Municipal Election – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Wed, 28 Jul 2021 09:01:24 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Municipal Election – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 অতীত থেকে শিক্ষা? গত পঞ্চায়েতের কায়দায় পুরভোটে চাইছে না তৃনমূল https://runnerbangla.com/trinamool-congress-reluctant-municipal-vote-like-last-panchayat-election/ Wed, 28 Jul 2021 08:37:40 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4540 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : কলকাতা পুরসভার ( KMC ) সহ রাজ্যের ১২৫টি পুরসভার নির্বাচন ( Municipal Election ) বাকি রয়েছে। নির্বাচন কবে হবে, তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু পুর নির্বাচনে কোন ধরনের গন্ডগোল, রিগিং, জালিয়াতি করা চলবে না। বুথ জাম, বিরোধী প্রার্থীকে মনোনয়ন দাখিল করতে না দেওয়া, এজেন্ট বসতে না দেওয়ার মতো ঘটনা বরদাশ্ত করা হবে না। সম্প্রতি ঘরোয়া বৈঠকের নিজের ঘনিষ্ঠমহলে এমনটাই মনোভাব স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের ( TMC ) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ( Abhishek Banerjee )।

তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রের খবর, বৈঠকে অভিষেক বলেছেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের ( Panchayet Election ) সন্ত্রাসের কুফল পেয়েছিল দল। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভুক্ত হয়েছিল। যার পড়ে প্রায়শ্চিত্ত হয়েছে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে। কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া মোটের ওপর ভোট হয়েছে শান্তিপূর্ণ, অবাধ এবং স্বচ্ছ। নির্বাচন কমিশনের নজরদারিতে এই ভোট নিয়ে বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধীরা কোনও ধরনের অনিয়মের অভিযোগ তুলতে পারেনি। তেমনি ভোট আগামী পুরসভা নির্বাচনে চাইছে দল।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও এই বিষয়ে দলের সাম্প্রতিক বৈঠকে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন বলে তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর। কারণ এই পুরসভা নির্বাচন যদি অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ না হয় তাহলে আগামী ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে তার ফল ভুগতে হতে পারে। প্রয়োজনে কিছু সংখ্যক পুরসভা হাতছাড়া হোক তাতে ক্ষতি নেই। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ পুরসভা তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে থাকবে, তেমনটাই মনে করছে দল। প্রশান্ত কিশোরের আভ্যন্তরীণ সমীক্ষাতেও তেমনটাই উঠে এসেছে। তাছাড়া বিপুল জনপ্রিয়তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন।

ফলের পুরসভা নির্বাচনেও মানুষের সেই রায় খুব একটা এদিক-ওদিক হবার কথা নয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সন্ত্রাসের পথ না ধরলেও চলবে। সেই বার্তাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ মহলে দলের শীর্ষনেতাদের বুঝিয়ে দিয়েছেন। সেই বৈঠকে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী উপস্থিত ছিলেন বলে খবর। কয়েকদিনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন সাংগঠনিক কাঠামো প্রকাশিত হবে। সেক্ষেত্রে নতুনদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন। নির্বাচনে কোন ধরনের সন্ত্রাস দল বরদাস্ত করবে না। যাতে তৃণমূল কংগ্রেসের ভাবমূর্তি নষ্ট না হয়। সেই বিষয়েই সতর্ক দল।

]]>
ভোট নেই-টাকা নেই, ক্রমশ পঙ্গু হচ্ছে কলকাতা পুরসভা https://runnerbangla.com/no-vote-no-money-kolkata-municipal-corporation-gradually-crippled/ Fri, 16 Jul 2021 06:07:23 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4041 কলকাতা : টাকা ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে আটকে যাচ্ছে বহু উন্নয়নের কাজ। রক্ষণাবেক্ষণের কাজ জোড়াতালি দিয়ে চলছে। থমকে গিয়েছে উন্নয়নের গতি। বাজেট না হলে অবস্থার পরিবর্তন হওয়া মুশকিল, বলছেন কলকাতা পুরসভার জনপ্রতিনিধিরা। নিয়ম অনুযায়ী, বরো ইন্টিগ্রেটেড ফান্ডে একটি ওয়ার্ড কিছু ১৫ লাখ টাকা করে দেওয়া হয়। এবং কাউন্সিলার ফান্ডে পাওয়া যায় ২৫ লাখ টাকা।

