Mamata Banerjee – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Sat, 07 Aug 2021 09:26:01 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Mamata Banerjee – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 মমতাকে নজিরবিহীন আক্রমণ দিলীপের,’মানুষের দুর্দশায় ওনার ছবি হয়’ https://runnerbangla.com/dilip-ghosh-unprecedented-attack-mamata-banerjee-west-bengal-flood/ Sat, 07 Aug 2021 09:25:57 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4616 রানার প্রতিবেদন : মানুষের দুর্দশা নিয়ে বিন্দুমাত্র চিন্তিত নয় তৃণমূল সরকার। প্রতিবছর বন্যা আসে বিপর্যয়ের কবলে পড়ে রাজ্যের সাধারণ মানুষ। সরকার ১০ বছর ধরেই সমস্যা নিয়ে উদাসীন। এই অভিযোগ রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের । আজ দিল্লি থেকে ফিরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। সেখানেই তিনি বলেন, প্রতিবছর বন্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জলে দাঁড়িয়ে ছবি তুলবেন, তার ছবি তোলা হয়ে গেলে তিনি ফিরে চলে যান।

মানুষের দুর্দশা হলে উনি ছবি তোলার সুযোগ পান। এই তীর্যক মন্তব্য করে, দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, কপালেশ্বর নদী সংস্কারের জন্য মানস ভুঁইয়া নিজে সেচ মন্ত্রী থাকাকালীন কেন্দ্রের কাছ থেকে টাকা নিয়ে এসেছিলেন। সেই টাকা কোথায় গেল? কেন কপালেশ্বরি নদীর সংস্কার হলো না? তার জবাব মানুষ ভূঁইয়াকে দিতে হবে। তিনি বলেন, কেন্দ্র থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা আসছে, কোথায় খরচ হচ্ছে, কিভাবে খরচ হচ্ছে, কোন হিসেব নেই।

শুধু বন্যায় মানুষ তলিয়ে যাওয়ার পর রাজ্য সরকারের হাহুতাশ সামনে আসে। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ শুরু হয়। অথচ ডিভিসি কোনওদিন একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়ে জল ছাড়ে না। তারা রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেয়, কত কিউসেক জল ছাড়া হবে , কখন ছাড়া হবে। সুতরাং যখন বিপর্যয় নেমে এলো তখন নিজেদের ঘাড় থেকে দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়ার ফিকির খুঁজতে গিয়ে টেনে আনলো ডিভিসি কে।

দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস ১০ বছর ধরে ক্ষমতায়। তারা এখনো পর্যন্ত কোনো কাজই করেনি বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে। এখন দেব বলছে তিনি করবেন । সাত বছর পেরিয়ে গেল তিনি দেখেননি কি পরিস্থিতি চলছে বাংলায়। তার পর দিলীপ ঘোষের বক্তব্য তৃণমূল কংগ্রেস এখন বলছে, মমতা ব্যানার্জি মমতা মুখমন্ত্রী থেকে প্রধানমন্ত্রী হয়ে গেলে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ, “সাত মন তেলও পুড়বে না, রাধাও কোনদিনও নাচবে না।”

]]>
মোদি বিরোধী মঞ্চের উদ্যোগ, মমতা – সোনিয়া বৈঠকে নয়া সমীকরণের ইঙ্গিত https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-sonia-gandhi-meeting-indicates-anti-narendra-modi-alliance/ Wed, 28 Jul 2021 15:33:12 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4552 #কলকাতা : দীর্ঘ প্রায় তিন বছরের ব্যবধানে সোনিয়া গান্ধী ( Sonia Gandhi ) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক। স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে নানা রকম জল্পনা। তাহলে কি শেষ পর্যন্ত কাছাকাছি আসছে তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC ) এবং জাতীয় কংগ্রেস ( INC )? সেই প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে রাজ্য তথা জাতীয় রাজনীতিতে। বুধবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ ১০ নম্বর জনপথে সোনিয়া গান্ধীর বাড়িতে যান তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee )।

মনে করা হচ্ছে মোদি বিরোধী জোটের রণকৌশল স্থির করতে দুই হেভিওয়েট রাজনীতিবিদের এই বৈঠক। বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস এবং বামেদের জোট তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্কে ফাটল ধরিয়ে ছিল। কিন্তু দীর্ঘ পুরাতন সোনিয়া গান্ধী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত সম্পর্ক আগে যেমন ছিলে এখনও তেমন আছে। এদিন দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, মোদি বিরোধী ঐক্যবদ্ধ জোট তৈরি করতে হবে।

