Health – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Wed, 28 Jul 2021 07:02:01 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Health – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 চারদিন পর শুরু হল কোভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ, উপচে পড়া ভিড় https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-covaxin-second-dose-after-4-day/ Wed, 28 Jul 2021 06:36:17 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4530 কলকাতা : ভোর থাকতে ভবানীপুরে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ( Health Center ) বিরাট লাইন পড়ে ভ্যাকসিন সেন্টারে দ্বিতীয় ডোজ নিতে। একই ছবি কলকাতা কর্পোরেশনের উলটো দিকে রক্সি সিনেমা হলের মেগা সেন্টারে। মল্লিক বাজার পার্ক স্ট্রিটে কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal corporation ) একটি টিকাকেন্দ্রেও সেই ছবি ধরা পড়েছে। তবে শিবিরগুলতে শেষের দিকে আধার বা ভোটার কার্ডের প্রতিলিপিতে সিলমোহড় দিয়ে জানানো হয়েছে আগামী দিন এলে তাঁরা আগে টিকা পাবেন।

টুকরো টুকরো এই ছবিগুলি কলকাতার বিভিন্ন টিকাকেন্দ্রে ( Vaccine Center )। চার দিন ধরে বন্ধ ছিল কোভ্যাকসিনের ( Covaxin ) টিকাকরণ। এবার মঙ্গলবার থেকে সেটা ফের শুরু হতেই উপচে পড়েছে ভিড়। টিকা না মেলায় জেলায় জেলায় মানুষের ভোগান্তির চিত্র ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। এবার খাস কলকাতার টিকাকেন্দ্রে সেই চিত্রই ফুটে উঠল। গত চার দিন ধরে কোভ্যাকসিন না থাকায় ৪০টি টিকাকেন্দ্র বন্ধ ছিল।

মঙ্গলবার সকালে এই কেন্দ্রগুলি খোলায় উপচে পড়ল দ্বিতীয় ডোজ ( Second Dose ) নেওয়ার জন্য মানুষের ভিড়। বুধবারেও একই ছবি সকাল থেকে। কোভ্যাকসিন নিয়ে চলছে চরম ভোগান্তি। মাঝে মধ্যেই টিকার অভাবে বন্ধ রাখতে হচ্ছে টিকাকরণ। তবে সঙ্কট আরও চরমে ওঠে গত বৃহস্পতিবার। কলকাতা কর্পোরেশনের টিকার ভাণ্ডারে কোভ্যাকসিন শূণ্য হয়ে যায়। এর জেরে শুক্রবার থেকে কোভ্যাকসিনের সমস্ত কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়।

কলকাতা কর্পোরেশনের তরফে জানানো হয় কবে মিলবে টিকা জানা নেই। টিকা এলে তবেই খোলা হবে কেন্দ্রগুলি। এরপরই দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় থাকা বহু মানুষ অনিশ্চয়তায় ভুগতে থাকেন। এর মধ্যেই টানা চার দিন বন্ধ থাকার পরে সোমবার রাতে রাজ্যের টিকা সংরক্ষন কেন্দ্রে কোভ্যাকসিন ঢোকে। কর্তৃপক্ষ জানায়, মঙ্গলবার থেকে কোভ্যাকসিনের শুধু দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে।

এই শোনামাত্রই কলকাতার বিভিন্ন কোভ্যাকসিন সেন্টারে মঙ্গলবার ভোররাত থাককতে লোকজন লাইন দিতে শুরু করেন। এত দিন ধরে টিকা নেওয়ার জন্য উদগ্রীব মানুষের ভিড়, দীর্ঘ লাইনের চিত্র জেলাগুলিতে সামনে এসেছে। তবে এদিন সেই চিত্রই কলকাতার কোভ্যাকসিন সেন্টারগুলির সামনে দেখা গেলো। এক রাশ উদ্বেগ উৎকন্ঠা নিয়ে কাক ভোর থেকে লাইনে অপেক্ষা দ্বিতীয় ডোজের।

অনেক জায়গায় টুকটাক বচসা আবার কোথাও দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়েও টিকা না মেলায় ফিরে যাওয়ার ক্ষোভ জানাতে দেখা গেছে সাধারণ মানুষকে। এদিন এই উপচে পড়া ভিড় দেখে প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim ) বলেন, মানুষকে ধৈর্য রাখতে বলছি। আমাদের হাতে যথেষ্ট পরিমান টিকা এসে পৌঁছেছে। যাঁরা কোভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় ধাপে ধাপে সকলেই পাবেন।

কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, এই মহুর্তে ৭৫ হাজার মানুষ কোভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজের প্রাপক। ফলে প্রতি শিবিরেই উপচে পড়ছে ভিড়। তবে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বেশ কিছু লোকজনকে কুপন দেওয়া হয়েছে। আধার কার্ড বা ভোটার কার্ডে সিলমোহড় দিয়ে। সেই কাগজ আজ বুধবার দেখালে আগে তাঁদের দেওয়া হবে। টিকাকরণ কেন্দ্রগুলিতে মোতায়ন করা হচ্ছে পুলিশ। তাঁরাই ভিড় সামলাবেন। কুপন পরীক্ষাও করবেন।

