কাটাতেই মেক্সিকো সিটির একটি হাসপাতালে এক রোবট ঘুরে ঘুরে সকলের সঙ্গে কথা বলে। ৪.৬ ফুট উচ্চতার এই রোবটটি হাসপাতালের ঘরে ঘরে গিয়ে রোগীকে বলে, ‘হাই, আমি লালুচি রোবোটিনা ( Laluchy Robotina ), তোমার নাম কী?’ প্ৰথমটায় সকলে অবাক হয়ে গেলেও এখন সয়ে গেছে। চাকার উপর দাঁড়িয়ে এই রোবট একঘর থেকে অন্যঘরে যায়। এর শরীরে লাগানো আছে ক্যামেরা যাতে রোগীর পরিবারের লোক বা চিকিৎসকরা রোগীর সঙ্গে কথা বলতে পারছেন।

মেক্সিকোর ন্যাশনাল মেডিক্যাল সেন্টারের নিউরোসাইকোলজিস্ট লুসিয়া লেডেসমা জানান, ‘এই রোবটটিকে শারীরিকভাবে সব জায়গায় উপস্থিত থাকতে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কোভিড ১৯ সংক্ৰামিত এলাকার মধ্যে যাতে এরোসলের সংস্পৰ্শে না আসে সেটাও দেখা হচ্ছে। কেননা এই এরোসল থেকেই তো সংক্ৰমণ ছড়ায়।’ করোনা মেডিক্যাল টিম মনে করছে এই অতিমারির সময়ে রোবটের ব্যবহার করোনা সংক্ৰমণের ঝুঁকি কমাবে এবং সেজন্যই একে কো থেরাপিস্ট হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এখনও পৰ্যন্ত লালুচি রোবোটিনা প্ৰায় ১৬০ জন রোগীর সঙ্গে তাঁদের পরিবার ও মনোচিকিৎসকদের ভিডিও কলিংয়ের মাধ্যমে কথা বলিয়ে দিয়েছে। ভাইরাস নিয়ন্ত্ৰণ কৰ্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত সান্তা মু্যনোজ জানান, ‘করোনা রোগীদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য কাজ করছে এই রোবট। এতে রোগীরাও উপকৃত হচ্ছেন।’ যেমন রোসা মারিয়া ভ্যালেজকু্যয়েজ, ৫৫ বছরের এই মহিলা হাসপাতালের শয্যা থেকেই জানালেন, ‘পরিবারের লোকজনের এখানে আসার অনুমতি নেই, কাজেই রোবটের মাধ্যমেই আমরা তাদের দেখছি, তারা আমাদের দেখছে, এভাবেই কথা হচ্ছে। এটাই যথেষ্ট।’ বৰ্তমানে করোনা আবহে যখন মানুষের সংস্পৰ্শ দূরে রাখতে বলা হচ্ছে, তখন রোবটরা কাৰ্যকরীভাবে তাদের কাজ করে যাচ্ছে।

কিন্তু যখন এই অতিমারি শেষ হয়ে যাবে, তখন কি তারা কৰ্মহীন হয়ে পড়বে? গবেষকরা বলছেন তখন তাদের হয়তো-বা অন্য কাজে লাগানো হবে, বারে বিয়ার দিতে, কিংবা ব্যাংককের শপিংমলে স্যানিটাইজার বিলি করতে, ওয়াশিংটনে মুদির দোকানের জিনিস সরবরাহ করতে অথবা বেলজিয়ামের হাসপাতালে রোগীকে মনিটর করে জানাবে কার জ্বর হেয়েছ আর কার হয়নি। এমন হরেক কাজ তাদের জন্য পড়ে আছে।

]]>
যন্ত্র নার্সের সহায়তা নিতে পরামর্শ দিচ্ছে জাপান সরকার https://runnerbangla.com/japan-government-advising-using-robots-nurse-instead-human/ Thu, 24 Jun 2021 04:00:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2859 দিবাকর দত্ত : জাপানে ( Japan ) বৃদ্ধদের মানুষের পরিবর্তে রোবটের সেবা নেওয়ায় অভ্যস্ত হওয়ার জন্য পরামর্শ দিচ্ছে সরকার। দক্ষ প্রযুক্তিবিদরা তাই শারীরিক দিক দিয়ে দুর্বল বয়োবৃদ্ধদের শয্যাত্যাগ, হুইল চেয়ারে বসানোয় সহায়ক রোবট প্রযুক্তি ( Robot Technology ) উদ্ভাবনে মন দিয়েছেন। জাপানের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড ইন্ডাস্ট্রিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের আওতাধীন রোবট উদ্ভাবন গবেষণা কেন্দ্র এ-বিষয়ে এগিয়েও এসেছে।

