Health Department – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Wed, 28 Jul 2021 09:39:44 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Health Department – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 টিকা নেবার পর আপনি কেমন আছেন, জানতে পুরকর্মী আসবে বাড়িতে https://runnerbangla.com/corona-vaccination-after-effect-kmc-staff-visit-home-survey/ Wed, 28 Jul 2021 09:22:40 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4547 #কলকাতা : শহরে কতজন টিকায় নিয়েছেন, তা জানতে সমীক্ষা ( Survey ) শুরু করছে কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। তাদের মধ্যে কতজনের কো-মর্বিডিটি আছে, তারও সমীক্ষা করা হবে। আগামী মাস থেকে সেই সমীক্ষার কাজ শুরু করছে কলকাতা পুরসভা। তার জন্য একটি তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। কিভাবে সমীক্ষা চালানো হবে তার পর্যালোচনাঃ করছেন কলকাতা পৌরসভা স্বাস্থ্য ( Health ) বিভাগের আধিকারিকরা। আপাতত ঠিক হয়েছে, প্রত্যেকটি ওয়ার্ড এর জন্য ৩-৪টি স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতিনিধিদল বানানো হবে।

একেকটি দলে থাকবে ৫ জন স্বাস্থ্য কর্মী। আপাতত পুরো কলকাতার সমীক্ষা চালাতে ১০০০ স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ করার ভাবনা চিন্তা রয়েছে। ইতিমধ্যে কলকাতায় ৬১ শতাংশ মানুষের প্রথম টিকাকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে। ২১ মানুষ দ্বিতীয় টিকা পেয়েছেন। কিন্তু সেই টাকা পাওয়ার পর তাদের শারীরিক অবস্থা কেমন, নতুন করে শরীরের অন্য কোন সমস্যা তৈরি হয়েছে কিনা, তিনি কোনও ওষুধ খাচ্ছেন কিনা এমন নানা ধরনের বিষয়গুলি নিয়ে সমীক্ষা করা হবে।

আগামী তিন মাসের মধ্যে সমীক্ষা শেষ করে একটি রিপোর্ট স্বাস্থ্য ভবনে পেশ করবে কলকাতা পুরসভা। তারপর কলকাতা পুরসভার পাশাপাশি রাজ্যের অন্যান্য পুরসভায় হোক এ ধরনের একটি সমীক্ষা করানোর ভাবনা চিন্তা রয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তরের। কলকাতার সব মিলিয়ে প্রায় ৫২ লাখ মানুষ টিকা পেয়েছেন। কিন্তু তার মধ্যে কতজন কলকাতার বাসিন্দা তা জানতেই সমীক্ষা করা হচ্ছে। কারণ কলকাতায় প্রতিদিন বিভিন্ন মানুষ কর্মসূত্রে আসেন।

কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং মেগা সেন্টার থেকে তারাও টিকা নিয়েছেন। ফলে শুধুমাত্র কলকাতার কত শতাংশ বাসিন্দা নিয়েছেন তা জানতে এই সমীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডক্টর সুব্রত রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, দিন কয়েকের মধ্যেই কিভাবে সমীক্ষা করা হবে কতজনকে নিযুক্ত করা হবে তার একটা তালিকা তৈরী হয়ে যাবে। তারপর সেই প্রফর্মা হাতে স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি ঘুরবেন।

এবং সেই মতো তথ্য সংগ্রহ করবেন। এর আগে কলকাতা পুরসভা গত বছর কো-মর্বিডিটির সমীক্ষা চালিয়ে ছিল। সেখানে দেখা গিয়েছিল, করোনা আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৮৭ শতাংশ মানুষের আগে থেকেই নানা ধরনের রোগ রয়েছে। তারা টিকা পাওয়ার পর এই মুহূর্তে তাদের শারীরিক অবস্থা কেমন তা জানতেই সমীক্ষা করা হবে।

]]>
মশা মারতে কামানের সঙ্গে এবার নামানো হচ্ছে ড্রোন https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-drone-led-dengue-prevention-campaign/ Tue, 27 Jul 2021 08:18:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4518 #কলকাতা : ডেঙ্গু ( Dengue ) নিধনে বিশেষ অভিযানে নামল কলকাতা পুরসভা (Kolkata Municipal Corporation)। শুরু হয়েছে বিভিন্ন বরো ভিত্তিক প্রশাসনিক বৈঠক। সেখানে শহরের কোন এলাকায় কতজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন, তার বিগত তিন বছরের হিসেব ধরে পর্যালোচনা চালানো হচ্ছে। ঠিক হয়েছে, বর্ষার মরশুমে আগামী তিন মাস ডেঙ্গু বিরোধী অভিযান চালাবে কলকাতা পুরসভার ভেক্টর কন্ট্রোল বিভাগ।