]]>
বঙ্গের স্বাস্থ্য | জেলা হাসপাতালে নেই সামান্য এক্সরে প্লেট https://runnerbangla.com/west-bengal-hospital-health-lack-of-x-ray-plate/ Sat, 24 Jul 2021 06:51:01 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4402 রানার ডেস্ক : ঝাঁ চকচকে বিল্ডিং হচ্ছে, কোথাও নাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল আবার কোথাও মেডিক্যাল কলেজ ( Medical College )। মানুষের নজর কাড়তে আর আবেগে ইন্ধন দিতে এগুলির জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু চিকিৎসা? চিকিৎসার গুনগত মান বেড়েছে এই অপবাদ দিতে কেউ সাহস পাবেন বলে মনে হয় না। স্বাস্থ্য ব্যবস্থাই গভীর অসুখে আক্রান্ত। তার জলন্ত উদাহরণ হিসেবে সামনে এলো জলপাইগুড়ি ( Jalpaiguri ) জেলা হাসপাতাল। সামান্য এক্সরে প্লেটের ( X-ray Plate ) অভাবে দিনের পর দিন নাকানি চোবানি খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

হাসপাতাল ( Hospital ) কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন, এক্সরে প্লেটের সরবরাহ কম থাকায় এই সমস্যা হচ্ছে। যারা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা করাচ্ছেন তাদের প্লেট দেওয়া হচ্ছে কিন্তু যারা আউটডোর চিকিৎসা করছেন তাদের দেওয়া যাচ্ছে না। যারা পিপিপি মডেলে এই হাসপাতালের এক্সরে ইউনিট চালান, তাদের বলা হয়েছে দ্রুত সমস্যার সমাধান করতে। কর্তৃপক্ষ বেসরকারি সংস্থার ঘাড়ে রেখে দিচ্ছেন সব দায়িত্ব, আর সংকটে পরে নাকাল হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

যদিও উদ্ভাবনী ক্ষমতার পরিচয় দিয়ে সমাধান একটা বার করেছেন তারা। যারাই এক্সরে করছে তাদের বলা হচ্ছে, স্মার্ট ফোন নিয়ে আসুন, কম্পিউটার থেকে এক্সরের ছবি তুলে নিয়ে যান, ডাক্তারকে দেখান। অসংখ্য মানুষের কাছে স্মার্ট ফোন থাকে না, তারা এই সমাধান শুনে অসহায় ভাবে তাকিয়ে থাকছেন। আত্মীয় স্বজন কিংবা প্রতিবেশীর ফোনও ধার করে আনছেন অনেকে। কেউ আবার পাড়ার কারও নম্বর দিয়ে অনুরোধ করেছেন, যাতে পাঠিয়ে দেওয়া যায়।

এরজন্য দূর থেকে আসা অনেক রুগীকে দুবার করে আসতে হচ্ছে। যদিও এক্সরে যারা করেন তাদের বক্তব্য, স্মার্টফোনে সব এক্সরে রিপোর্ট ভালো করে বোঝা যায় না। ছবি তোলার সময় বেশিরভাগ লোকের হাত একটু হলেও কাপে। সামান্য কাপলেই ছবি কিছুটা ঝাপসা হবেই। সেক্ষেত্রে চুলের মতো সুক্ষ চির থাকলে তা নজরে আসবে না।

]]>
দেবাঞ্জন কাণ্ডের পরেও নির্বাক প্রশাসন, নাকের ডগায় চলছে অবৈধ টিকাকরণ https://runnerbangla.com/kmc-illegal-vaccination-continue-debanjan-deb-fake-vaccine-scam-administration-silent/ Thu, 22 Jul 2021 09:49:03 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4320 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : ফের টিকা শিবির নিয়ে সরকারি নিয়ম ভাঙ্গার অভিযোগ উঠল শহরে। এবার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে কলকাতা পুরসভার ( KMC ) ১১৫ ওয়ার্ডের পুটিয়ারি পঞ্চানন তলা রোডে। সেখানে সরকারি নিয়ম বহির্ভূতভাবে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি নিজের ক্লাবের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে চলছে সেই টিকাকরণ কর্মসূচি। কিন্তু বাড়ি বাড়ি টিকাকরণের কোনও অনুমতি নেই, জানাচ্ছে স্বাস্থ্যভবন।

যা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কলকাতা পুরসভাও জানিয়ে দিয়েছে, এমন কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি। দেবাঞ্জন কাণ্ডের পর টিকা শিবির নিয়ে করা নির্দেশিকা জারি করেছিল স্বাস্থ্যভবন। কিন্তু সেই নির্দেশিকাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শহরে ফের বাড়ি বাড়ি টিকা দেওয়া হয়েছে। সেটা কলকাতা পুরসভার ঢিলেঢালা নজরদারিকে চোখে আঙ্গুল তুলে দেখিয়ে দিল। পশ্চিম পুটিমারির দা ইউনাইটেড ক্লাব। সেখানেই চলছে টিকা শিবির।

স্থানীয় বাসিন্দা রজত শেখর হাওলাদার নিজের সোশ্যাল মিডিয়াতে বুক ফুলিয়ে ক্লাবের সহযোগিতায় এবং উদ্যোগে ত্রান কমিটির পক্ষ থেকে টিকা শিবিরের প্রচার করে বেড়াচ্ছেন। নিজেকে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তীর অনুগামী বলেই প্রচার করেছেন তিনি। রজতবাবুর দাবি, স্বাস্থ্যভবন এবং কলকাতা পুরসভার অনুমতি নিয়েই টিকা শিবির চলছে। কিন্তু বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়ার অনুমতি কি তিনি পেয়েছেন? এই প্রশ্নের উত্তরে উল্টো সুর রজতবাবু মুখে।

বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়ার ভিডিও এবং ছবি তিনি নিজেই নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। কিন্তু প্রতিবেদকের প্রশ্নের উত্তরে রজতবাবুর দাবি, ওরকম ফেসবুকে অনেকেই অনেক কিছু দেয়। আমি তো ফেসবুক ব্যবহার করি না। তাহলে কি তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর ফেসবুক অন্য কেউ ব্যবহার করেছে? সেই প্রশ্নের উত্তর মেলেনি ওই ব্যক্তির থেকে। স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে ওই ক্লাবেই টিকাকরণ শিবিরের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ওই ক্লাবকে সিভিসি হিসেবে ওই হাসপাতাল ব্যবহার করছে। কিন্তু সেই অনুমতিকে ঢাল করেই সরকারি নিয়ম ভাঙছে ওই ক্লাব। স্বাস্থ্যভবন বাড়ি বাড়ি টিকা দেওয়ার অনুমতি দেয়নি। স্বাস্থ্যভবন জানাচ্ছে, বেসরকারি হাসপাতাল নিজের ওয়ার্কপ্লেস সিভিসি হিসেবে ওই ক্লাবে টিকা শিবির চালানোর অনুমতি চেয়েছিল। সেটা আমরা দিয়েছি। কিন্তু বাড়ি বাড়ি টিকা দেওয়ার অনুমতি নেই। এটা বেআইনি।


এই প্রসঙ্গে স্থানীয় ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটর রত্না সুর বলেন, খবর এসেছে। কলকাতা পুরসভাকে বিষয়টা জানিয়েছি। কলকাতা পুরসভার এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, অভিযোগ এসেছে। বেসরকারিভাবে কিছু হয়ে থাকলে সেটা স্বাস্থ্যভবনকেই দেখতে হবে। কয়েকদিন আগে একইভাবে বাড়ি বাড়ি টিক্কা দিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন তৃণমূলের ৭০ নম্বর ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটর অসীম বসু। যার জেরে কলকাতা পুরসভার স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল।

]]>
সুস্থ জীবন কাটানোর সহজ উপায়, আপনার জন্য রইলো ১০টি টিপস https://runnerbangla.com/10-healthy-habit-tips-longer-happier-life/ Wed, 21 Jul 2021 05:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4239 রানার প্রতিবেদন : বেশিরভাগ মানুষ কোনও উৎসব – অনুষ্ঠানে অনেকটা বেশি খেয়ে ফেলেন। হয়তো বা তাঁরা উৎসবটাকে ভূরিভোজ করার জন্যে একটা উত্তম উপলক্ষ্ হিসেবে বেছে নেন। কয়েকটা দিন প্রচুর মিষ্টি এবং তেলে ভাজা খেতে পেরে রসনার দুঃখ মেটান। আবার অনেকে আছেন তাঁরা সবসময়ই বেশি খেতে অভ্যস্ত। তাঁরা আবার ঝালমশলাযুক্ত খাবার খেতেও পছন্দ করেন। তবে এ-ধরনের খাদ্য বেশি খেলে মানুষের পাকস্থলীর ভিতরের আবরণে প্রদাহ সৃষ্টি হতে পারে।

এতে দেহের ভিতরে বেশি উত্তাপ সৃষ্টি হতে পারে এবং অন্যান্য সমস্যাও দেখা দিতে পারে। সুস্থ থাকার প্রচেষ্টাকে একটা ভ্ৰমণের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে, তবে এই প্রচেষ্টার কোনও শেষ নেই। ভালো স্বাস্থ্য আমাদের সকলেরই হতে পারে, আর এই ভালো স্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়ার ব্যাপারটা আমাদের নিজেদের মধ্যেই আছে। সেজন্য কোনও ওষুধ না খেলেও চলে। কারণ আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই আছে প্রাণ, আর সেই প্রাণের কাছেই আছে নিজেকে সুস্থ রাখার উপায়।

আমাদের যা কিছু করতে হবে, সেটা হচ্ছে, নিজেদের খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনধারণের পথকে সংশোধন করতে হবে। আমাদের খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনধারণের পদ্ধতির মধ্যে সামান্য কিছু পরিবৰ্তন আনতে পারলেই, আমাদের স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্যে একটা বিরাট পদক্ষেপ দেওয়া হবে। তারপরে ধীরে ধীরে আমাদের স্বাস্থ্য এবং আমাদের চেহারার দীপ্তি ফিরে আসতে শুরু করবে।

নীচে স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্যে ১০টি পদ্ধতির কথা উল্লেখ করা হলো :