কিন্তু বর্তমানে ৬ মাসের জন্য সেই টাকা অর্ধেক পাওয়ার কথা। অর্থাৎ বরো ইন্টিগ্রেটেড ফান্ডে ( Integrated Fund ) একটি ওয়ার্ড কিছু সাড়ে ৭ লাখ টাকা পাবে। এবং কাউন্সিলার ফান্ডে পাওয়া যাবে সাড়ে ১২ লাখ টাকা। কিন্তু সেই টাকাও ঠিকমত পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ। প্রাথমিক সিদ্ধান্ত ছিল, বিধানসভা ভোটের পর মাস দু’য়েকের মধ্যেই কলকাতা পুরসভা নির্বাচন করিয়ে নেওয়া হবে। কিন্তু বাধ সেধেছে করোনা সংক্রমণ।

কলকাতা পুরসভা ( KMC ) চালাচ্ছে প্রশাসকমণ্ডলী। এই অবস্থায় বিধানসভা ভোটের আগে ৬ মাসের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট হয়েছিল। যার সময়সীমা শেষ হতে চলেছে সেপ্টেম্বরে। কিন্তু ভোট না হওয়ার জেরে কাউন্সিলার এবং বরো সুসংহত তহবিলে সরাসরি প্রভাব পড়েছে। গতি হারিয়েছে তৃণমূল স্তরের উন্নয়নমূলক কাজকর্ম। দক্ষিণের এক ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটরের কথায়, উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ নেই।

তবে রক্ষণাবেক্ষণে আমরা খামতি রাখছি নেই। যা অভিযোগ আসছে মোটামুটি করে দিতে পারছি। কিন্তু টাকা না থাকার সময় মত কাজ করা যাচ্ছে না। একই বক্তব্য উত্তর কলকাতার এক বরো কো-অর্ডিনেটরের। তিনি বলেন, আমরা এত বছরের জনপ্রতিনিধি। রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চালিয়ে দিতে অসুবিধা হয় না। কিন্তু টাকার অভাবে নতুন করে কিছুতে হাত দেওয়া যাচ্ছে না।

গত বছর থেকে একই পরিস্থিতি। সেপ্টেম্বরে পূর্ণাঙ্গ বাজেট হলে তখন যদি সমস্যার সমাধান হয়। কিন্তু অনেক সময় বরো বা কাউন্সিলার তহবিলের সেই অর্ধেক টাকাও পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলছে বিরোধীরা। বাম ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটর দেবাশিস মুখোপাধ্যায় বলেন, আমরা বরো বা ওয়ার্ড ফান্ডে কত টাকা পাব, তার কোনও বাজেট জানি না। ফলে কোন কাজে কত টাকা বরাদ্দ করব, কিভাবে কাজ হবে, সবটাই ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছে।

বরো সুসংহত তহবিলের টাকা পাওয়া যায়নি। নানা জটিলতার মধ্যে স্থানীয় স্তরে বিভিন্ন কাজ আটকে থাকছে। সমস্যার কথা স্বীকার করে পুরসভার এক শীর্ষকর্তা বলেন, বাজেট হয়নি। ফলে এক লক্ষ বেশি টাকা ছাড়া যাচ্ছে না। টাকা সংস্থান করতেও সময় লাগছে। তাই টাকা কিছু কিছু করে ছাড়া হচ্ছে।

