Kolkata Drainage System – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Thu, 29 Jul 2021 14:09:26 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Kolkata Drainage System – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 মুখ পুড়লো পুরসভার, ঢাক ঢোল পিটিয়েও ভাসতে হলো একঘন্টায় https://runnerbangla.com/kmc-sewerage-department-failed-slight-rainfall-kolkata-waterlogged/ Thu, 29 Jul 2021 13:50:36 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4571 #কলকাতা : মাঝারি বৃষ্টিতেই কার্যত বানভাসি কলকাতা। কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal Corporation ) নিকাশি বিভাগের ভঙ্গুর দশা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। তারপর বৃষ্টিতে একাধিক জায়গায় গাছ এবং একটি বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়। কলকাতা পুরসভার টিম গিয়ে বাড়ি ধ্বংসস্তূপ সরিয়েছে। ভেঙেপড়া গাছ সরিয়ে রাস্তা খালি করেছে। বুধবার মধ্যরাত থেকেই বৃষ্টি হয়েছে শহরে। বৃহস্পতিবার দিনভর বৃষ্টি চলেছে। যার জেরে জলমগ্ন হয়েছে শহরে বেশ কিছু এলাকা।

সুকিয়া স্ট্রিট, বিবি গাঙ্গুলী স্ট্রিট, সেন্ট্রাল এভিনিউ, ঠনঠনিয়া, টেংরা, পিকনিক গার্ডেন, বাইপাস সহ বিভিন্ন এলাকায় যথেষ্ট জল জমেছে। যদিও কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসককে জানিয়েছেন, কিছু কিছু জায়গায় জল জমেছে। কিন্তু দেশের অন্যান্য মেট্রো শহরে যেভাবে বানভাসি অবস্থা, তা কলকাতায় হয়নি। কিছু জায়গায় জল জমেছে তা দ্রুত নেমে যাচ্ছে। এদিকে, এদিন সকালে কলকাতায় লিবার্টি সিনেমা হলের পাশের গলিতে একটি তিনতলা বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ে।

বাড়ির বাসিন্দা তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের স্থানীয় কলকাতা মেডিকেল কলেজে ( Medical College ) নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি বাসিন্দাদের উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে যায় দমকল এবং কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগের কর্মীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় স্থানীয় গিরিশ পার্ক থানার পুলিশ। অন্যদিকে পার্কস্ট্রিটে ফুটপাতের একটি কাজ পুরোপুরি গোড়া থেকে ভেঙে পড়ে। পরে কলকাতা পুরসভার উদ্যান বিভাগের কর্মীরা গিয়ে গাছ কেটে তা সরিয়ে নিয়ে যায়।

কলকাতা শহরে এদিন দুপুর দুটো পর্যন্ত ৪০ মিলিমিটার গড় বৃষ্টিপাত হয়েছে। তাতেই ভেসে গিয়েছে কলকাতা। কলকাতা পুরসভার সব পাম্পিং স্টেশন ( Pumping Station ) কাজ শুরু করেছে। চালানো হচ্ছে ৩৭৭টি পাম্প ( Pump )। কিন্তু তারপরেও শহরের বিস্তীর্ণ এলাকায় জল নামানো যায় নি। বিশেষ করে মেট্রোর কাজের জন্য বাইপাসে বিভিন্ন জায়গায় জল জমেছে।

তবে কয়েকটি অঞ্চল থেকে ধীরে ধীরে জল নামছে বলে দাবি করেছে কলকাতা পুরসভা। বিশেষ করে, দুপুরে কয়েকঘণ্টা জোয়ার থাকায় লকগেট বন্ধ ছিল। তার ফলে জল জমেছে বলেই দাবি পুরসভা। বিকেলে লক গেট খুলে দেওয়ার পর আস্তে আস্তে জল নেমে গিয়েছে বলে দাবি করেছে কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষ।

]]>
আজব প্রসাশন : জমা জল নামানোর জন্য, জলে ঢালা হয় কোটি কোটি টাকা https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-drainage-system-billion-rupees/ Wed, 21 Jul 2021 13:17:34 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4252 #কলকাতা : শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রয়োজনে কিংবা অপ্রয়োজনে রাখা রয়েছে একাধিক হ্যান্ড পাম্প ( Hand Pump )। তুমুল বৃষ্টিতে জল নামানোর কাজে যা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু সেই সব হ্যান্ড পাম্প কি বাস্তবে প্রয়োজন হয়? নাকি অহেতুক রেখে খরচের বহর বাড়ানো হয়েছে। সেই সমীক্ষা শুরু করল কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগের ( Sewerage Department ) বক্তব্য, অপ্রয়োজনীয় পাম্প তুলে ফেলা হবে। যার জেরে অন্তত প্রতি বছর কয়েক কোটি টাকা খরচ কমবে কলকাতা পুরসভার।

