Locket Chatterjee – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Fri, 09 Jul 2021 15:53:08 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Locket Chatterjee – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 আগামীদিনে বঙ্গ বিজেপিতে বড় ভূমিকায় দেখা যেতে পারে দেবশ্রীকে https://runnerbangla.com/debasree-chaudhuri-big-role-west-bengal-bjp-coming-days/ Wed, 07 Jul 2021 08:22:01 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3455 রানার ডেস্ক : আগামী দিনে বঙ্গ বিজেপিতে বড় ভূমিকায় দেখা যেতে পারে দেবশ্রী চৌধুরীকে ( Debasree Chaudhuri )। রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্র ( Raiganj Lok Sabha constituency ) থেকে ২০১৯ এ বিজেপির টিকিটে সাংসদ হয়েছেন তিনি। দেবশ্রী চৌধুরী বর্তমানে কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী। বিজেপি সূত্রের খবর তাকে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী পদ ( Union Minister Of State ) থেকে ইস্তফা দিতে। বাংলা থেকে বর্তমান মন্ত্রী রয়েছেন দুজন। দুজনই প্রতিমন্ত্রী।

একজন দেবশ্রী চৌধুরী অন্যজন বাবুল সুপ্রিয় ( Babul Supriyo )। নতুন করে বাংলা থেকে দু’জনকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী করা হবে এমনটাই খবর। একজন শান্তনু ঠাকুর অন্যজন সুভাষ সরকার।এই অবস্থায় দেবশ্রী চৌধুরী কে পদত্যাগ করতে বলার পরই জল্পনা-কল্পনা ডানা মেলতে শুরু করেছে রাজ্য বিজেপির অন্দরে। রাজ্য বিজেপির সূত্র অনুযায়ী, আগামী দিনে দেবশ্রী চৌধুরী কে রাজ্যের সংগঠনের ভূমিকায় দেখা যেতে পারে।

এমনকি এটাও দাবি করা হচ্ছে, রাজ্য বিজেপির সভাপতি পদে দিলীপ ঘোষের ( Dilip Ghosh ) এর জায়গায় দেবশ্রী চৌধুরীকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তিনি হতে পারেন রাজ্য বিজেপির সভানেত্রী। তবে এখনো পর্যন্ত এধরনের কোন সংবাদের নিশ্চয়তা না পাওয়া গেলেও, এটা পরিষ্কার বাংলা বিজেপি কে নেতৃত্ব দেওয়ার ব্যাপারে একজন মহিলাকে সামনে রাখতে আগ্রহ দেখাচ্ছে দিল্লি নেতৃত্ব।

এব্যাপারে প্রথমদিকে লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নাম শোনা গেলেও বিধানসভা ভোটের পর লকেটের নাম আর শোনা যায়নি। দলের অন্দরে এখন উঠে আসছে দেবশ্রী চৌধুরীর নাম। দিলীপ ঘোষ এর পরিবর্তে দলের রাজ্য শাখার দায়িত্ব দেবশ্রীকে দেওয়া হলে, দিলীপ ঘোষকে কোন ভূমিকায় রাখবে দিল্লি? এই প্রশ্নও উঠছে গেরুয়া অন্দরে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী রাজ্য থেকে যারাই মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন তারা প্রত্যেকেই প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন কিন্তু দিলীপ ঘোষকে রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে কেন্দ্রে পূর্ণমন্ত্রী করা হতে পারে এমন সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়ায় যাচ্ছে না।

]]>
কে ফোন পেল, কে মন্ত্রী হলো? চাঞ্চল্য রাজ্য বিজেপি’র অন্দরে https://runnerbangla.com/bjp-union-miniter-cabinet-reshuffle-delhi-west-bengal-bjp-confusion/ Tue, 06 Jul 2021 15:55:53 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3432 রানার ডেস্ক : দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল আসন্ন। ইতিমধ্যে তার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। অনেকেই ফোন পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে। অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালকে ডেকে পাঠানো হয়েছে, তাকে কেন্দ্রে মন্ত্রী করা হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় ( Union Cabinet ) আসবেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। বিভিন্ন রাজ্যের বিজেপি এবং তার শরিক দলগুলির মধ্যে চলছে জোর জল্পনা। শরিকরা রীতিমতো দরকষাকষি করে যাচ্ছে চেয়ারের দখল পেতে।

