Italy – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Thu, 15 Jul 2021 14:36:37 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Italy – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 কে সেরা, কোপা না ইউরো? মহাযুদ্ধে মুখোমুখি ইতালি – আর্জেন্টিনা https://runnerbangla.com/euro-cup-champions-italy-copa-cup-champions-argentina-face-off/ Wed, 14 Jul 2021 14:20:57 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3974 রানার প্রতিবেদন : আজ পর্যন্ত ফুটবলের যত বিশ্বকাপ হয়েছে তার প্রায় সবগুলোই দুটো মহাদেশের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা হয়েছে, ল্যাটিন আমেরিকা কিংবা ইউরোপ ( Europe )। বিশ্বের দুই প্রান্তের ফুটবল যথেষ্ট জনপ্রিয় হলেও এই বিতর্কের অবসান হয়নি, কারা সেরা? ইউরোপ নাকি লাতিন আমেরিকা। লাতিন আমেরিকা চাম্পিয়নশিপ সম্প্রতি শেষ হয়েছে। কোপা কাপে চ্যাম্পিয়ন ( Copa Cup Champions) হয়েছে মেসির নেতৃত্বাধীন আর্জেন্টিনা।

অন্যদিকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের শেষে ইউরো কাপ ( Euro Cup ) দখলে নিয়েছে ইতালি ( Italy )। দুই চ্যাম্পিয়নের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা ২২-এর বিশ্বকাপে ( World Cup 2022 )। কাতারে বিশ্বকাপে এই দুই দেশ মুখমুখি হবে, তেমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। তবে দুই ঘরানার লড়াই দেখা যাবে আবার।তার আগেই একটা মহাযুদ্ধ চাইছে গোটা বিশ্বের মানুষ। সম্ভবত সেই স্বপ্নের লড়াই বাস্তবায়িত হতে চলেছে কিছুদিনের মধ্যেই। মুখোমুখি হতে চলেছে আর্জেন্টিনা ( Argentina  ) এবং ইতালি।

দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল নিয়ামক সংস্থা এবং ওয়েফার মধ্যে এ নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে। উদ্দেশ্য হলো ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো মারাদোনার ( Diego Maradona ) প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন। মারাদোনার ফুটবল জীবনের সবচেয়ে বেশি সময় কাটিয়েছেন ইতালিতে। মারাদোনার ফুটবল যাদু আজও ভুলতে পারেনি নেপোলি। বলা হয় মারাদোনার দ্বিতীয় ঘর নেপোলি। নেপোলিতেই আয়োজন করা হতে পারে এই ম্যাচ। ম্যাচের ট্রফির নাম হতে পারে মারাদনা সুপার কাপ।

সূত্রের খবর , আলোচনা শেষে সবকিছু চূড়ান্ত করতে হয় তো কিছুদিন সময় লাগবে। কিন্তু এটা প্রায় নিশ্চিত, বাস্তবায়িত হতে চলেছে মারাদোনার সুপার কাপ। মুখোমুখি হতে চলেছে ইউরোপ চ্যাম্পিয়ন ইতালি এবং লাতিন আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। মুখোমুখি হবে দুই মহাদেশের ফুটবল প্রতিনিধি। কারা চ্যাম্পিয়ন হবে, এই প্রশ্নে কৌতুহল গোটা বিশ্ব জুড়ে।

]]>
নীল ছবিতে আসক্তি কিভাবে যৌন জীবনকে ধংস করে, উঠে এলো গবেষণায় https://runnerbangla.com/porn-film-addiction-destroys-sex-life-italy-researcher/ Wed, 23 Jun 2021 06:00:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2835 বিশেষ প্রতিবেদন : ইন্টারনেট পরিষেবা এখন সকলের হাতের মুঠোয়। একটু গুগল সার্চ, ব্যাস নিল দুনিয়ার দরজা খুলে গেল আপনার সামনে। নারী কিংবা পুরুষ, পর্ণগ্রাফিতে ( Porngraphy ) আসক্ত মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। এর পেছনে একাধিক যুক্তি আছে, বিতর্কও আছে প্রচুর। সম্প্রতি ইতালির ( Italy ) একদল গবেষক অসংখ্য মানুষের মধ্যে সমীক্ষা চালিয়ে যে রিপোর্ট তৈরি করেছেন, তাকে এখন গুরুত্ব দিচ্ছে গোটা দুনিয়া। আপনিও একঝলক দেখে নিন।