সেক্ষেত্রে জোটের মুখ কে তারপরে নির্ধারণ হবে। তার আগে সকলের সঙ্গেই তিনি আলোচনা করতে চান। সেই লক্ষ্যেই সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক। সোনিয়া গান্ধী নিজেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে ব্যক্তিগতভাবে যথেষ্ট পছন্দ করেন। তার উপর বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি কে যেভাবে দূর্মুস করেছে তৃণমূল কংগ্রেস সেক্ষেত্রে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের প্রতি সোনিয়া গান্ধীর ভরসা আরো বেড়েছে।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই বৈঠকের পর কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পর্ক আগের মতন ভালো হবে। সম্প্রতি সংসদে রাহুল গান্ধীর ডাকা বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেস উপস্থিত ছিল না। কিন্তু সংসদে বিভিন্ন ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ লড়াই করেছে তৃণমূল এবং কংগ্রেস। সেই বন্ধুত্বে এবার সরকারি সীলমোহর পড়তে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। সোনিয়া এবং মমতার বৈঠকের পর তাহলে কি ফের কাছাকাছি আসবে তৃণমূল এবং কংগ্রেস।

আবারো একত্রে হাত এবং ঘাসফুল জোট করবে, এই নানা প্রশ্ন যখন ঘোরাফেরা করছে রাজনৈতিক মহলে। বৈঠক সূত্রে খবর, সোনিয়া গান্ধী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে তার বিপুল জয় এর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এবং যেভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী জোট তৈরি করতে তৎপর তাতে নিজের সহমত পোষণ করেছেন কংগ্রেস সভানেত্রী। সেক্ষেত্রে আগামী দিনে বিরোধী জোটের রণকৌশল কি হবে, সহমতের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক এজেন্ডা কি হবে, সেই সব নিয়েই একপ্রস্থ সোনিয়ার সঙ্গে মমতার বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলেই তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর।

]]>
পেগাসাস কাণ্ডে বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিলেন মমতা https://runnerbangla.com/west-bengal-cabinet-mamata-banerjee-order-judicial-inquiry-pegasus-case/ Mon, 26 Jul 2021 07:59:23 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4478 রানার ডেস্ক : রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিধান্ত নেওয়া হলো, পেগাসাস ( Pegasus ) কাণ্ডে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা হবে। আজ ক্যাবিনেট বৈঠক শেষে, মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, দুই অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে নিয়ে তদন্ত কমিশন গঠনের সিধান্ত হয়েছে। দুজনের একজন হলেন সুপ্রিমকোর্টের প্রাক্তণ বিচারপতি এম বি লকুর ( M b Lokur ) এবং অন্যজন হলেন ক্যালকাটা হাইকোর্টের প্রাক্তণ প্রধান বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য ( Jyotirmay Bhattacharya )। দুই বিচারপতিকেই অনুরোধ করা হয়েছে দ্রুত কমিশনের কাজ শুরু করার জন্য।

মুখ্যমন্ত্রী আজ অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকার তাঁর ফোন যেমন ট্যাপ করছে তেমনি এই রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ন নেতা মন্ত্রী সহ, দেশের অসংখ্য নেতা, আমলা, সাংবাদিকের ফোন হ্যাক করে চলেছে। মমতা ( Mamata Banerjee ) বলেন, তিনি আশা করেছিলেন, সংসদ অধিবেশন চলাকালীন বিরোধীদের দাবি মেনে অভিযোগের কিনারা করতে তদন্তের নির্দেশ দেবে। কেন্দ্র সরকারের ( Central Govt ) কোনও হেলদোল নেই দেখে বাধ্য হয়ে তিনি তদন্তের সিধান্ত নিলেন।

আজ রাতেই দিল্লি ( Delhi ) যাচ্ছেন মমতা ব্যানার্জি। তার আগে পেগাসাস ( Pegasus ) নিয়ে তার এই তদন্তের সিধান্ত রাজনৈতিক ভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারন, রাজ্যের তৈরি প্রাক্তন বিচারপতিদের নিয়ে গঠিত কমিশনের তদন্তের হাত দিল্লি পর্যন্ত পৌঁছনোর ক্ষমতা আছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। এছাড়াও এই কমিশনের সঙ্গে দিল্লি সহযোগিতা করতে বাধ্য কিনা তাও এখন আলোচনার বিষয়।

তবে এবিষয়ে সকলেই একমত, রাজনৈতিক তাৎপর্য তৈরি করবে এই সিদ্ধান্ত। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, মমতা নিজের রাজ্যে ফোন ট্যাপিংয়ের যে বিস্তৃত জাল তৈরি করেছেন, যার ভয়ে নেতা-মন্ত্রী-আমলারা ভয়ে তথষ্ঠ হয়ে থাকেন, তার প্রকৃত চিত্রটা আগে সামনে আসা জরুরি।

