Kolkata Trade License – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Thu, 22 Jul 2021 14:36:13 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Kolkata Trade License – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 চাকরিহারা মানুষ আসছে ব্যবসায়, ট্রেড লাইসেন্সে আয় করছে পুরসভা https://runnerbangla.com/kmc-earning-huge-money-trade-licence-job-lost-turn-businessman/ Thu, 22 Jul 2021 14:15:53 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4328 #কলকাতা : প্রথম লকডাউনে আয় ধাক্কা খেলেও দ্বিতীয় লকডাউনে সেটা যথেষ্ট সন্তোষজনক পর্যায়ে আছে। কলকাতা পুরসভার লাইসেন্স বিভাগের তথ্য অন্তত তেমনটাই বলেছে। যে আয় দেখে আধিকারিকদের আশা, বছর শেষে অচিরেই টার্গেট পূরণ করা যাবে। চলতি জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে কলকাতা পুরসভার লাইসেন্স ( Trade License ) বিভাগের আয় হয়েছে আনুমানিক ২০ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা। গত অর্থবছরে সেই আয় ছিল প্রায় ১২ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা।

হোয়াটসঅ্যাপ গত বছরের থেকেও প্রায় ৭-৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত আয়ের হয়েছে পুরসভার। যদিও লকডাউন পূর্ববর্তী বছরে সেই আয় ছিল অনেকটাই বেশি, আনুমানিক ২৫ কোটি টাকা। কিন্তু চলতি বছর দ্বিতীয় লকডাউন এর মধ্যেও লাইসেন্স বিভাগের এই আয় যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal Corporation ) আধিকারিকরা। তাঁদের বক্তব্য, প্রথম লকডাউনের সময় সবকিছু বন্ধ থাকায় ব্যবসা ধাক্কা খেয়েছিল।

পরবর্তীকালে যখন ২০২০ সালের জুলাই মাস থেকে ফের লাইসেন্স বিভাগ ফি আদায় শুরু করে তখন দেখা যায় আদায় ভালই হচ্ছে। নতুন লাইসেন্স ফি এবং পুরনো লাইসেন্সের পুনর্নবীকরণ বাবদ গত অর্থবছরে কলকাতা পুরসভার আয় করেছিল প্রায় ৬৫ কোটি টাকা। এই বছর সেই অর্থপ্রাপ্তির টার্গেট রাখা হয়েছে ৭৫ কোটি টাকা। কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা মনে করছেন, দ্বিতীয় লকডাউনের ( Lockdown ) ধাক্কার মধ্যেও এই বছর আদায় সন্তোষজনক হয়েছে।

সে ক্ষেত্রে এই টার্গেট অচিরেই পূরণ করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি জোর দেওয়া হয়েছে পুরনো লাইসেন্সের বকেয়া অর্থ আদায়ের দিকে। ইতিমধ্যে অন্তত ৭০০০ পুরনো লাইসেন্স থেকে টাকা আদায় করা হয়েছে। কলকাতা পুরসভার লাইসেন্স বিভাগের বিশেষ টিম শহরজুড়ে অভিযান চালাচ্ছে। বকেয়া পড়ে থাকা পুরনো লাইসেন্সের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৪ লাখ। বকেয়ার আর্থিক পরিমান ধরলে সেটা দাঁড়ায় ৩৬০ কোটি টাকা। সেই টাকা আদায়ের নেমেছেন কলকাতা পুরসভার লাইসেন্স বিভাগের কর্তারা।

যদিও এই অর্থের অর্ধেকেরও কম টাকা ফেরত পাওয়া সম্ভব হবে বলেই তাদের মত। কলকাতা পুরসভার সমীক্ষা করে দেখেছে, বকেয়া পড়ে থাকা এই লাইসেন্স এর মধ্যে অন্তত ২৫-৩০ শতাংশ ব্যবসা বন্ধ হয়ে রয়েছে। ফলে, তাদের থেকে টাকা আদায় কোনভাবেই করা সম্ভব নয়। আদায় করতে হলেও আদালতের দ্বারস্থ হতে হবে। তাই বাকি যেসব ব্যবসা চলছে, তাঁদের থেকেই বকেয়া ফি আদায়ে জোর দিচ্ছে কলকাতা পুরসভা

