Pumping Station – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Sun, 18 Jul 2021 08:06:34 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Pumping Station – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 তৃণমূল পুরসভার কীর্তি, পাম্প ছাড়াই পাম্পিং স্টেশনের উদ্বোধন https://runnerbangla.com/kmc-inaugurate-pumping-station-without-pump-before-election/ Sun, 18 Jul 2021 05:57:50 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4125 কলকাতা : পাম্প নেই। বলা ভালো পাম্প বসানোর টাকা নেই কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal Corporation ) কাছে। বসানো হয়নি নিকাশি পাইপও। অথচ শুধু তৈরি হওয়া ঘরটুকু নীল সাদা রঙ করেই ভোটের আগে বেমালুম উদ্বোধন হয়েছে গল্ফগ্রিনের ( Golf Green ) জোড়াপুকুর পাম্পিং স্টেশনের। এই কীর্তি করেছে কলকাতা পুরসভার তৃণমূল বোর্ড। এখন টাকা জোগাড়ের তোড়জোড় শুরু করেছে কলকাতা পুরসভা।

জোড়াপুকুর পাম্পিং স্টেশন হলে, জমা জলের দুর্ভোগের হাত থেকে রেহাই পাবেন ৯৪, ৯৫, ৯৬, ৯৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ। বিজয়গড়, বিক্রমগড়, আজাদগড়, অশকনগর, গল্ফ গ্রিন এলাকা জল নিষ্কাশনের বেহাল অবস্থা। অল্প বৃষ্টিতেই এসমস্ত এলাকা দীর্ঘ সময় থাকছে জলের তলায়। বর্ষাকালে জমা জলের দুর্ভোগের জেরে বিপর্যস্ত হচ্ছে এই সমস্ত এলাকার জনজীবন।

এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে পরিকল্পনা হয় গল্ফগ্রিনের কাঁটাপুকুর এলাকায় হবে নতুন পাম্পিং স্টেশন। পাম্পিং স্টেশনে আসা জল স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে আদিগঙ্গায় পড়ার কথা। কলকাতা কর্পোরেশন সূত্রে খবর, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে যে সংস্থা ছিল তারা কর্পোরেশনের থেকে টাকা না পেয়ে কাজ থামিয়ে দিয়েছিল। এখন ১৬ কোটি টাকা বকেয়া।

টাকা হাতে না পেলে কাজ করা অসম্ভব, সংস্থার তরফে এমনই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সদ্য পাম্পিং স্টেশনের সরঞ্জাম সব স্তূপাকারে রাখা হয়েছে, অর্ধের বেশি বাকি কাজ। সেই অবস্থায় ভোটের তিন মাস আগেই জেনে শুনেই তৃণমূল পৌর বোর্ড উদ্বোধন করে এই পাম্পিং স্টেশনের। উদ্বোধন করেন খোদ ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )। উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ( Arup Biswas )। ছিলেন বরো কো-অর্ডিনেটর তপন দাশগুপ্ত।

সব মিলিয়ে ৩৭ কোটি টাকার এই প্রকল্পে প্রাথমিকভাবে ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। কিন্তু নির্মাণকারী সংস্থা অভিযোগ, তাঁরা হাতে পেয়েছে মাত্র ৯ কোটি টাকা। সেই টাকায় যতটুকু কাজ হওয়ার ছিল হয়েছে। বাকি কাজ গত তিন চার মাস ধরে বন্ধ। প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি জানান ১০ নম্বর বরোর কো-অর্ডিনেটর তপন দাশগুপ্ত। তখনই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

প্রসঙ্গে ১০নম্বর বরোর ( Borough ) কো-অর্ডিনেটর তপন দাশগুপ্ত বলেছেন, ৯৪ নম্বর ওয়ার্ডে যে পাম্পিং স্টেশনের কাজ টাকার অভাবে আটকে আছে। নির্মাণকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, টাকা না পেলে কোনো কাজ হবে না। কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম জানান, নির্মাণকারী সংস্থার সঙ্গে কথা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রকে বলেছি। টাকা দিলেই হয়ে যাবে।

