Kolkata Municipal Corporation – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Fri, 30 Jul 2021 17:09:40 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Kolkata Municipal Corporation – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 ধাপাতে ফেলে দেওয়া ময়লা এবার ফিরে আসবে আপনার ড্রইয়ং রুমে https://runnerbangla.com/kmc-landmark-step-renewing-waste-garbage-segregation-unit-set-up-dhapa/ Fri, 30 Jul 2021 16:56:48 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4594 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : জঞ্জাল পুনর্নবীকরনে ( Garbage Recycling ) যুগান্তকারী পদক্ষেপ করল কলকাতা পুরসভা ( KMC )। ধাপায় তৈরি হয়েছে বর্জ্য পৃথকীকরণ ইউনিট। সেখান থেকে শক্ত এবং নরম বর্জ্য আলাদা করবে কলকাতা পুরসভা। তারপর আলাদা করা প্লাস্টিক থেকে তৈরি হবে নানা ধরনের প্লাস্টিক জাতীয় দ্রব্য। শুক্রবার সেই প্লান্টের উদ্বোধন করলেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন অতীন ঘোষ দেবাশীষ কুমার স্বপন সমাদ্দার সহ কলকাতা পুরসভার অন্যান্য কর্তাব্যক্তিরা।

এদিন মোট তিনটি প্রজেক্টর উদ্বোধন করা হয়। একটি হলো বায়ো মাইনিং ( Bio Mining ) এবং ট্রিটমেন্ট প্লান্ট। বছরের পর বছর ধরে ধাপায় পড়ে থাকা ৪০ লক্ষ মেট্রিক টন ময়লা পৃথকীকরণ করা হবে। যে ময়লা পরিষ্কার হলে ৬০ একর জায়গা খালি পাওয়া যাবে। রাজ্য সরকার এখানে ২৬০ কোটি টাকায় ৫টি ইউনিট বসিয়েছে। যেখানে নিত্যদিনের ফল-সবজি বিভিন্ন নরম বর্জ্য আলাদা করে সেগুলি থেকে সার তৈরি করা হবে। বাকি প্লাস্টিক বর্জ্য পৌঁছে যাবে অন্য কারখানায়।

যেখানে অপর একটি কারখানায় প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে তৈরি হবে দরজা, চেয়ার-টেবিল, পিচবোর্ড, ফুলের তোড়া, গাছ লাগানোর টব সহ বিভিন্ন জিনিস। পাশাপাশি তৈরি হয়েছে আর একটি কারখানা। নিউ টাউনের পাথুরিয়াঘাটা সেই কারখানাতে নির্মাণ বর্জ্য ভেঙে তৈরি হবে বালি। যে বালি অন্যান্য নির্মাণ প্রকল্পে বিক্রি করা। সরকারি এবং বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে এই প্রজেক্ট তৈরি হয়েছে। উৎপাদিত সামগ্রী বিক্রি করে ওই সংস্থা যা আয় করবে তার একটা লাভাংশ পাবে কলকাতা পুরসভা।

এই প্রসঙ্গে কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম বলেন, কলকাতা পুরসভা জায়গা দিয়েছে। কাঁচামালের ব্যবস্থা করে দিয়েছে। বাকি পুরোটাই বেসরকারি সংস্থা খরচ করছে। আমাদের কোনো খরচ হচ্ছে না। উল্টে কলকাতা পুরসভা এখান থেক লভ্যাংশ পাবে। পাথুরিয়াঘাটা যে কারখানা তৈরি হয়েছে সেখানে ৫০০ টন নির্মাণ বর্জ্য প্রতিদিন তৈরি হয়। সেটা দিয়ে বালি তৈরি করতে ৫ একর জায়গায় সেই কারখানা তৈরি করা হয়েছে।

আগামী ১০ বছরে সেখানে প্রায় ৫৬ কোটি টাকা খরচ করবে ওই ওই বেসরকারি সংস্থা। সব মিলিয়ে কলকাতায় নিত্যদিন যে ৫০০০ মেট্রিক টন জঞ্জাল জমা হয়, আগামী দিনে তা আর ধাপাতে পড়ে থাকবে না। তা দিয়ে তৈরি হবে নানা ধরনের সামগ্রী। শহরের পরিবেশের পক্ষে সহায়ক হবে কলকাতা পুরসভার এই প্রকল্প।

]]>
মুখ পুড়লো পুরসভার, ঢাক ঢোল পিটিয়েও ভাসতে হলো একঘন্টায় https://runnerbangla.com/kmc-sewerage-department-failed-slight-rainfall-kolkata-waterlogged/ Thu, 29 Jul 2021 13:50:36 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4571 #কলকাতা : মাঝারি বৃষ্টিতেই কার্যত বানভাসি কলকাতা। কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal Corporation ) নিকাশি বিভাগের ভঙ্গুর দশা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। তারপর বৃষ্টিতে একাধিক জায়গায় গাছ এবং একটি বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়। কলকাতা পুরসভার টিম গিয়ে বাড়ি ধ্বংসস্তূপ সরিয়েছে। ভেঙেপড়া গাছ সরিয়ে রাস্তা খালি করেছে। বুধবার মধ্যরাত থেকেই বৃষ্টি হয়েছে শহরে। বৃহস্পতিবার দিনভর বৃষ্টি চলেছে। যার জেরে জলমগ্ন হয়েছে শহরে বেশ কিছু এলাকা।

