Rabindra Sarani – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Mon, 14 Jun 2021 08:15:56 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Rabindra Sarani – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 লকডাউনে হকারদের অস্তিত্বই বিপণ্ন, সরকারি মদত না পেলে বিপর্যয় অনিবার্য https://runnerbangla.com/hawker-existence-endangered-in-corona-lockdown-disaster-inevitable-if-government-does-not-get-help/ https://runnerbangla.com/hawker-existence-endangered-in-corona-lockdown-disaster-inevitable-if-government-does-not-get-help/#respond Sun, 13 Jun 2021 07:19:25 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2418 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : গতবছর প্রথম লকডাউনে কার্যত বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছিলেন তাঁরা। বছর ঘুরেও সেই ব্যাপক ক্ষতি পূরণ করে উঠতে পারেননি দোকান মালিক থেকে হকাররা ( Hawker )। তার মধ্যে আবার করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আঁচড়ে পড়েছে রাজ্যে। সদ্য নির্বাচিত রাজ্য সরকার ফের আত্ম অনুশাসনের নামে লকডাউনের পথেই হেঁটেছে। দুধাপে ৩০দিন। এর জেরে ছোট দোকান মালিক বা হকারদের ব্যবসা লাটে উঠেছে।

আর্থিক সহায়তার দাবি করছেন তাঁরা। গড়িয়া হাট ( Gariahat ) বাজারের পোশাক বিক্রেতা হকার সম্রাট দাস। মূলত হোসিয়ারি বিক্রি করেন তিনি। সকাল ১০ টা থেকে দুপুর তিনটে পর্যন্ত দোকান খুলছে। কোনও দিন বউনি করেছেন তো পরে দুদিন হারে হাভাতে অবস্থা! তাঁর কথায়, ক্রেতা নেই। বিক্রি হবে কোথা থেকে? লাইট ফ্যান চলছে। সারা দিনে অন্তত নিজের পেছনে ৫০-৭০ টাকা খরচ হচ্ছে। কিন্তু সেই টাকা টুকুও উঠছে না।

ছেলে মেয়ের পড়ার খরচ, মায়ের ওষুধ খরচ কোথা থেকে তুলব? প্রতিদিন চিন্তায় দিন কাটাচ্ছি। রবীন্দ্র সরণিতে ( Rabindra Sarani )পাঞ্জাবির দোকান মুস্তাক হোসেনের। পাশেই বাচ্চাদের জামা কাপড় নিয়ে পসার সাজিয়ে বসে কৌশিক লোহার।
দুজনের গলাতেই এক সুর। কিছু বিয়ে বাড়ির পাঞ্জাবি ধুতি বিক্রি হচ্ছে। দোকানে তিনটে কর্মচারী। স্বাভাবিক যা বিক্রি হয়, তার অর্ধেকেরও অর্ধেক হচ্ছে না। কতদিন চালাতে পারবো জানি না, বলছিলেন মোস্তাক।

হকারদের অবস্থা খুব খারাপ। দোকান খোলার পর্যন্ত সামর্থ নেই অনেকের। দীর্ঘ দিন মাল বস্তায় পড়ে থাকায় চিন্তা বাড়ছে। কাপড়, জামা, প্যান্ট এগুলো পড়ে থাকলে অনেক সময় ভাঁজ আসে বা আরো নানা সমস্যা দেখা দেয় মালে। সেই মাল পুরো দাম দিয়ে কেউ কিনতে রাজি হন না। অগত্যা কম দামে বিক্রি করতে হয়, বলছিলেন কৌশিক। অনেকেই হকারী ছেড়ে সবজি, পাউরুটি এই ধরনের মাল বিক্রি শুরু করেছে পেট চালাতে।

নিউমার্কেটের সাজদা খান বলেন, প্রথমবার লকডাউনের পর পুজোর সময় থেকে ব্যবসা আস্তে আস্তে ভালো হতে শুরু করে। কিছুটা ধাক্কা সামলে উঠতে পেরেছিলাম। রাজ্য সরকারের থেকে কিছু টাকা অনুদান পেয়েছিলাম। কিন্তু ঘর গোছানোর আগেই দ্বিতীয় লকডাউন কার্যত কোমরে বাড়ি মেরে বসিয়ে দিয়েছে। হাতিবাগান, বিধান সরণি ফুটপাতে একের পর এক হকারদের দোকানগুলি কার্যত মাছি তাড়াচ্ছে। হাতেগোনা খদ্দের।

তাও নেই বললেই চলে। অনেকের আবার দাবি, পুজোর সময় সরকারের তরফে ২০০০ টাকা করে যে অনুদান দেওয়া হবে বলেছিল তা পাওয়া যায়নি। হকার ইউনিয়নের অন্যতম দায়িত্বপ্রাপ্ত দেবরাজ ঘোষ বলেন, লাভের টাকায় এখন দোকান চালাতে হচ্ছে। ঘরের টাকা নিয়ে এসে ব্যবসায় লাগাচ্ছি। কবে তুলতে পারবো জানি না। গত লকডাউনে রাজ্য সামান্য সাহায্য করেছিল। কেন্দ্রে একটা ঋণের ব্যাবস্থা করেছিল।

তবে ৮০-৯০ শতাংশ লোকজন ব্যাঙ্ক ঋণের যে সমস্ত শর্ত ছিল তার জেরে বাদ পড়েছেন। বেঁচে থাকা ও আগামী দিয়ে ব্যবসা চালাতে দুই সরকারের কাছে আর্থিক সাহায্যের দাবি করছি। সরকার পাশে না দাঁড়ালে ছোট দোকান মালিক, কর্মী থেকে ফুটপাথের হকারদের করুন পরিণতি হবে। কার্যত দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে ব্যবসায়ীদের, বলা ভালো হকারদের। ব্যবসা আবার কবে ভালো হবে, চাতক পাখির মতো এখন সেই দিকে তাকিয়ে তাঁরা।

]]>
https://runnerbangla.com/hawker-existence-endangered-in-corona-lockdown-disaster-inevitable-if-government-does-not-get-help/feed/ 0