সোমবার কলকাতা পুরসভার ( KMC ) ১১ নম্বর বরো এলাকায় বৈঠক করেন স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত তথা প্রশাসক বোর্ডের সদস্য অতীন ঘোষ। বৈঠকের নিকাশি, ভেক্টর কন্ট্রোল, জঙ্গল সাফারি শহর কলকাতা পুরসভার বিভিন্ন বিভাগের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ২০১৯, ২০২০ এবং ২০২১ সালের ডেঙ্গু রিপোর্ট নিয়ে ট্যালি করা হয়। দেখা যায় ২০১৯ সালে ওই অঞ্চলে মাত্র দুটি ডেঙ্গু কেস পাওয়া গিয়েছিল। গত দু’বছরে সেই সংখ্যাটা শূন্য। যা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অতীন।

ঠিক হয়েছে, বিভিন্ন বন্ধ থাকা স্কুল কলেজ এবং নির্মীয়মান বহুতল আবাসনে বিশেষ অভিযান চালানো হবে। যে আবাসন কর্তৃপক্ষ কলকাতা পুরসভার কর্মীদের ভেতরে ঢুকতে দেবে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি কোন নির্মীয়মান আবাসনে ঢুকতে দেওয়া না হলে কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ সেখানে কাজ বন্ধের নোটিশ ঝুলিয়ে দেবে। এই প্রসঙ্গে অতীন ঘোষ বলেন, গত দু’বছরে কলকাতায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৫০% কমে গিয়েছে।

কিন্তু তাই বলে আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোন জায়গা নেই। কারণ বৃষ্টি বেশি হলে মশা বাহিত রোগের প্রকোপ বেশি দেখা দেয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। কলকাতা পুরসভা বছরভর ডেঙ্গু নিধনে বিভিন্ন জায়গায় জলাজমিতে জীবাণুনাশক স্প্রে করার কাজ করে। কিন্তু দেখা যায় বিভিন্ন বহুতল আবাসন বিশেষ করে নির্মীয়মান আবাসনে জল জমে ডেঙ্গু মশার জন্ম দিচ্ছে। সেই কারণে নির্মীয়মান আবাসনের ঢুকে জীবাণুনাশক স্প্রে করার কাজে বিশেষ জোর দেয়া হবে।

ঠিক হয়েছে, এভাবে কলকাতা পুরসভায় ১৬টি বরোতেই ( Borough ) প্রশাসনিক বৈঠক করা হবে। এবং ডেঙ্গু ( Dengue ) নিয়ে পর্যালোচনা চলবে। আগামীকাল বুধবার ১০ নম্বর বরোয় প্রশাসনিক বৈঠকের কথা রয়েছে। ডেঙ্গু নিধনে কাজে লাগানো হবে ড্রোন ( Drone )। বিভিন্ন সুউচ্চ ইমারত কিংবা নির্মীয়মান বাড়ির উপরে ড্রোন উড়িয়ে জমা জল আছে কিনা খতিয়ে দেখা হবে।

]]>
অস্থায়ী স্বাস্থ্য কর্মী সম্পর্কে কোনও তথ্যই নেই, হটাৎ নড়ে বসলো পুরসভা https://runnerbangla.com/kmc-temporary-health-worker-information-online-app/ Wed, 30 Jun 2021 14:50:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3128 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : কলকাতা পুরসভার অস্থায়ী স্বাস্থ্য কর্মীর ( Temporary Health Worker ) সংখ্যা কত? সরাসরি অথবা এজেন্সি মারফত চুক্তিভিত্তিক কর্মী কত? কোন নির্দিষ্ট তথ্য নেই কলকাতা পুরসভার কাছে। স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন বরোয় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে এই অস্থায়ী কর্মীরা। তাই একটা ডাটাবেস তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অস্থায়ী স্বাস্থ্যকর্মীদের চুক্তি পুনর্নবীকরণ হবে এবার অনলাইনেই, অ্যাপের মাধ্যমে।

তেমনটাই পরিকল্পনা নিয়েছে কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। সেই কারণে ডেটাবেস তৈরি করতে নির্দেশিকা জারি করেছে পুরসভার স্বাস্থ্যবিভাগ। জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্রত্যেকটি বরো থেকে বরো এক্সিকিউটিভ হেলথ অফিসারকে তাঁর অধীনে থাকা সমস্ত অস্থায়ী ( চুক্তিভিত্তিক/ দৈনিক মজুরি ভিত্তিক/ ডাইরেক্ট ক্যাজুয়াল) কর্মীদের তালিকা পুর-কর্তৃপক্ষের কাছে জমা করতে হবে।

নাম, ঠিকানা, পারিবারিক জীবনপঞ্জী সহ সামগ্রিক তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছে। সেগুলিকে একত্রিত করে তৈরি হবে অনলাইনে আপলোড করা হবে। ফলে কত সংখ্যক কর্মী, কত টাকা প্রতি মাসে পাচ্ছেন, কে কবে যোগদান করেছেন, কার কবে চুক্তি শেষ হচ্ছে, তার সামগ্রিক তথ্য থাকবে পুরসভার হাতে। একদিনে যেমন কাগজের ব্যবহার কমবে, তেমনভাবেই সময় বাঁচবে। যদিও এই অ্যাপ পুরোটাই ‘হ্যান্ডেল ‘ করবেন বিভাগীয় কর্তারা।