সুকিয়া স্ট্রিট, বিবি গাঙ্গুলী স্ট্রিট, সেন্ট্রাল এভিনিউ, ঠনঠনিয়া, টেংরা, পিকনিক গার্ডেন, বাইপাস সহ বিভিন্ন এলাকায় যথেষ্ট জল জমেছে। যদিও কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসককে জানিয়েছেন, কিছু কিছু জায়গায় জল জমেছে। কিন্তু দেশের অন্যান্য মেট্রো শহরে যেভাবে বানভাসি অবস্থা, তা কলকাতায় হয়নি। কিছু জায়গায় জল জমেছে তা দ্রুত নেমে যাচ্ছে। এদিকে, এদিন সকালে কলকাতায় লিবার্টি সিনেমা হলের পাশের গলিতে একটি তিনতলা বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ে।

বাড়ির বাসিন্দা তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের স্থানীয় কলকাতা মেডিকেল কলেজে ( Medical College ) নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি বাসিন্দাদের উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে যায় দমকল এবং কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগের কর্মীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় স্থানীয় গিরিশ পার্ক থানার পুলিশ। অন্যদিকে পার্কস্ট্রিটে ফুটপাতের একটি কাজ পুরোপুরি গোড়া থেকে ভেঙে পড়ে। পরে কলকাতা পুরসভার উদ্যান বিভাগের কর্মীরা গিয়ে গাছ কেটে তা সরিয়ে নিয়ে যায়।

কলকাতা শহরে এদিন দুপুর দুটো পর্যন্ত ৪০ মিলিমিটার গড় বৃষ্টিপাত হয়েছে। তাতেই ভেসে গিয়েছে কলকাতা। কলকাতা পুরসভার সব পাম্পিং স্টেশন ( Pumping Station ) কাজ শুরু করেছে। চালানো হচ্ছে ৩৭৭টি পাম্প ( Pump )। কিন্তু তারপরেও শহরের বিস্তীর্ণ এলাকায় জল নামানো যায় নি। বিশেষ করে মেট্রোর কাজের জন্য বাইপাসে বিভিন্ন জায়গায় জল জমেছে।

তবে কয়েকটি অঞ্চল থেকে ধীরে ধীরে জল নামছে বলে দাবি করেছে কলকাতা পুরসভা। বিশেষ করে, দুপুরে কয়েকঘণ্টা জোয়ার থাকায় লকগেট বন্ধ ছিল। তার ফলে জল জমেছে বলেই দাবি পুরসভা। বিকেলে লক গেট খুলে দেওয়ার পর আস্তে আস্তে জল নেমে গিয়েছে বলে দাবি করেছে কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষ।

]]>
বিপর্যয় মোকাবিলায় আলাদা দল, প্রস্তাব নিয়ে টানাপোড়েন অব্যাহত https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-want-new-separate-disaster-management-team/ Thu, 29 Jul 2021 08:56:37 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4565 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : ঝড়ে পড়ে যাওয়া গাছ কাটতে এবার নিজস্ব বিপর্যয় মোকাবিলা দল ( Disaster Management Team ) চায় কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। গাছ কাটার পাশাপাশি যারা বিভিন্ন ধরনের বিপর্যয় সামলাতে পারবে। কিন্তু বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর প্রস্তাব পাঠানো হলেও এক বছরের বেশি সময় ধরে সেই প্রস্তাবে সায় দেয়নি বলেই কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর। প্রতি বছর ঝড়ে কমবেশি গাছ পড়ে শহরে। ভাড়া করে গাছ কাটার লোক নামায় কলকাতা পুরসভা।

কাজে নামে বিপর্যয় মোকাবিলা দল। কিন্তু এবার একদম নিজস্ব বিপর্যয় মোকাবিলা দল তৈরি করতে চাই কলকাতা পৌরসভা। অন্যান্য জেলাতে পৃথক বিপর্যয় মোকাবিলা দল থাকলেও কলকাতা পুরসভা নিজস্ব কোনও বিপর্যয় মোকাবিলা টিম নেই। যার জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে রাজ্য সরকারে কাছে। কিন্তু বছর গড়িয়ে গেলেও সেই প্রস্তাবে সায় মেলেনি। বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর এর প্রোফাইল। বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর সূত্রে খবর, সেই অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।

কলকাতা পুরসভার সচিবালয় সূত্রে খবর, গতবছর বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরে একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। যেখানে কলকাতা পুরসভার তত্ত্বাবধানে একটি পৃথক বিপর্যয় মোকাবিলা অফিস এবং টিম চাওয়া হয়েছিল। কলকাতা পুরসভার এক শীর্ষকর্তা বলেন, একজন এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, দুজন সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, একজন পিয়ন, একজন বিপর্যয় মোকাবিলা বিশেষজ্ঞ পদ তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি প্রত্যেকটি বরোতে ৩ থেকে ৪ জন করে লোক রাখতে হবে।