]]>
দিল্লিতে মোদি বিরোধী মঞ্চের যাত্রারম্ভ বুধবার, মধ্যমনি মমতা, কটাক্ষ বিজেপির https://runnerbangla.com/anti-narendra-modi-alliance-journey-delhi-july-26-led-mamata-banerjee/ Sat, 24 Jul 2021 14:20:31 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4428 #দিল্লি : আগামী বুধবার অর্থাৎ ২৮ জুলাই দিল্লিতে মোদি বিরোধী জোটের যাত্রা শুরু হতে চলেছে। সম্ভবত বঙ্গভবনেই এই বৈঠক হতে পারে। আগামী সোমবার অর্থাৎ ২৬ শে জুলাই থেকে ৩০ শে জুলাই পর্যন্ত দিল্লিতে থাকবেন মমতা ( Mamata Banerjee )। গত ২১ শে জুলাই শহীদ দিবসের ভাষণে তিনি প্রথম জানিয়েছিলেন, দিল্লিতে থাকাকালীন বিরোধীদলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর জোট গঠনের উদ্দেশ্যে বৈঠকের ডাক দিয়েছিলেন তিনি।

তৃণমূল সূত্রের খবর, ২৮ তারিখ বুধবার বঙ্গভবনে সমস্ত তৃনমূল সাংসদকে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে। সেদিনই চেষ্টা হচ্ছে বিরোধী নেতৃত্বকে বঙ্গভবনে নিয়ে আসার। যাদের ডাকা হতে পারে , তাদের মধ্যে আছেন শারদ পাওয়ার, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, জয়া বচ্চন, পি চিদাম্বরম। অর্থাৎ কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলোকে এ বৈঠকে নিয়ে আসার প্রয়াস শুরু হয়েছে তৃণমূলের ( TMC ) তরফ থেকে। একুশে জুলাই মমতার সভা দিল্লিতে দেখানোর ব্যবস্থা করেছিল তৃণমূল ।

দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে আয়োজিত সেই ভার্চুয়াল সভায় যোগ দিয়েছিলেন জয়া বচ্চন, চিদাম্বরম , শারদ পাওয়ার সহ বিরোধী দলের একাধিক ব্যক্তিত্ব। যারা এসেছিলেন মমতার ভাষণ শুনতে তাদের বাইরেও, বিভিন্ন আঞ্চলিক দল এবং জাতীয় স্তরে কংগ্রেসকে একমঞ্চে আনা যায় কিনা সেই চেষ্টা চলছে। তৃণমূল সূত্রের দাবি, এখনো চূড়ান্ত হয়নি কারা বৈঠকে থাকবেন, কারা থাকবেন না। নির্দেশ এসেছে ২৮ তারিখ বৈঠকের জন্য, সেই অনুযায়ী ময়দানে ঝাপিয়েছেন তৃনমূল সাংসদরা।

সেই লক্ষেই অন্যান্য বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন তারা। ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনের আগে বিভিন্ন বিজেপি বিরোধী দলগুলোকে এক মঞ্চে নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । ব্রিগেডে সভাও হয়েছিল । সেই সভায় কংগ্রেসের প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ছিলেন একাধিক প্রথম সারির বিজেপি বিরোধী আঞ্চলিক দলের নেতা। লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বিরোধী শক্তি কার্যত মুখ থুবরে পড়ে।

একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফেরেন নরেন্দ্র মোদী ( Narendra Modi )। বিজেপি সেই ১৯ এর উদাহরণ টেনে এবারের উদ্যোগকে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না। তাদের কথায় ভোট এলেই জোটের নাটক শুরু হয়। উনিশেও সবাই হাতে হাত ধরে এক সঙ্গে ভোটে ভেসে গিয়েছিলেন খড়কুটোর মতো। এবারও তারই পুনরাবৃত্তি হবে, দাবি বিজেপি নেতৃত্বের।

]]>
এবার দেশজুড়ে খেলা হবে, ২১ জুলাইয়ের বার্তা মমতার https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-massage-21-july-khela-hobe/ Wed, 21 Jul 2021 11:48:54 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4268 #কলকাতা : এবার দেশজুড়ে খেলা হবে ( Khela Hobe )। একুশে জুলাইয়ের ভার্চুয়াল মঞ্চ থেকে তেমনটাই বার্তা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, একটা খেলা পশ্চিমবঙ্গে হয়েছে। বিজেপি বাংলার মাঠের বাইরে চলে গিয়েছে। এবার বিজেপিকে না সরানো পর্যন্ত দেশজুড়ে প্রত্যেকটা রাজ্যে খেলা হবে। তার জন্য দেশজুড়ে সমস্ত বিরোধীদলকে ফ্রন্ট বানানোর আর্জি জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতার বার্তা, আপনারা সবাই এক হোন। ওদের বিরুদ্ধে একত্রে লড়াই করতে হবে। আগামী ২৬ জুলাই থেকে ২৯-৩০ জুলাই তিনি দিল্লীতে থাকবেন বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee )। তখন বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করতে চান। সেটাও নিজের বার্তায় শুনিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এবারের একুশে জুলাই এর প্রেক্ষাপট আলাদা। দিল্লি, ত্রিপুরা, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট সহ দেশের ৩০টি রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এবারের বক্তৃতার ভার্চুয়ালি দেখানোর ব্যবস্থা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বক্তৃতা শুনতে উপস্থিত হয়েছেন কংগ্রেস নেতা দ্বিগবিজয় সিং, পি চিদাম্বরম সহ একাধিক বিরোধী দলের নেতারা। তারা প্রত্যেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য শুনেছেন। তাদের প্রতি তৃণমূল সুপ্রিমো বার্তা, ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঝাপানোর সময় এসেছে। আসুন একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