রাজ্য বিজেপিকেও এখন গ্রাস করেছে কৌতূহল আর চাঞ্চল্য। ২০১৪ সালে বিজেপি দুটো আসন পেয়েছিল। দার্জিলিং থেকে জিতেছিলেন সুরিন্দ্রর সিং আলুওয়ালিয়া এবং আসানসোল থেকে জিতেছিলেন বাবুল সুপ্রিয় ( Babul Supriyo )। সেবার দুজনকেই প্রতিমন্ত্রী করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি ( Narendra Modi )। ২০১৯ সালে এক লাফে সংখ্যাটা পৌঁছায় ১৮ তে, কিন্তু পাওনার ঝুলিতে শ্রীবৃদ্ধি হয়নি। ১৮ সাংসদ পেয়েও কপালে জুটেছে দুই হাফ মন্ত্রী।

ভোটের পর রাজ্য নেতারা ধরেই নিয়েছিলেন, একুশের কথা মাথায় রেখে অন্তত একজন ক্যাবিনেট এবং একাদিক প্রতিমন্ত্রী পাবে রাজ্য। সেই গুড়ে বালি, খালি হাতেই ফিরে এসেছেন ১৬ জন সাংসদ। এবার দলের অন্দরে গুঞ্জন, মুখ তুলে তাকাবে দিল্লি। দুই থেকে সংখ্যাটা বাড়বে। কিন্তু কার কপালে শিকে ছিরবে, তা অজানা, আর অজানা বলেই, ফিসফাস হচ্ছে ঝড়ের গতিতে। সকালেই খবর এলো, দিল্লি যাচ্ছেন লকেট। ওমনি ডানা মেলতে শুরু করলো জল্পনা।

সাংবাদিকরা ফোনে ধরলেন লকেটকে। দিল্লি থেকে ফোন পেয়েছেন? একটাই প্রশ্ন। লকেটের কাতর অনুরোধ,” প্লিস এসবে আমার নাম যুক্ত করবেন না। কোনও ফোন আসেনি। স্ট্যান্ডিং কমিটির রুটিন বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি যাওয়া। তাহলে? বিজেপির মেজো নেতার বললেন, খোঁজ নিন শান্তনু ঠাকুর কোথায়? শুরু হলো খোঁজ। কোথায়? জানা গেল দিল্লিতে। কোনও সাংবাদিকের ফোন তুললেন না তিনি।

মেজো নেতারা কার্যত ঘোষণা করে দিলেন, মন্ত্রী হলে শান্তনুই হবে। মতুয়া সম্প্রদায় কিছুটা হলেও অখুশি নাগরিক আইন কার্যকর না হওয়ায়। তাই শান্তনুকে খুশি করে মতুয়া সম্প্রদায়কে বার্তা দিতে চায় বিজেপি। তাহলে দিলীপ ঘোষ? এক সাংবাদিকের প্রশ্নে নেতারা বললেন, দিলীপ দা দলের সভাপতি থাকবেন। দলের এক ব্যক্তি-এক পদ নিয়মের গেরোয় তাঁর মন্ত্রী হওয়া হবে না। এবার নজর দিলীপ ঘোষের দিকে। এক ফাঁকে বিধানসভায় এসেছিলেন দিলীপ ঘোষ। তখন তাকে এক ফাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, রাজ্যের কে বা কারা প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে ফোন পেয়েছে? দিলীপ ঘোষ বলেন, “এখনও পর্যন্ত কেউ ফোন পেয়েছে বলে আমার জানা নেই।”