সেক্ষেত্রে, স্বাস্থ্যবিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত তথা প্রশাসক বোর্ডের অন্যতম সদস্য অতীন ঘোষ, পুর-কমিশনার বিনোদ কুমার ( Vinod Kumar ) সহ অন্যান্য স্বাস্থ্য আধিকারিকরা এই অ্যাপ ব্যবহার করবেন। কোন কর্মীর কবে চুক্তি শেষ হচ্ছে তা জানান দেবে এই অ্যাপ। ফলে সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ নিতে পারবেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কন্ট্রোলিং অফিসাররা। সেইমতো চুক্তি পুনর্নবীকরণ করার প্রক্রিয়া অ্যাপের মাধ্যমে শুরু করে দেওয়া যাবে। সর্বোচ্চ স্তরের দায়িত্বপ্রাপ্তরা এই বিষয়ে অ্যাপের মাধ্যমে তার অনুমতি দিয়ে দেবেন।

এই প্রসঙ্গে অতীন ঘোষ জানান, সামগ্রিক প্রক্রিয়া হবে অনলাইনে। সেই কারণে তথ্য ভাণ্ডার তৈরির কাজ চলছে। সেইমতো আধিকারিকদের পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্তাদের মতে, এইভাবে সামগ্রিক প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছভাবে করা যাবে। একদিকে যেমন নির্দিষ্ট তথ্যভাণ্ডার থাকবে, তেমনি কাগজের ব্যবহার কমবে।

পাশাপাশি পুনর্নবীকরণের ক্ষেত্রে যে অনেক সময় জটিলতা বা দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয় তা এক লহমায় বন্ধ হয়ে যাবে। উল্লেখ্য, শুধুমাত্র স্বাস্থ্য বিভাগের অস্থায়ী বা চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের নয়। গোটা পুরসভাতেই কত সংখ্যক অস্থায়ী কর্মী রয়েছে, তার তালিকা তৈরির কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই পুর-কমিশনার বিনোদ কুমার এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিলেন। সেই অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিভাগও পৃথক নির্দেশিকা জারি করল।

]]>
১৮ উর্ধ্বদের টিকাকরণ চলছে গোপনে, উদ্দেশ্য নিয়ে উঠছে প্রশ্ন https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-secretly-vaccination-18-year-olds/ Mon, 28 Jun 2021 09:00:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3037 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : শহরের চুপিচুপি চলছে ১৮ উর্দ্ধদের টিকাকরণ ( Vaccination )! হ্যাঁ একদম নিঃশব্দে কলকাতা পুরসভা ( KMC ) ইতিমধ্যেই জেনারেল ক্যাটাগরির যুব প্রজন্মের টিকাকরণ শুরু করে দিয়েছে। তবে এখনই সেটা সরকারিভাবে ঢাকঢোল পিটিয়ে বলতে নারাজ কলকাতা পুরসভার কর্তারা। গত তিন চার দিনে টিকাকরণ কর্মসূচিতে বড়োসড়ো লং জাম্প দিল কলকাতা পুরসভা। দিনে গড়ে ৬০ হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়েছে টিকাকরণ।

সরকারিভাবে না বললেও ১৮ ঊর্ধ্বদের টিকাদান ( 18 Year Old Vaccination ) এর পেছনে রয়েছে জানাচ্ছে কলকাতা পুরসভার পুর স্বাস্থ্য বিভাগ। সরকারিভাবে ঘোষণা করে সূচনা না হলেও আপাতত শহরের ১৬টি বরো থেকে ২টি করে ওয়ার্ড বেছে নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ৩২টি ওয়ার্ডের চলছে ১৮ ঊর্ধ্বদের টিকাদান। সুপার স্প্রেডারদের সঙ্গেই জেনারেল ক্যাটাগরিতে যুবক-যুবতীদের টিকাদান করছে। ঠিক ছিল, ২১ জুন থেকে যুব প্রজন্মের টিকাকরণ শুরু করে দেওয়া হবে।

কিন্তু কোনো এক অজ্ঞাত কারণে পুরো প্রক্রিয়া পিছিয়ে যায়। তবে চুপিচুপি শহরের নির্দিষ্ট কয়েকটি ওয়ার্ডে জেনারেল ক্যাটাগরিতে যুব প্রজন্মকে টিকা দেওয়া হচ্ছে। যা শুরু হয়েছিল ভবানীপুর বিধানসভার ৯ নম্বর বরো দিয়ে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই বিধানসভার উপনির্বাচন। তার আগে ওই অঞ্চলের যুব প্রজন্মকে টিকার আওতায় নিয়ে আসতে উদ্যোগী কলকাতা পুর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কেন এই নিস্তব্ধতা? তা নিয়ে অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খুলতে নারাজ কলকাতা পুরসভার প্রশাসক বোর্ডের সদস্যরা।