পাশাপাশি, সুপ্রিমকোর্টের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গণতন্ত্রকে বাঁচানোর আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যেভাবে দেশের বিরোধী রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের ফোন ট্যাপ করা হচ্ছে, সেখানে বিচারব্যবস্থা স্বপ্রণোদিতভাবে মামলা দায়েরের করুক। দেশের গণতন্ত্রকে বাঁচানোর জন্য সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজনৈতিক মহলের মতে, এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য স্পষ্ট ছিল তার টার্গেট আগামীর লোকসভা। যার জন্য দেশের সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক দলকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। যে কারণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিনের বক্তব্য তিনি তিনটি ভাষায় বলেছেন। বাংলার পাশাপাশি কখনও ইংরেজি, কখনও হিন্দিতে ভাষণ দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

]]>
করোনা বিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মদনের একুশ ( ভিডিও ) https://runnerbangla.com/madan-mitra-21-se-july-breaking-corona-regulations/ Wed, 21 Jul 2021 10:15:17 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4262 Madan Mitra 21st July : করোনা বিধি-নিষেধের কথা মাথায় রেখেই এবছর ভার্চুয়াল একুশে জুলাই ( 21st July ) পালন করছে তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC )। এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের অনুষ্ঠান হয় ধর্মতলায় মঞ্চ বেঁধে। এ বছর প্রকাশ্য সমাবেশের পরিবর্তে ভার্চুয়াল। এবছরের একুশে জুলাই কে একটু ভিন্নভাবে উপস্থাপন করছে তৃণমূল। দেশের বেশ কিছু রাজ্যে বড় স্ক্রিনের মাধ্যমে মমতার বক্তব্য সম্প্রচারিত হবে।

তৃণমূল শিবিরে বেশ কিছুদিন ধরেই এই সভা নিয়ে হইহই চললেও তাকে কথায় কথায় কটাক্ষ করে চলেছে বিরোধী শিবির বিজেপি। তাদের মন্তব্য, গুজরাট, তামিলনাড়ু ,অন্ধপ্রদেশ কিংবা মধ্যপ্রদেশে তৃণমূল কংগ্রেসের ক’জন কর্মী সমর্থক আছে, সেটা তৃণমূলের অতি বড় সমর্থকও জানেন না। হাতে গুনে একজন-দুজনকে খুঁজে পাওয়াও মুশকিল। অথচ সেখানে ঠিকাদারকে লাগিয়ে বড় স্ক্রিনের ব্যবস্থা করে ভাষণ দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে।

এটা একটা নিছক নাটক বাজি ছাড়া আর কিছুই নয় বলে বিরোধীরা যে মন্তব্য করুক, ধুমধামের সঙ্গেই এবার দেশজুড়ে একুশে জুলাই করা হচ্ছে। একদিকে ভার্চুয়াল অন্যদিকে মমতারই দলের আরেক নেতা মদন মিত্র ( Madan Mitra ), তিনি ঘটা করে কামারহাটি তে একুশে জুলাই পালন করলেন সাতসকালে মিছিল করে। করোনা বিধিকে কে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে, ভিড় জমিয়ে সকাল থেকে কামারহাটি দাপালেন মমতা।

অতিনাটকীয় চমক দেখানোর জন্য টোটোতে মিছিল করলেন কামরাটিতে। তাহলে এই ভার্চুয়াল এর মানেটা কি রইল, প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা। তাদের কথায়, একুশে জুলাই ভার্চুয়াল করা হলো করণা বিধি-নিষেধকে মাথায় রেখে, তাহলে কামারহাটিতে টোটো চালিয়ে মদন মিছিল কবলেন কেন? আসলে মদন মিত্র ২০১১ সালে নির্বাচনে জিতে মন্ত্রী হয়েছিলেন। দলের প্রতি আনুগত্য দেখিয়ে দল না পাল্টে থেকে গিয়েছেন তৃণমূলে।