১) প্রতিদিন এক গ্লাস করে সবজির জুস খেতে শুরু করুন। গাজর, আমলা এবং অন্যান্য সবজির রস একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে পান করুন।এই জুসের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং উৎসেচক থাকে যা আমাদের দেহের বিষাক্ত জিনিস বার করে দেয় এবং হজমে সাহায্য করে।
২) ঠিকঠাক পরিমাণে প্রোটিন গ্রহণ করতে হবে, যা আমাদের দেহস্থ পেশিকে মেরামত করে।
৩) আমাদের রোজকার খাদ্যতালিকায় থাকতে হবে ফল, সবজি, বাদাম এবং বীজ-শস্য কারণ এগুলিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান যেমন ভিটামিন সি এবং ই, বিটা-কেরোটিন ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে থাকে।
৪) নিজের দেহের গঠন ঠিক রাখতে চেষ্টা করুন। কারণ এটা একটা খুব উত্তম পন্থা নিজের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্যে এবং নিজেকে ভালো দেখাবার জন্যে।
৫) সপ্তাহে একটা দিন ভারী কিছু খাবেন না। তার বদলে খেয়ে নিন কাঁচা সবজির রস। নতুবা এমনটাও করতে পারেন মাসে একনাগাড়ে তিনদিন ভারী কিছু না খেয়ে শুধু কাঁচা সবজির রস এবং ফলমূল খেয়ে কাটিয়ে দিন। ভেতরের সব বিষাক্ত জিনিস বেরিয়ে যাবে। মাথা ধরা, হজমের গোলমাল, অ্যালাৰ্জি এসব সমস্যা একেবারে সেরে যাবে।
৬) চিনি অতিরিক্ত না খাওয়াই উচিত। প্রক্ৰিয়াজাত খাদ্য, পরিশোধিত খাদ্য, ভাজা খাদ্য ইত্যাদি না খাওয়াই উচিত। কারণ এইসব খাদ্য অতিরিক্ত গ্রহণ করলে চেহারায় বয়সের ছাপ খুব তাড়াতাড়ি পড়ে যায়।
৭) মানসিক চাপকে নিয়ন্ত্ৰণে রাখুন। এটা সকলেই জানেন, মানসিক অশান্তি থেকেই মানুষ অসুস্থ হয়। মানসিক চাপ বেশি থাকলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ে যায়।
৮) নিজের পরিবারের সকলের সঙ্গে, বন্ধুবান্ধব, পোষা জন্তুর সঙ্গে গড়ে তুলুন ভালোবাসার আর মমতার সম্পৰ্ক। কারণ মনে ভালোবাসা, স্নেহ, দয়া ইত্যাদি থাকলেই দেহ হয় শক্তিশালী এবং নিরোগ।
৯) এটা ঠিক করে নিন যে, আপনাকে সাপ্তাহে অন্তত ৫ বার ব্যায়াম করতে হবে। অন্তত ৩০-৪০ মিনিট ধরে। যোগব্যায়াম হজম শক্তি বাড়ায়। দেহের মধ্যে সজীব উপাদানের রাসায়নিক পরিবৰ্তনের পদ্ধতিকে ত্বরান্বিত করে।
১০) ধূমপান করবেন না। ধূমপান স্বাস্থ্যের ভয়ংকর ক্ষতি করে দেয়। স্বাস্থ্যকে ঠিক রাখতে আপনাকে খাওয়া-দাওয়া করতে হবে খুব বাছবিচার করে। জীবনধারাতেও আনতে হবে পরিবৰ্তন। স্বাস্থ্য ভালো করার অৰ্থ এই নয় যে আপনি দেহে জমিয়ে তুলবেন বাড়তি মেদ। তবে স্বাস্থ্য ভালো করে তুলতে প্রথম পদক্ষেপ দিতে হলে আপনাকে দেহের ওজন স্বাভাবিক করে তুলতে হবে। কারণ দেহের ওজন কম থাকাও স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক।

]]>
শারীরিকভাবে আপনি ফিট থাকতে চান? তাহলে আগে জিম বিদায় করুন https://runnerbangla.com/want-physically-fit-active-goodbye-gym/ Sun, 11 Jul 2021 04:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3740 রানার প্রতিবেদন : শারীরিকভাবে ফিট রাখতে জিমে যাওয়ার কথা ভাবেন অনেকেই। ভাবার কিন্তু কারণ নেই। কারণ সম্প্ৰতি গবেষণার তথ্য অনুসারে, জিমে না যাওয়ার জন্য কোনও ব্যক্তির অপরাধবোধ বা অনুশোচনায় ভোগার কোনও ভাবনা মাথায় যেন না আসে। গবেষণাটি করেছে আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটি ( American Cancer Society )। এই সোসাইটির সমীক্ষা অনুসারে, জিমে ( Gym ) যাওয়ার পরিবৰ্তে প্রতি সপ্তাহে ছয় ঘণ্টা হাঁটাচলা করলে একজন মানুষ বেশি সময় বাঁচার শক্তি পায়।

অৰ্থাৎ অধিক সময় বাঁচতে সহায়তা করে এই হাঁটা। গবেষকরা বলেছেন, ফিট এবং স্বাস্থ্যকর থাকার উপায় কখনও ভারী কোনও যন্ত্ৰপাতি বহন করে ব্যস্ত থাকা হতে পারে না। প্রত্যেক মানুষকে চলমান থাকতে হবে। হাঁটা, নাচা, পোষ্য প্রাণীর সঙ্গে হাঁটাচলা করা, নিজেকে যেভাবে ভালো লাগে তেমনই করা, কিন্তু সবকিছুর মধ্যে চলতে থাকুন। সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে, প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে দ্ৰুত হাঁটলে হৃৎপিণ্ড ও রক্তপ্রবাহের ফিটনেস ভালো থাকে।

শুধু তাই নয়, হাড়কে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে, মেদ কমে, সহনশীলতা ও পেশি বৃদ্ধিতে সহায়ক। এটি টাইপ টু ডায়াবেটিস ( Type 2 Diabetes ), হাড়ের ক্ষয়ের পাশাপাশি কিছু কিছু ধরনের ক্যানসার ও হৃরোগের ঝুঁকি হ্ৰাস করতে সাহায্য করে। এ-বিষয়ে অ্যালপা প্যাটেল, ডিরেক্টর সিপিএস-3, আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটির এই গবেষণায় প্রধান তদন্তকারী ছিলেন, তিনি বলেছেন, গড়পড়তা হাঁটার তুলনায় দ্ৰুত হাঁটা মানুষেরা অবিশ্বাস্যভাবে স্বাস্থ্য সুবিধা লাভ করেন।