নিকাশি বিভাগ সূত্রে খবর, বর্তমানে ৩৪১টি এমন হ্যান্ড পাম্প শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। যার মধ্যে ১২২টি কলকাতা পুরসভার নিজস্ব হ্যান্ড পাম্প ( Hand Pump )। বাকিগুলি বিভিন্ন ঠিকাদারি সংস্থার থেকে ভাড়া নেওয়া। সেই পাম্প চালাতে লোক রাখা, তেল খরচ সহ আনুষঙ্গিক খরচ মিলিয়ে প্রতিবছর এক একটি পম্পের পেছোনে অন্তত ৩ থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়।

অর্থাৎ ঠিকাদারি সংস্থা মারফত হ্যান্ড পাম্প ভাড়া বাবদ কলকাতা পুরসভাকে প্রতিবছর অন্তত ৬ কোটি টাকা থেকে ১১কোটি টাকার খরচ গুনতে হয়। যা যথেষ্ট মোটা অংকের টাকা। কিন্তু এই হ্যান্ড পাম্প গুলির মধ্যে অনেক এমন আছে যেগুলোর প্রয়োজন নেই। এমনটাই দাবি করছেন কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগের আধিকারিকরা। অন্তত ৩৫-৫০টি পাম্প অকারনে পড়ে রয়েছে। যেগুলোর খরচ পুরসভাকে সামলাতে হয়। কিন্তু সেগুলি খুব একটা কাজে লাগে না।

অর্থাৎ প্রতি বছর অন্তত দেড় কোটি টাকা থেকে প্রায় তিন কোটি টাকা পর্যন্ত হ্যান্ড পাম বাবদ খরচ অতিরিক্ত করছে কলকাতা পুরসভা। কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, অনেক এমন পাম্প রয়েছে যেগুলো অকারনে পড়ে থাকে। সেগুলো কাজ না করলেও চলে। কিন্তু অনেক সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি মেনে আমাদেরকে দিতে হয়েছে। কিন্তু এখন পুরসভা যখন আর্থিকভাবে কিছুটা সমস্যার মধ্যে চলছে, তখন এই অতিরিক্ত খরচ কাটছাঁট করা যায়।

কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগ সূত্রে খবর, যে ওয়ার্ডে এমন বাড়তি পাম্প পড়ে রয়েছে সেই ওয়ার্ডগুলি হল ৬২, ১২৩, ১০৯ এবং ৪ নম্বর ওয়ার্ড। ৬২টি ৭টি, ১২৩ নম্বরে ১৩-১৪টি, ১০৯ নম্বরে ৯-১০টি এবং ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৭-৮টি হ্যান্ড পাম দেওয়া আছে। যেগুলির মধ্যে অনেকগুলো বাড়তি। এমনই শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বাড়তি হ্যান্ড পাম্প তুলে দিয়ে খরচ কমাতে পক্ষপাতী কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষ।

]]>
বাইপাস এলাকায় জলযন্ত্রণা দ্রুত দূর হবে, আশ্বাস পুরসভার https://runnerbangla.com/kolkata-bypass-water-freezing-problem-assure-firhad-hakim/ Sat, 17 Jul 2021 03:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4093 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : বাইপাস সংলগ্ন খাল এবং সেখানকার পাম্পিং স্টেশন গুলির জল নিষ্কাশন ক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিচ্ছে কলকাতা পুরসভা ( kolkata Municipal Corporation)। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগকে এই মর্মে প্রজেক্ট রিপোর্ট জমা দিতে বলেছেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )।

বৃহস্পতিবার রুবি মোড় সংলগ্ন নোনাডাঙ্গা ড্রেনেজ পাম্পিং স্টেশন ( Pumping Station ) ও খাল এবং বি বি ওয়ান খাল ( অভিষিক্তা মোড় সংলগ্ন ) পরিদর্শন করেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )। যাদবপুর এবং টালিগঞ্জ এলাকায় জমা জল নিয়ে দুর্ভোগ দীর্ঘদিনের। তবে সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে কার্যত ভেঙে পড়েছিল। তার জেরে যেখানে কোনও দিন জল জমে না, তেমন জায়গাতেও জল টানা কয়েকদিন ঠায় দাঁড়িয়েছিল।

যার সমস্যা সমাধানে এবার আসরে কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। পাশাপাশি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বাইপাসের ওপর বিভিন্ন নিকাশি খাল থেকে তাদের সরঞ্জাম তুলে নিয়ে স্রোতের মুখে বাধা কাটানো হবে। তেমনটাই জানিয়েছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দর থেকে গড়িয়া পর্যন্ত মেট্রো রেলের সম্প্রসারণের কাজ চলছে। যে কাজ করছে রেলওয়ে বিকাশ লিমিটেড বা আর ভি এল এল।

ফিরহাদ হাকিম বলেন, মেট্রো করিডরের কাজের জন্য যে খালের চ্যানেলের ওপর দিয়ে পাইলিং কংক্রিটের পাইলিং করা হয়েছে, সেগুলি মেট্রো কর্তৃপক্ষ সরিয়ে দেবে। যাতে জলস্তর ঠিকমতো থাকে এবং খালের জল ঠিকমতো নিষ্কাশিত হতে পারে। পাশাপাশি ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডে পুরনো একটি কালভার্ট কম উঁচু থাকায় খালের জল তার তলা দিয়ে ঠিকমতো নিষ্কাশিত হতে পারছে না।

