PWD – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Sun, 13 Jun 2021 05:50:41 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.1 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png PWD – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 Tala Bridge : নতুন বছরে শহরবাসীর উপহার নবরূপে টালা ব্রিজ https://runnerbangla.com/tala-bridge-may-open-traffic-february-2022/ https://runnerbangla.com/tala-bridge-may-open-traffic-february-2022/#respond Sun, 13 Jun 2021 05:03:14 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2378 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : আগামী নতুন বছরের শুরুতেই খুলতে চলেছে টালা ব্রিজ ( Tala Bridge )। দীর্ঘ দেড় বছর যুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের শেষে প্রায় প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হওয়ার পথে। শনিবার সেতুর কাজকর্ম পরিদর্শন করতে যান কাশিপুর-বেলগাছিয়া কেন্দ্রের বিধায়ক অতীন ঘোষ ( Sri Atin Ghosh )। পূর্ত দপ্তর ( PWD ) সূত্রে খবর, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হতে পারে উত্তর কলকাতার সঙ্গে উত্তর শহরতলীর সংযোগ রক্ষাকারী এই লাইফ লাইন।

নতুন সেতু তৈরি হয়েছে চার লেনের। খরচ বরাদ্দ ছিল প্রায় ৩০০ কোটি টাকা। ২০২০ সালে লকডাউনের সময় নতুন ব্রিজ তৈরীর কাজে হাত দেয় পূর্ত দপ্তর। কাজ করছে এক বহুজাতিক নির্মাণ সংস্থা। জুন মাস থেকে সেতু তৈরীর কাজ শুরু হয়। তার আগে অবশ্য গত বছর ফেব্রুয়ারি মাস থেকে পুরনো টালা ব্রিজ ভাঙার কাজ শুরু হয়েছিল। মাঝে লকডাউনের জন্য কিছুদিন কাজ আটকে যায়। তারপর আবার গত বছর পয়লা বৈশাখ থেকে কাজ শুরু হয়।

জুনের মধ্যে পুরো ব্রিজ ভেঙে ফেলা হয়। তারপর শুরু হয় নবনির্মাণ। মাজেরহাট ব্রিজ ভেঙে পড়ার পর শহরের সমস্ত উড়ালপুলের স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজে হাত দেয় নবান্ন ( Nabanna )। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee ) তৎকালীন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে ( Alapan Bandyopadhyay ) মাথায় রেখে একটি কমিটি তৈরি করে দিয়েছিলেন। পোস্তা ব্রিজের ( Posta Bridge ) মত টালা ব্রিজ বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পরীক্ষা করানো হয়। রাইটস সমীক্ষা করে জানিয়ে দেয়, পুরনো ব্রিজ ভেঙে নতুন ব্রিজ তৈরি করা শ্রেয়।

যে কোনও মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে পুরনো টালা সেতু( Tala Bridge )। তারপরেই তৎপর হয় নবান্ন। ভাঙার জন্য ডাকা হয় টেন্ডার। আবার নতুন ব্রিজ তৈরির জন্য পৃথক টেন্ডার ডাকা হয়েছিল। শুধু ব্রিজ ভাঙতেই খরচ হয়েছিল প্রায় ২০ কোটি টাকা। পূর্ত দপ্তরের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, প্রতিদিন অন্তত ১৭৫ জন থেকে ৩০০ জন শ্রমিক যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালাচ্ছে। বিশেষ করে লকডাউনের সময় গত বছরের কয়েক মাস দ্রুত কাজ এগিয়েছে।

তখনই প্রায় সামগ্রিক কাঠামো প্রস্তুত করা হয়ে গিয়েছিল। টালা সেতু ভেঙে দেওয়ার পর ওই রাস্তার যান চলাচলের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ জারি করে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ। অন্যান্য রাস্তা দিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা হয়। এখনও সেটাই চলছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পুর ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ( Chandrima Bhattacharya ) নির্মীয়মান এই সেতুর পরিদর্শনে যাবেন বলে খবর।