]]>
টাকা চাই, বাড়ি বাড়ি লোক পাঠাবে পুরসভা https://runnerbangla.com/kmc-mutation-property-tax-house-camp/ Wed, 30 Jun 2021 15:14:56 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3136 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : কলকাতা পুরসভার ওয়েভার স্কিমে ( Waiver Scheme  ) আদায় মোটামুটি সন্তোষজনক ছিল। বার্ষিক আয় টার্গেট পৌঁছাতে পেরেছে কলকাতা পুরসভা। কিন্তু অধিক সংখ্যক করদাতার কাছে পৌঁছানো যায়নি। এবার সেই টার্গেট ছাপিয়ে আগামী বছর নতুন রেকর্ড তৈরি করতে কোমর বেঁধে নামছে কলকাতা পুরসভার সম্পত্তি কর ( Property Tax ) বিভাগ। মিউটেশন ( Mutation ) সহ সম্পত্তি করে নানাবিধ অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে পারা এবং মহল্লায় ক্যাম্প করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সম্প্রতি এই মর্মে একটি ১০ দফা নির্দেশিকা জারি করেছেন কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal Corporation) বিশেষ কমিশনার সোমনাথ দে। ওই ১০ দফা নির্দেশিকায় কর আদায়ের উপরেই বিশেষ জোর দিয়েছ কলকাতা পুরসভা। মূলত শহরে বাকি পড়ে থাকা আবাসন কিংবা বাড়ির মিউটিশন দ্রুত করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি মিউটেশন সংক্রান্ত যত অভিযোগ বকেয়া পড়ে রয়েছে তার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে।

প্রয়োজনে সম্পত্তি কোন বিভাগের আধিকারিকরা বিভিন্ন পারা এবং মহল্লাতে ক্যাম্প করে নাগরিক মিউটেশন সমস্যার সমাধান করবেন। যার ফলে এত বিপুল অর্থ কলকাতা পুরসভার কোষাগারে ঢুকতে পারে। এছাড়াও সম্পত্তি কর বিভাগের বকেয়া পড়ে থাকা অর্থ আদায়ের কাজেও আধিকারিকদের আদাজল খেয়ে নামা নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যারা ওয়েভার স্ক্রিমেও টাকা দেননি তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে।

এছাড়াও বাকি পড়ে থাকা লাইসেন্সের পুনর্নবীকরণ ( License Renewal ) এবং টাকা তোলার ওপর জোর দিতে বলা হয়েছে ওই নির্দেশিকায়। শহরের যত সম্পত্তি করদাতা রয়েছেন তাদের প্রত্যেকের মোবাইল নম্বরের একটা ডাটাবেজ তৈরি করতে বলা হয়েছে যাতে প্রয়োজনে সরাসরি তাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলে যায়। কলকাতা পুরসভার সম্পত্তি বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, শহরের প্রচুর ফ্ল্যাট বাড়ি তৈরি হয়েছে যার মিউটেশন এখনো হয়নি।

অনলাইনে মিউটেশনের ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার ব্যবস্থা চালু। কিন্তু তার পরেও বহু কেস বাকি পড়ে থাকছে। সেগুলির দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বলেছে কলকাতা পুরসভা। গত অর্থবছরে ( ২০২০-২১ ) কলকাতা পুরসভার আয় ১২০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে ছিল। এবার সেই আর দেড় হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে মাঠে নেমেছেন কলকাতা পুরসভার রাজস্ব বিভাগের আধিকারিকরা। তবে ওয়েভার স্কিম ছাড়া এই লক্ষ্য মাত্রা কতটা পূরণ করা সম্ভব হবে তা নিয়ে আশঙ্কা থাকছে।