যার জন্য ওই কালভার্ট ভেঙ্গে নতুন উঁচু ব্রিজ করে দেওয়ার জন্য কেএমডিএকে নির্দেশ দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। বাইপাস জুড়ে তৈরি হয়েছে একের পর এক সুউচ্চ অট্টালিকা। সেখানকার নিত্যদিনের নোংরা জল প্রতিনিয়ত বার হয়ে নিচু জায়গায় জমা হচ্ছে। ওই অঞ্চলে নিকাশি নালার থাকলেও প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বসবাসকারীর চাপে তার কর্মক্ষমতা হারিয়ে গেছে। ফলে নতুন করে নিকাশি ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করে কলকাতা পুরসভা।

যার জন্য ইতিমধ্যেই নিকাশি এবং জঞ্জাল সাফাই বিভাগকে প্রজেক্ট রিপোর্ট তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই জানিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। দু’দিন আগে যাদবপুর এলাকার শাসকদলের কো-অর্ডিনেটররা দল বেঁধে কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমের কাছে যান। তারা বিষয়টি তাকে বিস্তারিত জানান এবং সমাধানের পথ খুঁজে দিতে বলেন। তারপরেই ফিরহাদ খালগুলি পরিদর্শন করলেন।

]]>
কলকাতার জল যন্ত্রণা, পলির পাহাড় কাটছে দেড় হাজার শ্রমিক https://runnerbangla.com/kolkata-stagnant-water-problem-workers-cutting-silt/ Tue, 29 Jun 2021 05:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3064 কলকাতা : কয়েক সপ্তাহ আগের তুমুল বৃষ্টি থেকে শিক্ষা নিল কলকাতা পুরসভা ( KMC )। শহরকে বানভাসি হওয়া থেকে আটকাতে জোর কদমে নিকাশের কাজ শুরু হল। গত কয়েকদিন ধরে শহরের বিভিন্ন বড় বড় রাস্তা এবং পাম্পিং স্টেশন ( Pumping Station ) সংলগ্ন নিকাশি নালার থেকে পলি তোলার কাজ তড়িঘড়ি চালাচ্ছে কলকাতা পুরসভা। যার জন্য নামানো হয়েছে আধুনিক মেশিন। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, শহরের পলি তোলার জন্য ৫০টি ডিসেলন্টিং মেশিন রয়েছে।

সেগুলোকে কাজে লাগানো হচ্ছে। এছাড়াও ম্যানহোল থেকে ময়লা বের করার জন্য রয়েছে বাকেট মেশিন। প্রায় ৩২৫টি এই ধরনের আধুনিক মেশিন রয়েছে কলকাতা পুরসভার হাতে। বর্তমানে করোনা বিধিনিষেধ চালু থাকায় রাস্তায় গাড়ি কম চলছে। যার কারণে এই মেশিনগুলো রাস্তায় বসিয়ে ভূগর্ভস্থ নিকাশি নালার ( Underground Drainage ) ময়লা এবং পলিতলার কাজ চালাচ্ছে কলকাতা পুরসভা। একেকটি ডিসেলন্টিং মেশিন চালাতে ৩-৪ জন শ্রমিকের প্রয়োজন হয়।

অর্থাৎ শহরে দুই শিফটে দিনে-রাতে ৩০০-৪০০ জন শ্রমিক এই মেশিনের সঙ্গে কাজ করছেন। পাশাপাশি বাকেট মেশিন চালাতেও ২-৩ জনের দরকার পড়ে। অর্থাৎ এই ক্ষেত্রেও দুই শিফটে ১৩০০ জন শ্রমিককে দিয়ে কাজ করাচ্ছে কলকাতা পুরসভা। সব মিলিয়ে ১৫০০-১৭০০ শ্রমিক গত এক সপ্তাহ ধরে দিনরাত কাজ করছেন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহ আগে শহরে দিনে গড়ে ১৮০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছিল।

যার জেরে শহরের নিকাশি ব্যবস্থা ( Drainage System ) কার্যত ভেঙে পড়ে। বলা ভালো প্লাবন দেখা দেয় কলকাতায়। টানা তিন থেকে চারদিন জলমগ্ন ছিল শহরের একাধিক অঞ্চল। যেখানে জল জমে না সেখানেও জল ঠায় দাঁড়িয়ে ছিল। যার জেরে তৎপর হয়ে ওঠে কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষ। দেখা যায়, নিকাশি খালের নাব্যতা না থাকার জেরে জল নামেনি। পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ নিকাশি নালার থেকে ঠিকঠাক পলি না তোলায় জল আটকে ছিল।

কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগের এক শীর্ষকর্তা বলেন, সারা বছর আমাদের কাজ চলে। কিন্তু এবার মাত্রাতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। তাই কিছু করা যায়নি। তবে আমাদেরও প্রচুর গলদ রয়েছে। তাই ম্যানহোল থেকে ময়লা আবর্জনা এবং পলি তোলার কাজ আরও বেশি করে করা হচ্ছে। যাতে যতটা সম্ভব ভূগর্ভস্থ নালাগুলি পরিষ্কার রাখা যায়।

এবছর কলকাতা পুরসভা রেকর্ড পরিমাণ করে তুলেছে বলে দাবি করেছেন আধিকারিকরা। কিন্তু তার পরেও নিকাশি ব্যবস্থার ভগ্নদশা প্রকাশ্যে চলে এসেছে। কার্যত প্লাবন দেখা গিয়েছে শহরে। সেখানে তড়িঘড়ি নিজেদের দোষ ঢাকতে এখন ফের ভূগর্ভস্থ ময়লা ও পলি তোলায় জোর দিচ্ছে কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগ।

]]>
জল যন্ত্রনার জন্য দায়ী মেট্রো, নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা রাজ্য সরকারের https://runnerbangla.com/kolkata-metro-responsible-water-crisis-west-bengal-govt-statement/ Tue, 22 Jun 2021 10:03:17 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2810 কলকাতা : মেট্রোর ( Metro ) কাজের জন্যই পূর্ব কলকাতা এবং দক্ষিণ কলকাতায় টানা দু’তিন দিন জল-ভোগান্তি হয়েছে নাগরিকের। বাইপাস সংলগ্ন নিকাশি খালগুলি পরিদর্শনের পর এমনটাই মত রাজ্য প্রশাসনের। কলকাতা পুরসভাও ( Kolkata Municipal Corporation ) শহরের নিকাশি নিয়ে নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে মেট্রো কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেছে। আপৎকালীন ভিত্তিতে সেই নিকাশি খাল থেকে বাধা সরাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ নিতে বলেছে কলকাতা পুরসভা তথা নবান্ন ( Nabanna )।

কিন্তু দিনের শেষে সেচ খালের নাব্যতা না থাকা নিয়ে দায় এড়াতে পারে না রাজ্য মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। শহরের নিকাশি নালা ( Drainage ) থেকে ঠিকঠাক পলি তলা হয়নি বলেও কলকাতা পুরসভার দিকে আঙ্গুল উঠেছে। বাইপাস ধরে গরিয়া-এয়ারপোর্ট মেট্রো ( Goria Airport Metro ) রেলের কাজ করছে রেলওয়ে বিকাশ নিগম লিমিটেড বা আরভিএনএল। বহু বছর ধরেই কাজ চলছে। কাজ চলছে ঢিমেতালে। সেই কারণেই বাইপাস সংলগ্ন মূল নিকাশি খাল টালিগঞ্জ-পঞ্চান্নগ্রাম বা টিপি ক্যানেল, সুবারবান হেড কার্ট ক্যানেল, হেড কার্ট ক্যানেলে কোথাও মাটি ফেলে বুজিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোথাও আবার পাইপ ফেলে রাখায় জলের স্রোত বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে।

গত কয়েকদিন ধরে দফায় দফায় রাতভর বৃষ্টিতে জল জমেছে শহরে। উত্তর কলকাতার জল নেমে গেলেও পূর্ব, দক্ষিণ এবং সংযুক্ত কলকাতায় জল দু-তিন দিন পরেও নামেনি। এই অবস্থায় শহরের নিকাশি খাল গুলির নাম না থাকায় সমস্যা হয়েছে বলে দাবি করেছেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )। তারপরে ঠিক হয় শহরের নিকাশি খালগুলির অবস্থা খতিয়ে দেখা হবে। সম্প্রতি কলকাতা পুরসভা এবং সেচ দপ্তরের সঙ্গে এয়ারপোর্ট গড়িয়া রুটিন মেট্রো নির্মাণের দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি সংস্থার আধিকারিকরা এলাকা পরিদর্শন করেন।

সেখানে দেখা যাচ্ছে, কালিকাপুরের সামনে টিপি ক্যানেলের প্রায় ৬০% বন্ধ রয়েছে। পাটুলি কিউ ব্লকের সামনেও খাল ভর্তি করা। কালিকাপুরের ওখানে সাতটি নালা দিয়ে জল যায়। তার মধ্যে চারটি নালা পুরোপুরি বন্ধ। পাটুলিতে মাটি দিয়ে ভর্তি করে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, আম্বেদকর সেতুর নিচে সুবারবান হেড কার্ট ক্যানেলেও বেশ কিছুটা অংশ বন্ধ। যদিও আবার হেড কার্ট ক্যানেলের বন্ধ রাখা অংশ পরিষ্কার করে দিয়েছে ওই সংস্থা।