]]>
https://runnerbangla.com/tala-bridge-may-open-traffic-february-2022/feed/ 0
এর নাম সংস্কার? ঐতিহাসিক টাউন হলের ভয়ঙ্কর ক্ষতি করলো পূর্ত দফতর https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-historic-town-hall-damaged-by-pwd-in-the-name-of-reform/ https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-historic-town-hall-damaged-by-pwd-in-the-name-of-reform/#respond Fri, 11 Jun 2021 03:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2262 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : প্রচুর খরচ করে সংস্কার হয়েছিল দ্বিশতক প্রাচীন টাউনহলের ( Kolkata Town Hall )। উদ্বোধনের আগেই এবার ভেঙে পড়ছে দেওয়ালের নকশা। খসে পড়েছে চাঙ্গর। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়েছে কলকাতা পুরসভায় ( Kolkata Municipal Corporation )। সংস্কারের দায়িত্বে ছিল পূর্ত দপ্তর ( Public Works Department )। পিউড-র মুখ্য ইঞ্জিনিয়ারকে ( PWD Chief Engineering ) কড়া চিঠি পাঠিয়েছে কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষ। আধিকারিকদের একাংশের দাবি, কাজের উপকরণের গুণমান খারাপ ছিল বলেই এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেছে।

স্বাভাবিকভাবেই পূর্ত দপ্তরের কাজ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসছে। সংস্কারের নামে বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলে হেরিটেজের চরিত্র বদল ও কারুকার্য, স্থাপত্য নষ্ট করার জেরেই এই অবস্থা বলে অভিযোগ করেছেন, কলকাতা পুরসভার প্রাক্তণ নগর পরিকল্পক দীপঙ্কর সিংহ ( Dipankar Singh )। ২০১৭ আইআইটি রুরকির ( Indian Institute of Technology Roorkee ) পরামর্শ অনুসারে কলকাতা পুরসভা রাজ্য পূর্ত দপ্তরকে সংস্কারের দায়িত্ব দেয়।

সংস্কারের নামে কাঠের মেঝে ভেঙে ঢালাই করা থেকে স্তম্ভগুলি যথেচ্ছ ভেঙে নকশাবদল করা হয়েছে বলে অভিযোগ। কয়েক সপ্তাহ পরেই উদ্বোধন হবার কথা ছিল নবনির্মিত টাউন হলের। কলকাতা পুরসভার এক শীর্ষকর্তা বলেন, কয়েকদিন ধরেই বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়তে শুরু করে বলে খবর আসে। বুধবার রাতে দেওয়ালের গায়ের মোটিভ বা কাঠের নকশা ভেঙে পড়ে। বাইরের দেওয়ারের কিছু অংশ খসে পড়েছে।

তারপরেই পূর্ত দপ্তরকে চার পাতার করা চিঠি ধরানো হয়েছে। কোটি টাকার উপরে সংস্কার কাজে খরচ হয়েছে। লক্ষাধিক টাকা কাঠের কাজে। তারপরেও এই ঘটনায় অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট ক্ষুব্দ কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে কিভাবে ঘটল।

কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন নগর পরিকল্পক দীপঙ্কর সিংহ বলেন, টাউন হলের বয়স প্রায় ২০০ বছরের বেশি। বাম আমলে এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান প্রত্যেকটি অংশ নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জেরে সুরক্ষিত ছিল। তৃণমূল কংগ্রেসের ( TMC ) আমলের প্রথমদিকের কিছু রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হলেও বিগত ছয়-সাত বছর ধরে সব বন্ধ। তারপর ২০১৭ সালে প্রচুর টাকা খরচ করে সংস্কারের কাজে হাত দেওয়া হয়। ঠিক হয় সামগ্রিক সংস্কার হবে।

কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে সবটাই জোড়াতাপ্তি মার্কা কাজ হয়েছে। বহু বছর পুরোনো কাঠের কাজ। এক সময় নিয়মিত কেমিক্যাল দেওয়া হত। যেন উইপোকার কবলে না পড়ে। অন্য দিকে ছাদের ওয়াটার পুটিং আর বাইরের দেওয়ালে প্লাস্টার এবং রঙ প্রতিবছর হয়নি। কলকাতা পুরসভার সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা মনে করছেন, সংস্কারের নামে যথেচ্ছভাবে কারুকার্য, স্থাপত্য ভেঙে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। বদলে গেছে হেরিটেজ চরিত্র। সঠিক গুনমানসম্পন্ন উপকরণ দিয়ে কাজ করা হয়নি। যার জেরেই মুখে চুনকালি পড়ল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

]]>
https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-historic-town-hall-damaged-by-pwd-in-the-name-of-reform/feed/ 0