]]>
EXCLUSIVE : করোনায় কাজ হারিয়ে ব্যবসায় বাঁচার রাস্তা খুঁজছেন ৫২ হাজার বেকার https://runnerbangla.com/losing-jobs-corona-52000-unemployed-survive-business/ Tue, 29 Jun 2021 07:00:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3070 কলকাতা : লকডাউনে কাজ হারিয়ে ব্যবসার পথ নিয়েছেন কলকাতার প্রায় ৫২ হাজার বেকার। অবাক হওয়ার কিছু নেই। খোদ কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal Corporation ) ট্রেড লাইসেন্স বিভাগ এই তথ্য দিচ্ছে। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, ২০২০-২১ অর্থবর্ষে গত আগস্ট মাস থেকে গত মার্চ মাস পর্যন্ত সময়কালে নতুন ব্যবসা করতে চেয়ে ট্রেড লাইসেন্স ( Trade Licence ) নিয়েছেন ৫২ হাজার নাগরিক।

ফলে চলতি অর্থবর্ষে ২০২১-২২ সালে সেই সংখ্যাটা অনেকটাই ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করছেন কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা। করোনাকালে প্রথম লকডাউনে চলতি অর্থবছরের প্রথম কয়েক মাস কার্যত স্তব্ধ ছিল অর্থনীতির চাকা। বন্ধ ছিল দোকানপাট সহ সমস্ত ধরনের ব্যবসা। আনলক পর্বে ধীরে ধীরে দোকান বাজার খুলতে শুরু করে। একই সঙ্গে করোনায় টানা বন্ধ থাকার জেরে বিপুল সংখ্যক মানুষ কাজ হারিয়ে বেকার হয়।

গোটা দেশে, এরাজ্য এমনকি কলকাতাও বাদ যায়নি। লকডাউন চলাকালীনই সবজি, দুধ, তেলেভাজার মতো অল্প টাকা লগ্নি করে ব্যবসা শুরু করে বহু বেকার ছেলে মেয়ে। আবার এই পরিস্থিতি চাকরির দরজা যে এখন সম্পূর্ণ বন্ধ তা দেখে বেশিরভাগ বেকারই ব্যবসা শুরু করতে বাধ্য হন রুটি রুজির টানে। করোনাকালে লকডাউনে সব বন্ধ থাকায় ট্রেড লাইসেন্স বাবদ আয় প্রায় শূন্য ছিল।

নতুন লাইসেন্সও তেমন আশাব্যঞ্জক ছিল না। তবে লকডাউন উঠতেই লাইসেন্স পুনর্নবিকরন ও নতুন লাইসেন্সের আবেদনে কোষাগারে টাকার বন্যা বয়ে গেছে। কলকাতা পুরসভার তথ্য বলছে, গত মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহেই ৫২ হাজারের কিছু বেশি নতুন লাইসেন্স হয়েছে। গত বছর আয় হয়েছিল প্রায় ৫৫ কোটি টাকা। এবছর সেখানে আয় হয়েছে প্রায় ৫৭ কোটি টাকা। গতবছর জুন মাসে লাইসেন্স বিভাগের কাজকর্ম শুরু হয়।

তখনও পর্যন্ত এই খাতে ৮৮ শতাংশ ঘাটতি ছিল কলকাতা পুরসভার। কিন্তু লাইসেন্স বিভাগের কর্তারা দৌড়ঝাঁপ করেছেন। আশাতীত নতুন লাইসেন্স হয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে ঘাটতি পূরণ করা গিয়েছে। উল্টে গতবছরের তুলনায় প্রায় দু’কোটি টাকা অতিরিক্ত মুনাফা হয়েছে লাইসেন্স বিভাগের। চলতি বছর লাইসেন্স খাতে আয় ৭০ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে পুরসভা।

]]>
রেসিডেন্সিয়াল বিল্ডিঙে রেস্তোরাঁ? এবার কঠোর হচ্ছে প্রশাসন https://runnerbangla.com/restaurant-residential-building-kolkata-municipal-corporation-strict-action/ Thu, 17 Jun 2021 14:20:41 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2614 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : রেসিডেন্সিয়াল বিল্ডিং বা বসবাসযোগ্য আবাসনে রেস্তোরাঁ সম্পূর্ণ বেআইনি। এই ধরনের রেস্তোরাঁর লাইসেন্স পুনর্নবীকরণ ( Renew ) করবে না কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। সম্প্রতি, রাজ্য সরকার একটি নতুন বিল এনেছে। তাতে বসত বাড়ির নীচে ২১টি ব্যবসা চালানোর কথা বলা হলেও, রেস্তোরাঁ চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি। কিন্তু, বাস্তব বলছে, কলকাতায় প্রায় ৬০ শতাংশ রেস্তোরাঁ রেসিডেন্সিয়াল বিল্ডিংয়ের নীচে।