৯৪ নম্বর ওয়ার্ডের গল্ফ ক্লাব রোডস্থিত জোড়াপুকুর নিকাশ পাম্পিং স্টেশন। ২০১৮ সালে ম্যাকিনটোস বার্ন লিমিটেড বরাত পেয়েছিল এই কাজের। শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের মাঝামাঝি। তবে কলকাতা কর্পোরেশন চুক্তি মতো টাকা দিতে না পারায় বিরাট টাকা বকেয়া। মাঝপথে কাজ থামিয়ে দিয়েছে নির্মাণকারী সংস্থা।

]]>
বাইপাস এলাকায় জলযন্ত্রণা দ্রুত দূর হবে, আশ্বাস পুরসভার https://runnerbangla.com/kolkata-bypass-water-freezing-problem-assure-firhad-hakim/ Sat, 17 Jul 2021 03:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4093 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : বাইপাস সংলগ্ন খাল এবং সেখানকার পাম্পিং স্টেশন গুলির জল নিষ্কাশন ক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিচ্ছে কলকাতা পুরসভা ( kolkata Municipal Corporation)। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগকে এই মর্মে প্রজেক্ট রিপোর্ট জমা দিতে বলেছেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )।

বৃহস্পতিবার রুবি মোড় সংলগ্ন নোনাডাঙ্গা ড্রেনেজ পাম্পিং স্টেশন ( Pumping Station ) ও খাল এবং বি বি ওয়ান খাল ( অভিষিক্তা মোড় সংলগ্ন ) পরিদর্শন করেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )। যাদবপুর এবং টালিগঞ্জ এলাকায় জমা জল নিয়ে দুর্ভোগ দীর্ঘদিনের। তবে সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে কার্যত ভেঙে পড়েছিল। তার জেরে যেখানে কোনও দিন জল জমে না, তেমন জায়গাতেও জল টানা কয়েকদিন ঠায় দাঁড়িয়েছিল।

যার সমস্যা সমাধানে এবার আসরে কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। পাশাপাশি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বাইপাসের ওপর বিভিন্ন নিকাশি খাল থেকে তাদের সরঞ্জাম তুলে নিয়ে স্রোতের মুখে বাধা কাটানো হবে। তেমনটাই জানিয়েছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দর থেকে গড়িয়া পর্যন্ত মেট্রো রেলের সম্প্রসারণের কাজ চলছে। যে কাজ করছে রেলওয়ে বিকাশ লিমিটেড বা আর ভি এল এল।

ফিরহাদ হাকিম বলেন, মেট্রো করিডরের কাজের জন্য যে খালের চ্যানেলের ওপর দিয়ে পাইলিং কংক্রিটের পাইলিং করা হয়েছে, সেগুলি মেট্রো কর্তৃপক্ষ সরিয়ে দেবে। যাতে জলস্তর ঠিকমতো থাকে এবং খালের জল ঠিকমতো নিষ্কাশিত হতে পারে। পাশাপাশি ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডে পুরনো একটি কালভার্ট কম উঁচু থাকায় খালের জল তার তলা দিয়ে ঠিকমতো নিষ্কাশিত হতে পারছে না।

যার জন্য ওই কালভার্ট ভেঙ্গে নতুন উঁচু ব্রিজ করে দেওয়ার জন্য কেএমডিএকে নির্দেশ দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। বাইপাস জুড়ে তৈরি হয়েছে একের পর এক সুউচ্চ অট্টালিকা। সেখানকার নিত্যদিনের নোংরা জল প্রতিনিয়ত বার হয়ে নিচু জায়গায় জমা হচ্ছে। ওই অঞ্চলে নিকাশি নালার থাকলেও প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বসবাসকারীর চাপে তার কর্মক্ষমতা হারিয়ে গেছে। ফলে নতুন করে নিকাশি ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করে কলকাতা পুরসভা।

যার জন্য ইতিমধ্যেই নিকাশি এবং জঞ্জাল সাফাই বিভাগকে প্রজেক্ট রিপোর্ট তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই জানিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। দু’দিন আগে যাদবপুর এলাকার শাসকদলের কো-অর্ডিনেটররা দল বেঁধে কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমের কাছে যান। তারা বিষয়টি তাকে বিস্তারিত জানান এবং সমাধানের পথ খুঁজে দিতে বলেন। তারপরেই ফিরহাদ খালগুলি পরিদর্শন করলেন।