]]>
একুশের লড়াকু তরুণ তুর্কিদের সামনে আনবে তৃনমূল, পুরস্কার পুরভোটেই https://runnerbangla.com/west-bengal-municipal-election-trinamool-priority-youth-fighters-2021-assembly-election/ Fri, 18 Jun 2021 13:06:51 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2648 West Bengal Municipal Election : এবার পুরসভা নির্বাচনেও দলীয় সংগঠন এবং স্বচ্ছ মুখের উপর নজর তৃণমূল কংগ্রেসের ( TMC )। কলকাতা পুরসভা ( KMC ) সহ গোটা রাজ্যে পুরভোট হবে কোভিড ( Covid-19 ) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে। দলের নেতৃত্ব সিধান্ত নিয়েছে, নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়া নেতা, ভাবমূর্তির সমস্যা জনিত নেতাদের সরিয়ে তুলে আনা হবে তরুণ ও স্বচ্ছ মুখের কর্মীদের। একুশের ভোটে যে সব তরুণ তুর্কির লড়াই দলের নজর কেড়েছে, তাদের সামনে নিয়ে আসার সিধান্ত নিয়েছে দল।

ঠিক হয়েছে, আগামী পুরসভার ভোটে এই মুখগুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে কৌশল নির্ধারণ করা শুরু করে দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা প্রশান্ত কিশোর ( Prasant Kisore )। ইতিমধ্যেই ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন এবং আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের জন্যও প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে চুক্তি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসলে রাজ্যে ৫ কর্পোরেশনসহ ১২৭ পুরসভার নির্বাচন হবে।

সে ক্ষেত্রে অস্বচ্ছ ভাবমূর্তির কাউকে প্রার্থী করা হবে না তেমনটা স্থির করে নিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee )। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, বর্তমান জনপ্রতিনিধিদের ভাবমূর্তি এবং লাইফ স্টাইল দেখেই পরবর্তী টিকিট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শহরের একাধিক ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে উত্তর কলকাতার কাশিপুর-বেলগাছিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের দুজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে অভিযোগ বিস্তর।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রাক্তন কাউন্সিলারদের টার্গেট দেওয়া হয়েছিল, নিজস্ব ওয়ার্ড থেকে লিড দিতে হবে। সেই পরীক্ষায় স্টার মার্কস ( Star Marks ) পেয়ে পাশ করেছেন অধিকাংশ কাউন্সিলর। কলকাতা পুরসভা এলাকায় ১১টি ওয়ার্ড বাদে সব ওয়ার্ডে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল। অর্থাৎ এই মুহূর্তে কলকাতা পুরসভা নির্বাচন হলে ১৩৩টি ওয়ার্ডে জিতবে ঘাসফুল। দলের এক শীর্ষ নেতার বক্তব্য, প্রত্যেকটি নির্বাচনের পৃথক প্রেক্ষাপট থাকে।

লোকসভা নির্বাচন বিধানসভা নির্বাচনের সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনের ইসুগত পার্থক্য রয়েছে। সেক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির ভাবমূর্তি অনেকটা বিচার্য। সেই সঙ্গে পুরোপুরি সেবা প্রদানে তিনি কতটা তৎপর সেই বিষয়টি ভোটাররা দেখে। ফলে বর্তমান জনপ্রতিনিধিদের একটা বড় অংশের টিকিট কাটছাঁট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কোথাও বয়স জনিত, কোথাও আবার ভাবমূর্তি জনিত কারণে প্রায় ২০-৩০ শতাংশ মুখ বদল করা হতে পারে।

বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটিতে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর। মনে করা হচ্ছে জুলাই মাসের শেষে কোনও একটি বৈঠক হতে পারে। কিছু ওয়ার্ড এর সাংগঠনিক রদবদল করতে পারে নেতৃত্ব। ফলে বিধানসভা নির্বাচনের মতো কলকাতা নির্বাচনেও তৃণমূল নতুন মুখ তুলে এনে চমক দিতে পারে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।

]]>