কলকাতা পুরসভার এক শীর্ষকর্তা বলেন, এভাবে নিকাশি খাল বুজিয়ে কাজ করতে হলে সেচদপ্তরের অনুমতি প্রয়োজন। ওই সংস্থা মেট্রোর কাজের জন্য সেই অনুমতি নেয়। বর্ষার আগে পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে, নিজের প্রতিশ্রুতি রাখতে ব্যর্থ হয়েছে তারা। সেই কারণেই এই অবস্থা। যার জেরে কসবা, মুকুন্দপুর, সন্তোষপুর, কালিকাপুর, যাদবপুর, ঢাকুরিয়ার সহ দক্ষিণের বিস্তীর্ণ অংশে জমা জল নামেনি।

এই ব্যাপারে আরভিএনএলের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক অমিত রায়কে ফোনে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, বেহালা, খিদিরপুর, গার্ডেনরিচের বিস্তীর্ণ অংশেও এক অবস্থা। সেখানেও নাব্যতা না থাকায় চরিয়াল, মনিখাল সহ অন্যান্য নিকাশি খালগুলির অবস্থা সঙ্গীন। বেহালা অঞ্চলের নবপল্লী, পর্ণশ্রী, রবীন্দ্রনগর, ১৬ ফিট, ১২ ফিট সহ বিভিন্ন এলাকায় কেইআইআইপির কাজ চলছে। এক বছর ধরে দেরিতে চলছে কাজ। ফলে কলকাতা পুরসভার আওতাধীন এই সংস্থার কাজের ঢিলেমি পুরসভা এড়াতে পারেনা বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। ওই কাজের জন্যই মূলত বেহালা অঞ্চলে টানা ৭২ ঘন্টা জল জমে।

]]>
ব্রিটিশ আমলের ইটের নিকাশি বাঁচাতে বসছে বিশেষ পাত https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-special-sheets-laid-save-drainage-british-period-bricks/ https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-special-sheets-laid-save-drainage-british-period-bricks/#respond Thu, 27 May 2021 21:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1522 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে ভূগর্ভস্থ ইটের নিকাশি নালা। ব্রিটিশ আমলের সেই নিকাশি ব্যবস্থার সংস্কারে বিশেষ পাত বসাচ্ছে কলকাতা পুরসভা। খিদিরপুর-মমিনপুর অঞ্চলের ভূগর্ভস্থ নিকাশি নালায় লাইনিং বা বিশেষ পাতের প্যানেল বসানোর কাজ চলছে। চলতি মাসের মধ্যেই সেই কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার পথে কলকাতা পুরসভা বসাচ্ছে বিশেষ পাতের এই গোলাকৃতি ফ্রেম।

ফেন্সি মার্কেট থেকে মোমিনপুর পাম্পিং স্টেশনের ভূগর্ভস্থ নিকাশি নালা প্রায় ২.২ কিলোমিটার। পাম্পিং স্টেশন থেকে একটি ডেলিভারি লাইন মেহের আলি মণ্ডল রোড পর্যন্ত প্রায় ৪১০ মিটার। অন্যদিকে ডেন্ট মিশন রোড, মোমিনপুর রোড, জালা লেন হয়ে ডায়মন্ড হারবার রোড। বোট ক্যানেল পর্যন্ত আরও ৭৮৮ মিটার লাইন।

সব মিলিয়ে ভূগর্ভস্থ প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার নালায় এই কাজ হচ্ছে। দুটি ধাপে কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই প্রথম ধাপ সম্পন্ন। দ্বিতীয় ধাপের কাজও প্রায় শেষের দিকে। প্রায় দেড় বছর ধরে কাজ করছে কলকাতা পুরসভার টাউন প্ল্যানিং বিভাগ।

এই প্রসঙ্গে কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত তথা প্রশাসক বোর্ডের সদস্য তারক সিং জানিয়েছেন, পুরনো ব্রিটিশ আমলের তৈরি ইটের টানেলের ভিতরে বিশেষ পাত দিয়ে মুড়ে দেওয়া হচ্ছে। এই কাজ শেষ হলে ওই অঞ্চলে জমা জলের দুর্ভোগ কমাতে তা অনেকটাই কার্যকরী হবে।

যদিও এই কাজ গত বছর নভেম্বরের মধ্যেই শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা-লকডাউন, সেইসঙ্গে বর্ষায় কাজ বন্ধ রাখতে হয়েছে। তাই কাজ শেষ করতে কিছুটা দেরি হয়েছে বলেই জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের আধিকারিকেরা। দু’ধাপে প্রায় ৫৭ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে।

কলকাতা পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, সকালের দিকে এই ধরনের কাজ হয় না। নিকাশি নালার কাজ রাতের দিকে স্বাভাবিক নিয়মে হয়। প্রায় ১৮-১৯ ফুট গভীরে নেমে কাজ করতে হচ্ছে। ব্রিটিশ আমলে তৈরি ইটের ভূগর্ভস্থ নিকাশি নালা ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। তার চারিপাশে বিশেষ ধরনের উপকরণ সহকারে গোলাকৃতি পাতে মুড়ে ফেলা হচ্ছে।

