Mega Vaccination Center – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Wed, 28 Jul 2021 07:02:01 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Mega Vaccination Center – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 চারদিন পর শুরু হল কোভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ, উপচে পড়া ভিড় https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-covaxin-second-dose-after-4-day/ Wed, 28 Jul 2021 06:36:17 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4530 কলকাতা : ভোর থাকতে ভবানীপুরে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ( Health Center ) বিরাট লাইন পড়ে ভ্যাকসিন সেন্টারে দ্বিতীয় ডোজ নিতে। একই ছবি কলকাতা কর্পোরেশনের উলটো দিকে রক্সি সিনেমা হলের মেগা সেন্টারে। মল্লিক বাজার পার্ক স্ট্রিটে কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal corporation ) একটি টিকাকেন্দ্রেও সেই ছবি ধরা পড়েছে। তবে শিবিরগুলতে শেষের দিকে আধার বা ভোটার কার্ডের প্রতিলিপিতে সিলমোহড় দিয়ে জানানো হয়েছে আগামী দিন এলে তাঁরা আগে টিকা পাবেন।

টুকরো টুকরো এই ছবিগুলি কলকাতার বিভিন্ন টিকাকেন্দ্রে ( Vaccine Center )। চার দিন ধরে বন্ধ ছিল কোভ্যাকসিনের ( Covaxin ) টিকাকরণ। এবার মঙ্গলবার থেকে সেটা ফের শুরু হতেই উপচে পড়েছে ভিড়। টিকা না মেলায় জেলায় জেলায় মানুষের ভোগান্তির চিত্র ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। এবার খাস কলকাতার টিকাকেন্দ্রে সেই চিত্রই ফুটে উঠল। গত চার দিন ধরে কোভ্যাকসিন না থাকায় ৪০টি টিকাকেন্দ্র বন্ধ ছিল।

মঙ্গলবার সকালে এই কেন্দ্রগুলি খোলায় উপচে পড়ল দ্বিতীয় ডোজ ( Second Dose ) নেওয়ার জন্য মানুষের ভিড়। বুধবারেও একই ছবি সকাল থেকে। কোভ্যাকসিন নিয়ে চলছে চরম ভোগান্তি। মাঝে মধ্যেই টিকার অভাবে বন্ধ রাখতে হচ্ছে টিকাকরণ। তবে সঙ্কট আরও চরমে ওঠে গত বৃহস্পতিবার। কলকাতা কর্পোরেশনের টিকার ভাণ্ডারে কোভ্যাকসিন শূণ্য হয়ে যায়। এর জেরে শুক্রবার থেকে কোভ্যাকসিনের সমস্ত কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়।

কলকাতা কর্পোরেশনের তরফে জানানো হয় কবে মিলবে টিকা জানা নেই। টিকা এলে তবেই খোলা হবে কেন্দ্রগুলি। এরপরই দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় থাকা বহু মানুষ অনিশ্চয়তায় ভুগতে থাকেন। এর মধ্যেই টানা চার দিন বন্ধ থাকার পরে সোমবার রাতে রাজ্যের টিকা সংরক্ষন কেন্দ্রে কোভ্যাকসিন ঢোকে। কর্তৃপক্ষ জানায়, মঙ্গলবার থেকে কোভ্যাকসিনের শুধু দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে।

এই শোনামাত্রই কলকাতার বিভিন্ন কোভ্যাকসিন সেন্টারে মঙ্গলবার ভোররাত থাককতে লোকজন লাইন দিতে শুরু করেন। এত দিন ধরে টিকা নেওয়ার জন্য উদগ্রীব মানুষের ভিড়, দীর্ঘ লাইনের চিত্র জেলাগুলিতে সামনে এসেছে। তবে এদিন সেই চিত্রই কলকাতার কোভ্যাকসিন সেন্টারগুলির সামনে দেখা গেলো। এক রাশ উদ্বেগ উৎকন্ঠা নিয়ে কাক ভোর থেকে লাইনে অপেক্ষা দ্বিতীয় ডোজের।