কিন্তু স্বাস্থ্য বিভাগে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে আসল কারণ। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্যবিভাগের এক শীর্ষকর্তা বলেন, বর্তমানে টিকার যোগান কম। আমরা সব যুবক যুবতীদের টিকা দিতে পারব না। সেই কারণেই চুপচাপ টিকাকরণ চলছে। এই অবস্থায় নির্দিষ্ট কিছু মেগা সেন্টার বেছে নেওয়া হয়েছে। যেখানে জেনারেল ক্যাটাগরির ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির দেওয়া তালিকা গুরুত্ব পাচ্ছে।

যারা টিকা নিতে ইচ্ছুক তাঁরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা যোগাযোগ করলে তাঁদের মেগা সেন্টারে পাঠিয়ে দেওয়া। কলকাতা পুরসভার তথ্য বলছে, গত ২১ জুনের আগে শহরে দৈনিক ন্যূনতম ১৭-১৮০০০ থেকে ২৩-২৪০০০ মানুষকে টিকা দেওয়া হতো। তারপর সেই সংখ্যাটা ৫০০০০ ছাড়িয়েছে। বর্তমানে গত শনিবার সেই সংখ্যা ছিল দৈনিক ৬২০০০। হঠাৎ করে এই বিপুল সংখ্যক টিকাকরণ বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ যুব প্রজন্মকে টিকাদান। আগামী জুলাই মাস থেকে রীতিমতো ঘোষণা করে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সিদের টিকা দেওয়া শুরু করে দেবে কলকাতা পুরসভা।

]]>
কসবা টিকা কান্ড, দুটি তদন্ত কমিটি গড়ে দিল রাজ্য সরকার https://runnerbangla.com/kasba-vaccine-terms-west-bengal-govt-formed-two-investigation-committees/ Sat, 26 Jun 2021 08:08:19 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2948 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : কসবা টিকা কাণ্ডের ( Kasba Vaccine Case ) তদন্তে দুটি কমিটি ( Committee ) গঠন করল নবান্ন। একটি কমিটিতে রয়েছেন চিকিৎসক তনিমা মন্ডল এবং কাজল মন্ডল। পাশাপাশি আরও একটি চার সদস্যের কমিটি তৈরি করেছে রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর ( Health Department )। বিশিষ্ট চিকিৎসক শান্তনু ত্রিপাঠী, জ্যোতির্ময় পাল, সৌমিত্র ঘোষ এবং গোপালকৃষ্ণ ঢালী এই কমিটিতে রয়েছেন। এই কমিটি ওই জাল ভ্যাকসিনের ( Fake Vaccine ) পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া খতিয়ে দেখবে। শনিবার সকালে সেই কমিটির চিকিৎসকেরা কসবা এবং সিটি কলেজে যান।

যাঁরা টিকা নিয়েছেন তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন। শারীরিক অবস্থা বোঝার চেষ্টা করেন। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরসভার ( KMC ) স্বাস্থ্যকর্মীরা ওই জাল টিকা প্রাপকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। স্বাস্থ্য ভবন কলকাতা পুরসভার কাছে সেই রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি টিকা শিবির নিয়ে এবার কড়া পদক্ষেপ নিল নবান্ন। এখন থেকে কোনও ভ্যাক্সিনেশন সেন্টার করতে গেলে স্থানীয় মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের অনুমতি নিতে হবে। না হলে শিবির করা যাবে না।

বেসরকারি টিকা শিবির চালাতে হলে নার্সিংহোমের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে করতে হয়। সেক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের বেঁধে দেওয়া কিছু নার্সিংহোমের তালিকা আছে। সেই তালিকায় বাইরে অন্য কোনও সংস্থা বা নার্সিংহোমের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগের শিবির করা যাবে না। এই মর্মে শুক্রবার জেলায় জেলায় মৌখিকভাবে বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। অন্যদিকে, কলকাতায় কসবা কাণ্ডের পর বেসরকারি টিকা শিবির নিয়ে আরও সতর্ক লালবাজার।

কলকাতার সব থানাকে এই বিষয়ে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লালবাজার বলেছে, এলাকায় কোথাও টিকা শিবির হলে পুলিসকে গিয়ে নজরদারি চালাতে হবে। বৈধ কাগজপত্র আছে কিনা খতিয়ে দেখবে পুলিশ। প্রয়োজনে কলকাতা পুরসভা এবং স্বাস্থ্যদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে নেবে। শিবিরে যাঁরা ভ্যাকসিন দিচ্ছেন, তাঁরা স্বাস্থ্যকর্মী কিনা তা দেখে নিতে হবে। যারা ক্যাম্প চালাচ্ছে তাদের ঠিকুজি-কুষ্ঠি খতিয়ে দেখবে পুলিস।