এ-জাতীয় রোবট প্রযুক্তির ( Robot Technology ) উৎকর্ষ সাধিত হলে রোবটগুলো বৃদ্ধ অথর্বদের কোলে তুলে নিয়ে বাথটাবে বসিয়ে দিতেও সক্ষম হবে। ২০২৫ সাল নাগাদ জাপানে ৩ লক্ষ ৭০ হাজার সেবকের ঘাটতি দেখা দেবে। তাই জাপান সরকার ( Japan Government ) এই ঘাটতি রোবট দিয়ে মেটাতে বদ্ধপরিকর। বৃদ্ধরা মানুষের পরিবর্তে রোবটের কাছ থেকে সেবা নেওয়ার বিষয়টিকে যেন স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করেন, সে প্রচারও চলছে। সেই সঙ্গে সরকার রোবটের সম্ভাব্য কাজের প্পরিধিও বাড়াতে চায়।

কারও টয়লেটে যাওয়ার প্রয়োজন কখন হতে পারে সেটা যেন রোবট আগেভাগে বুঝতে পারে। এই বিষয়টিও রোবটের কার্যক্রমে রাখা হয়েছে। প্রবীণদের সহায়তা করা ছাড়াও এসব রোবটকে কীভাবে আরও ব্যাপক পরিসরে কাজে লাগানো যায়, সেই চিন্তাভাবনাও জাপান সরকারের আছে। এ-প্রসঙ্গে জাপানের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড ইন্ডাস্ট্রিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির রোবট প্রযুক্তি গবেষণার পরিচালক ডক্টর হিরোহিশা হিরুকাওয়া বলেন, এসব রোবট তৈরি হয়ে গেলে নার্সদের কাজ অনেক সহজ হয়ে যাবে।

এছাড়া যারা বৃদ্ধাশ্রমে না গিয়ে নিজেদের বাড়িতে থাকতে চান, তাঁদেরও বাড়িতে থাকা আরামদায়ক ও ঝঞ্ঝাটমুক্ত হবে। হিরুকাওয়ার মতে, রোবট প্রযুক্তি সব ধরনের সমস্যার সমাধান করতে পারবে না ঠিকই, তবে এটি বৃদ্ধদের অনেক শারীরিক সমস্যার সমাধানেই সহায়ক হবে। হিরুকাওয়ার গবেষণা কেন্দ্র নার্সিং সেবা প্রদানে সক্ষম এমন ৯৮টি প্রতিষ্ঠানকে কারিগরি সহায়তা প্রদান করেছে। এসব প্রতিষ্ঠান সরকারি সহায়তা প্রকল্পের অধীনে পরিচালিত হবে।

গত পাঁচ বছর ধরে এই প্রকল্পের সমন্বয়ক হিসেবে হিরুকাওয়ার প্রতিষ্ঠান অনলস কাজ করে চলেছে। তবে এসব সংস্থা থেকে যেসব রোবট বেরিয়ে আসে তার সবই যে বৃদ্ধদের কাজে লাগে তা নয়। এর মধ্যে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত হয় ১৫টি প্রতিষ্ঠানের এমন রোবটও বাজারে স্থান করে নিয়েছে। হিরুকাওয়ার মত অনুসারে, রোবট প্রযুক্তি সব ধরনের সমস্যার সমাধান করতে পারবে না সেটা ঠিক। তবে বৃদ্ধদের অনেক একান্ত ব্যক্তিগত সমস্যা সমাধানে সহায়ক হবে।

তাঁদের উদ্ভাবনী সেবাদানকারী রোবটের মাত্র ৮ শতাংশ নার্সিং হোমগুলোতে কাজে লাগানো হয়েছে। রোবটের সংখ্যা এত কম কেন? এ-সম্পর্কে হিরুকাওয়া ব্লেন, মূলত দুটি কারণে রোবটের ব্যাপক ব্যবহার শুরু করা সম্ভব হয়নি। প্রথমত, এটি তুলনামূলকভাবে ব্যয়সাপেক্ষ এবং দ্বিতীয়ত, প্রবীণ সেবাগ্রহণকারীদের মধ্যে অবিশ্বাসী মানসিকতা। অনেক বৃদ্ধই যান্ত্রিক সেবা গ্রহণের বিষয়টিকে পছন্দ করেন না, বরং মানুষের সেবা গ্রহণেই বেশি আগ্রহী।

]]>