প্রথমেই বলা হয়েছে, পর্ন দেখা আদৌ কোনও অসুস্থতার লক্ষণ নয়। কিন্তু তারপরই এসেছে সাবধান বাণী। মদ মানেই যেমন খারাপ নয়, পরিমিত মদ্যপান অনেক ক্ষেত্রে উপকারী, তেমনি পর্ন দেখাও আপনার নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে হবে। আসক্তি জন্মালেই মাথাচাড়া দেবে একগুচ্ছ সমস্যা যা আপনার স্বাভাবিক জীবনকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে। সবচেয়ে বড় ক্ষতি করে আপনার বাস্তব যৌন জীবনকে। পর্ন ছবিতে ( Porn film ) যে অভিনেতা কিংবা অভিনেত্রী থাকেন তাদের যৌন অভিনয়ের সঙ্গে বাস্তবের মিল নেই বললেই চলে।

ফলে পর্দায় তারা যে সব ভঙ্গিমা, মুদ্রা এবং ফোরপ্লে করে থাকে, আপনার সঙ্গিনী সেটা করতে না পারলেই আপনার যৌন তৃপ্তিতে ব্যাঘাত ঘটবে। ক্রমাগত পর্ন দেখলে নারী বা পুরুষের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে যায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে। নারী বা পুরুষ যিনি পর্নে আসক্ত তিনি তার অপজিট সেক্সের কাউকে দেখলে তাকে নিছক একজন সেক্স প্রোডাক্ট হিসাবে মনে হতে পারে। মানুষটির একাধিক সত্ত্বা তখন আপনার কাছে গুরুত্বহীন হয়ে উঠতে পারে।

এছাড়া পর্নের প্রতি আসক্তি থাকলে স্বাভাবিক যৌনতার সময়, সহজে যৌন উত্তেজনা তৈরি হতে চায় না। আবার অনেকের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক যৌনতা শেষে চরম যৌন তৃপ্তি থেকে বঞ্চিত হতে হয়। এর অন্যতম কারন, পর্ন দেখার পর চরম যৌন তৃপ্তির জন্য অনেকেই হস্ত মৈথুনে অভ্যস্ত হয়ে পরে। যারা হার্ড সেক্স দেখে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন, তারা স্বাভাবিক জীবনে যৌনতার সময় সঙ্গীকে যৌন লাঞ্ছনা করতে চান। সেক্ষত্রে সঙ্গীর সঙ্গে তার বৈরিতা তৈরি হয়।

সাংসারিক জীবনে তিক্ততা মাথাচাড়া দেয়। তবে সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে, যে সমস্ত নারী বা পুরুষ, বাস্তব জীবনে কোনও কারণে অপজিট সেক্সকে আকর্ষণ করতে ব্যর্থ, তারাই হার্ড সেক্স বেশি পছন্দ করেন। ফলে বাস্তবের যৌনতা তাকে চরম আনন্দ দেয় না। একারনে আসক্তির হাত থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পর্ন মানেই খারাপ এটা আদৌ বলা হয়নি।

উল্টে বলা হয়েছে, বাস্তবে যৌনতার অভাব থাকলে মাঝে মধ্যে পর্ন অনেকটা সেফটি ভালভের মতো কাজ করে। খুব টেনশনে থাকলে হস্ত মৈথুন কিছুটা টেনশন কমাতে সাহায্য করে। আবার কিছুক্ষন পর্ন ও হস্তমৈথুন অনেককেই ভালো ঘুমের পরিবেশ তৈরিতে সাহায্য করে। কিন্তু আসক্তি যেন জীবনের অঙ্গ না হয়। বারবার সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা।