অনেক জায়গায় টুকটাক বচসা আবার কোথাও দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়েও টিকা না মেলায় ফিরে যাওয়ার ক্ষোভ জানাতে দেখা গেছে সাধারণ মানুষকে। এদিন এই উপচে পড়া ভিড় দেখে প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim ) বলেন, মানুষকে ধৈর্য রাখতে বলছি। আমাদের হাতে যথেষ্ট পরিমান টিকা এসে পৌঁছেছে। যাঁরা কোভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় ধাপে ধাপে সকলেই পাবেন।

কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, এই মহুর্তে ৭৫ হাজার মানুষ কোভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজের প্রাপক। ফলে প্রতি শিবিরেই উপচে পড়ছে ভিড়। তবে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বেশ কিছু লোকজনকে কুপন দেওয়া হয়েছে। আধার কার্ড বা ভোটার কার্ডে সিলমোহড় দিয়ে। সেই কাগজ আজ বুধবার দেখালে আগে তাঁদের দেওয়া হবে। টিকাকরণ কেন্দ্রগুলিতে মোতায়ন করা হচ্ছে পুলিশ। তাঁরাই ভিড় সামলাবেন। কুপন পরীক্ষাও করবেন।

]]>
ভিড়ের চাপে হিমশিম পুরসভা, টিকাকেন্দ্রে এবার কুপন https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-applicable-coupon-corona-vaccination-center/ Mon, 26 Jul 2021 09:10:21 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4488 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : টিকাকরণ কেন্দ্রে মাত্রাতিরিক্ত ভিড় এবং গন্ডগোল এড়াতে এবার কলকাতায় চালু হল কুপন ( Coupon )। আজ সোমবার থেকে শহরের মেগা টিকা সেন্টারে কুপন দেওয়া শুরু করেছে কলকাতা পুরসভা। সেইসঙ্গে কুপন যাচাইয়ের জন্য থাকবে পুলিশি পাহারা। কলকাতা পুরসভা বিভিন্ন থানার সঙ্গে কথা বলে পুলিশ পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। বর্তমানে কলকাতা পুরসভার ( KMC ) বিভিন্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে টিকাকরণের পাশাপাশি ১৮টি মেগা সেন্টারে ( Mega Center) টিকা দেওয়া হচ্ছে।

সেই মেগা সেন্টারের ( Mega Center ) ভিড় সামলাতে কুপন ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত সেখানে চালু করা হবে। এরপর আগামী দিনে অন্যান্য পুরো স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ( Health Center ) ও টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে কুপন চালুর ইচ্ছা রয়েছে পুরো কর্তৃপক্ষের। তবে সেটা শুধুমাত্র প্রথম ডোজের টিকার ক্ষেত্রেই। দ্বিতীয় রোগের টিকা এমনি পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুরসভা। বর্তমানে পুরসভার হাতে ভ্যাকসিন নেই।

সেই কারণে ৩৯টি কোভাক্সিন টিকাকরণ ( Covaxin Vaccination ) কেন্দ্রে টিকা দেওয়া বন্ধ রয়েছে। কোভিশিল্ড ( Covishield ) রয়েছে নামমাত্র। সোমবার নতুন টিকা আসার কথা। সেক্ষেত্রে টিকা আসলে দ্বিতীয় ডোজ প্রাধান্য দিয়ে দেওয়া হবে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত টিকা মিলবে। পরের দিনের জন্য কুপন দিয়ে দেওয়া হবে। কুপন মিলবে শুধুমাত্র প্রথম রোজার জন্য। এক্ষেত্রে আধার কার্ড এবং ভোটার কার্ডের আসল এবং ফটোকপি নিয়ে আসতে হবে।

তার ওপর স্টাম্প দিয়ে দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে কুপন জালিয়াতির উঠতেও ব্যবস্থা নিয়েছে পুরসভা। ব্যবহার করা হচ্ছে স্থানীয় থানা কে। মেগা সেন্টারের বাড়ি থাকবে পুলিশ। ভীর সামলানো থেকে শুরু করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুরসভা। সে ক্ষেত্রে কুপন যাচাই করে সেন্টারে ঢোকাবে পুলিশ। কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, সোমবারের মধ্যে কোভ্যাকসিন এবং আসার কথা।

