Firhad Hakim – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Fri, 30 Jul 2021 17:09:40 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Firhad Hakim – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 ধাপাতে ফেলে দেওয়া ময়লা এবার ফিরে আসবে আপনার ড্রইয়ং রুমে https://runnerbangla.com/kmc-landmark-step-renewing-waste-garbage-segregation-unit-set-up-dhapa/ Fri, 30 Jul 2021 16:56:48 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4594 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : জঞ্জাল পুনর্নবীকরনে ( Garbage Recycling ) যুগান্তকারী পদক্ষেপ করল কলকাতা পুরসভা ( KMC )। ধাপায় তৈরি হয়েছে বর্জ্য পৃথকীকরণ ইউনিট। সেখান থেকে শক্ত এবং নরম বর্জ্য আলাদা করবে কলকাতা পুরসভা। তারপর আলাদা করা প্লাস্টিক থেকে তৈরি হবে নানা ধরনের প্লাস্টিক জাতীয় দ্রব্য। শুক্রবার সেই প্লান্টের উদ্বোধন করলেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন অতীন ঘোষ দেবাশীষ কুমার স্বপন সমাদ্দার সহ কলকাতা পুরসভার অন্যান্য কর্তাব্যক্তিরা।

এদিন মোট তিনটি প্রজেক্টর উদ্বোধন করা হয়। একটি হলো বায়ো মাইনিং ( Bio Mining ) এবং ট্রিটমেন্ট প্লান্ট। বছরের পর বছর ধরে ধাপায় পড়ে থাকা ৪০ লক্ষ মেট্রিক টন ময়লা পৃথকীকরণ করা হবে। যে ময়লা পরিষ্কার হলে ৬০ একর জায়গা খালি পাওয়া যাবে। রাজ্য সরকার এখানে ২৬০ কোটি টাকায় ৫টি ইউনিট বসিয়েছে। যেখানে নিত্যদিনের ফল-সবজি বিভিন্ন নরম বর্জ্য আলাদা করে সেগুলি থেকে সার তৈরি করা হবে। বাকি প্লাস্টিক বর্জ্য পৌঁছে যাবে অন্য কারখানায়।

যেখানে অপর একটি কারখানায় প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে তৈরি হবে দরজা, চেয়ার-টেবিল, পিচবোর্ড, ফুলের তোড়া, গাছ লাগানোর টব সহ বিভিন্ন জিনিস। পাশাপাশি তৈরি হয়েছে আর একটি কারখানা। নিউ টাউনের পাথুরিয়াঘাটা সেই কারখানাতে নির্মাণ বর্জ্য ভেঙে তৈরি হবে বালি। যে বালি অন্যান্য নির্মাণ প্রকল্পে বিক্রি করা। সরকারি এবং বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে এই প্রজেক্ট তৈরি হয়েছে। উৎপাদিত সামগ্রী বিক্রি করে ওই সংস্থা যা আয় করবে তার একটা লাভাংশ পাবে কলকাতা পুরসভা।

এই প্রসঙ্গে কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম বলেন, কলকাতা পুরসভা জায়গা দিয়েছে। কাঁচামালের ব্যবস্থা করে দিয়েছে। বাকি পুরোটাই বেসরকারি সংস্থা খরচ করছে। আমাদের কোনো খরচ হচ্ছে না। উল্টে কলকাতা পুরসভা এখান থেক লভ্যাংশ পাবে। পাথুরিয়াঘাটা যে কারখানা তৈরি হয়েছে সেখানে ৫০০ টন নির্মাণ বর্জ্য প্রতিদিন তৈরি হয়। সেটা দিয়ে বালি তৈরি করতে ৫ একর জায়গায় সেই কারখানা তৈরি করা হয়েছে।

আগামী ১০ বছরে সেখানে প্রায় ৫৬ কোটি টাকা খরচ করবে ওই ওই বেসরকারি সংস্থা। সব মিলিয়ে কলকাতায় নিত্যদিন যে ৫০০০ মেট্রিক টন জঞ্জাল জমা হয়, আগামী দিনে তা আর ধাপাতে পড়ে থাকবে না। তা দিয়ে তৈরি হবে নানা ধরনের সামগ্রী। শহরের পরিবেশের পক্ষে সহায়ক হবে কলকাতা পুরসভার এই প্রকল্প।

]]>
ভিড়ের চাপে হিমশিম পুরসভা, টিকাকেন্দ্রে এবার কুপন https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-applicable-coupon-corona-vaccination-center/ Mon, 26 Jul 2021 09:10:21 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4488 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : টিকাকরণ কেন্দ্রে মাত্রাতিরিক্ত ভিড় এবং গন্ডগোল এড়াতে এবার কলকাতায় চালু হল কুপন ( Coupon )। আজ সোমবার থেকে শহরের মেগা টিকা সেন্টারে কুপন দেওয়া শুরু করেছে কলকাতা পুরসভা। সেইসঙ্গে কুপন যাচাইয়ের জন্য থাকবে পুলিশি পাহারা। কলকাতা পুরসভা বিভিন্ন থানার সঙ্গে কথা বলে পুলিশ পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। বর্তমানে কলকাতা পুরসভার ( KMC ) বিভিন্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে টিকাকরণের পাশাপাশি ১৮টি মেগা সেন্টারে ( Mega Center) টিকা দেওয়া হচ্ছে।