]]>
ফের চুরি কলকাতা কর্পোরেশনে, গায়েব ৫ লক্ষ টাকার সরঞ্জাম https://runnerbangla.com/theft-kolkata-municipal-corporation-equipment-worth-rupees-5-lakh-missing/ Thu, 15 Jul 2021 07:41:51 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3984 #KMC : ফের কলকাতা কর্পোরেশনে চুরি। গায়েব আনুমানিক পাঁচ লাখ টাকার বাতিল সামগ্রী! শুনতে অবাক লাগলেও এমন ঘটনা ঘটেছে কলকাতা কর্পোরেশনের জল সরবরাহ বিভাগে। এর আগেও কলকাতা পুরসভার সেন্ট্রাল স্টোর থেকে ১৫ লাখ টাকার সামগ্রী চুরি গিয়েছিল। কিভাবে খোয়া গিয়েছিল তার উত্তর এখনও মেলেনি। যদিও তা নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত চালাচ্ছে কলকাতা পুরসভা।

এবার চুরি অকল্যান্ড ওয়াটার পাম্পিং স্টেশনে ( Auckland Water Pumping Station )। পুরসভা সূত্রে খবর, সেখান থেকে কিছু বাতিল সামগ্রী চুরি হয়েছে। অভিযোগ, সেখান থেকেই স্ক্র্যাপ বা দীর্ঘ দিন পরে থাকা বাতিল যন্ত্র, পাইপ ও লোহার আনুষঙ্গিক মালপত্র কলকাতা পুরসভার স্টোরে আনার নাম করে লরিতে চাপিয়ে বের করা হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথে সেটা বেমালুম গায়েব হয়ে যায়। কলকাতা পুরসভার জল বিভাগের নিজস্ব হিসাব, ওই বাতিল সামগ্রী বিক্রি করে অন্তত পাঁচ লক্ষ টাকা আয় করা যেত।

নিয়ম অনুযায়ী পুরসভার যে কোন বিভাগের বাতিল সামগ্রী একজোট করে স্টোরে নিয়ে আসা হয়। তারপর সেখান থেকে নিলাম করে বিক্রি করে কলকাতা পুরসভা। কলকাতা কর্পোরেশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, চলতি মাসের ৮ তারিখ পানীয় জল সরবরাহ বিভাগের অকল্যান্ড পাম্পিং স্টেশন দীর্ঘ দিন ধরে পরে থাকা যন্ত্র, পাইপ-সহ মালপত্র পরিষ্কার করা হয়। সেই সমস্ত একটি ট্রাকে করে বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ কলকাতা কর্পোরেশনের স্টোরে পাঠানো হয়।

তবে সেই গাড়ি আর স্টোর পর্যন্ত পৌঁছায়নি। কলকাতা পুরসভার স্টোরে সেই গাড়ির কোনও নথিভূক্তি হয়নি বলেই অভিযোগ। গেটে নিরাপত্তা রক্ষীরাও কোনও গেট পাস ছাড়াই ঢুকতে ও বের হতে দিল কিভাবে, সেই প্রশ্ন সামনে চলে এসেছে। জল সরবরাহ বিভাগের কোনো আধিকারিক কি এই কাজে যুক্ত ? এ প্রশ্নের কোনো উত্তর মেলেনি। বিষয়টি নিয়ে জল সরবরাহ বিভাগের ডিজি মৈনাক মুখার্জি বলেন, বিষয়টি আমার কানে এসেছে।

সংশ্লিষ্ট এক্সিকিউটিভ অফিসারকে খোঁজ নিতে বলেছি। সেখান থেকে তথ্য না পাওয়ার আগে কিছু বলা সম্ভব নয়। এর আগেও কলকাতা পুরসভার সেন্ট্রাল স্টোর থেকে বেশকিছু বাতিল যন্ত্র এবং লোহার জিনিস চুরি হয়ে গিয়েছিল। সেন্ট্রাল স্টোর পরিদর্শনে গিয়েছিলেন খোদ পুর কমিশনার বিনোদ কুমার। তারপর তিনি তদন্তের নির্দেশ দেন। সেই তদন্ত যদিও এখনও চলছে। তার মাঝে ফের আরও একবার চুরির অভিযোগ।