সারদা নিয়ে সিবিআইয়ের চাপ সত্ত্বেও জেল খেটেছেন। বলা ভালো হাসপাতাল খেটেছেন। তারপর ২০১৬ নির্বাচনে লড়েছেন, হেরেছেন। এবার নির্বাচনে জিতলেই তিনি মন্ত্রী হবেন এমন আশায় তার মন ছিল টইটুম্বুর। কিন্তু সে গুড়ে বালি। তৃণমূল নেতাকে মন্ত্রিসভার সদস্য করলেন না মমতা। হতাশায় মদন মিত্র এখন মন্ত্রিসভায় ফিরতে মরিয়া।

এজন্যে নানাভাবে তিনি খবরের শিরোনামে থাকতে চান।প্রতিদিন অভিনব উপায় বার করছেন ভেসে থাকতে। ছবি হচ্ছে, হচ্ছেন মদন মিত্র। ভেসে আছেন রাজনীতিতে। ভেসে থাকাটাই এখন মদনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, করোনার বিধি-নিষেধ নেহাতই তুচ্ছ ব্যাপার তার সামনে।

]]>
স্বয়ংসেবকের চোখে মমতার ২১শে জুলাই https://runnerbangla.com/swayamsevak-mamta-banerjee-21-se-july/ Wed, 21 Jul 2021 07:41:06 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4255 দীপন মজুমদার
দক্ষিণবঙ্গ সম্পর্ক প্রমুখ
ভারতীয় শিক্ষণ মন্ডল


১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে একটি বিশেষ দিন। বলা ভালো ২১শে জুলাই -এর ভয়ঙ্কর ঘটনাকে কেন্দ্র করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক গ্রাফ ধীরে ধীরে শিখরে পৌছে যায়। ১৯৯১ সালে জ্যোতি বসুর নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট সরকার জেলায় জেলায় রাজনৈতিক সংঘর্ষ এবং রিগিং করে পুনরায় পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়। সেই সময় ভোটার কার্ডে ফটো আই ডি থাকত না যার যেরে খুব সহজেই ফলস ভোট বা রিগিঙের মতো দুষ্কর্ম করা যেত।

১৯৯৩ সালে তৎকালীন যুব কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যুব কংগ্রেস ২১শে জুলাই এসপ্লানেড রোডে এক বিশাল জমায়েতের আয়োজন করে। প্রায় পঞ্চাশ হাজার যুব কংগ্রেসের কর্মীবৃন্দ সেই কর্মসূচিতে যোগ দেয় কারণ সেই সময় পশ্চিমবঙ্গে বামফ্রন্টের প্রধান বিরোধী দল ছিল জাতীয় কংগ্রেস। দুপুর থেকেই ওই দিন সমস্ত জেলা থেকে কংগ্রেসের কর্মীরা কলকাতার বুকে জরো হতে শুরু করে।

তাদের মূল দাবি ছিল ভোটার আই ডি কার্ডে সংশ্লীষ্ট ভোটারের নিজস্ব ফটো আই ডি থাকতে হবে নইলে ছাপ্পা ভোট বা রিগিং আটকানো সম্ভব নয়। সেদিন সবকিছুই এগোচ্ছিল আম জনতার স্বতঃস্ফুর্ত আন্দোলনের জন্য তবে মমতার পরিকল্পনা সম্পুর্ণ ভীন্ন ছিল কারণ এই আন্দোলনের ভেতরে লুকিয়ে ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বিশালাকার চক্রান্ত। তৎকালীন জাতীয় কংগ্রেসের পশ্চিমবঙ্গে মূলত দুটি লবি ছিল।

একটি প্রয়াত কংগ্রেস নেতা প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির অন্যটি প্রয়াত নেতা সোমেন মিত্রের। মমতা প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির ঘনিষ্ট ছিল বলেই জানা যায়। তাই প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির প্রচুর অনুগামী নেতা ওই দিন রাইটার্স বিল্ডিঙের নিকটবর্তি স্থানে এসে জড়ো হয়। প্রথম দিকে সভাস্থল পুরোপুরি শান্ত ছিল এবং অপ্রীতিকর কোন ঘটনার সুত্রপাতও প্রথম দিকে হয়নি। পুরো এলাকাতে ঘোড় সওয়ার মাউন্টেড পুলিশ টহল দিচ্ছিল, এরপরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার অনুগামীরা জমায়েতে এসে উপস্থিত হওয়ার পর হঠাৎ তুমুল বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয় এবং দশ-পনেরো মিনিটেই এই বিশৃঙ্খলা বীভৎস আকাড় নেয়।

কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শিদের থেকে পরে আমরা জানতে পারি ওই দিন সভাস্থলে মমতার দেরি করে আসাটা ইচ্ছাকৃত ছিল এবং মাউন্টেড পুলিশের ঘোড়ার যৌনাঙ্গে আলপিন এবং স্পিরিট দিয়ে আঘাত করার পরিকল্পনা মমতা এবং তার অনুগামীরা আগেই ঠিক করেছিল। যার ফলে আন্দোলনকারী যুব কংগ্রেস সমর্থক এবং পুলিশের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। বিশৃঙ্খলা বাড়তে থাকায় পুলিশ প্রথমটাতে টিয়ার গ্যাসের ব্যাবহার করে এবং পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপকহারে লাঠিচার্জও করা হয়।