]]>
https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-special-sheets-laid-save-drainage-british-period-bricks/feed/ 0
YAAS পরবর্তী ভারী বর্ষণে ঘরবন্দি কলকাতা, ভাসতে পারে শুক্রবারও https://runnerbangla.com/kolkata-under-house-arrest-heavy-rainfall-after-yaas/ https://runnerbangla.com/kolkata-under-house-arrest-heavy-rainfall-after-yaas/#respond Thu, 27 May 2021 15:03:06 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1500 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ভারী বর্ষণে ভাসল মহানগরী। উত্তর, দক্ষিণ এবং সংযুক্ত কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চলে জমল জল। ভরা কোটাল থাকায় জল নামতে যথেষ্ট বেগ পেতে হল কলকাতা পুরসভাকে। এদিন দুপুরবেলা হঠাৎই কলকাতার আকাশে কালো মেঘের ঘনঘটা দেখা যায়। এরপরই শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি। তার জেরে উত্তর কলকাতা চিত্তরঞ্জন এভিনিউ, কলেজস্ট্রিট, ঠনঠনিয়া, রাজা রামমোহন রায় সরণি সহ বিভিন্ন জায়গায় জল জমে।

দক্ষিণ কলকাতা একাধিক এলাকাও জলমগ্ন হয়ে পড়ে। প্রায় ঘন্টা দুয়েক ধরে চলে অবিরাম বৃষ্টি। একনাগাড়ে বৃষ্টিতে টালিগঞ্জ মোড় এলাকায় প্রায় হাঁটু সমান জল দাঁড়িয়ে যায়। একইসঙ্গে, কুদঘাট, করুণাময়ী প্রভৃতি এলাকা‌ও জলমগ্ন হয়ে পড়ে। মতিলাল গুপ্ত রোডেও হাঁটু সমান জল দাঁড়িয়ে যায়। অন্যদিকে বেহালা পাঠকপাড়া, চৌরাস্তা, ১৪ নম্বর বাস স্ট্যান্ড, সরশুনা, সখেরবাজার ঠাকুরপুকুরের বিস্তীর্ণ এলাকা জলের তলায় চলে যায়।

গঙ্গায় ভরা কোটাল থাকায় সেই জল নামতেও বেশ অনেকক্ষণ সময় লাগে। যদিও লকডাউন থাকায় রাস্তাঘাটে দিন লোকজনের সংখ্যা ছিল অত্যন্ত কম। বৃষ্টির ভ্রুকুটি থাকায় অনেকেই সকালের পর আর রাস্তায় বের হননি। তবে জলমগ্ন পরিস্থিতিতে ভুগতে হয়েছে জরুরী পরিষেবা যুক্ত থাকা কিছু মানুষদের। কলকাতা পুরসভা জানিয়েছে, শহরে গড়ে ঘণ্টায় ৪০-৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

কলকাতায় ৩৯২টি পাম্প চলে। যা ঘণ্টায় ২০ মিলিমিটার জল নামাতে সক্ষম। কিন্তু বেলা ৪টে পর্যন্ত গঙ্গায় ভরা কোটাল থাকায় লকেট বন্ধ ছিল। তাই শহরে বিভিন্ন অঞ্চলের জল জমে। দিনের শেষে সন্ধ্যার পর অবশ্য বেশিরভাগ জায়গা থেকে জল নামানো গিয়েছে। তবে, বৃহস্পতিবার মাঝরাতেও ফের ভরা কোটাল থাকবে গঙ্গায়। ফলে রাতভর বৃষ্টি হলে শহরে আবারও জল জমবে। সেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কলকাতা পুরসভা কর্তারা।

]]>
https://runnerbangla.com/kolkata-under-house-arrest-heavy-rainfall-after-yaas/feed/ 0
উন্নত নিকাশির স্বার্থে এবার মাটির নিচে মানচিত্র https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-making-underground-map-improved-drainage-system/ https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-making-underground-map-improved-drainage-system/#respond Thu, 20 May 2021 14:56:18 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1202 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : শহরের নিকাশি ব্যবস্থার ডিজিটাল মানচিত্র তৈরি করছে কলকাতা পুরসভা। ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে ১৩টি ওয়ার্ডের মানচিত্র তৈরির কাজ। আগামী দিনে প্রাথমিকভাবে কলকাতা পুরসভার আরও ৩৭টি ওয়ার্ডের নিকাশির ডিজিটাল মানচিত্র তৈরি হবে। পরবর্তী সময়ে বাকি ওয়ার্ডগুলিরও নিকাশি ডিজিটাল মানচিত্র তৈরি করবে কলকাতা পুরসভা।

কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, আপাতত ১৩টি অতি জল জমাপ্রবণ ওয়ার্ডের নিকাশি ব্যবস্থার পুঙ্খানুপুঙ্খ মানচিত্র তৈরি করা হয়েছে। সেগুলি হল ৭৫, ৭৬, ৫৮, ৮৫, ৮৬, ৮৩, ৮৪, ৭৭, ৭৮, ৬১, ৬২, ৩৮, ৩৯। এরমধ্যে বন্দর এবং দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন ওয়ার্ড যেমন রয়েছে, তেমনি উত্তর কলকাতার জল জমা প্রবণ বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডও রয়েছে।