যে প্রশিক্ষিত লোকেরা দরকারে মাঠে নেমে কাজ করতে পারবেন। কিন্তু বছর পেরিয়ে গেলেও সেই প্রস্তাব নিয়ে কোন ধরনের উত্তর দেয়নি বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর। আদৌ অনুমতি দেওয়া হবে কিনা, কিংবা কি কারনে অনুমতি দেওয়া হয়নি তার কোন উত্তর দেয়নি বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর। তাইফের নতুন করে চিঠি পাঠাতে চলেছে কলকাতা পুরসভা।

এই প্রসঙ্গে বিপর্যয় মোকাবিলা মন্ত্রী জাভেদ খান ( Javed Khan ) বলেন, কলকাতায় বিপর্যয় মোকাবিলা দল কলকাতা পুলিশে তত্ত্বাবধানে রয়েছে। কিছু নিয়ম রয়েছে সেই নিয়ম এর জন্যই আলাদা করে পুরসভার জন্য টিম করা সম্ভব নয়। কলকাতা পুলিশ বিশেষ ট্রেনিং দেয়। কলকাতায় যে কোন সমস্যায় তারা কাজে নামে। তাই পুরসভার জন্য আলাদা করে অফিস বা পৃথক বিপর্যয় মোকাবিলা দল দেওয়া সম্ভব নয়।

]]>
টিকা নেবার পর আপনি কেমন আছেন, জানতে পুরকর্মী আসবে বাড়িতে https://runnerbangla.com/corona-vaccination-after-effect-kmc-staff-visit-home-survey/ Wed, 28 Jul 2021 09:22:40 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4547 #কলকাতা : শহরে কতজন টিকায় নিয়েছেন, তা জানতে সমীক্ষা ( Survey ) শুরু করছে কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। তাদের মধ্যে কতজনের কো-মর্বিডিটি আছে, তারও সমীক্ষা করা হবে। আগামী মাস থেকে সেই সমীক্ষার কাজ শুরু করছে কলকাতা পুরসভা। তার জন্য একটি তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। কিভাবে সমীক্ষা চালানো হবে তার পর্যালোচনাঃ করছেন কলকাতা পৌরসভা স্বাস্থ্য ( Health ) বিভাগের আধিকারিকরা। আপাতত ঠিক হয়েছে, প্রত্যেকটি ওয়ার্ড এর জন্য ৩-৪টি স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতিনিধিদল বানানো হবে।

একেকটি দলে থাকবে ৫ জন স্বাস্থ্য কর্মী। আপাতত পুরো কলকাতার সমীক্ষা চালাতে ১০০০ স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ করার ভাবনা চিন্তা রয়েছে। ইতিমধ্যে কলকাতায় ৬১ শতাংশ মানুষের প্রথম টিকাকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে। ২১ মানুষ দ্বিতীয় টিকা পেয়েছেন। কিন্তু সেই টাকা পাওয়ার পর তাদের শারীরিক অবস্থা কেমন, নতুন করে শরীরের অন্য কোন সমস্যা তৈরি হয়েছে কিনা, তিনি কোনও ওষুধ খাচ্ছেন কিনা এমন নানা ধরনের বিষয়গুলি নিয়ে সমীক্ষা করা হবে।

আগামী তিন মাসের মধ্যে সমীক্ষা শেষ করে একটি রিপোর্ট স্বাস্থ্য ভবনে পেশ করবে কলকাতা পুরসভা। তারপর কলকাতা পুরসভার পাশাপাশি রাজ্যের অন্যান্য পুরসভায় হোক এ ধরনের একটি সমীক্ষা করানোর ভাবনা চিন্তা রয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তরের। কলকাতার সব মিলিয়ে প্রায় ৫২ লাখ মানুষ টিকা পেয়েছেন। কিন্তু তার মধ্যে কতজন কলকাতার বাসিন্দা তা জানতেই সমীক্ষা করা হচ্ছে। কারণ কলকাতায় প্রতিদিন বিভিন্ন মানুষ কর্মসূত্রে আসেন।

কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং মেগা সেন্টার থেকে তারাও টিকা নিয়েছেন। ফলে শুধুমাত্র কলকাতার কত শতাংশ বাসিন্দা নিয়েছেন তা জানতে এই সমীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডক্টর সুব্রত রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, দিন কয়েকের মধ্যেই কিভাবে সমীক্ষা করা হবে কতজনকে নিযুক্ত করা হবে তার একটা তালিকা তৈরী হয়ে যাবে। তারপর সেই প্রফর্মা হাতে স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি ঘুরবেন।

এবং সেই মতো তথ্য সংগ্রহ করবেন। এর আগে কলকাতা পুরসভা গত বছর কো-মর্বিডিটির সমীক্ষা চালিয়ে ছিল। সেখানে দেখা গিয়েছিল, করোনা আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৮৭ শতাংশ মানুষের আগে থেকেই নানা ধরনের রোগ রয়েছে। তারা টিকা পাওয়ার পর এই মুহূর্তে তাদের শারীরিক অবস্থা কেমন তা জানতেই সমীক্ষা করা হবে।