তাহলে সেই রেস্তোরাঁর ভবিষ্যৎ কী হবে? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রেসিডেন্সিয়াল বিল্ডিংয়ে রেস্তোরাঁ চালাতে হলে সেখানে কমার্শিয়াল বিল্ডিং এর অনুরূপ অনুমতি নিতে হয়। ফলে, যেখানে সেই অনুমতি দেওয়া হয়নি, সেখানে থাকা রেস্তোরাঁর ভবিষ্যৎ কী হবে? কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim ) বলেন, রেসিডেন্সিয়াল বিল্ডিংয়ে সাধারণত ফায়ার লাইসেন্স মেলে না। এর বাইরে ওই রেস্তোরাঁ চালানোর জন্য ফুড লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স, পুলিশের অনুমোদন আছে কি না, তা কলকাতা পুলিশ এবং পুরসভার অফিসাররা খতিয়ে দেখবেন।

যদি সব ঠিক না থাকে তবে কী রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হবে? প্রশ্নের উত্তরে ফিরহাদ বলেন, ‘এটা পুরসভা করতে পারে না। পুলিশের বিষয়। তবে, নিয়ম মেনে ব্যবসা না চললে তাঁর লাইসেন্স রিনিউ করা হবে না। যদিও এটা কতটা বাস্তবে করা যাবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কলকাতা পুরসভার লাইসেন্স এবং সম্পত্তি কর বিভাগের আধিকারিকরা। এক শীর্ষকর্তা বলেন, সেই বাম আমল থেকে এই উদ্যোগের কথা শোনা যাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবায়িত হয়নি। এটা এমনি অবাস্তব কল্পনা।

কারণ ইতিমধ্যেই যায় বানিয়ে ফেলেছেন তাদের লাইসেন্স পুনর্নবীকরণ করা না হলে পুরসভার বড়োসড়ো আর্থিক ক্ষতি হবে। কিন্তু অনেকে ঠিকমতো নিয়ম মেনেই ব্যবসা চালাচ্ছেন না। তাদের জন্য পুরসভার কিছু আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। সেক্ষেত্রে তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিয়োগ জরিমানা আদায় করে রেস্তোরাঁ চালানোর অনুমতি দেওয়া হতে পারে। সে ক্ষেত্রে যে রেস্তোরাঁ মালিকরা ফাঁকি দিচ্ছেন তাদের ভয় দেখানোর একটা উপায়।

যাঁরা নতুন ব্যবসা শুরু করছেন, তাঁদের বড় রাস্তার ধারে (৪০ ফুট চওড়া) ব্যবসা করার আর্জি জানিয়েছেন ফিরহাদ। তাঁর কথায়, বড় রাস্তার ধারে রেস্তোরাঁ, মল-সহ যে কোনও ব্যবসা কেউ করতেই পারে। সেক্ষেত্রে তাঁদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে। স্বাভাবিকভাবেই পুরসভার এই সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে আসতেই মাথায় বাজ পড়েছে রেস্তোরাঁ মালিকদের অনেকেরই। হোটেল অ্যান্ড রেস্তোরাঁ অ্যাসোসিয়েশন ইস্টার্ণ ইন্ডিয়ার সভাপতি সুদেশ পোদ্দার বলছেন, বিষয়টি শুনেছি।