কিন্তু সেটা আসলেও দেওয়া হবে শুধুমাত্র দ্বিতীয় ডোজ। কারণ পর্যাপ্ত টিকা নেই। কিন্তু কোভিশিল্ড স্বাভাবিক নিয়মেই দেয়া হবে। টিকা না থাকার কারণে ভিড় হচ্ছে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাইরে এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। সেই কারণেই কুপন ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন। কলকাতায় ইতিমধ্যেই ৬১ শতাংশ মানুষকে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দ্বিতীয় টিকা পেয়েছেন মাত্র ২১ শতাংশ মানুষ। কলকাতা পুরসভাকে এখনো পর্যন্ত দু লক্ষ টাকার দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে। যার মধ্যে শুধুমাত্র কোভ্যাকসিন লাগবে ৭৫০০০।

]]>
টিকা নিয়ে ছেলেখেলার চূড়ান্ত, উধাও কোভ্যাকসিন https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-covaxin-vaccine/ Sat, 24 Jul 2021 05:59:01 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4399 #কলকাতা : কোভ্যাকসিন ( Covaxin ) ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না। এবার কোভ্যাকসিন কলকাতা কর্পোরেশনের হাতে এলে শুধুমাত্র দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। এই ভ্যাকসিনের আর প্রথম ডোজ দেওয়া হবে না। তেমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। পাশাপাশি, কোভ্যাকসিন সেন্টার বন্ধ থাকার পরে হোয়াটসঅ্যাপ বিওটি বুকিং দিনও পরিবর্তন করেছে কলকাতা কর্পোরেশন।

এপ্রসঙ্গে এদিন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim ) জানিয়েছেন, কোভ্যাকসিন রাজ্যের হাতে নেই। কলকাতা পুরসভার তাই এই টিকা দিতে পারছে না। বহু মানুষ সংকটে পড়েছে। কেন্দ্র কবে টিকা দেবে আমি জানি না। কোভ্যাকসিন যদি শনিবার রাতে আসে তাহলে সোমবার থেকে আবার দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু তা নিয়ে কোনও নিশ্চয়তা নেই।

তবে এদিন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কলকাতার যে ১৮ টি মেগা সেন্টার রয়েছে, সেখানে সকাল থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত টিকা দেওয়া হয়ে গেলে পরের দিনের টিকার জন্য কুপন দিয়ে দেওয়া হবে। তবে সেই কুপনেও জালিয়াতি হতে পারে বলে আশঙ্কা তাঁর। তাই যাদের কুপন ইস্যু করা হবে, তাঁদের অরিজিনাল ভোটার কার্ড এবং আধার কার্ড এবং সেগুলির ফটোকপি আনতে হবে।

সেগুলিতে স্ট্যাম্প মেরে দেওয়া হবে। প্রত্যেকটি মেগা সেন্টারে ( Mega Center ) পুলিশ মোতায়েন থাকবে। থানা গুলিকে ওই সেন্টারগুলিতে পুলিশ মোতায়েনের জন্য বলা হয়েছে। পুলিশ এই কুপন দেখে তবেই টিকা দিতে দেবে। ভিড় নিয়ন্ত্রণ এর জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কলকাতা শহরে বাকি যে ১৪৮ টি সেন্টার রয়েছে সেখানে যদি প্রয়োজন হয় তাহলে কুপন ইস্যু করা হবে।

তবে এখন আপাতত মেগা সেন্টারগুলোতে কুপন ইস্যু করা হবে। পাশাপাশি, হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে টিকা নিতে গেলে রয়েছে নির্দিষ্ট বুকিং নম্বর। কোভ্যাকসিন না থাকায় ইতিমধ্যেই অনির্দিষ্টকালের জন্য শহরের ৩৯টি কোভ্যাকসিন টিকাকেন্দ্র বন্ধ রেখেছে কলকাতা পুরসভা। এবার সেই হোয়াটস্যাপ নম্বরের বুকিং করার সময়েরও পরিবর্তন নিয়ে আসা হল।