]]>
যৌন উত্তেজক ওষুধ খাইয়ে হলিউডের নায়িকাকে ধর্ষণ https://runnerbangla.com/hollywood-heroine-raped-after-taking-sexually-arousing-drugs/ Tue, 01 Jun 2021 07:45:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1737 রানার ডেস্ক : হলিউডের জনপ্ৰিয় পরিচালক রব কোহেনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন ইতালিয়ান অভিনেত্ৰী এশিয়া আর্জেন্টো। সম্প্ৰতি ইতালিভিত্তিক একটি সংবাদমাধ্যমের কাছে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। বিষয়টি নিয়ে স্বভাবতই চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ওই সাক্ষাৎকারে এশিয়া অভিযোগ করেন, ‘ফাস্ট অ্যাণ্ড ফিউরিয়াস’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় কোহেন তাঁকে হেনস্তা করেন এবং যৌন উত্তেজক পানীয় জিএইচবি পানে বাধ্য করেন।

তিনি জানান, ‘সে সময় আমি জানতাম না আমার সঙ্গে কী করা হতে চলেছে। পরদিন সকালে আমি কোহেনের বিছানায় নিজেকে বিবস্ত্ৰ অবস্থায় পেয়েছিলাম। তাতেই বূঝে যাই আমার সর্বনাশ হয়ে গেছে। ‘তবে কোহেনের পক্ষ থেকে তাঁর মুখপাত্ৰ জানান, এশিয়ার যৌন হয়রানির অভিযোগ সম্পূৰ্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং বিভ্ৰান্তিকর। তাঁর মতে, কোহেন ও এশিয়ার মধ্যে কাজের খাতিরে একটা সুন্দর সম্পৰ্ক রয়েছে, এমনকি কোহেন তাঁকে বন্ধু মনে করেন।

তাই এই অভিযোগ বিভ্ৰান্তিকর। যদিও তাতে চিঁড়ে ভেজেনি। এশিয়া বরং এই ধর্ষণের বিচার চেয়েছেন। এর আগেও কোহেনের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের দুটি অভিযোগ উঠেছিল। এর মধ্যে একটি আবার তাঁর নিজেরই কন্যার। কোহেনের মেয়ে ভালকিরি ওয়েদার অভিযোগ করেছিলেন, তিনি যখন শিশু ছিলেন তখন তাঁর উপর যৌন নিৰ্যাতন করেছিলেন তাঁর বাবা।

বাবা হয়ে যদি মেয়ের ওপর যৌন নির্যাতন করতে পারেন, তাহলে এশিয়ার সঙ্গে কী ঘটেছে তা বোঝাই যায়। সম্প্রতি যৌন হয়রানি করার দায়ে বিখ্যাত কৌতুক অভিনেতা অ্যান্ডি ডিককেও একটি ছবি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ছবির কয়েকজন ছোট চরিত্রের কিশোরী অভিনেত্রীর শরীরের আপত্তিকর নানা স্থানে স্পর্শ করতেন বলে অভিযোগ এসেছে।’এক্স ম্যান’ সিরিজের পরিচালক ব্রিট রটনারও ভদ্রলোক নন।

এখন পর্যন্ত ছয়জন নারী তাঁর বিরুদ্ধে জোর করে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ এনেছেন। এর মধ্যে আছেন ‘এক্স ম্যান’ তারকা অলিভিয়া মুনের মতো অভিনেত্রীও। অস্কারজয়ী নির্মাতা হার্ভি ওয়াইনস্টিন তো সবার ওপরে। হার্ভির যৌন কেলেঙ্কারির খবর প্রথম ফাঁস করে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস ও দ্য নিউ ইয়র্কার পত্রিকা। হলিউডের অনেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী থেকে শুরু করে উঠতি মডেলরা তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেন।

এরপর থেকেই মূলত সাহস করে এগিয়ে আসেন অন্য ভুক্তভোগীরা। তাঁরাও যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেন। এঁদের মধ্যে অনেকে হার্ভির দ্বারা নির্যাতিত হওয়ার বিস্তারিত বর্ণনা দেন।নবাগতরা ছবির জন্য যখন অডিশন দিতে যান তখন নানাভাবে প্রযোজক ও পরিচালকদের লালসা ও হেনস্তার শিকার হতে হয়। কেউ কেউ বিষয়টি নিয়ে পরে মুখ খোলেন আবার কেউ-বা একেবারে চেপে যান।