]]>
এই পথ এখন শেষ, প্রকাশ্যে আসছে দিলীপ-লকেট দ্বন্দ্ব https://runnerbangla.com/dilip-ghosh-locket-chatterjee-conflict-state-bjp-new-equation/ https://runnerbangla.com/dilip-ghosh-locket-chatterjee-conflict-state-bjp-new-equation/#respond Sat, 05 Jun 2021 09:20:44 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1979 রানার প্রতিবেদন : ক্ষমতার প্রশ্নে চাপা সংঘাত সামনে আসতে শুরু করলো এবার। একটা সময় ছিল যখন দলে নবাগতা লকেট ( Locket Chatterjee ), সভাপতির পদে দায়িত্বে এলেন দিলীপ ঘোষ ( Dilip Ghosh )। নতুন রাজ্য সভাপতির সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখতে সচেতন ছিলেন লকেট। দিলীপ ঘোষ রাজ্য সভাপতি হবার কিছুদিন আগেই তৎকালীন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিংহের হাত থেকে পতাকা নিয়ে গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন লকেট।

টালিগঞ্জে অভিনয়ের সুবাদে নিজস্ব পরিচয় ছিল তাঁর। যার জোরেই একসময় ঘনিষ্ট হয়েছিলেন তৃনমূল শিবিরের। মহিলা ও শিশু কল্যাণ কমিশনে সদস্যও করা হয়েছিল তাকে। তারপর কোনও এক অজানা কারণে তৃনমূল ছেড়ে আচমকাই বিজেপিতে ভিড়ে যান তিনি। অজানা কারন নিয়ে নানাবিধ চর্চা থাকলেও এটা বাস্তব, লকেট যখন বিজেপিতে এলেন তখন গেরুয়া শিবিরের এই রমরমা ছিল না।

সাফল্যের দূর সম্ভাবনা থাকলেও সেইসময় দলের জীর্ণ কাঠামোই ছিল সম্বল। পরিস্থিতি সম্পুর্ন ঘুরতে শুরু করে গত লোকসভা নির্বাচনের পর। হুগলি থেকে নির্বাচিত হন লকেট চ্যাটার্জি। বীরভূমে ভোটে হারার পর, ভবিষ্যৎ সাফল্য নিশ্চিত করতে বীরভূমেই মন দিয়ে রাজনৈতিক চাষবাস করছিলেন লকেট। অল্প দিনের মধ্যেই তার বুদ্ধিমত্তা, দলীয় কাজে নিষ্ঠা, লাগাতার আন্দোলনমুখী কর্মসূচি এবং সকলকে নিয়ে নিয়ে চলার সংস্কৃতি তাকে অচিরেই আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে চলে আসে।

মহিলা শাখার সভানেত্রী হয়ে, কার্যত অখ্যাত এই শাখা সংগঠনটিকে পাদ প্রদীপের নিচে নিয়ে আসেন লকেট। কিন্তু সাংসদ হওয়া এবং দিল্লি যাত্রা লকেটের দৌড়কে আরো তীব্র করে তোলে। রাজ্যের গন্ডি কেটে সেলুলয়েডের এক সময়ের নায়িকা পাড়ি জমান দিল্লি। অচিরেই সদর দফতরে পরিচিতি গড়ে ওঠে তার। দিল্লি নেতৃত্বের একাংশ লকেটকে এগিয়ে দেবার চেষ্টা করেন রাজ্য রাজনীতিতে।

বিজেপি জিতলে কে হবেন মুখ্যমন্ত্রী এই প্রশ্নের দৌড়ে ধীরেলয়ে শামিল হয়ে যান লকেট চ্যাটার্জিও। এই দৌড় শুরু হতেই দিলীপের সঙ্গে এক অঘোষিত, অদৃশ্য ছায়াযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন তিনি। একসময় প্রকাশ্যে চলে আসে সেই দ্বন্দ্ব। সমস্ত জেলায় দলীয় সভাপতির পদগুলিতে নিজেদের পছন্দের লোক বসাতে শুরু করেন দিলীপ ঘোষ। কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় আসানসোল এবং হুগলিকে ঘিরে।

বাবুল এবং লকেট কিছুতেই দিলীপ ঘোষের পছন্দের লোককে মেনে নিতে রাজি হননি। দু’জনই চেয়েছিলেন নিজেদের কেন্দ্রের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ দিলীপ ঘোষের হাতে না ছেড়ে নিজেদের হাতে রেখে দিতে। বাবুল প্রথম দিন থেকেই দিল্লি নেতৃত্বের কাছের লোক। এদিকে লোকসভা ভোটের পর দিল্লিতে পরিচিতি তৈরির চেষ্টায় কোনও ত্রুটি রাখেননি লকেট। দুজনই দিলীপ ঘোষের সঙ্গে জেলা সভাপতি নিয়ে দ্বন্দ্বে শামিল হয়ে যান।