]]>
চারদিন পর শুরু হল কোভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ, উপচে পড়া ভিড় https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-covaxin-second-dose-after-4-day/ Wed, 28 Jul 2021 06:36:17 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4530 কলকাতা : ভোর থাকতে ভবানীপুরে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ( Health Center ) বিরাট লাইন পড়ে ভ্যাকসিন সেন্টারে দ্বিতীয় ডোজ নিতে। একই ছবি কলকাতা কর্পোরেশনের উলটো দিকে রক্সি সিনেমা হলের মেগা সেন্টারে। মল্লিক বাজার পার্ক স্ট্রিটে কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal corporation ) একটি টিকাকেন্দ্রেও সেই ছবি ধরা পড়েছে। তবে শিবিরগুলতে শেষের দিকে আধার বা ভোটার কার্ডের প্রতিলিপিতে সিলমোহড় দিয়ে জানানো হয়েছে আগামী দিন এলে তাঁরা আগে টিকা পাবেন।

টুকরো টুকরো এই ছবিগুলি কলকাতার বিভিন্ন টিকাকেন্দ্রে ( Vaccine Center )। চার দিন ধরে বন্ধ ছিল কোভ্যাকসিনের ( Covaxin ) টিকাকরণ। এবার মঙ্গলবার থেকে সেটা ফের শুরু হতেই উপচে পড়েছে ভিড়। টিকা না মেলায় জেলায় জেলায় মানুষের ভোগান্তির চিত্র ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। এবার খাস কলকাতার টিকাকেন্দ্রে সেই চিত্রই ফুটে উঠল। গত চার দিন ধরে কোভ্যাকসিন না থাকায় ৪০টি টিকাকেন্দ্র বন্ধ ছিল।

মঙ্গলবার সকালে এই কেন্দ্রগুলি খোলায় উপচে পড়ল দ্বিতীয় ডোজ ( Second Dose ) নেওয়ার জন্য মানুষের ভিড়। বুধবারেও একই ছবি সকাল থেকে। কোভ্যাকসিন নিয়ে চলছে চরম ভোগান্তি। মাঝে মধ্যেই টিকার অভাবে বন্ধ রাখতে হচ্ছে টিকাকরণ। তবে সঙ্কট আরও চরমে ওঠে গত বৃহস্পতিবার। কলকাতা কর্পোরেশনের টিকার ভাণ্ডারে কোভ্যাকসিন শূণ্য হয়ে যায়। এর জেরে শুক্রবার থেকে কোভ্যাকসিনের সমস্ত কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়।

কলকাতা কর্পোরেশনের তরফে জানানো হয় কবে মিলবে টিকা জানা নেই। টিকা এলে তবেই খোলা হবে কেন্দ্রগুলি। এরপরই দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় থাকা বহু মানুষ অনিশ্চয়তায় ভুগতে থাকেন। এর মধ্যেই টানা চার দিন বন্ধ থাকার পরে সোমবার রাতে রাজ্যের টিকা সংরক্ষন কেন্দ্রে কোভ্যাকসিন ঢোকে। কর্তৃপক্ষ জানায়, মঙ্গলবার থেকে কোভ্যাকসিনের শুধু দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে।

এই শোনামাত্রই কলকাতার বিভিন্ন কোভ্যাকসিন সেন্টারে মঙ্গলবার ভোররাত থাককতে লোকজন লাইন দিতে শুরু করেন। এত দিন ধরে টিকা নেওয়ার জন্য উদগ্রীব মানুষের ভিড়, দীর্ঘ লাইনের চিত্র জেলাগুলিতে সামনে এসেছে। তবে এদিন সেই চিত্রই কলকাতার কোভ্যাকসিন সেন্টারগুলির সামনে দেখা গেলো। এক রাশ উদ্বেগ উৎকন্ঠা নিয়ে কাক ভোর থেকে লাইনে অপেক্ষা দ্বিতীয় ডোজের।

অনেক জায়গায় টুকটাক বচসা আবার কোথাও দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়েও টিকা না মেলায় ফিরে যাওয়ার ক্ষোভ জানাতে দেখা গেছে সাধারণ মানুষকে। এদিন এই উপচে পড়া ভিড় দেখে প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim ) বলেন, মানুষকে ধৈর্য রাখতে বলছি। আমাদের হাতে যথেষ্ট পরিমান টিকা এসে পৌঁছেছে। যাঁরা কোভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় ধাপে ধাপে সকলেই পাবেন।

কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, এই মহুর্তে ৭৫ হাজার মানুষ কোভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজের প্রাপক। ফলে প্রতি শিবিরেই উপচে পড়ছে ভিড়। তবে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বেশ কিছু লোকজনকে কুপন দেওয়া হয়েছে। আধার কার্ড বা ভোটার কার্ডে সিলমোহড় দিয়ে। সেই কাগজ আজ বুধবার দেখালে আগে তাঁদের দেওয়া হবে। টিকাকরণ কেন্দ্রগুলিতে মোতায়ন করা হচ্ছে পুলিশ। তাঁরাই ভিড় সামলাবেন। কুপন পরীক্ষাও করবেন।

]]>
মশা মারতে কামানের সঙ্গে এবার নামানো হচ্ছে ড্রোন https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-drone-led-dengue-prevention-campaign/ Tue, 27 Jul 2021 08:18:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4518 #কলকাতা : ডেঙ্গু ( Dengue ) নিধনে বিশেষ অভিযানে নামল কলকাতা পুরসভা (Kolkata Municipal Corporation)। শুরু হয়েছে বিভিন্ন বরো ভিত্তিক প্রশাসনিক বৈঠক। সেখানে শহরের কোন এলাকায় কতজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন, তার বিগত তিন বছরের হিসেব ধরে পর্যালোচনা চালানো হচ্ছে। ঠিক হয়েছে, বর্ষার মরশুমে আগামী তিন মাস ডেঙ্গু বিরোধী অভিযান চালাবে কলকাতা পুরসভার ভেক্টর কন্ট্রোল বিভাগ।