আর এটি সহজ, মূল্যহীন এবং যে কোনও স্থানে চৰ্চা করা যায়। কিন্তু যাঁরা সকাল নয়টা থেকে পাঁচটায় ব্যস্ত অফিস কৰ্মের সময়সুচি, যেখানে মানুষ চেয়ারের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাঁদের চোখ কম্পিউটারের স্ক্ৰিনে আটকে থাকে, সেখানে দ্ৰত হাঁটার সময় খুব কমই সময় পান। এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলার দুৰ্দান্ত উপায় হল পাবলিক ট্ৰান্সপোৰ্ট ব্যবহার করা। মেট্ৰোতে চলাচল করা। অন্য কাউকে নিজের সিট ছেড়ে দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা। ক্যাব পাওয়ার স্টেশন পৰ্যন্ত হেঁটে যাওয়া।

এছাড়া হাৰ্ভাৰ্ড মেডিক্যাল স্কুল প্রকাশিত অন্য একটি প্রতিবেদন বলেছে, হাঁটাচলা হৃদরোগের সম্ভাবনা ৩১ শতাংশ এবং মৃত্যুর সম্ভাবনা ৩২ শতাংশ হ্ৰাস করে। প্রতি ঘণ্টায় কয়েক মিনিট হাঁটা বা দ্ৰুত হাঁটার জন্য এক ঘণ্টা উৎসৰ্গ করা জিমে যাওয়ার চেয়ে অধিকতর উত্তম। জিম এড়িয়ে চলার জন্য অপরাধবোধে ভোগার কোনও কারণ নেই। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, স্বাস্থ্যকর মানুষরা জিমে যাওয়ার পরিবৰ্তে নিজেকে চলমান রাখতেই ব্যস্ত থাকেন

]]>
টিকা নেই, চারদিন ধরে বন্ধ পুরসভার ভ্যাকসিন পরিষেবা https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-close-covid-vaccination/ Sat, 10 Jul 2021 13:39:29 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3721 #কলকাতা : শুক্রবার এবং শনিবার করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ দিচ্ছে কলকাতা পুরসভা। কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণে টিকা না থাকার কারণে খুব স্বল্প সংখ্যক নাগরিককেই দ্বিতীয় টিকা দেওয়া গিয়েছে। অন্যদিকে আগামীকাল রবিবার ছুটির দিনে সব রকমের টিকাকরণ ( Vaccination ) বন্ধ রাখে কলকাতা পুরসভা ( KMC )। সোমবার রথযাত্রা উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় সেইদিনও টিকা দেওয়া হবে না।

ফলে এমত অবস্থায় চার দিন ধরে নাগরিকদের প্রথম ডোজ বন্ধ রাখছে কলকাতা পুরসভা। স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয়ে গিয়েছে ব্যাকলগ। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ভ্যাকসিনের অপ্রতুলতা চলছে। সেই কারণে শহরে বিভিন্ন কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ( Health Center ) ঠিকঠাক ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে না। কলকাতা পুরসভা জানাচ্ছে, প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ মিলিয়ে মোট ৩৫ লক্ষ টিকাকরণ হয়েছে শহরে।

প্রতিদিন ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ জনকে টিকাকরণ করার পরিকাঠামো থাকলেও টিকা নেই। শুধুমাত্র দ্বিতীয় ডোজ লাগবে অন্তত ২৭ লক্ষ নাগরিকের। কিন্তু টিকা না থাকায় সেটাও সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং মেগা সেন্টার মিলিয়ে ১৯৪টি জায়গায় টিকা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু শুক্র এবং শনিবার দ্বিতীয় ডোজের জন্য স্পেশাল ড্রাইভ পুরসভা দিয়েছিল সেটা সাফল্য পায়নি।

টিকার অপ্রতুলতার কারণে মাত্র ১০০টি সেন্টারে টিকা দেওয়া গিয়েছে। তাও সেন্টার পিছু টার্গেট ছিল অন্তত ২০০ জনকে দ্বিতীয় টিকা দেওয়া হবে। সেখানে কোথাও ৫০ জন কোথাও আবার ১০০ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে শহর কলকাতায় টিকাকরণ এর গতি ফের শ্লথ হয়েছে। বর্তমানে কলকাতা পুরসভার হাতে মাত্র সাড়ে পাঁচ লক্ষ টিকা আছে। রোজ ৫০ হাজারের টিকাকরণের টার্গেট নিয়ে এলে তা দিন কয়েকের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে।

সেই কারণেই অল্প অল্প করে নাগরিককে টিকা দেওয়া হচ্ছে বলে জানাচ্ছে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ। কলকাতা পুরসভার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুব্রত রায় চৌধুরী বলেন, আমরা অপারগ। পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন নেই। ফলে গত ১০ দিন আগেও দিনে ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা দেওয়া গিয়েছিল। সেখানে এখন দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১০-১২০০০ মানুষকে। শুনেছি দিন কয়েকের মধ্যেই টিকার বড় প্যাকেজ এই রাজ্যে আসবে। সেটা মিললে ফের টিকাকরণ গতি পাবে।