কিন্তু, শহরে যা রেস্তোরাঁ আছে তার ৬০ শতাংশই তো রেসিডেন্সিয়াল বিল্ডিংয়ের নীচে। আমরা কয়েকদিনের মধ্যে পুর প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করব। পুরসভা ঠিক কী করতে চাইছে, কেন এমন পদক্ষেপ তা জানতে চাইব। আমাদেরও বক্তব্য জানাব, বলছেন সুরেশ। আবার নাগরিকদের অনেকেও এই বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত। কারণ, এই রেসিডেন্সিয়াল বিল্ডিংয়ের নীচতলা থাকা রেস্তোরাঁ থেকেই অনেকে দু’বেলা হোম ডেলিভারি নিয়ে থাকেন।

কিন্তু, হঠাৎ করেই কেন রেসিডেন্সিয়াল বিল্ডিংয়ের নীচে রেস্তোরাঁ নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত? পুরসভা জানাচ্ছে, শহরে পরপর রেসিডেন্সিয়াল বিল্ডিংয়ে দু’টি অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। যেখানে, দেখা গিয়েছে গোটা বিল্ডিংয়ে গেট মাত্র একটি। ফলে, বিপদের সময় জিনিস বার করতে গিয়ে রীতিমতো কালঘাম ছুটেছে দমকলের। অল্পের জন্য এড়ানো গিয়েছে বিপত্তি। তথ্য অনুযায়ী, কলকাতায় মোট ৯৩০০টি রেস্তোরাঁ ও ৫৫৯০ টি রেসিডেন্সিয়াল বিল্ডিংয় আছে।

]]>
কোভিডে যখন কুপোকাত ব্যবসা, কর আদায়ে তখন কোমর বাঁধছে পুরসভা https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-compulsory-amusement-tax-collection-with-trade-license-online/ https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-compulsory-amusement-tax-collection-with-trade-license-online/#respond Thu, 03 Jun 2021 14:07:48 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1879 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : আয় বাড়াতে এবার বিনোদন কর ( Amusement tax ) থেকে রাজস্ব আদায়ের উপর আরও কড়া হল কলকাতা পুরসভা। নেওয়া হচ্ছে দ্বিমুখী নীতি। একদিকে সবকিছু অনলাইনের মাধ্যমে সরলীকরণ, অন্যদিকে ভিজিলান্স বাড়িয়ে টাকা আদায়। বিনোদন কর না দিলে কড়া পদক্ষেপ। প্রয়োজনে বাতিল করা হবে ট্রেড লাইসেন্স ( Trade License )। এমনই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুরসভা।

পুর-কোষাগার ভরতে চালু হয়েছে ওয়েভার স্কিম। সম্পত্তি কর থেকে রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্স, বাজার ভাড়া সহ নানা পথে অর্থসংস্থানের সুযোগ রয়েছে কলকাতা পুরসভার। যার মধ্যে অন্যতম অ্যামিউজমেন্ট ট্যাক্স বা বিনোদন কর। বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁ, শপিং কমপ্লেক্স, সিনেমা হল, বিয়ে বাড়ি থেকে যা নিয়মিত আদায় করে কলকাতা পুরসভার লাইসেন্স বিভাগ ( License Department )।

ঠিক হয়েছে, বিনোদন কর প্রদানের ক্ষেত্রে সামগ্রিক প্রক্রিয়া অনলাইন করে দেওয়া হবে। লাইসেন্স ফি’র সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হবে বিনোদন কর বা অ্যামিউজমেন্ট ট্যাক্স। এই কর বকেয়া থাকলে আটকে জানে লাইসেন্স পুনর্নবীকরণ প্রক্রিয়া। বিনোদন কর মেটানোর ‘ক্লিয়ারেন্স’ সার্টিফিকেট বা রশিদ থাকলে তবেই নতুন বছরের লাইসেন্স হাতে পাবেন ব্যবসায়ী বা শিল্পোদ্যক্তারা।

সেই প্রস্তুতি প্রায় সেরে ফেলেছে কলকাতা পুরসভার তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ। এই প্রসঙ্গে কলকাতা পুরসভার সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত তথা প্রশাসক বোর্ডের অন্যতম সদস্য অতীন ঘোষ বলেন, বিনোদন কর ও ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায় নিয়ে পৃথক আইন আছে। কিন্তু নাগরিক পরিষেবার স্বার্থে দুটিকে মিশিয়ে কাজ হবে। আইনজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। শহরে বিনোদনের ব্যবসা করলে পুরসভাকে কর দিতেই হবে।