সোমবার কলকাতা পুরসভার ( KMC ) ১১ নম্বর বরো এলাকায় বৈঠক করেন স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত তথা প্রশাসক বোর্ডের সদস্য অতীন ঘোষ। বৈঠকের নিকাশি, ভেক্টর কন্ট্রোল, জঙ্গল সাফারি শহর কলকাতা পুরসভার বিভিন্ন বিভাগের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ২০১৯, ২০২০ এবং ২০২১ সালের ডেঙ্গু রিপোর্ট নিয়ে ট্যালি করা হয়। দেখা যায় ২০১৯ সালে ওই অঞ্চলে মাত্র দুটি ডেঙ্গু কেস পাওয়া গিয়েছিল। গত দু’বছরে সেই সংখ্যাটা শূন্য। যা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অতীন।

ঠিক হয়েছে, বিভিন্ন বন্ধ থাকা স্কুল কলেজ এবং নির্মীয়মান বহুতল আবাসনে বিশেষ অভিযান চালানো হবে। যে আবাসন কর্তৃপক্ষ কলকাতা পুরসভার কর্মীদের ভেতরে ঢুকতে দেবে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি কোন নির্মীয়মান আবাসনে ঢুকতে দেওয়া না হলে কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ সেখানে কাজ বন্ধের নোটিশ ঝুলিয়ে দেবে। এই প্রসঙ্গে অতীন ঘোষ বলেন, গত দু’বছরে কলকাতায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৫০% কমে গিয়েছে।

কিন্তু তাই বলে আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোন জায়গা নেই। কারণ বৃষ্টি বেশি হলে মশা বাহিত রোগের প্রকোপ বেশি দেখা দেয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। কলকাতা পুরসভা বছরভর ডেঙ্গু নিধনে বিভিন্ন জায়গায় জলাজমিতে জীবাণুনাশক স্প্রে করার কাজ করে। কিন্তু দেখা যায় বিভিন্ন বহুতল আবাসন বিশেষ করে নির্মীয়মান আবাসনে জল জমে ডেঙ্গু মশার জন্ম দিচ্ছে। সেই কারণে নির্মীয়মান আবাসনের ঢুকে জীবাণুনাশক স্প্রে করার কাজে বিশেষ জোর দেয়া হবে।

ঠিক হয়েছে, এভাবে কলকাতা পুরসভায় ১৬টি বরোতেই ( Borough ) প্রশাসনিক বৈঠক করা হবে। এবং ডেঙ্গু ( Dengue ) নিয়ে পর্যালোচনা চলবে। আগামীকাল বুধবার ১০ নম্বর বরোয় প্রশাসনিক বৈঠকের কথা রয়েছে। ডেঙ্গু নিধনে কাজে লাগানো হবে ড্রোন ( Drone )। বিভিন্ন সুউচ্চ ইমারত কিংবা নির্মীয়মান বাড়ির উপরে ড্রোন উড়িয়ে জমা জল আছে কিনা খতিয়ে দেখা হবে।

]]>
দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় ৫০ দিন অতিক্রান্ত, কোভ্যাক্সিন নিয়ে হাহাকার https://runnerbangla.com/kmc-covaxin-vaccine-second-dose-crisis-people-waiting-50-days/ Tue, 27 Jul 2021 07:02:13 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4513 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : শহরের বাজারগুলিতে কোভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। ৫০ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও দেওয়া হয়নি দ্বিতীয় ডোজ ( Second Dose )। কলকাতার বাজারে দোকান কর্মচারী বা মালিক করোনা টিকার ( Corona Vaccine ) প্রথম ডোজ পেয়েছেন এমন সংখ্যা ১৮৩০০। এঁদের অনেককেই কোভ্যাকসিন ( Covaxin ) দেওয়া হয়েছে আবার অনেককে কোভিশিল্ড ( Covishield )। তাঁদের মধ্যে কোভ্যাকসিন প্রাপকদের বড় অংশের ন্যূনতম ২৮ দিন পেরিয়েছে। এমনকি ৫০ দিন পার হতে চললেও এখনও পর্যন্ত জানেন না তাঁরা কবে পাবেন দ্বিতীয় ডোজের টিকা?

যদিও পুরো কর্তাদের আশা, চলতি সপ্তাহের মধ্যে ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ শুরু করে দেওয়া যাবে। কেন্দ্রীয় সরকার টিকা না পাঠালেও আজ মঙ্গলবার এর মধ্যে বিভিন্ন জেলায় পড়ে থাকা ভ্যাকসিনের কিছু দোষ কলকাতায় নিয়ে আসার কথা হয়েছে বলেই কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর। সম্প্রতি ব্যবসায়ী সংগঠনগুলি কলকাতা কর্পোরেশনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিল দ্বিতীয় ডোজ তাঁদের বাজার এলাকায় এসেই দিয়ে যাক। তবে কলকাতা কর্পোরেশন জানিয়েছিল বাস পাঠানো আর সম্ভব নয়।