]]>
টিকির দেখা নেই দ্বিতীয় টিকার, ক্ষুব্ধ বাজার ব্যবসায়ীরা | Covid Vaccine https://runnerbangla.com/kmc-vaccine-second-dose-crisis-business-organization-enraged/ Sat, 10 Jul 2021 04:00:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3685 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : সুপার স্প্রেডারদের টিকাকরণের ‘ভ্যাক্সিনেশন অন হুইলস’ ( Vaccination on wheels ) এর ব্যবস্থা করেছে কলকাতা পুরসভা ( KMC )। শহর জুড়ে বিভিন্ন বাজারে দুটি বাস প্রতিদিন বিভিন্ন দোকানদার এবং কর্মচারীদের প্রথম ডোজ দিচ্ছে। মাসখানেক ধরে সেই প্রক্রিয়া চলার পর এবার দ্বিতীয় ডোজ পাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। কিন্তু কলকাতা পুরসভা জানিয়ে দিয়েছে বাস পাঠিয়ে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া সম্ভব নয়। পরবর্তী টিকা কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ( Health Center ) গিয়েই নিতে হবে।

এমত অবস্থায় বাজারের দোকানদারদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়ে কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে ব্যবসায়ী সংগঠন ( Business Organization )। প্রথম ডোজ সহজে পাওয়ার পর দ্বিতীয় ডোজ পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলেই দাবি ব্যবসায়ীদের। গত ৩ জুন থেকে শুরু হয়েছে ভ্যাকসিনেশন অন হুইলস। কলকাতা পুরসভা এবং রাজ্য পরিবহণ দপ্তরের ( Department Of Transportation ) যৌথ উদ্যোগে দুটি শহরের বিভিন্ন বাজারে গিয়ে সেখানকার দোকানদার এবং কর্মচারীদের টিকা দিচ্ছে।

মূলত ব্যবসায়ী সংগঠনের অনুরোধে এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক তথা রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )। যথেষ্ট সাড়াও মিলেছে। ইতিমধ্যেই শহরের প্রায় ৭০-৮০টি বাজারে টিকাকরণ হয়েছে। পোস্তা বাজারে দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছিল। এই কর্মসূচিতে প্রায় ১৫০০০ নাগরিক ইতিমধ্যেই টিকা নিয়েছেন। প্রথমদিকে কোভিশিল্ড কয়েকটি বাজারে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে কোভিশিল্ডের অপ্রতুলতার জন্য কোভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়।

এখনো তাই হচ্ছে। এখানেই তৈরি হয়েছে সমস্যা। কবি শিল্পের ক্ষেত্রে ৮৪ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ। ফলে সেখানে হাতে অনেকটা সময় পাচ্ছেন গ্রহীতা। কিন্তু কোন ভ্যাকসিন এর ক্ষেত্রে ২৮-৪০ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে। কিন্তু কলকাতা পুরসভা জানিয়ে দিয়েছে বাজারে বাজারে গিয়ে বাস পাঠিয়ে আর দ্বিতীয় দোষ দেওয়া সম্ভব নয়। কলকাতা পুরসভার মার্কেট বিভাগ এটি পরিচালনা করছে। মার্কেট বিভাগ সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই ব্যবসায়ী সংগঠনের তরফ থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল।

কিন্তু তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুরসভার সিদ্ধান্ত বাস পাঠিয়ে দ্বিতীয় দোষ দেওয়া হবে না। দ্বিতীয় ডোজ নিতে হলে কলকাতা পুরসভার সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে নিতে হবে। এখানেই তৈরি হয়েছে সমস্যা। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, কাজ ফেলে রেখে ভ্যাকসিন সেন্টারে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন দেওয়া সম্ভব নয়। তাছাড়া এখন যখন সরকার দ্বিতীয় দলের ওপর জোর দিচ্ছে, তাহলে নতুন করে বাজারে প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ রাখা হোক।

যাদের দ্বিতীয় ডোজ বাকি সেই বাজারে ফের বাস পাঠিয়ে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হোক। ফেডারেশন অফ ট্রেডার্স অরগানাইজেশন অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল অন্যতম কর্মকর্তা সুভেন্দু ঘোষ বলেন, কলকাতা পুরসভার তরফ থেকে জানানো হয়েছে সেন্টারে গিয়ে ভ্যাকসিন দিতে হবে। কিন্তু শহরে কোভ্যাকসিন সেন্টার মাত্র ৩৮টি। সেখানে প্রচুর লোকের লাইন করছে সকাল।

এই অবস্থায় পুর কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের আরজি, প্রয়োজনে শহরের অন্যান্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নির্দিষ্ট করে বাজারের দোকানদাদের জন্য কয়েকটা দিন পৃথকভাবে টিকাকরণের ব্যবস্থা করা হোক। কলকাতা পুরসভার বাজার বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত মুকুল রঞ্জন বারুই বলেন, প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে বাজারের বাস পাঠিয়ে দ্বিতীয় দোষ দেওয়া হবে না। পরবর্তী ক্ষেত্রে ব্যবসায়ী সংগঠনের বক্তব্য নিয়ে আলোচনা হবে। সেন্টারে গিয়ে বিনামূল্যে তাঁরা চাইলেই ভ্যাকসিন নিতে পারেন।

]]>
টিকার অভাবে বাড়ছে মানুষের ক্ষোভ, কেন্দ্রকে দূষছে রাজ্য https://runnerbangla.com/kmc-vaccine-crisis-west-bengal-blames-central-govt/ Fri, 09 Jul 2021 14:34:22 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3660 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : টিকা নেই। যার জেরে ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে আম জনতাকে। টিকা নিতে নাজেহাল অবস্থা নাগরিকদের। কেউ মাঝরাত থেকে তো কেউ ভোর থেকে লাইন দিচ্ছেন। কিন্তু যোগান না থাকায় কলকাতা পুরসভা টিকা দিতে ব্যর্থ। শেষমেষ টিকা না থাকায় ফিরে যেতে হবে শুনেই ক্ষোভে ফেটে পড়ল মানুষ। এমনি ঘটনা ঘটেছে যাদবপুরে ১০১ নম্বর ওয়ার্ডে। সেখানে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ( Health Center ) বাইরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা।

