Incubator – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Sun, 27 Jun 2021 07:23:45 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Incubator – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 যমরাজকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দিল বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মানব শিশু https://runnerbangla.com/world-smallest-immature-children-richard-scott-william-hutchinson/ Sun, 27 Jun 2021 09:01:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2985 রানার প্রতিবেদন : করোনার খবরের ভিড়েই উঠে এসেছে পৃথিবীর সবচেয়ে অপরিণত শিশুর জন্মদিনের খবর। একজন মহিলার স্বাভাবিক গৰ্ভধারণের সময়কাল ১০ মাস ১০ দিন। এটা অনেকেই জানেন। তবে অনেকেই এর আগেও প্ৰসব করেন। সাত-আটমাসে প্ৰসব করলে নবজাতককে ইনকিউবেটর ( Incubator ) কি রাখার প্ৰয়োজন পড়ে। কেননা মাতৃগৰ্ভে যে উষ্ণতায় সে থাকত তার বয়স না-বাড়া পৰ্যন্ত একটা নিৰ্দিষ্ট সময়ের হিসাবে তাকে ইনকিউবেটরে সেই তাপমাত্ৰায় রাখতে হয়।

সময়ের আগে জন্মে যাওয়া এই শিশুগুলিকে অপরিণত শিশু ( Immature children ) বলে। বৰ্তমানে গিনেস বুক অব ওয়াৰ্ল্ড রেকৰ্ডের ( Guinness Book ) তথ্য অনুসারে পৃথিবীর সবচেয়ে অপরিণত শিশু হল মাৰ্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ( USA ) রিচাৰ্ড স্কট উইলিয়াম হাচিনসন ( Richard Scott William Hutchinson )। উইসকনসিন রাজ্যের বাসিন্দা সে। ৭-৮ নয় মাত্ৰ ৫ মাসেই জন্মগ্ৰহণ করেছিল রিচাৰ্ড স্কট উইলিয়াম হাচিনসন । জন্মের নিৰ্দিষ্ট সময়ের ১৩১ দিন আগে তার জন্ম হয়। জন্মের সময়ে তার ওজন ছিল মাত্ৰ ৩৩৭ গ্ৰাম।

যেসমস্ত চিকিৎসকরা তার মায়ের ডেলিভারি করানোর দায়িত্বে ছিলেন তাঁরা সকলেই ভেবেছিলেন শিশুটি হয়তো বাঁচবে না। তবুও তারা হাল ছেড়ে দেননি। এমনকী শিশুটির মা-বাবাকেও মানসিক প্ৰস্তুতি নিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসকদের তৎপরতায় সে আশ্চৰ্যজনকভাবে বেঁচে গেছে। সম্প্ৰতি তার এক বছরের জন্মদিনও পালন করা হয়েছে। রিচাৰ্ড স্কট মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিসের চিলড্ৰেনস মিনেসোটা হাসপাতালে সি-সেকশন ডেলিভারির মাধ্যমে জন্মগ্ৰহণ করে।

তার মা বেটা হাচিনসনের শরীর এতাটই জটিল হয়ে পড়ে যে তাঁকে জরুরি ভিত্তিতে অপারেশন করতে হয়। বেটার শারীরিক অবস্থা খারাপ যে ছিল, তা চিকিৎসকরা প্ৰথম থেকেই বুঝে গিয়েছিলেন। তবে ৫ মাসেই যে সিজার করতে হবে এতটাও ভাবেননি। গিনেস রেকৰ্ডস কৰ্তৃপক্ষ বলছে মাত্ৰ ৩৩৭ গ্ৰাম ওজন নিয়ে জন্ম নেওয়া রিচাৰ্ড আকারে এতটাই ছোট ছিল যে তাকে তালুতেই রাখতে পারত মা-বাবা। রিচাৰ্ডের চিকিৎসার মূল দায়িত্বে ছিলেন চিলড্ৰেনস মিনেসোটা হাসপাতালের নিওনেটাল বিশেষজ্ঞ ডা. স্টারশি কাৰ্ন।

তিনি জানান, ‘তার জন্মের পরে মা-বাবাকে বলেছিলাম এরকম শিশুদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা থাকে না।’ তার সঙ্গে ওই চিকিৎসক রিচাৰ্ডের মা-বাবাকে আরও বলেন, ‘শিশুটি বাঁচবে কি না তা জন্মের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বোঝা যাবে। এই সময়টাই তার জন্য খুবই গুরুত্বপূৰ্ণ। এই সময়টা ভালোয় ভালোয় পার করতে পারলে সে হয়তো বেঁচে যাবে।’ রিচাৰ্ডকে বাঁচাতে তৈরি হয় মেডিক্যাল টিম। চিকিৎসকরা চেষ্টার কোনওরকম ত্ৰুটি করেননি।

দিনরাত কোনও না কোনও চিকিৎসক পালা করে রিচাৰ্ডকে পৰ্যবেক্ষণ করেছেন। ওদিকে জাঁকিয়ে বসেছে করোনা অতিমারি। এর ফলে বাচ্চাটির মা-বাবাকেও তার কাছে থাকার অনুমতি চিকিৎসকরা দেয়নি। আর পরিবারের অন্য সদস্যদের তো হাসপাতালে থাকার কোনও প্ৰশ্নই ওঠে না। রিক ও বেটা হাচিনসন থাকেন অন্য এক রাজ্য উইসকনসিনের সেন্ট কক্স কাউন্টিতে। হাসপাতালে থাকার অনুমতি মেলেনি।

বেশ কয়েক কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে প্ৰতিদিন তাঁদের হাসপাতালে আসতে হতো। তবে আস্তে আস্তে সুস্থ হয়ে উঠেছে রিচাৰ্ড।৬ মাসেরও বেশি তাকে হাসপাতালে রাখার পর গত ডিসেম্বরে মুক্ত করেন চিকিৎসকরা। সন্তানকে বাড়ি নিয়ে ফেরার সময়ে বাবা-মা আনন্দের চোটে কেঁদেই ফেলেন। সম্প্ৰতি ধুমধাম করে তার জন্মদিন পালন করা হয়েছে।

]]>