রক্সি সিনেমা হল, সাউথ সিটি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এবং সেন্ট জেভিয়ার্সের মেগা সেন্টারে টিকা নেওয়ার জন্য ২১ জুলাইয়ের বুকিংয়ের বদলে ২৬ জুলাই থেকে বুকিং শুরু হবে। অন্যদিকে, সাউথ সিটি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ২৩ জুলাই যে বুকিং রয়েছে, সেগুলি ২৭ জুলাই স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে, দিনের পরিবর্তন হলেও সময়সূচী একই রকম থাকছে। যার বুকিং যে সময়ে ছিল তিনি সেই সময়ে আসতে পারবেন বলেই জানাচ্ছে কলকাতা পুরসভা।

]]>
টিকা নেই, চারদিন ধরে বন্ধ পুরসভার ভ্যাকসিন পরিষেবা https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-close-covid-vaccination/ Sat, 10 Jul 2021 13:39:29 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3721 #কলকাতা : শুক্রবার এবং শনিবার করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ দিচ্ছে কলকাতা পুরসভা। কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণে টিকা না থাকার কারণে খুব স্বল্প সংখ্যক নাগরিককেই দ্বিতীয় টিকা দেওয়া গিয়েছে। অন্যদিকে আগামীকাল রবিবার ছুটির দিনে সব রকমের টিকাকরণ ( Vaccination ) বন্ধ রাখে কলকাতা পুরসভা ( KMC )। সোমবার রথযাত্রা উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় সেইদিনও টিকা দেওয়া হবে না।

ফলে এমত অবস্থায় চার দিন ধরে নাগরিকদের প্রথম ডোজ বন্ধ রাখছে কলকাতা পুরসভা। স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয়ে গিয়েছে ব্যাকলগ। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ভ্যাকসিনের অপ্রতুলতা চলছে। সেই কারণে শহরে বিভিন্ন কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ( Health Center ) ঠিকঠাক ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে না। কলকাতা পুরসভা জানাচ্ছে, প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ মিলিয়ে মোট ৩৫ লক্ষ টিকাকরণ হয়েছে শহরে।

প্রতিদিন ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ জনকে টিকাকরণ করার পরিকাঠামো থাকলেও টিকা নেই। শুধুমাত্র দ্বিতীয় ডোজ লাগবে অন্তত ২৭ লক্ষ নাগরিকের। কিন্তু টিকা না থাকায় সেটাও সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং মেগা সেন্টার মিলিয়ে ১৯৪টি জায়গায় টিকা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু শুক্র এবং শনিবার দ্বিতীয় ডোজের জন্য স্পেশাল ড্রাইভ পুরসভা দিয়েছিল সেটা সাফল্য পায়নি।

টিকার অপ্রতুলতার কারণে মাত্র ১০০টি সেন্টারে টিকা দেওয়া গিয়েছে। তাও সেন্টার পিছু টার্গেট ছিল অন্তত ২০০ জনকে দ্বিতীয় টিকা দেওয়া হবে। সেখানে কোথাও ৫০ জন কোথাও আবার ১০০ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে শহর কলকাতায় টিকাকরণ এর গতি ফের শ্লথ হয়েছে। বর্তমানে কলকাতা পুরসভার হাতে মাত্র সাড়ে পাঁচ লক্ষ টিকা আছে। রোজ ৫০ হাজারের টিকাকরণের টার্গেট নিয়ে এলে তা দিন কয়েকের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে।

সেই কারণেই অল্প অল্প করে নাগরিককে টিকা দেওয়া হচ্ছে বলে জানাচ্ছে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ। কলকাতা পুরসভার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুব্রত রায় চৌধুরী বলেন, আমরা অপারগ। পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন নেই। ফলে গত ১০ দিন আগেও দিনে ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা দেওয়া গিয়েছিল। সেখানে এখন দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১০-১২০০০ মানুষকে। শুনেছি দিন কয়েকের মধ্যেই টিকার বড় প্যাকেজ এই রাজ্যে আসবে। সেটা মিললে ফের টিকাকরণ গতি পাবে।