তাঁদের দাবি, রাত একটা-দুটো থেকে লাইন দিয়ে টিকা পাওয়া যায়নি। বলে দেওয়া হয়েছে টিকা নেই ফলে দেওয়া সম্ভব নয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা পুরসভার ( KMC ) মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের ঘাড়ে দায় চাপিয়েছেন। কয়েকদিন আগে মানিকতলাতেও টিকা নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বাইরে বিক্ষোভ দেখা গিয়েছিল। এবার যাদবপুরের ফুলবাগানে একই ঘটনা। মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে লাইন দিয়ে অনেক সময়ই টিকা না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে।

টিকার অভাবে প্রথম ডোজ বন্ধ রেখে শুধু দ্বিতীয় ডোজ দিচ্ছে কলকাতা পুরসভা। টিকা নিয়ে মানুষের মধ্যে চাহিদা বাড়লেও যোগান দিতে ব্যর্থ হচ্ছে কলকাতা পুরসভা। এদিন টিকাকরণ প্রসঙ্গে ফিরহাদ জানিয়েছেন, প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ মিলিয়ে মোট ৩৫ লক্ষ টিকাকরণ হয়েছে শহরে। প্রতিদিন ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ জনকে টিকাকরণ করার পরিকাঠামো থাকলেও টিকা নেই। কেন পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রের সরকার টিকা দিচ্ছে না জানি না।

মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, উত্তর প্রদেশ, ঝাড়খণ্ড টিকা নষ্ট করলেও পাচ্ছে। বাংলা সেখানে এটি ভায়াল থেকে ১০জনের জায়গায় ১১জনকে দিচ্ছে। আমাদের রাতে টিকা নিয়ে আসা বিমানের মুখাপেক্ষি হয়ে থাকতে হচ্ছে। সব জেলাকে স্বাস্থ্য দপ্তর ভাগ করে দিচ্ছে। ফলে কেন্দ্রীয় সরকার সঠিকভাবে টিকার জোগান দিচ্ছে না বলেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )।

শুক্রবার এবং শনিবার কলকাতা পুরসভার সব মেগা সেন্টার ( Mega Center ) ও সমস্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে শুধুই দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। এরপর থেকে আগের দিন জানিয়ে দেওয়া হবে কোন কেন্দ্রে কত টিকা, তেমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্যবিভাগ। আগামী দিনে নাগরিক বিক্ষোভ সামলাতে এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। কোন কেন্দ্রে কত টিকা দেওয়া হবে আগের দিন জানিয়ে দেওয়া হলে খামোখা লোকজন লাইনে দাঁড়াবেন না। ফলে বিক্ষোভও হবে না।

]]>
কোভিশিল্ড নিয়েছেন? তৃতীয় ঢেউয়ে আপনি কার্যত সুরক্ষিত https://runnerbangla.com/corona-vaccine-covishield-third-wave-protection/ Mon, 05 Jul 2021 04:00:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3304 রানার ডেস্ক : যারা কোভিশিল্ডের টিকা ( Covishield Vaccine ) নিয়েছেন, তারা ডেল্টা প্রজাতির করোনা ( Delta Variant Corona Virus ) আক্রমণের মুখে কার্যত সুরক্ষিত। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিকেল রিসার্চ ( Indian Council of Medical Research ) জানিয়েছে, যারা কোভিশিল্ডের টিকা নিয়েছেন, তাদের ওপর সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। সমীক্ষার ফলাফল সামনে আসার পর দেখা গেছে, ডেল্টা প্রজাতিকে রুখতে পারে এমন উন্নত অ্যান্টিবডি ( Antibody ) তৈরি হয়েছে ৮৪ শতাংশ মানুষের দেহে। ১৬ শতাংশ মানুষের দেহে সেই এন্টিবডির সন্ধান পাওয়া যায়নি।

অর্থাৎ যারা কোভিশিল্ডের ( Covishield ) দুটো টিকাই নিয়েছেন, তাদের ১০০, জনের মধ্যে ৮৪ জনই সম্পূর্ণ সুরক্ষিত বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। তৃতীয় ঢেউয়ের ( Third wave ) আশঙ্কার মধ্যে দাঁড়িয়ে তারা এখন অনেকটাই নিরাপদ। একইসঙ্গে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিকেল রিসার্চ ( Indian Council of Medical Research ) এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যারা এখনো পর্যন্ত কোভিশিল্ডের প্রথম টিকা গ্রহণ করেছেন, তাদের মধ্যে ৪২,শতাংশ মানুষের শরীরে ইতিমধ্যে উন্নত অ্যান্টিবডির সন্ধান পাওয়া গেছে।

৫৮ শতাংশ মানুষের দেহে উন্নত অ্যান্টিবডির সন্ধান পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এরাই যখন দুটো টিকাই নেবেন তখন ছবিটা পাল্টে যাবে। যাদের শরীরে অ্যান্টিবডি সন্ধান পাওয়া গেল না, সেই ১৬ শতাংশ মানুষদের ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা বলছেন, উন্নত অ্যান্টিবডির সন্ধান পাওয়া যায়নি মানে তার শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়নি এমনটা নয়। হয়তো অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে কিন্তু সেই উন্নত মানে পৌঁছতে পারেনি।