বিনোদন কর বকেয়া থাকলে ট্রেড লাইসেন্স পুনর্নবীকরণ হবে না। বাতিলও হতে পারে। বিগত দু-তিন বছরে এই খাতে কলকাতা পুরসভার ২৫-৩০ শতাংশ আদায় বেড়েছে। হিসেব বলছে, ঠিকঠাক নজর দিলে এই ক্ষেত্র থেকে অন্তত প্রত্যেকে ৭০-৮০ কোটি টাকা আদায় হতে পারে। সেই কারণেই এত তোড়জোড়।

ইতিমধ্যেই, বিনোদন কর ফাঁকি আটকাতে ভিজিলান্স শুরু করছে পুর কর্তৃপক্ষ। তৈরি করা হয়েছে বিশেষ টিম। হোটেল-রেস্তরাঁ, ব্যাঙ্কোয়েট, শপিং মল ও বিনোদন পার্কগুলি কর না দিলে ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করার মতো পথও নেওয়া হতে পারে।

]]>
https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-compulsory-amusement-tax-collection-with-trade-license-online/feed/ 0
KMC Online Trade License : ব্যবসায় উৎসাহ ও রাজস্ব বৃদ্ধির স্বার্থে শিথিল হচ্ছে সরকারি নিয়ম https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-relaxing-government-rule-encourage-business-increase-revenue/ https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-relaxing-government-rule-encourage-business-increase-revenue/#respond Thu, 03 Jun 2021 07:42:41 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1846 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : শহরে ব্যবসা করতে হলে কলকাতা পুরসভার একটি NOC প্রয়োজন হয়। পাশাপাশি Trade License -ও লাগে। কিন্তু সেটা পেতে হুজ্জোতি থাকায় অনেকেই সেটা না করিয়ে শুধু পুরসভার অনুমোদন নিয়ে ব্যবসা শুরু করে দেয়। সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়। সেই কারণে এবার নতুন পদক্ষেপ করল কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )।

পুরসভার অনুমোদনের সঙ্গে রাজ্যের শ্রমদপ্তর ( Department Of Labour, West Bengal )-এর ব্যবসা সংক্রান্ত অনুমোদন মিলবে একটা ক্লিকেই, তেমনটাই ব্যবস্থা হচ্ছে। Online -এ পাওয়া যাবে দুটি NOC। ফলে পৃথক পৃথক আবেদনের ঝক্কি পোহানোর দিন শেষ। ইতিমধ্যেই মাসখানেক হল পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে শুরু হয়েছে এই পরিষেবা। সাড়াও মিলছে ভালো। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে আরও প্রচার চাইছে কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষ।

পুরসভার লাইসেন্স বিভাগ (KMC License Department)-এর এক আধিকারিক বলেন, কলকাতা পুরসভার Website থেকেই এই সুবিধা মিলবে। ইজি টু ডু বিজনেস ( Easy to do Business )-এর আওতায় এটা হচ্ছে। কিভাবে মিলবে পরিষেবা? পদ্ধতি খুব সরল। যেভাবে কোনও ব্যবসায়ী পুরসভার ওয়েবসাইটে নতুন ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেন, সেভাবেই করবেন।যদি তাঁর দোকানে তিনি কর্মচারী রাখেন তাহলে সেখানে দেওয়া হবে অপশন, চাওয়া হবে তথ্য।

তখন সেখানে সেটা দিতে হবে। একটা ক্লিকেই ওই নির্দিষ্ট জায়গা থেকে পাওয়া যাবে দু’ক্ষেত্রের NOC। এবং সেই অনুযায়ী পুরসভা এবং শ্রমদপ্তরের টাকাও একসঙ্গে কেটে নেওয়া হবে। পরে সেই টাকা শ্রমদপ্তরে পাঠিয়ে দেবে পুর-কর্তৃপক্ষ।নিয়ম অনুযায়ী, শহরে কোনও ব্যবসা করতে হলে বা যে কোনও ধরনের দোকান চালাতে গেলে পুরসভার থেকে একটা অনুমতি নিতে হয়।