কলকাতা পুরসভারর আধিকারিকদের ব্যাখ্যা, আগামী দিনে এই মানচিত্র তৈরি থাকলে ওয়েবসাইট থেকে আমজনতাও সেটা দেখতে পারবে। ভবিষ্যতের মাটির তলায় কাজ করার ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। সেই সঙ্গে ভূগর্ভস্থ নিকাশি নালার কোনও সমস্যা দেখা দিলে বা নতুন কিছু কাজ করতে গেলে এই মানচিত্র হাতে থাকলে যাবতীয় তথ্য খুব সহজেই পাওয়া যাবে।

আগামী দিনে এই মানচিত্রে প্রযুক্তিগত আপডেট করে কোনও এলাকায় জল জমেছে কিনা বা কোথাও পলি জমে থাকলে তা বিভিন্ন রংয়ের মাধ্যমে যেন বোঝা যায়, তেমন ব্যবস্থা করারও ভাবনা-চিন্তা করছে কর্তৃপক্ষ। কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত তারক সিং বলেন, সেখানকার ভূগর্ভস্থ প্রতিটি নালার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ থাকবে মানচিত্রে।

এছাড়া একটি ওয়ার্ডে কোন কোন রাস্তায় কতগুলি কী ধরনের নালা রয়েছে সেটাও থাকবে। জায়গায় জল জমার সমস্যা বেশি, ডিজিটাল মানচিত্রে উল্লেখ থাকবে তারও। বছর খানেকের মধ্যে সম্পূর্ণ ডিজিটাল মানচিত্র তৈরির কাজ করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী তিনি।

]]>
https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-making-underground-map-improved-drainage-system/feed/ 0
কলকাতাকে ঝকঝকে করতে মোটা টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার https://runnerbangla.com/west-bengal-government-borrowing-loan-asian-development-bank-kolkata/ https://runnerbangla.com/west-bengal-government-borrowing-loan-asian-development-bank-kolkata/#respond Thu, 20 May 2021 04:34:07 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1170 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : শহরের জঞ্জাল ব্যবস্থাপনা এবং নিকাশি উন্নয়নে মাস্টার প্ল্যান করেছে কলকাতা পুরসভা। ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে প্রজেক্ট রিপোর্ট। আনুমানিক খরচ ৫০০ মিলিয়ন ডলার বা ৩৫০০ কোটি টাকা। ঋণ পেতে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা এডিবি’র কাছে প্রস্তাব পাঠাচ্ছে কলকাতা পুরসভা।

জঞ্জাল ব্যবস্থাপনায় ইতিমধ্যেই শহরে ৩০০টি খোলা ভ্যাট তুলে দিয়ে তৈরি হয়েছে ৮৫টি কমপ্যাক্টর স্টেশন। যেখানে ১৮০ গাড়ি কাজ করছে। সেইসঙ্গে শহরে পাঁচটি জায়গায় বসানো হয়েছে কম্পোস্ট মেশিন। তৈরি হয়েছে সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট। যার মাধ্যমে নোংরা জল পরিশোধন করে তারপর গঙ্গায় বা অন্যান্য খালে ফেলা হয়।

পরিবেশ আদালতের নির্দেশ অনুসারে খোলা জায়গায় জঞ্জাল ফেলা যাবে না। বর্তমানে ধাপাতে শহরের রোজকার ময়লা ফেলা হয়। প্রতিদিন ৪৪০০ মেট্রিক টন কয়লা জড়ো হয়। এক আধিকারিক বলেন, ওখানে ময়লা ফেলার জায়গা নেই। ধাপার পাশে নতুন জমি অধিগ্রহণ করা সম্ভব নয়। এই অবস্থায় সেখানে মাইনিং শুরু হয়েছে।

অর্থাৎ নিচে চাপা পড়ে থাকা জঞ্জাল তুলে সেগুলিকে পৃথকীকরণ করা হচ্ছে। যেগুলি কম্পোস্ট করে সার বানানো সম্ভব সেই কাজ চলছে। নতুন ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরির জন্য রাজ্য সরকারের কাছে জমি চেয়েছিল কলকাতা পুরসভা। নিউটাউনে হিডকোর পাশে একটি ২০ হেক্টর জমি মিলেছে। যেখানে কলকাতা পুরসভা এবং সল্টলেক-নিউটাউনের নিত্যদিনের জঞ্জাল খেলা হবে।

কিন্তু কলকাতার জঞ্জালের জন্য আরও বড় পরিসরে দরকার। তাই দক্ষিণ ২৪ পরগনার রসপুঞ্জ এলাকায় আরও ১৫-২০ হেক্টর জমির খোঁজ চলছে। এই প্রসঙ্গে জঞ্জাল সাফাই বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত তথা প্রশাসক বোর্ডের অন্যতম সদস্য দেবব্রত মজুমদার বলেন, পরিবেশের চিন্তা করেই বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে নতুন ডাম্পিং গ্রাউন্ডে ময়লা ফেলার ব্যবস্থা করতে হবে।