]]>
টিকির দেখা নেই দ্বিতীয় টিকার, ক্ষুব্ধ বাজার ব্যবসায়ীরা | Covid Vaccine https://runnerbangla.com/kmc-vaccine-second-dose-crisis-business-organization-enraged/ Sat, 10 Jul 2021 04:00:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3685 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : সুপার স্প্রেডারদের টিকাকরণের ‘ভ্যাক্সিনেশন অন হুইলস’ ( Vaccination on wheels ) এর ব্যবস্থা করেছে কলকাতা পুরসভা ( KMC )। শহর জুড়ে বিভিন্ন বাজারে দুটি বাস প্রতিদিন বিভিন্ন দোকানদার এবং কর্মচারীদের প্রথম ডোজ দিচ্ছে। মাসখানেক ধরে সেই প্রক্রিয়া চলার পর এবার দ্বিতীয় ডোজ পাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। কিন্তু কলকাতা পুরসভা জানিয়ে দিয়েছে বাস পাঠিয়ে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া সম্ভব নয়। পরবর্তী টিকা কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ( Health Center ) গিয়েই নিতে হবে।

এমত অবস্থায় বাজারের দোকানদারদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়ে কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে ব্যবসায়ী সংগঠন ( Business Organization )। প্রথম ডোজ সহজে পাওয়ার পর দ্বিতীয় ডোজ পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলেই দাবি ব্যবসায়ীদের। গত ৩ জুন থেকে শুরু হয়েছে ভ্যাকসিনেশন অন হুইলস। কলকাতা পুরসভা এবং রাজ্য পরিবহণ দপ্তরের ( Department Of Transportation ) যৌথ উদ্যোগে দুটি শহরের বিভিন্ন বাজারে গিয়ে সেখানকার দোকানদার এবং কর্মচারীদের টিকা দিচ্ছে।

মূলত ব্যবসায়ী সংগঠনের অনুরোধে এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক তথা রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )। যথেষ্ট সাড়াও মিলেছে। ইতিমধ্যেই শহরের প্রায় ৭০-৮০টি বাজারে টিকাকরণ হয়েছে। পোস্তা বাজারে দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছিল। এই কর্মসূচিতে প্রায় ১৫০০০ নাগরিক ইতিমধ্যেই টিকা নিয়েছেন। প্রথমদিকে কোভিশিল্ড কয়েকটি বাজারে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে কোভিশিল্ডের অপ্রতুলতার জন্য কোভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়।

এখনো তাই হচ্ছে। এখানেই তৈরি হয়েছে সমস্যা। কবি শিল্পের ক্ষেত্রে ৮৪ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ। ফলে সেখানে হাতে অনেকটা সময় পাচ্ছেন গ্রহীতা। কিন্তু কোন ভ্যাকসিন এর ক্ষেত্রে ২৮-৪০ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে। কিন্তু কলকাতা পুরসভা জানিয়ে দিয়েছে বাজারে বাজারে গিয়ে বাস পাঠিয়ে আর দ্বিতীয় দোষ দেওয়া সম্ভব নয়। কলকাতা পুরসভার মার্কেট বিভাগ এটি পরিচালনা করছে। মার্কেট বিভাগ সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই ব্যবসায়ী সংগঠনের তরফ থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল।

কিন্তু তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুরসভার সিদ্ধান্ত বাস পাঠিয়ে দ্বিতীয় দোষ দেওয়া হবে না। দ্বিতীয় ডোজ নিতে হলে কলকাতা পুরসভার সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে নিতে হবে। এখানেই তৈরি হয়েছে সমস্যা। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, কাজ ফেলে রেখে ভ্যাকসিন সেন্টারে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন দেওয়া সম্ভব নয়। তাছাড়া এখন যখন সরকার দ্বিতীয় দলের ওপর জোর দিচ্ছে, তাহলে নতুন করে বাজারে প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ রাখা হোক।

যাদের দ্বিতীয় ডোজ বাকি সেই বাজারে ফের বাস পাঠিয়ে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হোক। ফেডারেশন অফ ট্রেডার্স অরগানাইজেশন অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল অন্যতম কর্মকর্তা সুভেন্দু ঘোষ বলেন, কলকাতা পুরসভার তরফ থেকে জানানো হয়েছে সেন্টারে গিয়ে ভ্যাকসিন দিতে হবে। কিন্তু শহরে কোভ্যাকসিন সেন্টার মাত্র ৩৮টি। সেখানে প্রচুর লোকের লাইন করছে সকাল।