কোনও কিছু সন্দেহজনক মনে হলে প্রয়োজনে সেই ক্যাম্প বন্ধ করে দেওয়া যেতে পারে। এই বিষয়ে শহরের নজরদারি চালাবে কলকাতা পুরসভাও। প্রয়োজনে নিয়ম ভাঙলে গ্রেফতারও করতে পারে পুলিস। অন্যদিকে, অভিযুক্ত দেবাঞ্জনের টিকা শিবির থেকে যাঁরা ভ্যাকসিন নিয়েছেন, তাঁদের নিয়ে উদ্বিগ্ন পুর কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, সেগুলি জাল ছিল।

এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া নিধনকারী অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল বলেই মনে করছেন স্বাস্থ্যকর্তারা। তাই অতীন ঘোষ জানিয়েছেন, পুরসভা ওই ভ্যাকসিন প্রাপকদের আলাদা টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। যদিও তাঁদের এই মুহূর্তে করোনা টিকা দেওয়া যাবে কিনা সেই ব্যাপারে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেবে পুরসভা। এবং
তারপর তাঁদের টিকা দেওয়া হবে।

]]>
BIG BREAKING : চাঞ্চল্যকর তথ্য, স্বাস্থ্য দপ্তরের সেন্ট্রাল স্টোর থেকে বেরিয়েছে টিকা https://runnerbangla.com/state-health-department-central-store-vaccine-registration/ Thu, 24 Jun 2021 09:29:21 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2883 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : রাজ্যের স্বাস্থ্য ভবন তথা স্বাস্থ্য দপ্তর ( Health Department ) থেকে বেরিয়েছে টিকা ( Vaccine )। কোন ধরনের নথিভুক্তিকরণ ছাড়াই স্বাস্থ্য দপ্তরের সেন্ট্রাল স্টোর ( Central Vaccine Store ) থেকে সেই টিকা বেরিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে নেমে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এসেছে পুলিশের। ইতিমধ্যেই ঘটনার তীব্র অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখে গোয়েন্দা বিভাগের ( Detective Department ) হাতে এই তদন্তভার দেওয়া হয়েছে। সেখানেই প্রশাসন সূত্রে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

সূত্রের খবর, রাজ্যের অন্যতম সেরা টিকা সংরক্ষণ কেন্দ্র থেকে স্বাস্থ্যভবনকে ( Health Department ) না জানিয়েই সরিয়ে ফেলা হল কোভ্যাক্সিন-কোভিশিল্ডের কয়েক হাজার ডোজ। বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডে অবস্থিত কলকাতা জেলার সেন্ট্রাল ভ্যাকসিন স্টোর থেকে ভবানীপুর বিধানসভার অন্তর্গত চেতলার হেলথ ক্লিনিকে সরল টিকা। টিকা যে সরানো হয়েছে তা জানত‌ই না স্বাস্থ্যভবন। সরানোর এক সপ্তাহ পরে কীর্তির কথা স্বাস্থ্য ভবনকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়।

তা-ও কী কারণে এই সিদ্ধান্ত চিঠিতে তার উল্লেখ নেই। সেই সঙ্গে তৃণমূলের রথী-মহারথীদের সঙ্গে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবের ( Debanjan Deb ) ছবি প্রকাশ্যে চলে আসায় যথেষ্ট অস্বস্তিতে শাসক দল। কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Halik এর উপস্থিতিতে কলকাতা পুরসভাকে পিপিই কিট, মাস্ক, স্যানিটাইজার দিয়ে সাহায্য করছেন ওই অভিযুক্ত। রাজ্য মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় এর সঙ্গে তার ছবি সামনে এসেছে।

তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ তথা চিকিৎসক সংগঠনের নেতা শান্তনু সেনের সঙ্গেও তার ওঠা বসা ছিল বলে প্রকাশ হয়েছে ছবি। সব মিলিয়ে অনেক দূর পর্যন্ত এই চক্রান্তের চক্র শিকড় গেড়ে রয়েছে বলেই মনে করছে তদন্তকারীরা। এই ঘটনায় কলকাতা পুরসভা এবং রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের সিনিয়র আধিকারিকরা যুক্ত থাকতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই শোরগোল পড়েছে রাজ্য প্রশাসনের অন্দরে। একের পর এক শাসকদলের লোকজনই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছে।

ফলে এই ঘটনার তদন্ত কতটা নিরপেক্ষ হবে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে সরকারি মহলে। একজন লোক কিভাবে কি পরিচয় নিয়ে এমন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী এবং নেতাদের সঙ্গে ওঠাবসা করলেন? তার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করার আগে কেন তৃণমূল নেতারা খোঁজ নিয়ে রাখলেন না? এই না না প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। যদিও স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, জিতের থেকে আটক করা ভ্যাকসিন জাল নয়। কলকাতা পুরসভা স্বাস্থ্য বিভাগে তদন্তকারী আধিকারিকরাও প্রাপকদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেছেন। তাদের কারও খুব একটা কোনো শারীরিক সমস্যা হয়নি বলেই কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর।