তেলুগু অভিনেত্ৰী শ্ৰী রেড্ডি বিষয়টি নিয়ে ভীষণভাবে সোচ্চার হয়েছিলেন এবং তাঁর প্ৰতিবাদ এতটাই শক্তিশালী ছিল যে তেলুগু ফিল্ম চেম্বার অব কমাৰ্সের বাইরে প্ৰায় নগ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। যা এক কথায় বলতে গেলে নাড়িয়ে দিয়েছিল পুরো দেশকেই।নিজের ব্যাপারে তিনি খোলাখুলি জানান, ‘জোর করে যৌন সম্পৰ্ক স্থাপন করতে বাধ্য করা হয়েছিল আমাকে।

সেই লোকটি আমাকে যখন ডিওতে আসতে বলে, আমি বলেছিলাম ছবির ব্যাপারে কথা বলার জন্য আমি যেতে পারি, কিন্তু তার বেশি কিছু নয়। কিন্তু যাওয়ার পরেই জোর করে যৌন সহবাস করা হয়, যাতে আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। ‘শ্ৰী তাই স্টুডিওগুলিকে ব্যাখ্যা করেছেন নবাগতাদের জীবন নষ্ট করার জায়গা হিসাবে।

সেখানে বড় বড় পরিচালক, প্ৰযোজক, হিরো কেউই এই নষ্টামি করতে ছাড়ে না। আর জায়গাটাও অপকৰ্মের জন্য নিরাপদ, কেননা চট করে কেউ ভিতরে ঢুকে যেতে পারবে না। পুলিশ বা সরকারও বিষয়টাকে কোনও বড় ইস্যু হিসাবে দেখবে না, কেননা কুকীর্তি যারা করে তারা সব রাঘব বোয়াল।

]]>
রহস্য ঘেরা দ্বীপ, যেখানে কেউ গেলে আর ফিরে আসে না https://runnerbangla.com/mystery-island-where-one-goes-never-comes-back/ https://runnerbangla.com/mystery-island-where-one-goes-never-comes-back/#respond Fri, 28 May 2021 08:34:30 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1514 রানার প্রতিবেদন : না কোনও গল্প নয়, আগাপাশতলা বাস্তব। ইতালির উপকূল-ঘেঁষা একটি অভিশপ্ত খুদে দ্বীপ রয়েছে, যা একবার কিনলে কোনওভাবেই বিপদ বা দুর্ভাগ্য আপনার পিছু ছাড়বে না। তাছাড়া জনশ্ৰুতি আছে যে ওই ভুতুড়ে দ্বীপে গেলে কেউই আর ফিরে আসেন না, কোনওরকমে ফিরতে পারলেও কিছুদিনের মধ্যেই মারা যান।

নেপলসের নিকটবর্তী সেই অভিশপ্তদ্বীপ গাইওলাকে ঘিরে যুগ-যুগান্ত ধরে ঘনীভূত হচ্ছে একের পর এক রহস্য। নেপলস উপকূল থেকে সেখানে সাঁতার কেটেই যাওয়া যায়। এই ছোট্ট ভূখণ্ডটির ঐতিহাসিক গুরুত্বও কম নয়। প্ৰাচীন যুগে রোমানরা তার নাম দেয় ‘ইউপ্লিয়া’। দেবী ভেনাসের মন্দিরও ছিল দ্বীপের ওপর। পরে অবশ্য তা ধ্বংস হয়।

শোনা যায়, বিশিষ্ট রোমান কবি ভাৰ্জিল নাকি এই দ্বীপের প্ৰেমে পড়েছিলেন। এখানে বসেই চলত তাঁর প্ৰশিক্ষণ দেওয়া। অষ্টাদশ শতকে গাইওলা দ্বীপে এক সন্ন্যাসী এসে আচমকাই একদিন আস্তানা গাড়েন। সেখানকার স্থানীয় মানুষদের চোখে তিনি ছিলেন ‘জাদুকর’, তাঁকে ‘উইজাৰ্ড’ বলে ডাকত তারা। স্থানীয় মৎস্যজীবীরাই তাঁর দৈনন্দিন খাদ্যের জোগান দিতেন।