এই অবস্থায় পুর কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের আরজি, প্রয়োজনে শহরের অন্যান্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নির্দিষ্ট করে বাজারের দোকানদাদের জন্য কয়েকটা দিন পৃথকভাবে টিকাকরণের ব্যবস্থা করা হোক। কলকাতা পুরসভার বাজার বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত মুকুল রঞ্জন বারুই বলেন, প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে বাজারের বাস পাঠিয়ে দ্বিতীয় দোষ দেওয়া হবে না। পরবর্তী ক্ষেত্রে ব্যবসায়ী সংগঠনের বক্তব্য নিয়ে আলোচনা হবে। সেন্টারে গিয়ে বিনামূল্যে তাঁরা চাইলেই ভ্যাকসিন নিতে পারেন।

]]>
টিকার অভাবে বাড়ছে মানুষের ক্ষোভ, কেন্দ্রকে দূষছে রাজ্য https://runnerbangla.com/kmc-vaccine-crisis-west-bengal-blames-central-govt/ Fri, 09 Jul 2021 14:34:22 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3660 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : টিকা নেই। যার জেরে ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে আম জনতাকে। টিকা নিতে নাজেহাল অবস্থা নাগরিকদের। কেউ মাঝরাত থেকে তো কেউ ভোর থেকে লাইন দিচ্ছেন। কিন্তু যোগান না থাকায় কলকাতা পুরসভা টিকা দিতে ব্যর্থ। শেষমেষ টিকা না থাকায় ফিরে যেতে হবে শুনেই ক্ষোভে ফেটে পড়ল মানুষ। এমনি ঘটনা ঘটেছে যাদবপুরে ১০১ নম্বর ওয়ার্ডে। সেখানে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ( Health Center ) বাইরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা।

তাঁদের দাবি, রাত একটা-দুটো থেকে লাইন দিয়ে টিকা পাওয়া যায়নি। বলে দেওয়া হয়েছে টিকা নেই ফলে দেওয়া সম্ভব নয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা পুরসভার ( KMC ) মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের ঘাড়ে দায় চাপিয়েছেন। কয়েকদিন আগে মানিকতলাতেও টিকা নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বাইরে বিক্ষোভ দেখা গিয়েছিল। এবার যাদবপুরের ফুলবাগানে একই ঘটনা। মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে লাইন দিয়ে অনেক সময়ই টিকা না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে।

টিকার অভাবে প্রথম ডোজ বন্ধ রেখে শুধু দ্বিতীয় ডোজ দিচ্ছে কলকাতা পুরসভা। টিকা নিয়ে মানুষের মধ্যে চাহিদা বাড়লেও যোগান দিতে ব্যর্থ হচ্ছে কলকাতা পুরসভা। এদিন টিকাকরণ প্রসঙ্গে ফিরহাদ জানিয়েছেন, প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ মিলিয়ে মোট ৩৫ লক্ষ টিকাকরণ হয়েছে শহরে। প্রতিদিন ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ জনকে টিকাকরণ করার পরিকাঠামো থাকলেও টিকা নেই। কেন পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রের সরকার টিকা দিচ্ছে না জানি না।

মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, উত্তর প্রদেশ, ঝাড়খণ্ড টিকা নষ্ট করলেও পাচ্ছে। বাংলা সেখানে এটি ভায়াল থেকে ১০জনের জায়গায় ১১জনকে দিচ্ছে। আমাদের রাতে টিকা নিয়ে আসা বিমানের মুখাপেক্ষি হয়ে থাকতে হচ্ছে। সব জেলাকে স্বাস্থ্য দপ্তর ভাগ করে দিচ্ছে। ফলে কেন্দ্রীয় সরকার সঠিকভাবে টিকার জোগান দিচ্ছে না বলেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )।