]]>
তীব্র জল সংকটে নাকাল বেহালা, কাঠগড়ায় পুরসভা https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-behala-ward-water-crisis/ Mon, 12 Jul 2021 10:07:47 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3795 #কলকাতা : তিন বছর হয়ে গেল। এখনও শেষ হল না বেহালা শকুন্তলা পার্কে ( Shakuntala Park ) নতুন জলাধারের কাজ। যার জেরে জল সমস্যা ( Water Crisis ) বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। রোজ দুবেলা করে জলের গাড়ি পাঠিয়ে পরিস্থিতি সাম্লানর ব্যবস্থা করে কলকাতা পুরসভা ( KMC )। দুর্ভোগ নিবে কবে, উত্তর অজানা। যদিও কলকাতা পুরসভার জল সরবরাহ বিভাগ জানাচ্ছে আগামী বছর থেকেই চালু করে দেওয়া হবে এই বুস্টার পাম্পিং স্টেশন। একটি-দুটি এলাকা নয়। বলা ভালো দুই ওয়ার্ডের বড় অংশের বাসিন্দারা বছরের পর বছর ধরে এই দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

ডায়মন্ডহারবার রোড সংলগ্ন এই দুই ওয়ার্ডের এলাকায় খুব একটা সমস্যা নেই। কিন্তু একটু ভেতরের দিকে গেলেই একাধিক অঞ্চলে পানীয় জলের সমস্যা প্রবল। বেহালার ১২৭ এবং ১২৮ নম্বর ওয়ার্ড। মূলত গার্ডেনরিচ জল প্রকল্প থেকে সরাসরি জল আসে এই দুই ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। কিন্তু একাধিক জায়গায় জলের চাপ কম থাকায় ঠিকমতো পানীয় জল পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।স্মরণিকা, কাস্টডাঙ্গা, হাউসিং, মুচিপাড়া, ১৬ ফুট, ১২ ফুট, শ্যামসুন্দর পল্লী, বেনি মাস্টার লেন, পল্লীশ্রী, বকুলতলা, বাসুদেবপুর সহ একাধিক এলাকায় থেকেই নাগরিক অভিযোগ বহাল।

১২৮ নম্বর ওয়ার্ডের কো-অর্ডিনেটর তথা কলকাতা পুরসভার বাম দল নেত্রী রত্না রায় মজুমদার বলেন, বিষয়টি নিয়ে কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম কে জানিয়েছি। পুর কমিশনার বিনোদ কুমারের কাছেও ডেপুটেশন জমা দিয়েছি। তিন বছর ধরেও শকুন্তলা পার্ক পাম্পিং স্টেশনের কাজ চলছে। দৃশ্যত দেখা যাচ্ছে সব কাজ সম্পন্ন। কিন্তু কী কারণে চালু হচ্ছে না সেই ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ নিশ্চুপ। প্রতিদিন মানুষ পানীয় জলের সমস্যা ভোগ করছেন।

বাড়তি অর্থ খরচ করে কিনে খেতে হচ্ছে জল। কলকাতা পুরসভার জল সরবরাহ বিভাগ সূত্রে খবর, ওই পাম্প স্টেশন এর কিছু কাজ বাকি থাকায় চালু করা যায়নি। চলতি বছরের মধ্যে কাজ শেষ করে আগামী বছর থেকে চালু করার চেষ্টা চলছে। বাসুদেবপুর এর বাসিন্দা শ্যামলী কর্মকার বলেন, দিনে দু বেলা করে পুরসভার জলের গাড়ি আসে। ওটা কিছুটা ভরসা দেয়। কিন্তু তাও এত লাইন যে দীর্ঘক্ষন দাঁড়াতে হয়। কল দিয়ে শুরু সুতোর মতো জল পড়ে। কবে পরিস্থিতি ভালো হবে জানা নেই।