কিন্ত অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকায় তৎকালীন স্বরাষ্ট্র সচিব মনীষ গুপ্তের নির্দেশে কলকাতা পুলিশ কমিশনার তুষার তালুকদারের নেতৃত্বাধীন পুলিশ গুলি চালাতে বাধ্য হয়। এই মনীষ গুপ্ত প্রথম তৃণমূল সরকারের বিদ্যূত মন্ত্রী হন এবং বর্তমানে উনি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ। তৃণমূল থেকে দাবি করা হয় পুলিশের গুলিতে সেদিন অন্তত ১৩ জন যুব কংগ্রেসের কর্মকর্তা প্রাণ হারান। পুরো কর্মসূচিটি ছিল যুব কংগ্রেসের এবং এই ঘটনার সাথে তৃণমূল কংগ্রেসের দূর দুরান্ত অবধি কোন যোগাযোগ নেই।

২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাতে আসে এবং মুখ্যমন্ত্রী হন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওড়িশা উচ্চ আদালতের অবসরপ্রাপ্ত বিচারক জাস্টিস সুশান্ত চ্যাটার্জীর নেতৃত্বাধীন একটি কমিশন গঠন করে মমতা সরকার। এই কমিশন তার প্রিলিমিনারি রিপোর্টে বলেছে যে এই ১৩ জন শহিদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপুরণ দেওয়া হোক। সেই মতো ২১শে জুলাইয়ের সমস্ত শহিদদের পরিবারকে তৃণমূল সরকার ক্ষতিপুরণ সহ অন্য সরকারি সুযোগ সুবিধা দিয়েছে।

এই শহিদের তালিকাতে ১৩ নম্বর নামটি হচ্ছে “ইনু”! তবে এতো সুযোগ সুবিধা দেওয়া সত্বেও তৃণমূল ইনুর আসল পরিচয় এবং তার টাইটেল বা উপাধি কি সেটা জানতে ব্যার্থ! আসলে এই ১৩ জনের মধ্যে অধিকাংশই ভুয়ো এবং তাদের বাস্তবে কোন অস্তিত্ব নেই। তৃণমূল ভবনে বড় করে শহিদদের যেই লিস্ট লাগানো আছে সেখানে হুগলীর তাপসী মালিকের জায়গা হয়নি! যেই তাপসী মালিকের মৃতদেহের উপর দাড়িয়ে রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এরকম আরো একটি ভুয়ো শহিদ তৃণমূল কংগ্রেসের ওয়েবসাইটে গেলে পাওয়া যাবে। বর্ধমান জেলার শহিদদের তালিকার চতুর্থ নাম লকাই। সমস্ত শহিদদের পরিবারকে তৃণমূল সরকার নাকি সরকারি সাহায্য করেছে কিন্ত তারপরেও লকাইয়ের পুরো নামটা জানাতে পারেনি! এর ফলে প্রমাণিত যে মমতার রাজনীতিটা পুরোপুরি মিথ্যার উপর দাড়িয়ে আছে এবং প্রত্যেকটি মিথ্যা উনি সুকৌশলে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছেন সাধারণ মানুষের কাছে।

জাস্টিস চ্যাটার্জীর কমিশনে জাস্টিস চ্যাটার্জী সরাসরি বলেছেন,“The people who were at the helm of the Home Department as well as the police brass cannot escape responsibility”। কিন্ত এখন যে স্বরাষ্ট্রসচিব গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলো সেই প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র সচিব মনীষ গুপ্ত এখন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ! যদিও জাস্টিস চ্যাটার্জী তার রিপোর্টে কোন আধিকারিকের নাম সরাসরিভাবে নেন নি, যার ফলে কমিশনের প্রিলিমিনারি রিপোর্ট যে তৃণমূল সরকার দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত তা বলাই বাহুল্য।

আজ প্রায় এতগুলো বছর কাটলেও ২১শে জুলাই বিষয়ক পুর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জাস্টিস চ্যাটার্জীর কমিশন এখনো জমা করে উঠতে পারেনি। রিপোর্ট কবে জমা করবে বা আদৌ জমা করবে কি না তা নিয়ে গভীর প্রশ্নচিহ্ণ থেকেই যায়। ২১শে জুলাই এর স্বতঃস্ফুর্ত জন আন্দোলনকে নোংরাভাবে ব্যাবহার করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যে সেদিন যারা প্রাণ হারিয়েছিল, তাদের পরিবার আজ তৃণমূলের ২১শে জুলাইয়ের জাক জমকের থেকে অনেক দুরে। প্রচারের আলো থেকে শত হস্ত দূরে অবহেলিত হয়ে মনে মনে বলে, – “বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে। কী যন্ত্রণায় মরেছে পাথরে নিষ্ফল মাথা কুটে। তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো।”