শুক্রবার এবং শনিবার কলকাতা পুরসভার সব মেগা সেন্টার ( Mega Center ) ও সমস্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে শুধুই দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। এরপর থেকে আগের দিন জানিয়ে দেওয়া হবে কোন কেন্দ্রে কত টিকা, তেমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্যবিভাগ। আগামী দিনে নাগরিক বিক্ষোভ সামলাতে এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। কোন কেন্দ্রে কত টিকা দেওয়া হবে আগের দিন জানিয়ে দেওয়া হলে খামোখা লোকজন লাইনে দাঁড়াবেন না। ফলে বিক্ষোভও হবে না।

]]>
১৮ উর্ধ্বদের টিকাকরণ চলছে গোপনে, উদ্দেশ্য নিয়ে উঠছে প্রশ্ন https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-secretly-vaccination-18-year-olds/ Mon, 28 Jun 2021 09:00:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3037 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : শহরের চুপিচুপি চলছে ১৮ উর্দ্ধদের টিকাকরণ ( Vaccination )! হ্যাঁ একদম নিঃশব্দে কলকাতা পুরসভা ( KMC ) ইতিমধ্যেই জেনারেল ক্যাটাগরির যুব প্রজন্মের টিকাকরণ শুরু করে দিয়েছে। তবে এখনই সেটা সরকারিভাবে ঢাকঢোল পিটিয়ে বলতে নারাজ কলকাতা পুরসভার কর্তারা। গত তিন চার দিনে টিকাকরণ কর্মসূচিতে বড়োসড়ো লং জাম্প দিল কলকাতা পুরসভা। দিনে গড়ে ৬০ হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়েছে টিকাকরণ।

সরকারিভাবে না বললেও ১৮ ঊর্ধ্বদের টিকাদান ( 18 Year Old Vaccination ) এর পেছনে রয়েছে জানাচ্ছে কলকাতা পুরসভার পুর স্বাস্থ্য বিভাগ। সরকারিভাবে ঘোষণা করে সূচনা না হলেও আপাতত শহরের ১৬টি বরো থেকে ২টি করে ওয়ার্ড বেছে নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ৩২টি ওয়ার্ডের চলছে ১৮ ঊর্ধ্বদের টিকাদান। সুপার স্প্রেডারদের সঙ্গেই জেনারেল ক্যাটাগরিতে যুবক-যুবতীদের টিকাদান করছে। ঠিক ছিল, ২১ জুন থেকে যুব প্রজন্মের টিকাকরণ শুরু করে দেওয়া হবে।

কিন্তু কোনো এক অজ্ঞাত কারণে পুরো প্রক্রিয়া পিছিয়ে যায়। তবে চুপিচুপি শহরের নির্দিষ্ট কয়েকটি ওয়ার্ডে জেনারেল ক্যাটাগরিতে যুব প্রজন্মকে টিকা দেওয়া হচ্ছে। যা শুরু হয়েছিল ভবানীপুর বিধানসভার ৯ নম্বর বরো দিয়ে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই বিধানসভার উপনির্বাচন। তার আগে ওই অঞ্চলের যুব প্রজন্মকে টিকার আওতায় নিয়ে আসতে উদ্যোগী কলকাতা পুর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কেন এই নিস্তব্ধতা? তা নিয়ে অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খুলতে নারাজ কলকাতা পুরসভার প্রশাসক বোর্ডের সদস্যরা।

কিন্তু স্বাস্থ্য বিভাগে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে আসল কারণ। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্যবিভাগের এক শীর্ষকর্তা বলেন, বর্তমানে টিকার যোগান কম। আমরা সব যুবক যুবতীদের টিকা দিতে পারব না। সেই কারণেই চুপচাপ টিকাকরণ চলছে। এই অবস্থায় নির্দিষ্ট কিছু মেগা সেন্টার বেছে নেওয়া হয়েছে। যেখানে জেনারেল ক্যাটাগরির ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির দেওয়া তালিকা গুরুত্ব পাচ্ছে।