তাঁদের সুবিধা মতো কোনও কোভ্যাকসিন বা কোভিশিল্ড সেন্টারে এসেই নিতে হবে। এর ফলে প্রথম ডোজ নেওয়া দোকানকর্মী থেকে মালিকরা চরম সমস্যায় পড়েন। কারণ টিকাকেন্দ্রগুলিতে এমনই ওই এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘ লাইন থাকে। প্রতিদিন যে পরিমাণ লাইন থাকে সেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনকেই ফিরে যেতে হয় টিকা না পেয়ে। এর উপরে গত শুক্রবার থেকে কলকাতারয় ৩৯টি কোভ্যাকসিন টিকাকরণ কেন্দ্র সোমবার পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হয়েছে টিকা না থাকায়।

ফলে যাঁরা লাইন দিয়ে দ্বিতীয় ডোজ নিতে গেছিলেন তাঁদেরও ফিরতে হয়েছে। তবে সম্প্রতি ব্যবসায়ীদের দাবি মেনে পৌর কর্তৃপক্ষ তাঁদের জানিয়েছেন, প্রথম বারের মতো বাস গিয়ে তাঁদের দ্বিতীয় ডোজ দেবে। পাশাপাশি জানিয়েছেন, কবে যাবে তা নির্দিষ্ট নয়। তবে যেমন যেমনভাবে কোভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল সেই তালিকা অনুসারে প্রাপকদের দ্বিতীয় ডোজ নিতে আমরা জানিয়ে দেব। তবে কোভ্যাকসিন হাতে এলে তারপর এসব হবে।

কলকাতা কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, কলকাতার বাজারগুলিতে ৩ জুন থেকে টিকাকারণ শুরু হয়। ৪৫টি শিবিরে কোভ্যাকসিন দেওয়া হয়। ৩৪টি শিবিরে কোভিশিল্ড দেওয়া হয়। ১৮ উর্ধ্ব এমন ১২৮১১ জন টিকা পেয়েছেন। ৪৫ উর্ধ্ব ৫৪৮৫ জন পেয়েছেন। যাঁরা কোভিশিল্ড পেয়েছেন তাঁদের হাতে যথেষ্ট সময় আছে। তবে কোভ্যাকসিন নিয়েছেন এমন অনেকের ৫০ দিন পার হতে চলায় দ্বিতীয় ডোজ কবে মিলবে! এই চিন্তা ক্রমশ চেপে বসছে।

কোভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে এমন দোকানদারদের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। এই প্রসঙ্গে এফটিও’র তরফে শুভেন্দু ঘোষ জানান, আমরা যে দাবি করেছিলাম তা পৌর কর্তৃপক্ষ মেনেছেন। তবে এদিকে সময় অতিক্রান্ত হয়ে চলেছে। বাস কবে পাঠানো হবে? এটা তাঁরা নির্দিষ্টভাবে কিছু জানাননি। যত দিন যাচ্ছে দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় থাকা কর্মচারী থেকে মালিকদের চিন্তা বাড়ছে। তাঁরা ভয় পাচ্ছেন সময় না পেলে কোনও ক্ষতি হবে কি না।

তাই পরিস্থিতি বিবেচনা করেই হাতে টিকা আসা মাত্র সেন্টারগুলির সঙ্গেই আমাদের বাজারে প্রথম বারের মতো বাস পাঠিয়ে শিবিরের মাধ্যমে দ্বিতীয় ডোজ দ্রুত দেওয়া হোক। কলকাতা কর্পোরেশনের জানিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে ফের কোভ্যাকসিন সেন্টারগুলিতে টিকা দেওয়া শুরু হবে। তবে শুধুমাত্র দ্বিতীয় ডোজ। কারণ কলকাতায় এই মহূর্তে কোভ্যাকসিন দ্বিতীয় ডোজের দাবিদার প্রায় ৭৫ হাজার নাগরিক। পাশাপাশি বাজার এলাকায় শিবির করে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

]]>
সম্পত্তির মূল্যায়ন, কর নির্ধারণের জন্য নাগরিকের স্বার্থে এবার দুয়ারে পুরসভা https://runnerbangla.com/kmc-duare-kolkata-pursabha-camp-assessment-of-property-tax-citizens/ Mon, 26 Jul 2021 11:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4495 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : শুরু হয়ে গেল কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal C orporation ) বিশেষ প্রকল্প ‘দুয়ারে পুরসভা’ ( Duare Pursabha )। আজ, শনিবার থেকে এই বিশেষ ক্যাম্প শুরু করেছে কলকাতা পুরসভার কর ও রাজস্ব বিভাগ। মিউটেশন ( Mutation ), সম্পত্তি কর সংক্রান্ত সমস্যা, সম্পত্তির মূল্যায়ন, কলকাতা পুরসভা কেন্দ্রিক জমি এবং বাড়ির নানাবিধ সমস্যা মেটাতে ঘরের দুয়ারে কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা। এদিন আজাদগড় বালিকা বিদ্যালয়ে প্রথম ক্যাম্প করবে কলকাতা পুরসভা।