]]>
২১শে মমতার পাল্টা দিল্লিতে দিলীপ-কলকাতায় শুভেন্দু https://runnerbangla.com/21-july-mamata-banerjee-virtual-meeting-dilip-ghosh-delhi-suvendu-adhikari-kolkata/ Tue, 20 Jul 2021 15:41:42 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4234 রানার ডেস্ক : একুশে জুলাই ( 21 July ) নিয়েও এবার রাজনৈতিক দড়ি টানাটানি শুরু হল বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে। ১৩ জন তৃণমূল কর্মী পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন মহাকরণ অভিযানকে ( Mahakaran campaign ) ঘিরে। তাদের স্মরণে সেই দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে পালন করে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC )। বুধবার ২১ শে জুলাই একইভাবে পালিত হবে। এবার একটু অন্যভাবে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এবার ধর্মতলায় মঞ্চ বেঁধে অনুষ্ঠান হচ্ছে না। এবার যা কিছু হবে সব ভার্চুয়াল।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও একটি নতুন বিষয়, গোটা দেশজুড়ে বড় স্ক্রিনের মাধ্যমে শোনানো হবে তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য। তৃণমূল নেত্রীকে গোটা দেশের নেত্রী হিসেবে তুলে ধরতে চেষ্টা করছে তৃনমূল। সেই সময়ে একই দিনে পাল্টা কর্মসূচি নিল প্রধান বিরোধী দল বিজেপি ( BJP )। একইসঙ্গে দিল্লি এবং কলকাতায় অবস্থান বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে তারা। দিল্লীর অবস্থান-বিক্ষোভ এর নেতৃত্ব দেবেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ( Dilip Ghosh )।

সংসদ অধিবেশন চলায় বর্তমানে তিনি দিল্লিতে। অন্যদিকে কলকাতায় হেস্টিংসে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ অবস্থানে বসবেন বিজেপি নেতা ও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari )। বিজেপির বক্তব্য, সিপিএমের হিংসা সন্ত্রাসের প্রতিবাদ করতে গিয়ে মহাকরণ অভিযান হয়েছিল, ১৩ জন শহীদ হয়েছিলেন। সেই দিনটিত পালন করা হয় শহীদ দিবস হিসাবে।

বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকে এই রাজ্যে হিংসা সন্ত্রাস কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত কয়েক বছরে ২০০ জন বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছে। তৃণমূলই এখন হিংসা সন্ত্রাসের নায়ক, সুতরাং তৃণমূলের অত্যাচার এবং সরকারের অগণতান্ত্রিক আচরণের প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ অবস্থানের ডাক দেয়া হয়েছে, বলে জানিয়েছে বিজেপি।

]]>
এবার আসছে স্থায়ী “মা”, নবান্নের কাছে টাকা চাইলো পুরসভা https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-mamata-banerjee-maa-canteen-project-permanent/ Sun, 18 Jul 2021 14:51:26 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4146 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : অস্থায়ী স্টলের বদলে এবার স্থায়ী স্টল পাচ্ছে ‘মা’ ক্যান্টিন ( Maa Canteen )। সেখান থেকেই কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation ) খাবার বিলি করবে। সেইসঙ্গে ক্যান্টিন সম্প্রসারণের জন্য বাড়ানো হচ্ছে রান্নাঘর। কিন্তু ক্যান্টিন চালাতে নানা আর্থিক সমস্যা দেখা দিয়েছে। যার জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের কাছে সাহায্য চেয়েছে কলকাতা পুরসভা।

কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, বর্তমানে ১১৬টি ওয়ার্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ( Mamata Banerjee ) সাধের প্রকল্প ‘মা’ ক্যান্টিন চালু রয়েছে। আগামী দিনে কলকাতার ১৪৪টি ওয়ার্ডে যাতে এই প্রকল্প চালু করা যায়, তার জন্য কোমর বাঁধছে কলকাতা পুরসভা। ব্যানার পোস্টার লাগানো অস্থায়ী পাতলা কাঠামোর ক্যান্টিন আর থাকছে না। এবার তৈরি হচ্ছে স্থায়ী স্টল বা দোকান। আপাতত ৪০টি এমন স্টল বিলি করা হয়েছে। আগামী দিনে সবকটি স্টল স্থায়ীভাবে করার পরিকল্পনা রয়েছে কলকাতা পুরসভার।