]]>
জল যন্ত্রণায় কলকাতার নাভিশ্বাস, নয়া পাম্পিং স্টেশনের সিধান্ত https://runnerbangla.com/kolkata-citizen-water-problem-new-pumping-station/ Fri, 09 Jul 2021 09:38:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3639 #কলকাতা : কলকাতার দক্ষিণ-পূর্ব দিকের বিভিন্ন অঞ্চলে সম্প্রতি ভারী বৃষ্টিতে জমা জলে দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। নিকাশি খালের নাব্যতা না থাকার পাশাপাশি নতুন পাম্পিং স্টেশন ( Pumping Station ) তৈরির প্রয়োজন রয়েছে বলেই মনে করছে কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। যার জন্য মধ্য এবং দক্ষিণ কলকাতার জমা জলের সমস্যা মেটাতে বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে কলকাতা পুরসভা। তৈরি করা হবে নতুন দুটি পাম্পিং স্টেশন। দুই প্রকল্পের আর্থিক অনুমোদন পেতে পুরসভা পুর ও নগর উন্নয়ন দপ্তরের ( Urban Development Department ) দ্বারস্থ হবে।

সব মিলিয়ে খরচ হতে পারে প্রায় ১১০ কোটি টাকা। দুটি পাম্পিং স্টেশনের মধ্যে একটি বানানো হবে মধ্য কলকাতায় মার্কাস স্কোয়ারে। অপরটি যাদবপুরের গাঙ্গুলি বাগান সংলগ্ন বিবি ১ ক্যানেলে। বর্তমানে মার্কাস স্কোয়ারে একটি ছোট পাম্পিং স্টেশন রয়েছে। সেই পাম্পিং স্টেশনের সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা নিয়েছে কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগ ( Sewerage Department )। চারটি বড় এবং চারটি ছোট পাম্প থাকবে। খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৫০ কোটি টাকা।

এর ফলে ঠনঠনিয়া, তারক প্রামানিক রোড, মুক্তারামবাবু স্ট্রিট, সেন্ট্রাল এভিনিউ, সুকিয়া স্ট্রিট সহ মধ্য কলকাতার একাধিক রাস্তায় জমা জলের সমস্যা কমবে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্ট কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা। অন্যদিকে, যাদবপুরের গাঙ্গুলিবাগানে বিবি ওয়ান নিকাশি নালার উপর ওপর আরও একটি বড় পাম্পিং স্টেশন বানানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই ওই এলাকা পরিদর্শন করেছেন কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত তথা প্রশাসক বোর্ডের সদস্য তারক সিং।

নিকাশি বিভাগ সূত্রে খবর, সেখানকার প্রজেক্ট রিপোর্ট তৈরির কাজ চলছে। সেখানে কোনও জমি নেই। ফলে নিকাশি খালের উপর এই পাম্পিং স্টেশন তৈরি করা হবে। আটটি পাম্প বিশিষ্ট পাম্পিং স্টেশন। যার জেরে যাদবপুর, যোধপুর পার্ক, লেক গার্ডেন্স, বালিগঞ্জ সহ বিভিন্ন অঞ্চলের জমা জলের সমস্যা মিটবে। কলকাতা পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, বিবি ১ ক্যানেলের প্রজেক্ট তৈরি করতে প্রচুর টাকা খরচ হবে। ওখানে যাদবপুর থানার সামনের রাস্তায় একটি বড় বক্স ড্রেন রয়েছে।

সেই ভূগর্ভস্থ নিকাশি নালায় বহু বছর ধরে পলি জমে। সেই বক্স ড্রেন ডিসিল্টিং কাজ করতে হবে। যাদবপুর থানার সামনে চার রাস্তার মোড়ে চারদিক থেকে নিকাশির জল এসে সেই বক্স ড্রেনে পড়ে। তারপর সেখান থেকে বিবি ১ ক্যানালে গিয়ে নিকাশির জল পড়ে। ফলে সেই বক্স ড্রেন সহ সংলগ্ন সব নিকাশি নালার পরিষ্কার করতে অনেক সময় এবং অর্থ লাগবে। ফলে যার জন্য অন্তত ৬০ কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে বলেই অনুমান বিভাগীয় কর্তাদের।

