Road Section – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Fri, 16 Jul 2021 08:09:36 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Road Section – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 দূষণ ঠেকানোর টাকা নেই, প্রাচীন পদ্ধতিতেই চলছে রাস্তা তৈরি https://runnerbangla.com/no-money-prevent-pollution-road-built-old-way/ Fri, 16 Jul 2021 07:17:54 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4044 কলকাতা : প্রকল্পের জন্য লাগবে ৬০ কোটি টাকা। তাতে মেস্টিক অ্যাসফল্ট ( Mastic Asphalt ) দিয়ে রাস্তা বানানোর ক্ষেত্রে দূষণ অনেকটা কমতে পারে। কমতে পারে ক্যান্সারসহ নানা রোগের দাপাদাপি। কিন্তু কলকাতা কর্পোরেশনের দাবি, এই টাকা তারা একা দিতে পারবে না। তাই প্রকল্প থমকে। পরিবেশ আদালতের বারণ থাকার পরেও কলকাতায় পিচ রাস্তা তৈরি হচ্ছে পুরনো পদ্ধিতেই। চারদিকে দূষণ ছড়িয়ে তৈরি হচ্ছে কাচা মাল।

হট মিক্স তৈরির কেন্দ্র এখনও পরিবেশ বান্ধব করতে পারেনি পুরসভা। কলকাতা কর্পোরেশনের দাবি পরিবেশ বান্ধব নয়া উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তুলবে তারা। সেই পরিকল্পনা এখন চুড়ান্ত। শুধু আর্থিক সমস্যার জন্য কাজে হাত দেওয়া যায়নি। পরিবেশকর্মীরা অবশ্য প্রশ্ন তুলছেন কবে পরিবেশবান্ধব হবে এই কাঁচামাল উৎপাদন প্রক্রিয়। পরিবেশ আদালতের চাপের মুখে রাস্তা তৈরির কাচা মাল হটমিক্সের বিকল্প নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছিল।

তবে আচমকাই সেটা ঠাণ্ডা ঘরে চলে গেছে। পামারবাজার ও গড়াগাছা দুই উৎপাদন কেন্দ্রে আগের মতোই কাচামাল উৎপাদন হচ্ছে। প্রতিদিন ৫০০ মেট্রিক টনের কাছে। তবে উৎপাদন কেন্দ্রে যে দূষণ তৈরি হয় তা ঠেকাবার কোনো পদক্ষেপই নেই কলকাতা কর্পোরেশনের। পুর আধিকারিকরা জানিয়েছেন, একটি সংস্থার সঙ্গে কথা হয়েছে,ওই সংস্থা ডেমোস্ট্রেশন দিয়েছে। অত্যন্ত আধুনিক মেশিন দিয়ে তৈরি এই প্ল্যান্ট পরিবেশ বান্ধব হবে।

গোটা বিষয়টাই আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন । পুরো বিষয়টি অনেক খরচা আছে। তাই বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের উপর নির্ভর করছে। কলকাতা কর্পোরেশনের দাবি, নয়া পরিবেশবান্ধব উৎপাদন কেন্দ্র বানাতে মূল অন্তরায় টাকা। খরচ এতটাই বেশি যে কলকাতা কর্পোরেশনের একার পক্ষে সেটা বহন করা সম্ভব নয়। সম্প্রতি কর্পোরেশনে সেই উৎপাদন কেন্দ্র তৈরির প্রক্রিয়া প্রজেক্টরে দেখিয়েছে একটি জার্মান সংস্থা।

কলকাতার রাস্তা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ও প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য রতন দে এবং পৌর কমিশনার তাতে উপস্থিত ছিলেন। রাস্তা বিভাগের আধিকারিকদের পাশাপাশি আলো এবং জল সরবরাহ বিভাগের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। পরিবেশ বিজ্ঞানী তপন সাহা জানিয়েছেন, বর্তমান ব্যবস্থা বেশি দিন টেনে নিয়ে যাওয়া যাবে না, পরিবেশ বান্ধব ব্যবস্থা গড়তেই হবে। দরকারে নতুন প্রযুক্তি গ্রহন করা হবে।