অন্যদিকে, বর্তমানে শহরের বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে এডিবি’র থেকে পাওয়া ৩০০০ কোটি টাকা ঋণে ভূগর্ভস্থ নিকাশি এবং পানীয় জলের লাইন বসানোর কাজ চলছে। তিনটি ধাপে সেই কাজ শেষ করার টার্গেট ২০২২ সালের মার্চ মাস।

এরপরেও ১২৬, ১২৭, ১০৮, ১০৯, ১৪২, ১৪৩, ১৪৪ সহ আরও বেশ কয়েকটি অঞ্চলের ভূগর্ভস্থ নিকাশি নালার কাজ কিছুটা বাকি থাকবে। তার জন্য প্রজেক্ট রিপোর্ট ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে। নগরোন্নয়ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এডিবি’র কাছে ঋণ চেয়ে সেই প্রজেক্ট পাঠানো হচ্ছে।

]]>
https://runnerbangla.com/west-bengal-government-borrowing-loan-asian-development-bank-kolkata/feed/ 0
অক্সিজেনের অভাবে এবছর নোংরা জলে হাবুডুবু খাবে কলকাতা https://runnerbangla.com/kolkata-rain-water-drainage-pumping-station-lack-of-oxygen/ https://runnerbangla.com/kolkata-rain-water-drainage-pumping-station-lack-of-oxygen/#respond Sat, 15 May 2021 13:21:42 +0000 https://runnerbangla.com/?p=898 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : অক্সিজেনের অভাবে বলা ভালো অক্সিজেন সিলিন্ডারের অভাবে আটকে কলকাতা পুরসভার পাম্পিং স্টেশনের কাজ। সিলিন্ডারের আকাল যেমন চিকিৎসা পরিষেবায় সমস্যা তৈরি করেছে, তেমনি আটকে রয়েছে সরকারি প্রকল্প। থেমে গিয়েছে কলকাতা পুরসভার গার্ডেনরিচের নতুন কবিতীর্থ পাম্পিং স্টেশনের ভূগর্ভস্থ পাইপলাইন পাতার কাজ।

সেই পাইপলাইন পাতার কাজ গত ২০ দিন ধরে আটকে রয়েছে। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল বা শিল্প ক্ষেত্রে ব্যবহৃত অক্সিজেন সিলিন্ডার চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে। সেই কারণে কলকাতা পুরসভার ওই কাজ আটকে গিয়েছে। পাইপলাইন বসানোর কাছে অক্সিজেনের প্রয়োজন কোথায়?

পুরকর্তারা জানাচ্ছেন, পাম্পিং স্টেশন থেকে নিকটবর্তী বা দূরবর্তী খালে জল ফেলতে গেলে সেখানে প্রচুর পরিমাণ ফোর্সে জল সরবরাহ হয়। সেক্ষেত্রে বৃষ্টির জল এবং নিয়মিত শহরের নোংরা জলের জন্য পৃথক পাইপলাইন বসাতে হয়। প্রচুর ফোর্সে সেখানে দিয়ে জল যায় বলে সেই পাইপ কংক্রিটের বদলে লোহার বসাতে হয়। কংক্রিটের হলে জলের তীব্র চাপে ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

সেই লোহার বড় বড় পাইপ কোনওটা ১৪০০ কোনওটা আবার ৩৫০-৪০০ ব্যাসার্ধের হয়ে থাকে। সেই নল জুড়তে ওয়েল্ডিং বা ঝালাই করার সময় অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। অক্সিজেন এবং এলপিজি সিলিন্ডার সরকারের অক্সি-এসিটিলিন শিখা তৈরি করে সেই কাজ চলে। কিন্তু বর্তমানে যখন অক্সিজেন নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে, বিশেষত সিলিন্ডারের অভাব দেখা দিয়েছে তখন কর্তব্যরত সংস্থার কাছে অক্সিজেন সিলিন্ডার নেই।

সূত্রের খবর, ওখানে কাজের জন্য ২২ কেজি করে ২৫টি অক্সিজেন সিলিন্ডার ছিল। সেগুলি এখন অন্যত্র চিকিৎসার প্রয়োজনে সরবরাহ করতে হয়েছে। ওই সংস্থা কলকাতা পুরসভার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে চেষ্টা করেও অক্সিজেন সিলিন্ডার মিলছে না।

কলকাতা পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, পাম্পিং স্টেশনের পাইপলাইন পাতার কাজ আটকে থাকার সমস্যা হচ্ছে, এটা ঠিক। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে কতটা দ্রুত মিলবে তা নিয়ে সংশয় আছে। এখন আগে মানুষের জীবন। সেখানে এইসব কাজ আটকে থাকলে কী আর করা যাবে। তবুও সিলিন্ডার পাওয়ার চেষ্টা চলছে।

]]>
https://runnerbangla.com/kolkata-rain-water-drainage-pumping-station-lack-of-oxygen/feed/ 0