সকাল ১১ টায় শুরু হয়েছে ক্যাম্প। গত বছর এই কর্মসূচি শুরু করার থাকলেও করোনা সংক্রমণ অত্যাধিক থাকার জন্য শুরু করা যায়নি। তবে এবার রাজস্ব আদায়ে মাঠে নামছে পুরসভা। আটকে থাকা বহু মিউটেশন, সম্পত্তির মূল্যায়ন সংক্রান্ত নানা সমস্যা এই শিবিরের মাধ্যমে মেটানো হবে। কলকাতা পুরসভার ওয়েভার স্কিমে আদায় মোটামুটি সন্তোষজনক ছিল। বার্ষিক আয় টার্গেট পৌঁছাতে পেরেছে কলকাতা পুরসভা। কিন্তু অধিক সংখ্যক করদাতার কাছে পৌঁছানো যায়নি।

এবার সেই টার্গেট ছাপিয়ে আগামী বছর নতুন রেকর্ড তৈরি করতে কোমর বেঁধে নেমেছে কলকাতা পুরসভার সম্পত্তি কর বিভাগ। মিউটেশন সহ সম্পত্তি করে নানাবিধ অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে পারা এবং মহল্লায় ক্যাম্প করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সম্প্রতি এই মর্মে একটি ১০ দফা নির্দেশিকা জারি করেছিলেন কলকাতা পুরসভার বিশেষ কমিশনার সোমনাথ দে। ওই ১০ দফা নির্দেশিকায় কর আদায়ের উপরেই বিশেষ জোর দিয়েছ কলকাতা পুরসভা। মূলত শহরে বাকি পড়ে থাকা আবাসন কিংবা বাড়ির নিউটিশন দ্রুত করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

পাশাপাশি মিউটেশন সংক্রান্ত যত অভিযোগ বকেয়া পড়ে রয়েছে তার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে সম্পত্তি কোন বিভাগের আধিকারিকরা বিভিন্ন পারা এবং মহল্লাতে ক্যাম্প করে নাগরিক মিউটেশন সমস্যার সমাধান করবেন। যার ফলে এত বিপুল অর্থ কলকাতা পুরসভার কোষাগারে ঢুকতে পারে। এছাড়াও সম্পত্তি কর বিভাগের বকেয়া পড়ে থাকা অর্থ আদায়ের কাজেও আধিকারিকদের আদাজল খেয়ে নামা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে এই শুরু হল ‘দুয়ারে কলকাতা পুরসভা’ কর্মসূচি।

ঠিক হয়েছে, সপ্তাহে অন্তত দুটি করে ওয়ার্ড ক্যাম্প করা হবে। তারপর আস্তে আস্তে শিবিরের সংখ্যা বাড়ানো হবে। বিশেষ করে টার্গেট না হচ্ছে বিভিন্ন বহুতল আবাসনে। সেখানে আবাসনের ভেতরেই ক্যাম্প করবে কলকাতা পুরসভা। কলকাতা পুরসভার সম্পত্তি বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, শহরের প্রচুর ফ্ল্যাট বাড়ি তৈরি হয়েছে যার মিউটেশন এখনো হয়নি। অনলাইনে মিউটেশনের ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার ব্যবস্থা চালু। কিন্তু তার পরেও বহু কেস বাকি পড়ে থাকছে। সেগুলির দ্রুত নিষ্পত্তি করতেই এই বিশেষ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

]]>
ভিড়ের চাপে হিমশিম পুরসভা, টিকাকেন্দ্রে এবার কুপন https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-applicable-coupon-corona-vaccination-center/ Mon, 26 Jul 2021 09:10:21 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4488 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : টিকাকরণ কেন্দ্রে মাত্রাতিরিক্ত ভিড় এবং গন্ডগোল এড়াতে এবার কলকাতায় চালু হল কুপন ( Coupon )। আজ সোমবার থেকে শহরের মেগা টিকা সেন্টারে কুপন দেওয়া শুরু করেছে কলকাতা পুরসভা। সেইসঙ্গে কুপন যাচাইয়ের জন্য থাকবে পুলিশি পাহারা। কলকাতা পুরসভা বিভিন্ন থানার সঙ্গে কথা বলে পুলিশ পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। বর্তমানে কলকাতা পুরসভার ( KMC ) বিভিন্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে টিকাকরণের পাশাপাশি ১৮টি মেগা সেন্টারে ( Mega Center) টিকা দেওয়া হচ্ছে।

সেই মেগা সেন্টারের ( Mega Center ) ভিড় সামলাতে কুপন ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত সেখানে চালু করা হবে। এরপর আগামী দিনে অন্যান্য পুরো স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ( Health Center ) ও টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে কুপন চালুর ইচ্ছা রয়েছে পুরো কর্তৃপক্ষের। তবে সেটা শুধুমাত্র প্রথম ডোজের টিকার ক্ষেত্রেই। দ্বিতীয় রোগের টিকা এমনি পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুরসভা। বর্তমানে পুরসভার হাতে ভ্যাকসিন নেই।

সেই কারণে ৩৯টি কোভাক্সিন টিকাকরণ ( Covaxin Vaccination ) কেন্দ্রে টিকা দেওয়া বন্ধ রয়েছে। কোভিশিল্ড ( Covishield ) রয়েছে নামমাত্র। সোমবার নতুন টিকা আসার কথা। সেক্ষেত্রে টিকা আসলে দ্বিতীয় ডোজ প্রাধান্য দিয়ে দেওয়া হবে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত টিকা মিলবে। পরের দিনের জন্য কুপন দিয়ে দেওয়া হবে। কুপন মিলবে শুধুমাত্র প্রথম রোজার জন্য। এক্ষেত্রে আধার কার্ড এবং ভোটার কার্ডের আসল এবং ফটোকপি নিয়ে আসতে হবে।