]]>
Fake Vaccine Kasba : টিকা জালিয়াতির পর্দা ফাঁস করতে বিশেষ টিম https://runnerbangla.com/kmc-kasba-fake-vaccination-wb-health-department-investigation-committee/ Thu, 24 Jun 2021 08:33:10 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2875
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : কসবায় ( Kasba ) ভুয়ো টিকাকরণ কেন্দ্র ( Fake Vaccination Center ) চালানোর অভিযোগের তদন্তে নামল কলকাতা পুরসভাও ( Kolkata Municipal Corporation )। সঙ্গে রাজ্য স্বাস্থ্যভবন বিশেষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। তৈরি করা হচ্ছে বিশেষ পোর্টাল। যাঁরা ভ্যাকসিন নিয়েছেন তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিচ্ছেন কলকাতা পুরসভা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা। অন্যদিকে এই ঘটনার তদন্ত কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগকে ( Detective Department ) দেওয়া হয়েছে।

কসবার এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছে দেবাঞ্জন দেব নামে এক ব্যক্তি। যিনি আবার নিজেকে আইএএস বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। সেটাও ছিল জাল। সূত্রের খবর, এই ঘটনার পেছনে বড়োসড়ো চক্রের ইঙ্গিত মিলেছে। কলকাতা পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে হনুমান, কলকাতা পুরসভা এবং স্বাস্থ্য ভবনের কোনো প্রতিনিধি ( Firhad Hakim ) এই ঘটনার পেছনে জড়িত থাকতে পারে। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যভবনকে একটি পোর্টাল তৈরি করতে বলা হয়েছে।

শহর জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ভাবে একাধিক টিকাকরণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ফলে স্বাস্থ্যভবন কোথায় কাকে কত ভ্যাকসিন পাঠাল তারপর বিস্তারিত তথ্য নিজেদের কাছে রাখা প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে একটি পোর্টাল তৈরি করে ডাটাবেজ রাখলে ভালো হয়। পাশাপাশি কলকাতা পুরসভা নির্দেশ দিয়েছে, এখন থেকে বেসরকারিভাবে কোনও টিকাকরণ কেন্দ্র চালাতে গেলে সংশ্লিষ্ট ক্লাব, এনজিওকে পুরসভার অনুমতি নিতে হবে। পুরসভার খতিয়ে দেখে ঠিকঠাক হলে তবেই অনুমতি দেবে।

বৃহস্পতিবার সকালে কসবা নিউমার্কেট এলাকায় এসে পৌঁছেছে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধিরা। এখনকার সব ব্যবসায়ীরা টিকা নিয়েছিলেন তাদের তালিকা তৈরি হয়েছে। তাদের সকলের সঙ্গে কথা বলছেন স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধিরা, কোনো শারীরিক অসুস্থতা আছে কিনা তা খোঁজ খবর নিচ্ছেন। ১০১ জনের তালিকা ব্যবসায়ী সমিতির তরফে দেওয়ায় হয়েছে। স্বাস্থ্যভবন ইতিমধ্যে তদন্ত কমিটি করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। কোথা থেকে ভ্যাকসিন আসলো তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

যদিও অভিযুক্তের থেকে স্বাস্থ্য ভবন এর টিকার রিকুইজিশন স্লিপ পাওয়া গিয়েছে। সেটাও আসল কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যে টাকা উদ্ধার করা হয়েছে সেগুলি জাল কিনা তাও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ব্যাচ নাম্বার দেখে অনুসন্ধান করা হচ্ছে বলেই কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর।প্রশাসনের অন্দরের একাংশ মনে করছে, এই ঘটনার পেছনে কোন সরকারি আধিকারিক যুক্ত থাকলেও থাকতে পারে। না হলে এভাবে সরকারি স্তর থেকে ভ্যাকসিন বের করা অসম্ভব’।

]]>
Corona Third Wave -এর সম্ভবনা, প্রতিরোধে প্রস্তুতি রাজ্য সরকারের https://runnerbangla.com/corona-third-wave-possibility-west-bengal-govt-preparation/ Tue, 22 Jun 2021 15:30:54 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2814 কলকাতা : করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের ( Corona Third Wave ) মোকাবিলায় ১০ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করল রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর। সেইসঙ্গে কলকাতা পুরসভাকেও ( Kolkata Municipal Corporation ) বিশেষ পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। কী কী কর্তব্য, কী করণীয় ঠিক করতে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী রাজ্যকে পরামর্শ দিতে বলা হয়েছে এই কমিটিকে। কমিটিতে বিশেষজ্ঞদের নিযুক্ত করা হয়েছে।