খরচ সাপেক্ষ ব্যাপার হলেও মানুষের স্বার্থে এটা দরকার। দীর্ঘদিন ধরেই পরিকল্পনা নিয়েও বাস্তবায়নে এক পাও এগোতে পারছে না কলকাতা কর্পোরেশন। ফলে সেই পুরোনো দুটি উৎপাদন কেন্দ্রই ভরসা শহর ও লাগোয়া এলাকার রাস্তার প্রান ফেরাতে। প্রয়োজনে কেএমডিএ, পূর্ত এবং কলকাতা কর্পোরেশন যৌথ উদ্যোগে এই ধরনের একটি প্লান্ট বানাতে পারে কি না তাও ভাবা হচ্ছে। অবশ্য বহু বছর ধরে তিন চারটি জায়গায় জমি দেখে রাখা হয়েছে। এই প্ল্যাণ্ট করতে ছয় বিঘা জমির প্রয়োজন।

]]>
কলকাতার সড়কে নরক যন্ত্রনা দূর করতে অবশেষে তালির ব্যবস্থা https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-city-road-repair-work/ Sun, 27 Jun 2021 14:11:54 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3000 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : শহরের রাস্তা সংস্কারের ( Road Repair ) কাজে হাত দিল কলকাতা পুরসভা ( KMC )। গত বর্ষায় কার্যত কলকাতার একাধিক রাস্তার হাল বেহাল হয়েছে। খানাখন্দে ভরা পথে যানবাহনের চলা দায়। এই অবস্থায় প্যাচওয়ার্কের কাজ শুরু করেছে কলকাতা পুরসভা। আপাতত বরাদ্দ ৮-১০ কোটি টাকা। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, শহরের অন্তত ১৩০টি বড় রাস্তার হাল যথেষ্ট খারাপ। বিশেষ করে দক্ষিণ এবং সংযুক্ত কলকাতার বেহালা, গার্ডেনরিচ অঞ্চলে একাধিক রাস্তা কার্যত কঙ্কালসার চেহারা নিয়েছে।

ইতিমধ্যেই ২৫টি রাস্তায় প্যাচওয়ার্কের কাজ শেষ করেছে কলকাতা পুরসভা। বাকি গুলির কাজ চলছে। এস পি মুখার্জি রোড, সেন্ট্রাল এভিনিউ, ডায়মণ্ডহারবার রোড, হরিশ মুখার্জি, রাজা রামমোহন রায় সরণি, তারাতলা রোড সহ দক্ষিণ এবং উত্তর কলকাতার একাধিক রাস্তার অনেক জায়গাতেই খানাখন্দে ভরা। বেহালার বীরেন রায় রোড, ঠাকুরপুকুরের এমজি রোড, এসপি মুখার্জি রোড, একে মুখার্জি রোড, গার্ডেনরিচ রোড, এন এস রোড সহ দক্ষিণ কলকাতার ২০-২২টি রাস্তার অবস্থা খারাপ।

একইভাবে উত্তরে কাশীপুর রোড, এপিসি রোড, এজেসি বসু রোড সহ ১০ থেকে ১২টি রাস্তার অবস্থা খুব খারাপ। কয়েকদিন আগেই খবর প্রকাশ হয়েছিল, দু’-একদিন নয় মাসের পর মাস এভাবে কাটলেও রাস্তা সারানোর কোনও উদ্যোগ নেই কলকাতা পুরসভার। তারমধ্যে ঝড়-বৃষ্টিতে রাস্তার পিচ উঠে আরও খারাপ হয়েছে। বর্ষায় কাজ করা যাবে না। তবে, শারদোৎসবের মুখে মেরামত হবে সব রাস্তা, আশ্বাস দিয়েছিল কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষ।

এই বিষয়ে কলকাতা পুরসভার রাস্তা বিভাগের ( Road Section ) দায়িত্বপ্রাপ্ত তথা প্রশাসক বোর্ডের সদস্য রতন দে বলেন, প্রতিবছর বর্ষার পর রাস্তা মেরামতের কাজে হাত দেওয়া হয়। পুজোর আগেই সব রাস্তা সারাই করা হবে। প্রথমে ঠিক ছিল পুজোর ঠিক আগে সেপ্টেম্বর মাসের মেরামতের কাজে হাত দেবে কলকাতা পুরসভা। কিন্তু বিভিন্ন জায়গা থেকে কন্ট্রোল রুমে রাস্তা নিয়ে প্রচুর অভিযোগ জমা পড়েছিল। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে দ্রুত রাস্তা ছাড়া এর কাছে হাত দিয়েছে কলকাতা পুরসভার রাস্তা বিভাগ।

]]>