যেভাবে আচমকা এসেছিলেন, সেরকমই আচমকা একদিন দ্বীপ থেকে উধাও হয়ে যান তিনি। কোথায় গিয়েছিলেন, কেউ জানেন না। লোকশ্ৰুতি, আস্তানা ছাড়ার আগে তিনি নাকি দ্বীপটিকে অভিশাপ দিযে যান। আর তারপর থেকেই যতবার এই দ্বীপের মালিকানা যতজনের হাতে এসেছে, তাঁদের প্ৰত্যেকের জীবনে আচমকাই নেমে এসেছে বিপৰ্যয়।

এই ঘটনার সূচনা কুড়ির দশক থেকে। সেই সময় গাইওলা দ্বীপ কিনেছিলেন হ্যান্স ব্ৰন নাম্নী এক সুইস ভদ্ৰলোক। একদিন প্ৰাসাদের ভিতর থেকে উদ্ধার হয় কম্বলে জড়ানো তাঁর মৃতদেহ। ঠিক কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয় জানা যায়নি। তার কিছুদিন পড়েই সমুদ্ৰে ডুবে মারা যান হ্যান্সের বিধবা স্ত্ৰী। তারপর সেই দ্বীপ কেনেন অটো গ্ৰানব্যাক নামক এক জাৰ্মান ভদ্ৰলোক।

তিনিও আচমকা হৃদরোগে মারা যান। আরেক মালিক সুইজারল্যান্ডের মানসিক হাসপাতালে আত্মহত্যা করেন। এর পর কেটে গেছে কয়েক দশক। তারপর গাইওলা দ্বীপ কেনেন ফিয়াট সংস্থার কৰ্ণধার জিয়ানি অ্যাগনেলি। আর তার কযেক বছরের মধ্যে তাঁর বেশ কয়েকজন নিকটাত্মীয় মারা যান। এখানে এমন একটি ব্যক্তিগত ভিলা রয়েছে যা থেকে সমুদ্রকে উপভোগ করতে পারেন পর্যটকরা।

তবুও দ্বীপটি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে এবং স্থানীয় লোকজন তো দ্বীপের অভিশাপের পরবর্তী শিকার হওয়ার ভয়ে এর কাছে যেতেই অস্বীকার করেন। একদা দ্বীপের মালিকানা আসে বিখ্যাত ধনকুবের পল গেটির হাতে। তার কয়েক দিনের মধ্যেই গেটির নাতি অপহৃত হয়। সৰ্বশেষ দ্বীপের মালিকানা আসে বিমা সংস্থার মালিক জিয়ানপাস্কুয়েল গ্ৰাপোনের হাতে।

দ্বীপ কেনার কয়েক বছরের মধ্যে অপরিশোধিত ঋণের দায়ে তিনি জেলে যান। গাইওলা বৰ্তমানে রয়েছে ক্যাম্পানিয়ার আঞ্চলিক প্রশাসনের অধীনে। সরকারি উদ্যোগে এখানে তৈরি করা হয়েছে গাইওলা আন্ডারওয়াটার পাৰ্ক। এই এলাকাটি ইতালির নৌসেনার অধীন।

তবে স্থানীয় বাসিন্দারা যথাসম্ভব এড়িয়ে চলেন এই দ্বীপটিকে, না জানি আরও কত অভিশাপ অপেক্ষা করে রয়েছে। রহস্যময় অতীত বুকে নিয়ে আজো সেখানে দাঁড়িয়ে আছে পরিত্যক্ত ভিলা। ইতালিয়ানরা এমনিতেই কুসংস্কারগ্রস্ত, তাই এই গল্পগুলি সময়ের সাথে অতিরঞ্জিত হয়ে উঠবে এটাই স্বাভাবিক।

]]>
https://runnerbangla.com/mystery-island-where-one-goes-never-comes-back/feed/ 0