সেই মেগা সেন্টারের ( Mega Center ) ভিড় সামলাতে কুপন ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত সেখানে চালু করা হবে। এরপর আগামী দিনে অন্যান্য পুরো স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ( Health Center ) ও টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে কুপন চালুর ইচ্ছা রয়েছে পুরো কর্তৃপক্ষের। তবে সেটা শুধুমাত্র প্রথম ডোজের টিকার ক্ষেত্রেই। দ্বিতীয় রোগের টিকা এমনি পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুরসভা। বর্তমানে পুরসভার হাতে ভ্যাকসিন নেই।

সেই কারণে ৩৯টি কোভাক্সিন টিকাকরণ ( Covaxin Vaccination ) কেন্দ্রে টিকা দেওয়া বন্ধ রয়েছে। কোভিশিল্ড ( Covishield ) রয়েছে নামমাত্র। সোমবার নতুন টিকা আসার কথা। সেক্ষেত্রে টিকা আসলে দ্বিতীয় ডোজ প্রাধান্য দিয়ে দেওয়া হবে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত টিকা মিলবে। পরের দিনের জন্য কুপন দিয়ে দেওয়া হবে। কুপন মিলবে শুধুমাত্র প্রথম রোজার জন্য। এক্ষেত্রে আধার কার্ড এবং ভোটার কার্ডের আসল এবং ফটোকপি নিয়ে আসতে হবে।

তার ওপর স্টাম্প দিয়ে দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে কুপন জালিয়াতির উঠতেও ব্যবস্থা নিয়েছে পুরসভা। ব্যবহার করা হচ্ছে স্থানীয় থানা কে। মেগা সেন্টারের বাড়ি থাকবে পুলিশ। ভীর সামলানো থেকে শুরু করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুরসভা। সে ক্ষেত্রে কুপন যাচাই করে সেন্টারে ঢোকাবে পুলিশ। কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, সোমবারের মধ্যে কোভ্যাকসিন এবং আসার কথা।

কিন্তু সেটা আসলেও দেওয়া হবে শুধুমাত্র দ্বিতীয় ডোজ। কারণ পর্যাপ্ত টিকা নেই। কিন্তু কোভিশিল্ড স্বাভাবিক নিয়মেই দেয়া হবে। টিকা না থাকার কারণে ভিড় হচ্ছে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাইরে এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। সেই কারণেই কুপন ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন। কলকাতায় ইতিমধ্যেই ৬১ শতাংশ মানুষকে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দ্বিতীয় টিকা পেয়েছেন মাত্র ২১ শতাংশ মানুষ। কলকাতা পুরসভাকে এখনো পর্যন্ত দু লক্ষ টাকার দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে। যার মধ্যে শুধুমাত্র কোভ্যাকসিন লাগবে ৭৫০০০।

]]>
তিলোত্তমাকে আরও সবুজ করতে শুরু হলো বিশেষ অভিযান https://runnerbangla.com/kmc-start-campaign-tree-plantation-make-kolkata-town-greener/ Sun, 25 Jul 2021 11:47:32 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4452 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : পরিবেশকে রক্ষা করতে হলে আরও অনেক বেশি করে সবুজায়ন করতে হবে। তাই শহর কলকাতাকে আরো সবুজ করে তুলতে বদ্ধপরিকর কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। তাই পরিবেশ দূষণ কমাতে উদ্যোগে কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )। যিনি আবার রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রীও বটে। তার পাশাপাশি পেট্রোল ডিজেলে যে সমস্ত গাড়ি চলছে সেগুলোকে বৈদ্যুতিক গাড়িতে পরিবর্তন করতে হবে।

তার ফলে পরিবেশ দূষণ ( Environmental pollution ) অনেক কম হবে। যদিও রাতারাতি তা করা সম্ভব নয় বলে পরিবহন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন। কিন্তু ধীরে ধীরে তাই গড়ে তুলতে হবে বলেও তিনি মনে করছেন। এর পাশাপাশি নতুন করে জমি চিহ্নিত করে কলকাতা শহরেও ইকোপার্ক তৈরি করতে চান তিনি। পাশাপাশি ফিরহাদ জানিয়েছেন, পরিবেশকে রক্ষা করতে হলে মানুষকে আরও অনেক বেশি সতর্ক হতে হবে এবং সচেতন থাকা বাধ্যতামূলক।