যারা টিকা নিতে ইচ্ছুক তাঁরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা যোগাযোগ করলে তাঁদের মেগা সেন্টারে পাঠিয়ে দেওয়া। কলকাতা পুরসভার তথ্য বলছে, গত ২১ জুনের আগে শহরে দৈনিক ন্যূনতম ১৭-১৮০০০ থেকে ২৩-২৪০০০ মানুষকে টিকা দেওয়া হতো। তারপর সেই সংখ্যাটা ৫০০০০ ছাড়িয়েছে। বর্তমানে গত শনিবার সেই সংখ্যা ছিল দৈনিক ৬২০০০। হঠাৎ করে এই বিপুল সংখ্যক টিকাকরণ বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ যুব প্রজন্মকে টিকাদান। আগামী জুলাই মাস থেকে রীতিমতো ঘোষণা করে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সিদের টিকা দেওয়া শুরু করে দেবে কলকাতা পুরসভা।

]]>
আঠারোর টিকাপ্রাপ্তি মসৃণ করতে তোড়জোড় পুরসভার https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-conduct-smooth-vaccination-process-18-years-or-above-aged-people/ https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-conduct-smooth-vaccination-process-18-years-or-above-aged-people/#respond Mon, 26 Apr 2021 15:11:19 +0000 https://runnerbangla.com/?p=702 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : আগামী ৫ মে থেকে শহরের শুরু হচ্ছে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের টিকাকরণ। সেই গণ টিকাকরণ প্রক্রিয়া যাতে মসৃণভাবে চলে, তার জন্য নতুন ১০টি মেগা টিকাকরণ কেন্দ্র বা মেগা ভ্যাকসিনেশন সেন্টার খুলছে কলকাতা পুরসভা। ১ মে থেকে অন্তত ২-৩টি এবং ৫ মে’র পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে মোট ১০টি এই ধরনের মেগা ভ্যাকসিনেশন সেন্টার খোলা হবে।

সেই মেগা সেন্টারগুলোতে মূলত ১৮ বছর বা তার ঊর্ধ্ব থাকা নাগরিককে টিকা দেওয়া হবে। বর্তমানে কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৪২টি ওয়ার্ডের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকাকরণ চলছে। দৈনিক টিকাকরণের সংখ্যা ২২ হাজার ছুঁই ছুঁই। বর্তমানে ৪৫ বছর বা তার ঊর্ধ্বদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সরকারের নতুন নীতি অনুযায়ী ১ মে থেকে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের নাগরিককে টিকার আওতায় নিয়ে আসা হবে।

কলকাতা পুরসভা ৫ মে থেকে সেই টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু করছে। কিন্তু সেই চাপ সামলাতে শহরের ১৬টি বরোয় থাকা বিভিন্ন অডিটোরিয়াম এবং কমিউনিটি হলগুলিকে মেগা ভ্যাক্সিনেশন সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে কলকাতা পুরসভা। অহীন্দ্র মঞ্চ, মধুসূদন মঞ্চ, উত্তম মঞ্চ, মোহিত মঞ্চ, ফনীভূষন যাত্রা মঞ্চ সহ উত্তর-দক্ষিণ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা একাধিক অডিটোরিয়াম এবং বৃহৎ কমিউনিটি সেন্টারগুলি নজরে রয়েছে কর্তৃপক্ষের।

যেখানে ৪০০-৫০০ জনের বসার ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়। এই প্রসঙ্গে কলকাতা পুরসভার মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডক্টর সুব্রত রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, একসঙ্গে প্রচুর মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। তাই, বড় জায়গা দরকার। আমাদের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলি আকারে অনেকটাই ছোট। তাই প্রেক্ষাগৃহ বা কমিউনিটি হল নিয়ে মেগা সেন্টার তৈরি করা হচ্ছে।

এই মেগা ভ্যাক্সিনেশন সেন্টারগুলোতে নাগরিকেরা বসে বিশ্রাম নিতে পারবেন। থাকবে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানীয় জলের ব্যবস্থা। এই মেগা ভ্যাক্সিনেশন সেন্টারগুলো চালাতে নিজেদের ৫৭৬ জন সাম্মানিক স্বাস্থ্যকর্মীকে কাজে লাগাতে চাইছে পুরসভা। তাঁদের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করতে স্বাস্থ্য ভবনকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

]]>
https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-conduct-smooth-vaccination-process-18-years-or-above-aged-people/feed/ 0