এখানে মেডিসিন, ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন, সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ সহ বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসকরা আছেন। পিজি হাসপাতালেরই ছয় অধ্যাপক রয়েছেন কমিটিতে। কমিটি গঠনের চিঠির উপরে লেখা কোভিড ১৯/আর্জেন্ট দেখেই বোঝা যায় রাজ্য সরকার তৃতীয় ঢেউকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে।করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে সবথেকে বেশি সংক্রমিত হতে পারে বাচ্চারা।

এমনটাই মত পোষণ করেছে বিশেষজ্ঞ মহল। যার পরিপ্রেক্ষিতে শহরের স্রেফ হোমে বাচ্চাদের জন্য পরিকাঠামো তৈরিতে ব্যবস্থা করছে কলকাতা পুরসভা। তবে সেই পেড্রিয়াট্রিক পরিকাঠামো তৈরি করতে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ চাইলে কর্তৃপক্ষ। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, ঠিক হয়েছে কলকাতা তথা রাজ্যের বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অপূর্ব ঘোষের পরামর্শ নেওয়া হবে। যিনি পার্কসার্কাসের ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ড হেলথের কর্ণধার।

বাচ্চাদের চিকিৎসা পরিষেবা দিতে কি ধরনের পরিকাঠামো তৈরি করা যায় সেই পরামর্শ দেবেন তিনি। পাশাপাশি পুরসভার চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের ( Health Staff ) বাচ্চাদের জন্য বিশেষ ট্রেনিং দেয়া হবে। সেক্ষেত্রেও সাহায্য করবেন অপূর্ববাবু। অন্যদিকে, শহরে চলতে থাকা দুটি সেফহোম বাদে বাকি সব বন্ধ করে দিল উর্ত্তীন্ন এবং বেহালা পলিটেকনিক এই দুটি সেফ হোম চলবে। বাকি সেফ হোমে রোগী থাকছে না।

সংক্রমণ কমেছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলেই জানাচ্ছে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের আধিকারিকরা। শহরে ৭টি সেফ হোম চালাচ্ছিল পুরসভা। তারমধ্যে এইচকে শেঠ, বাইপাসের একটি বেসরকারি সংস্থার অফিস, চম্পামনি মেটারনিটি হোম, গোয়েনকা হাসপাতাল এবং নর্থ মেটারনিটি সেফ হোম বন্ধ করা রয়েছে।

]]>
করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত হতে পারে বাচ্ছারাও, সতর্ক প্রশাসন https://runnerbangla.com/children-affected-corona-third-wave-administration-alert/ Thu, 17 Jun 2021 06:00:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2579 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : করোনার ( Corona ) তৃতীয় ঢেউ সামলাতে সেফ হোমে ( Safe Home ) এবার বাচ্চাদের রাখার ব্যবস্থা করছে কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। আপাতত উর্ত্তীন্ন সেফ হোমে বাচ্চাদের রাখার মত পরিকাঠামো গড়ে তোলা নিয়ে কথাবার্তা এগিয়েছে বলে কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর। বাচ্চাদের জন্য কি ধরনের পরিকাঠামো গড়ে তোলা যাবে সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। দিন কয়েকের মধ্যেই প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে আসা হবে বলে জানা যাচ্ছে।

এক পুর আধিকারিক বলেন, বড়দের জন্য যে ধরনের ক্যানোলা বা অক্সিজেন ( Oxygen ) নেওয়ার জন্য মাস্ক লাগে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে তার আকার আয়তনে ছোট। এর পাশাপাশি পালস অক্সিমিটার ( Oxymeter ) সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বাচ্চাদের আকার আয়তন এর কথা চিন্তা করে রাখতে হবে। মোটামুটি ঠিক হয়েছে,৭-৮ বয়সের নিচের বাচ্চাদের রাখা হবে না। খুব প্রয়োজনে সে ক্ষেত্রে মহিলা ওয়ার্ডে বাচ্চাদের রাখার ব্যবস্থা করা হবে।

আপাতত কুড়ি-পঁচিশ টিম বাচ্চাদের জন্য রাখা হতে পারে উর্ত্তীণ নতে। আগামী দিনের অন্যান্য সেফ হোমে বাচ্চাদের পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। যদিও সেফহোমে বাচ্চাদের রাখার কার্যকারিতা কতটা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে চিকিৎসক। কলকাতা পুরসভার এক চিকিৎসক কর্তা বলেন, বাচ্চাদের ক্ষেত্রে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর। বিশেষ করে কোন বাচ্চার অক্সিজেন প্রয়োজন আছে কিনা সে ক্ষেত্রে পালস অক্সিমিটার এর রেট মাপার ক্ষেত্রে খুব সুক্ষ রিডিং নিতে হয়।