]]>
কলকাতার জল যন্ত্রণা, পলির পাহাড় কাটছে দেড় হাজার শ্রমিক https://runnerbangla.com/kolkata-stagnant-water-problem-workers-cutting-silt/ Tue, 29 Jun 2021 05:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3064 কলকাতা : কয়েক সপ্তাহ আগের তুমুল বৃষ্টি থেকে শিক্ষা নিল কলকাতা পুরসভা ( KMC )। শহরকে বানভাসি হওয়া থেকে আটকাতে জোর কদমে নিকাশের কাজ শুরু হল। গত কয়েকদিন ধরে শহরের বিভিন্ন বড় বড় রাস্তা এবং পাম্পিং স্টেশন ( Pumping Station ) সংলগ্ন নিকাশি নালার থেকে পলি তোলার কাজ তড়িঘড়ি চালাচ্ছে কলকাতা পুরসভা। যার জন্য নামানো হয়েছে আধুনিক মেশিন। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, শহরের পলি তোলার জন্য ৫০টি ডিসেলন্টিং মেশিন রয়েছে।

সেগুলোকে কাজে লাগানো হচ্ছে। এছাড়াও ম্যানহোল থেকে ময়লা বের করার জন্য রয়েছে বাকেট মেশিন। প্রায় ৩২৫টি এই ধরনের আধুনিক মেশিন রয়েছে কলকাতা পুরসভার হাতে। বর্তমানে করোনা বিধিনিষেধ চালু থাকায় রাস্তায় গাড়ি কম চলছে। যার কারণে এই মেশিনগুলো রাস্তায় বসিয়ে ভূগর্ভস্থ নিকাশি নালার ( Underground Drainage ) ময়লা এবং পলিতলার কাজ চালাচ্ছে কলকাতা পুরসভা। একেকটি ডিসেলন্টিং মেশিন চালাতে ৩-৪ জন শ্রমিকের প্রয়োজন হয়।

অর্থাৎ শহরে দুই শিফটে দিনে-রাতে ৩০০-৪০০ জন শ্রমিক এই মেশিনের সঙ্গে কাজ করছেন। পাশাপাশি বাকেট মেশিন চালাতেও ২-৩ জনের দরকার পড়ে। অর্থাৎ এই ক্ষেত্রেও দুই শিফটে ১৩০০ জন শ্রমিককে দিয়ে কাজ করাচ্ছে কলকাতা পুরসভা। সব মিলিয়ে ১৫০০-১৭০০ শ্রমিক গত এক সপ্তাহ ধরে দিনরাত কাজ করছেন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহ আগে শহরে দিনে গড়ে ১৮০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছিল।

যার জেরে শহরের নিকাশি ব্যবস্থা ( Drainage System ) কার্যত ভেঙে পড়ে। বলা ভালো প্লাবন দেখা দেয় কলকাতায়। টানা তিন থেকে চারদিন জলমগ্ন ছিল শহরের একাধিক অঞ্চল। যেখানে জল জমে না সেখানেও জল ঠায় দাঁড়িয়ে ছিল। যার জেরে তৎপর হয়ে ওঠে কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষ। দেখা যায়, নিকাশি খালের নাব্যতা না থাকার জেরে জল নামেনি। পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ নিকাশি নালার থেকে ঠিকঠাক পলি না তোলায় জল আটকে ছিল।

কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগের এক শীর্ষকর্তা বলেন, সারা বছর আমাদের কাজ চলে। কিন্তু এবার মাত্রাতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। তাই কিছু করা যায়নি। তবে আমাদেরও প্রচুর গলদ রয়েছে। তাই ম্যানহোল থেকে ময়লা আবর্জনা এবং পলি তোলার কাজ আরও বেশি করে করা হচ্ছে। যাতে যতটা সম্ভব ভূগর্ভস্থ নালাগুলি পরিষ্কার রাখা যায়।

এবছর কলকাতা পুরসভা রেকর্ড পরিমাণ করে তুলেছে বলে দাবি করেছেন আধিকারিকরা। কিন্তু তার পরেও নিকাশি ব্যবস্থার ভগ্নদশা প্রকাশ্যে চলে এসেছে। কার্যত প্লাবন দেখা গিয়েছে শহরে। সেখানে তড়িঘড়ি নিজেদের দোষ ঢাকতে এখন ফের ভূগর্ভস্থ ময়লা ও পলি তোলায় জোর দিচ্ছে কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগ।

