Municipal Servies Commission – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Thu, 22 Jul 2021 08:53:08 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Municipal Servies Commission – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 EXCLUSIVE : পুর পরিষেবা দেবে কে? দশ বছর নিয়োগ বন্ধ, শূন্য পদ ২৮ হাজার https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-recruitment-stop-26-thousand-vacancy/ Thu, 22 Jul 2021 08:31:02 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4310 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : তৃণমূলের দশ বছরে কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal Corporation ) তৈরি হয়েছে প্রায় ২৮ হাজার শূন্য পদ। সেই স্থায়ী পদে কর্মী নিয়োগ হয়নি। কলকাতা পুরসভার স্থায়ী কর্মী সংখ্যা কমেছে ১৩ হাজার। গত দশ বছরে মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশন ( Municipal Service Commission মারফত স্থায়ী কর্মী নিয়োগ হয়েছে মাত্র ৭০০-৮০০ জন, তেমনটাই কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর। দিনে দিনে বেড়েছে কাজের পরিধি, কমছে কর্মী সংখ্যা। এর জেরে পৌর পরিষেবা পেতে চরম ভোগান্তির মুখে পড়ছেন নাগরিকরা।

কলকাতা কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯-২০২০ অর্থবর্ষে কর্পোরেশনের স্থায়ী পদের সংখ্যা ৪৬১৯১। কিন্তু স্থায়ী কর্মী আছেন মাত্র ১৯০৯৭ জন। তৃণমূল কলকাতা কর্পোরেশনের বোর্ডে আসার পরে ২০১১-২০১২ আর্থিক বর্ষে কর্মী সংখ্যা ছিল ৩২০৯৬ জন। ২০১৫-২০১৬ সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ২৭০২২ জনে। ২০২০-২০২১ অর্থবর্ষে আরো কমে দাঁড়িয়েছে ১৯০৯৭ জনে। অর্থাৎ তৃণমূল বোর্ডের ১০ বছরে ১২৯৭২ জন স্থায়ী কর্মী পদ শূণ্য হয়েছে।

সব মিলিয়ে শূণ্য পদ দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৯৪ জনে। তবে এই বিপুল স্থায়ী শূণ্যপদে নিয়মিত নিয়োগের কোনো পদক্ষেপ নেয়নি কর্পোরেশন। উলটে তাঁদের প্রবণতা বেড়েছে চুক্তিভিত্তিক কর্মী দিয়ে কাজ করানোর। কলকাতা কর্পোরেশনে এক সময় ১০০টি ওয়ার্ড ছিল। পরে বেড়ে ১৪১টি হয়। তারপর আরো তিনটি যুক্ত হয়ে এখন ১৪৪টি ওয়ার্ড। পরিসর বাড়েছ কাজের। শুধু কলকাতা নয় আশপাশের বিভিন্ন পৌর এলাকায় পৌর পরিষেবা দেয় কলকাতা কর্পোরেশন।

কর্মীদের উপর দিনে দিনে বিপুল পরিমান চাপ বেড়েছে। ফলে তাঁরা সব কাজ সম্পূর্ণ ভাবে করে উঠতে পারছেন না অধিকাংশ সময়। কলকাতা কর্পোরেশনের বামফ্রন্ট কাউন্সিলরদের প্রাক্তণ দলনেত্রী রত্না রায় মজুমদার বলেন, তৃণমূল বেকারদের চাকরি দেবে না এটাই তাঁদের নীতি। স্থায়ী পদের কাজ অস্থায়ী কর্মীকে নামমাত্র টাকায় করায়। সামান্য টাকা পাওয়ার জেরে দায়িত্ব নিয়ে অধিকাংশ সময় সেই কর্মীরা কাজ করেন না। করলেও গুনমান ভালো হয় না।

মানুষকে পৌর পরিষেবা পেতে হলে বছর কেটে যায়। একে ওকে দরবার করে দরজায় দরজায় ঘুরেও হয় না। তার প্রমাণ টক-টু-কেএমসি-তে এখনও মানুষের অভিযোগের ঢালি উপচে পড়ছে। এক একজনের উপর একাধিক ওয়ার্ড বা বরোর দায়িত্ব থাকায় সেই বিস্তীর্ণ এলাকায় কাজে নজরদারি করা সম্ভব হয়ে উঠছে না সেই কর্মী বা আধিকারিকের পক্ষে। আর এর জেরেই ঘটে খাল না থাকার পরেও পাম্পিং স্টেশনে পাম্প চালানোর মতো নানা ঘটনা ঘটে চলেছে।

ওই সংশ্লিষ্ট জায়গায় যে খাল বুজে গেছে সেই খরব পর্যন্ত নিকাশি বিভাগের কাছে পৌঁছায়নি। বহু মানুষ প্রতিদিন ওয়ার্ড অফিস বা বরো অফিসে পরিষেবা পাওয়ার জন্য বা সমস্যা নিয়ে এলেও তার রাতারাতি সুরাহা দূরে থাক, দীর্ঘ বছর কেটে গেলেও সেই সমস্যা মিটছে না। স্থায়ী কর্মীর জায়গায় অস্থায়ী কর্মীদের দিয়ে যে কাজ করানো হয়ে সিংহভাগ ক্ষেত্রে তাঁদের কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকে না। জার জেরে ভুগতে হয় সেই নাগরিকদের।

]]>