এছাড়াও বাচ্চাদের নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে তার জন্য হাসপাতালে পরিকাঠামোয় বেশি জরুরি। যা সেফ হোমে তৈরি করা সম্ভব নয়। হয়তো বাচ্চাকে আইসোলেশন করে রাখার জন্য ঠিক আছে। কিন্তু যখন অক্সিজেনের প্রয়োজন হবে তখন তাকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করতেই হবে। কিন্তু বাচ্চাদের আক্রান্ত হওয়া নিয়ে অযথা বা অহেতুক আতঙ্ক ছড়ানো উচিত নয় বলে মনে করেন তিনি।

তবে সর্তকতা অবলম্বন করে রাখা জরুরি। করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাচ্চারা। তেমনটাই মনে করছেন চিকিৎসকরা। ইতিমধ্যেই সেটা নিয়ে বিশেষ অ্যাডভাইজারি দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফ থেকে কলকাতা পুরসভাকে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

]]>
গোটা রাজ্যে টিকার জন্য একটাই নম্বরে যোগাযোগ, জেনে নিন সেই নম্বর https://runnerbangla.com/west-west-bengal-government-introduced-a-uniform-whatsapp-number-across-state-for-vaccination/ Tue, 15 Jun 2021 14:40:42 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2512 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : এবার টিকাকরণ ( Covid-19 Vaccination ) করতে সারা রাজ্য জুড়ে অভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর চালু করল রাজ্য সরকার। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের ( Health Department ) তরফ থেকে একটি অ্যাপ চালু করা হয়েছে। যার পোশাকি নাম ‘সিভিআর’ ( CVR ) । সেখানেই দেওয়া হয়েছে এই হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর। নম্বরটি হল ৮৩৩৫৯৯৯০০০। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ( Chandrima Bhattacharya ) এই ঘোষণা করে জানিয়েছেন, এখন থেকে ভ্যাকসিন নিতে আর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ( Vaccination Center ) গিয়ে দাঁড়ানোর প্রয়োজন নেই।

চেনা-পরিচিত ধরারও দরকার নেই। রাজ্য সরকারের দাবি, টিকা নিয়ে বিভ্রান্তি এবং জটিলতা দূর করতে এই নতুন অ্যাপ চালু করল রাজ্য সরকার। এই অ্যাপের মাধ্যমে যে কেউ ভ্যাকসিনের স্লট বুকিং করতে পারবেন। প্রথম অথবা দ্বিতীয়, যে কোনও ডোজ নেওয়ার আগে অ্যাপে নাম নথিভুক্ত করা যাবে। যে হোয়াটস অ্যাপ নাম্বার দেওয়া হয়েছে তাতে যোগাযোগ করলে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিছু দরকারি তথ্য জেনে জানিয়ে দেওয়া হবে কবে কোথায় তিনি পেতে পারেন ভ্যাকসিন।

মঙ্গলবার এই অ্যাপের উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসচিব নারায়ন স্বরূপ নিগম সহ-দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকরাও। চন্দ্রিমাদেবী জানান, অ্যাপের সাফল্য জানতে ইতিমধ্যেই কলকাতায় পাইলট প্রজেক্ট হয়েছে। কলকাতা পুরসভা ( KMC ) এতদিন অ্যাপটি ব্যবহারও করেছে। এখন রাজ্যের যে কোনও মানুষ এই সিভিআর অ্যাপ ব্যবহার করে ভ্যাকসিন নিতে পারবে। দ্রুত ভ্যাকসিনের স্লট পেতে নয়া অ্যাপ রাজ্যের। তবে সমস্যা রয়েছে অন্য জায়গায়।

কলকাতা পুরসভা ইতিমধ্যেই পাইলট প্রজেক্ট শুরু করলেও সেটা কিছুটা হলেও ধাক্কা খেয়েছে। প্রথম দিন ৫০০০০ লোক নাম নথিভুক্ত করে ফেলায় পড়ে প্রায় ১০ দিন ধরে সেই অ্যাপ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল কলকাতা পুরসভা। এর পাশাপাশি বিভিন্ন অঞ্চলের নাগরিকদের থেকে এমন অভিযোগ আসছিল যে টেকনিক্যাল সমস্যা থাকার কারণে সার্ভার ( Server ) মাঝেমধ্যেই ডাউন থাকত। ফলে নির্দিষ্ট তথ্য দিলেও সঠিকভাবে বুকিং করা যেত না।

সারা রাজ্য জুড়ে চালু করার আগে এই সমস্যাগুলো দূর করার প্রয়োজন ছিল বলেই মনে করছে সরকারি মহলের একাংশ। শুধু কলকাতাতেই একদিনে ৫০০০০ নাম নথিভুক্ত হলে সারা রাজ্য জুড়ে সেই সংখ্যাটা কোথায় পৌঁছাবে তা নিয়ে অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। সেক্ষেত্রে আবার বেশ কয়েকদিনের জন্য সেই হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর বন্ধ রাখতে হতে পারে। যদিও তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত স্পষ্টভাবে কিছু জানায়নি স্বাস্থ্য দপ্তর। ফলে নানা ধোঁয়াশা রয়েই গেল। কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন থাকল।

]]>