মৌলালিতে কলকাতা পুরসভার নিজস্ব সেন্ট্রাল স্টোরে এই স্টলগুলি বানানো হচ্ছে। পাশাপাশি ক্যান্টিন আরও সম্প্রসারণের জন্য রান্নাঘর বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এখন ২০টি রান্নাঘর আছে। সেটা বাড়ানোর তোড়জোড় করছে পুরসভা। প্রথমে ঠিক ছিল প্রত্যেকটি ওয়ার্ড একটি করে রান্নাঘর হবে। কিন্তু আর্থিক সমস্যার কারণে আপাতত ঠিক হয়েছে, বড় দুটি ওয়ার্ড পিছু একটি করে রান্নাঘর এবং ছোট তিনটি ওয়ার্ড কিছু একটি করে রান্নাঘর করা হবে।

অর্থাৎ আরও ৫০-৫৫টি রান্নাঘর বাড়ানো হচ্ছে। সব মিলিয়ে ৭০-৭৫টি রান্নাঘর চালানোর টার্গেট নেওয়া হয়েছে বলেই কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর। তবে, ক্যান্টিন চালানোর ক্ষেত্রে আর্থিক সমস্যা দেখা দিয়েছে বলেই কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর। ক্যান্টিন চালাচ্ছে বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠী। সেই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর তরফ থেকে কিছু সুযোগ-সুবিধা চাওয়া হয়েছে। বিশেষত রান্না করা এবং সেগুলি বিভিন্ন স্টলে পৌঁছে দেওয়া, সব মিলিয়ে গাড়ি ভাড়া এবং আনুষঙ্গিক খরচ করার জন্য অতিরিক্ত টাকা খরচ হচ্ছে।

কলকাতা পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, রাধুনী এবং হেলপারদের জন্য ১৫০০ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দাবি মেনে যানবাহন খরচের টাকাও রাজ্যের কাছে চাওয়া হয়েছে। যদিও মাসখানেকের বেশি হয়ে গেলেও সেই চিঠির জবাবে রাজ্য কোনও বরাদ্দ পাঠায়নি। রাজ্য সরকার টাকা না পাঠালে এই খরচ চালানো মুশকিল হচ্ছে কলকাতা পুরসভার। প্রায় দেড় মাস হয়ে গেলো চিঠি পাঠানো হয়েছে। কিন্তু সেই চিঠির কোনও উত্তর আসেনি বলে অভিযোগ।

]]>
EXCLUSIVE : দিল্লিতে পা দিয়েই বিক্ষোভের মুখে পড়তে পারেন মমতা https://runnerbangla.com/west-bengal-cm-mamata-banerjee-can-face-protests-delhi/ Sun, 18 Jul 2021 12:15:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4140 রানার প্রতিবেদন : আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন ( Monsoon Session )। এই অধিবেশন চলা কালীন আগামী ২৫ তারিখ দিল্লি ( Delhi ) পৌছচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee )। এই সময় দিল্লিতে বিরোধী নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তার এই সংক্ষিপ্ত সফরের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি ( President ) এবং প্রধানমন্ত্রীর ( Prime Minister ) সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করবেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী সফর চলাকালীন তাকে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হতে পারে এবার।

বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং এর ইঙ্গিত, যারা ঘরছাড়া হয়ে আছেন তৃণমূলের অত্যাচারে, তাদের অনেকেই দিল্লি পৌঁছেছেন। বিভিন্ন জায়গায় তারা আশ্রয় নিয়ে আছেন। এরকম হাজার সাতেক ঘরছাড়া মানুষ নাকি দিল্লিতে আশ্রয় নিয়েছেন। এই ঘরছাড়ারাই বিক্ষোভ দেখাবে বলে জানিয়েছেন অর্জুন। কবে কার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ তা নির্দিষ্ট করে না বলেননি। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর সফর চলাকালীন বিক্ষোভ সংগঠিত হতে পারে, কোন জায়গায় সেটা স্পষ্ট করে বলা হয়নি।

বিক্ষোভ সংগঠিত করার জন্য ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ( NHRC ) রিপোর্ট সামনে আসার পর এটাকেই এখন সবচেয়ে বড় হাতিয়ার করছে বিজেপি ( BJP )। গেরুয়া শিবির দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করছিল, রাজ্যজুড়ে বল্গাহীন সন্ত্রাস নামিয়ে এনেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC )। খুন-ধর্ষণ আগুন লুট হয়েছে রাজ্যজুড়ে, কিন্তু শাসক দল এবং সরকার সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

বিজেপির দাবি, বাস্তবটা প্রতিফলিত হয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে। এই রিপোর্টকে হাতিয়ার করেই রাজ্য সরকারকে কোণঠাসা করতে চায় বিজেপি। বিষয়টি নিয়ে সংসদেও সরব হতে চাইছে রাজ্য বিজেপি। গেরুয়া শিবির একইসঙ্গে রাজ্য সরকারের ওপর চাপ তৈরি করতে, বিক্ষোভ সংগঠিত করার কথা ভাবছে তারা।

]]>