এ প্রসঙ্গে তারা বলেছেন যাদের বয়স ৬৫ বছরের উপরে এবং যাদের দেহে কোমর্বিডিটি রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে সহজে প্রয়োজনীয় এন্টিবডি তৈরি হয় না। ১৬ শতাংশ এর মধ্যে এদের সংখ্যাটাই বেশি বলে মত চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের। তারা বলছেন, ৬৫ ঊর্ধে এবং যাদের নানান শারীরিক সমস্যা আছে ফলে প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবডি তৈরি হয়নি, তাদের ক্ষেত্রে তৃতীয় টিকার প্রয়োজন আছে।

]]>
লজ্জা আর ভয়ের আড়ালে বিপদজনক হয়ে ওঠে স্তন ক্যানসার https://runnerbangla.com/women-dangerous-breast-cancer-survey-report/ Mon, 05 Jul 2021 03:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3312 রানার প্রতিবেদন : বৰ্তমানে বিশ্বব্যাপী মেয়েরা যেসব রোগে সবচেয়ে বেশি ভুগছেন, তার মধ্যে শীৰ্ষস্থানে রয়েছে স্তন ক্যানসার ( Breast Cancer ), এই সম্পৰ্কে আমরা অনেকেই কম-বেশি ওয়াকিবহাল। তবে যে-তথ্যটা অনেকেই জানি না, তা হল, অধিকাংশ মহিলাই স্তনের সমস্যা বা ক্যানসার ধরা পড়লে তা চট করে স্বামী বা পরিবারের অন্য কোনও সদস্যের সামনে প্রকাশ করতে চান না। যতক্ষণ পৰ্যন্ত না রোগটা বাড়াবাড়ির পর্যায়ে চলে যাচ্ছে ততক্ষণ চুপ করে থাকেন।

কারণ তাঁদের মনে ভয় থাকে, এর ফলে হয়তো ভেঙে যেতে পারে তাঁদের এতদিনকার সাজানো সংসার। সমীক্ষা বলছে, স্তন ক্যানসারে আক্ৰান্ত মহিলাদের প্রায় এক-চতুর্থাংশই চিকিৎসা করাতে চান না, এর জন্য দায়ী ভয়, লজ্জা, কুসংস্কার ও কিছুটা হলেও ধর্মীয় গোঁড়ামি ( Religious Orthodoxy )। রয়েছে উপযুক্ত শিক্ষা ও সচতেনতা বোধের ঘাটতিও।

ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসাৰ্চ অন ক্যানসারের ( International Agency for Research on Cancer ) করা একটি সমীক্ষা থেকে প্রাপ্ত তথ্য জানাচ্ছে, মোট ক্যানসার আক্ৰান্তদের অধিকাংশই স্তন ক্যানসারে আক্ৰান্ত ও নারীদের মধ্যে যেখানে প্রায় একটি দেশে কমপক্ষে ১৬-১৭ শতাংশ ক্যানসারে ভুগছেন, সেখানে আক্ৰান্ত পুরুষদের সংখ্যাটা মাত্ৰ ১ শতাংশ। স্তন ক্যানসার আক্ৰান্ত মহিলাদের গড় বয়স ৪০-৪৫।

মেনোপোজের পরেই বেড়ে যায় রোগটির ঝুঁকি। তবে অবিবাহিত মহিলাদেরও ঝুঁকি থাকে। তবে তৃতীয় বিশ্বের অনেক দেশে স্তন ক্যানসার নিয়ে শহরাঞ্চলে নানারকম চিকিৎসা ব্যবস্থার উপযুক্ত পরিকাঠামো থাকলেও, গ্রামে সে ব্যবস্থা নেই। তেমনি অনেক প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ এখনও নানা কুসংস্কারের বশবর্তী হয়ে চিকিৎসা করাতে চান না।

আসল সমস্যাটা হল, স্তন ক্যানসার সম্পৰ্কে আমাদের সমাজে নারীদের, বিশেষত বিবাহিতা মহিলাদের মধ্যে নানান মিথ এখনও রয়ে গেছে। স্তন ক্যানসারও যে আরও পাঁচটা অসুখের মতো একটা রোগ ও সঠিক সময়ে চিকিৎসা করালে রোগটি যে সম্পূৰ্ণ সেরে যায়, এই ভাবনা বা সচেতনতাটাই সকলের মধ্যে আনতে হবে। তার জন্য প্রয়োজন কাউন্সেলিং আর সঠিক প্রচারমূলক কৰ্মসূচি। চিকিৎসক থেকে শুরু করে সমাজবিজ্ঞানী, গবেষক সকলের একই মন্তব্য।

অনেক চিকিৎসক তাঁদের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছেন, মেয়েরা যখনই স্তনের সামান্যতম কোনও পরিবৰ্তনও লক্ষ করেন, তা সেরে যাবে বলে রেখে দেন। কিংবা লজ্জায় তা চিকিৎসককে দেখান না। এর ফলে নিঃশেব্দ শরীরে দানা বাঁধে রোগ। অথচ সঠিক সময়ে ধরা পড়লে নানা চিকিৎসা রয়েছে।
তাছাড়া ৩৫-এর উপর বয়স হলেই প্রতি তিন বছর অন্তর একবার করে করানো যেতে পারে ম্যাম্মোগ্রাফি। তবে স্তন ক্যানসার সম্পৰ্কে সবার আগে প্রয়োজন মানসিক সচেতনতা।

]]>