লকেট দিল্লির খুঁটির জোরে শেষপর্যন্ত দিলীপের প্রার্থীকে আটকে নিজের পছন্দের লোককে চেয়ারে রাখতে সক্ষম হন। কিন্তু হুগলি জেলা সভাপতি সুবীর নাগ শেষপর্য্ন্ত বিধানসভায় টিকিট না পেয়ে সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দেন। নতুন যিনি দায়িত্ব পান সেই গৌতম চাটার্জিও নাকি খাস লকেটের লোক। এবারও রাজ্য সভাপতির লোককে আটকে দিলেন তিনি। শুক্রবার দিলীপ ঘোষ চুচুরা গিয়েছিলেন হুগলি জেলার সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতে।

সেই বৈঠক চলাকালীন জনা কুড়ি বিজেপি কর্মী দলীয় কার্যালয়ে এসে জেলা সভাপতি সহ জেলা নেতৃত্বের একাংশের অপসারণ চেয়ে তাদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। দিলীপ ঘোষের সঙ্গে দেখা করে তারা বক্তব্য জানানোর চেষ্টা করলে তাদের আটকে দেওয়া হয়। বৈঠক শেষ করে দিলীপ বাইরে আসতেই বিক্ষুব্ধরা চিৎকার চ্যাচামেচি করে তাকে ঘিরে ধরেন।

আরও পড়ুন : Scientific Innovation : ক্ষেত থেকে শুধু শস্যই নয়, পেতে পারেন বিদ্যুৎও

প্রথমে দিলীপ ঘোষ ভেবেছিলেন সার্বিকভাবে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানাতে এসেছেন এরা। ফলে শুরুতেই রেগে যান দিলীপ। বকাঝকাও শুরু করেন তিনি। একটু পরেই বুঝতে পারেন এদের যাবতীয় রাগ জেলা সভাপতির ওপর। তৎক্ষণাৎ মেজাজ পাল্টে যায় দিলীপের। ঠান্ডা মাথায় এক বর্ষীয়ান বিক্ষোভকারীকে তিনি বলেন, এভাবে হবে না, আপনি সিনিয়র লোক কয়েকজনকে নিয়ে আমার কাছে আসুন, সবটা শুনতে চাই।

তাদের সঙ্গে সঙ্গে সাক্ষাতের স্থান-দিন-সময়ও জানিয়ে দেন রাজ্য সভাপতি। এই ঘটনা কানে যেতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন লকেট। তার অভিযোগ, পেছন থেকে একটা অদৃশ্য শক্তি লাগাতার কলকাঠি নেড়ে যাচ্ছে। তারাই এই সব তথাকথিত বিক্ষুব্দদের পাঠিয়েছে বিক্ষোভ দেখতে। এদের প্রত্যেককে শোকজ করা হবে বলে ঘোষণা করে দেন লকেট।

আরও পড়ুন : আলাদিনের উড়ন্ত গালিচা আর কল্পনা নয়, বাস্তব করলেন বিজ্ঞানীরা

অর্থাৎ রাজ্য সভাপতি যাদের বৈঠকের জন্য সাদরে ডেকে নিলেন তাদের শোকজের হুমকি দিলেন লকেট। বুঝিয়ে দিলেন বর্তমান জেলা সভাপতির পাশে তিনি আছেন এবং তার বিরুদ্ধে যে কোনও ধরনের তৎপরাত রুখতে তিনি পিছপা হবেন না। বিক্ষোভকারীদের হুমকি দিয়ে আসলে রাজ্য সভাপতিকেই প্রচ্ছন্ন বার্তা দিয়ে রাখলেন লকেট চ্যাটার্জি।

]]>
https://runnerbangla.com/dilip-ghosh-locket-chatterjee-conflict-state-bjp-new-equation/feed/ 0