সেইসঙ্গে কোনও ব্যবসায়ী যদি কর্মচারী রাখেন, এক বা একাধিক, সেখানে লাগু হয় শপ এন্ড এস্টাবলিশমেন্ট অ্যাক্ট (Shop and Establishment Act, West Bengal ) তথা শ্রম আইন। শ্রম আইন অনুযায়ী, শ্রমদপ্তরের থেকে ওই ব্যবসায়ীকে তখন আরও একটি NOC বা Original Trade License নিতে হয়। তবে কেউ যদি একা নিজের দোকান নিজেই চালান, তাহলে অবশ্য এই অনুমতির প্রয়োজন হয় না।

কিন্তু দেখা যাচ্ছে, বহুলাংশেই কলকাতা পুরসভার থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিলেও শ্রমদপ্তরের এই অনুমোদন পত্র পেতে দীর্ঘসূত্রতা থাকায় অনেকেই তার জন্য আবেদন করেন না। ফলে ক্ষতি হয় সরকারি রাজস্বের। সেই কারণেই শ্রমদপ্তর এবং কলকাতা পুরসভা যৌথ উদ্যোগে এই নতুন ক্যাপিং বা সংযুক্তিকরণ পদ্ধতি নিয়ে আসা হয়েছে। এতে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি হবে না।

]]>
https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-relaxing-government-rule-encourage-business-increase-revenue/feed/ 0
ব্যবসায়ীদের ফোন করে টাকা তুলছে কলকাতা পুরসভার লাইসেন্স বিভাগ https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-license-department-collecting-money-calling-trader/ https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-license-department-collecting-money-calling-trader/#respond Sat, 15 May 2021 12:16:39 +0000 https://runnerbangla.com/?p=902 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে দোকানে দোকানে গিয়ে অভিযান চালানো সম্ভব নয়। তাই বাড়িতে বসে ফোন করে ব্যবসায়ীদের থেকে বকেয়া টাকা তুলছেন কলকাতা পুরসভার লাইসেন্স বিভাগের কর্মীরা। যার জেরে টাকা আদায় জোয়ার এসেছে বলেই দাবি করছেন কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষ।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, সেইসঙ্গে আংশিক লকডাউন। তার মধ্যেও কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স বিভাগের আয় গতি পেয়েছে। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, নতুন অর্থবছরে শুরুর মাত্র এক মাসেই (৬ এপ্রিল থেকে ৭ মে) ৬ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা ঢুকেছে লাইসেন্স বিভাগের কোষাগারে। গতবছর এই পরিমান টাকা দু’মাসে আদায় হয়েছিল।

যদিও এই আয় বৃদ্ধি গতি পাওয়ার পেছনে বকেয়া পড়ে থাকা টাকা আদায় রয়েছে। সাড়ে সাত লক্ষ লাইসেন্সের মধ্যে প্রায় চার লক্ষ লাইসেন্সের বিপুল টাকা বকেয়া পড়ে রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দোকানে দোকানে অভিযান চালানোর বদলে ফোন করে টাকা তোলার ওপর জোর দিয়েছেন লাইসেন্স বিভাগের কর্তারা।

বাড়িতে বসে ৮০ জন কর্মী-আধিকারিক ব্যবসায়ীদের ফোন করছেন। প্রত্যেকের টার্গেট প্রতিদিন অন্তত ৩০ জনকে জনকে ফোন করা অর্থাৎ প্রতিদিন অন্তত ২৪০০ জন ব্যবসায়ীকে ফোন করে টাকা তোলা হচ্ছে।

এক আধিকারিক বলেন, আমাদের টার্গেট এই অর্থবর্ষে রেকর্ড পরিমাণ আদায় বৃদ্ধি। অন্তত লাইসেন্স থেকেই ৭০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আমরা এগোচ্ছি। বর্তমান পরিস্থিতির অবনতি না ঘটলে অনায়াসেই সেই টার্গেট ছুঁতে পারব।

]]>
https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-license-department-collecting-money-calling-trader/feed/ 0