তার ওপর স্টাম্প দিয়ে দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে কুপন জালিয়াতির উঠতেও ব্যবস্থা নিয়েছে পুরসভা। ব্যবহার করা হচ্ছে স্থানীয় থানা কে। মেগা সেন্টারের বাড়ি থাকবে পুলিশ। ভীর সামলানো থেকে শুরু করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুরসভা। সে ক্ষেত্রে কুপন যাচাই করে সেন্টারে ঢোকাবে পুলিশ। কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, সোমবারের মধ্যে কোভ্যাকসিন এবং আসার কথা।

কিন্তু সেটা আসলেও দেওয়া হবে শুধুমাত্র দ্বিতীয় ডোজ। কারণ পর্যাপ্ত টিকা নেই। কিন্তু কোভিশিল্ড স্বাভাবিক নিয়মেই দেয়া হবে। টিকা না থাকার কারণে ভিড় হচ্ছে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাইরে এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। সেই কারণেই কুপন ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন। কলকাতায় ইতিমধ্যেই ৬১ শতাংশ মানুষকে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দ্বিতীয় টিকা পেয়েছেন মাত্র ২১ শতাংশ মানুষ। কলকাতা পুরসভাকে এখনো পর্যন্ত দু লক্ষ টাকার দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে। যার মধ্যে শুধুমাত্র কোভ্যাকসিন লাগবে ৭৫০০০।

]]>
তিলোত্তমাকে আরও সবুজ করতে শুরু হলো বিশেষ অভিযান https://runnerbangla.com/kmc-start-campaign-tree-plantation-make-kolkata-town-greener/ Sun, 25 Jul 2021 11:47:32 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4452 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : পরিবেশকে রক্ষা করতে হলে আরও অনেক বেশি করে সবুজায়ন করতে হবে। তাই শহর কলকাতাকে আরো সবুজ করে তুলতে বদ্ধপরিকর কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। তাই পরিবেশ দূষণ কমাতে উদ্যোগে কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )। যিনি আবার রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রীও বটে। তার পাশাপাশি পেট্রোল ডিজেলে যে সমস্ত গাড়ি চলছে সেগুলোকে বৈদ্যুতিক গাড়িতে পরিবর্তন করতে হবে।

তার ফলে পরিবেশ দূষণ ( Environmental pollution ) অনেক কম হবে। যদিও রাতারাতি তা করা সম্ভব নয় বলে পরিবহন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন। কিন্তু ধীরে ধীরে তাই গড়ে তুলতে হবে বলেও তিনি মনে করছেন। এর পাশাপাশি নতুন করে জমি চিহ্নিত করে কলকাতা শহরেও ইকোপার্ক তৈরি করতে চান তিনি। পাশাপাশি ফিরহাদ জানিয়েছেন, পরিবেশকে রক্ষা করতে হলে মানুষকে আরও অনেক বেশি সতর্ক হতে হবে এবং সচেতন থাকা বাধ্যতামূলক।

শহর কলকাতায় যে সমস্ত গাড়ি চলছে সেগুলো যদি ইলেকট্রিক গাড়িতে পরিবর্তন করা যায় তার ফলে পরিবেশ দূষণ অনেকটাই কম হবে বলে তিনি মনে করেন। অন্যদিকে তিনি জানিয়েছেন অটো রিক্সা যেগুলি কাটা তেলে চলে সেগুলোতেও বৈদ্যুতিক গাড়িতে পরিবর্তন করতে হবে। এছাড়া জলপথের সমস্ত জাহাজ সেগুলোকেও বৈদ্যুতিক ব্যবহার যোগ্য করে তুলতে হবে বলেও তিনি মনে করছেন। ধীরে ধীরে তা গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম।

কলকাতা পুরসভা চলতি বছর আরও ২৫ হাজার গাছ লাগানোর কর্মসূচি নিয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে অরণ্য সপ্তাহ পালন করেছে রাজ্য সরকার। যেখানে ইতিমধ্যেই প্রায় ২০০০ গাছ লাগানো সম্পন্ন হয়েছে। তবে শুধুমাত্র গাছ লাগিয়ে ক্ষান্ত হয়নি কলকাতা পৌরসভা। সেই গাছের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অনেক আগ্রহী বেসরকারি সংস্থা বিভিন্ন গাছ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছে।

বিশেষ করে কলকাতার রাস্তায় মাঝে যে সুদৃশ্যভাবে ঢালাই করে ছোট ছোট গাছ লাগানো হয়েছে, এগুলো দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে বড় বড় বহুজাতিক সংস্থা। ফিরহাদ বলেন, এখনো পর্যন্ত বৈদ্যুতিক গাড়ি পরিমাণ অনেকটাই কম এবং সমস্ত জায়গায় চার্জিং পয়েন্ট নেই। সে কারণে নতুন যে সমস্ত বিল্ডিং হচ্ছে সে সমস্ত বিল্ডিংয়ের নিচে যেন চার্জিং পয়েন্ট করা হয় তাতে সাধারণ মানুষ থেকে সবারই সুবিধা হবে।

]]>