]]>
পাম্পিং স্টেশনে কাজে গাফিলতির অভিযোগ, বসছে সিসিটিভি https://runnerbangla.com/kmc-pumping-station-work-negligence-complaint-set-up-cctv/ Fri, 25 Jun 2021 15:10:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2918 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : গত কয়েকদিন আগের বৃষ্টিতে কার্যত লেজেগোবরে হয়েছে কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। বিভিন্ন পাম্পিং স্টেশন ( Pumping Station) ঠিকমতো কাজ করেনি বলে অভিযোগ। এর জন্য একাংশের নিচুতলার কর্মীদের গাফিলতি রয়েছে বলেই মনে করছে কলকাতা পুরসভা। যার ফলে নিকাশি বিভাগ এবার কড়া পদক্ষেপ নিল। শহরের ৭৬টি পাম্পিং স্টেশন এ বসতে চলেছে বায়োমেট্রিক ( Biometric ) হাজিরা।

লাগানো হবে নজরদারি ক্যামেরা। অন্তত ২৫০ থেকে ২৭০টি সিসিটিভি ( CCTV ) লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কোথায় কত পাম্প চলছে, কর্মচারীরা ঠিকঠাক কাজ করছেন কিনা সবকিছুই সিসিটিভির মাধ্যমে নজরদারি চলবে। কলকাতা পুরসভার কেন্দ্রীয় ভবনে থাকবে মূল সার্ভার। সেখান থেকে বিভিন্ন পাম্পিং স্টেশনের প্রতিদিনের কাজকর্ম ধরা পড়বে। এছাড়াও নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগ ( Sewerage Department )।

পাম্প চালানো হবে কিভাবে, কতক্ষণ চলবে, স্টেশনে নিকাশি বিভাগের আধিকারিকদের দায়িত্ব কী হবে, সহ মোট ৩৮টি বিষয়ে নিকাশি বিভাগ নতুন নির্দেশিকা বা ‘এস ও পি’ তৈরি করল। এতদিন মান্ধাতার আমলের নির্দেশিকা ছিল নিকাশি বিভাগের। কিন্তু গত সপ্তাহে বর্ষায় জলমগ্ন হয়েছিল শহর। সেই জলমগ্ন কারণ খতিয়ে দেখতে গিয়ে নিকাশি পাম্পিং স্টেশনগুলোর গাফিলতি ধরা পড়েছে। সেই কারণেই “এস ও পি” বা বিশেষ নিয়মাবলী তৈরি করতে বাধ্য হল কলকাতা পুর প্রশাসন।

কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুর প্রশাসকমন্ডলীর সদস্য তারক সিং একটি বৈঠক করেছেন। বিভাগের বিভিন্ন পাম্পিং স্টেশনের সঙ্গে যুক্ত ঠিকাদার এবং তাদের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠকের পরই এই “এস ও পি ” তৈরির সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এছাড়া, আরো বেশকিছু গাফিলতি ধরা পড়েছে মনিখাল পাম্পিং স্টেশনেও বলে বৈঠক সূত্রে জানা গিয়েছে। যে কারণে বেহালা মহেশতলা পর্ণশ্রী ডায়মন্ড হারবার রোডের দুধারে দিনের পর দিন জল জমে ছিল এবং এখনো বেশ কিছু জায়গায় জল জমে রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট পাম্পিং স্টেশন পুর কর্মীদের গাফিলতি, সেচ বিভাগের গাফিলতি এবং রেলের গাফিলতির জন্য যে ওই এলাকার জল নিষ্কাশিত হতে পারছে না তা তিনি মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমকে বিস্তারিত রিপোর্ট দিয়েছেন। প্রত্যেকটি জায়গায় গাফিলতি ধরা পড়েছে বলে তিনি রিপোর্টে জানিয়েছেন। এই গাফিলতির বিরুদ্ধে যাতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয় তা তিনি মেয়রের কাছে রিপোর্টে জানিয়েছেন।

]]>