শহর কলকাতায় যে সমস্ত গাড়ি চলছে সেগুলো যদি ইলেকট্রিক গাড়িতে পরিবর্তন করা যায় তার ফলে পরিবেশ দূষণ অনেকটাই কম হবে বলে তিনি মনে করেন। অন্যদিকে তিনি জানিয়েছেন অটো রিক্সা যেগুলি কাটা তেলে চলে সেগুলোতেও বৈদ্যুতিক গাড়িতে পরিবর্তন করতে হবে। এছাড়া জলপথের সমস্ত জাহাজ সেগুলোকেও বৈদ্যুতিক ব্যবহার যোগ্য করে তুলতে হবে বলেও তিনি মনে করছেন। ধীরে ধীরে তা গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম।

কলকাতা পুরসভা চলতি বছর আরও ২৫ হাজার গাছ লাগানোর কর্মসূচি নিয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে অরণ্য সপ্তাহ পালন করেছে রাজ্য সরকার। যেখানে ইতিমধ্যেই প্রায় ২০০০ গাছ লাগানো সম্পন্ন হয়েছে। তবে শুধুমাত্র গাছ লাগিয়ে ক্ষান্ত হয়নি কলকাতা পৌরসভা। সেই গাছের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অনেক আগ্রহী বেসরকারি সংস্থা বিভিন্ন গাছ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছে।

বিশেষ করে কলকাতার রাস্তায় মাঝে যে সুদৃশ্যভাবে ঢালাই করে ছোট ছোট গাছ লাগানো হয়েছে, এগুলো দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে বড় বড় বহুজাতিক সংস্থা। ফিরহাদ বলেন, এখনো পর্যন্ত বৈদ্যুতিক গাড়ি পরিমাণ অনেকটাই কম এবং সমস্ত জায়গায় চার্জিং পয়েন্ট নেই। সে কারণে নতুন যে সমস্ত বিল্ডিং হচ্ছে সে সমস্ত বিল্ডিংয়ের নিচে যেন চার্জিং পয়েন্ট করা হয় তাতে সাধারণ মানুষ থেকে সবারই সুবিধা হবে।

]]>
সম্পত্তি সম্পর্কে সব তথ্য এক মুহূর্তে, ক্রেতার হয়রানি কমাতে উদ্যোগ পুরসভার https://runnerbangla.com/know-property-information-kmc-website-add-encamberence-certificate-option/ Sun, 25 Jul 2021 08:49:34 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4448 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : জমি বা বাড়ি বা ফ্ল্যাট অর্থাৎ কোনও সম্পত্তি কেনার ক্ষেত্রে আর দীর্ঘ সময় এবং মোটা টাকা খরচ করতে হবে না নাগরিকদের। তেমনটাই সুযোগ করে দিচ্ছে কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। কলকাতা পুরসভার ওয়েবসাইট থেকে ক্রেতারা এক ক্লিকেই জানতে পারবেন সংশ্লিস্ট সম্পত্তির ঠিকুজি কুষ্ঠী। ইস-অব-ডুয়িং নীতি অনুসারে কলকাতা কর্পোরেশন তাদের ওয়েবসাইটে “এনকামবেরেন্স সার্টিফিকেট” নামে নতুন অপশন নিয়ে এসেছে।

যেখানে ক্লিক করে কলকাতার যে কোনও ঠিকানা ( কর মূল্যায়িত ) দিলেই সেখানে থাকা বাড়ি বা ফ্ল্যাটের পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য ফুটে উঠবে কম্পিউটারের পর্দায়। শনিবার তেমনটাই ঘোষণা করেছেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )। তিনি বলেন, মানুষের হয়রানি রুখতে আমরা এই ব্যবস্থা করছি। বাড়ি বা ফ্ল্যাট কেনার পরে অনেকেই জানতে পারেন আগের মালিক মোটা টাকা করে বকেয়া রেখে গেছেন। ফলে সেই কর মেটাবার দায় তাঁর উপরে এসে পড়ে।

মোটা টাকা খরচে ফ্ল্যাট কেনার পরে ফের অতিরিক্ত টাকা পকেট থেকে বের করতে বাধ্য থাকেন তাঁরা। এবার থেকে সেই সমস্যার সমাধান হবে বলেই আশা করছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কী কী সুবিধা মিলবে? কেউ সম্পত্তি কেনার সময় তিনি যে সম্পত্তি কিনেবেন সেই বাড়ি বা ফ্ল্যাটের কর কত বাকি? জল কর বাকি আছে কি না? মামলা রয়েছে কি না? মিউটেশন সংক্রান্ত কোন সমস্যা রয়েছে কিনা। এমন নানা তথ্য। ফলে ওই ব্যক্তির ক্ষেত্রে বাড়ি বা ফ্ল্যাটের মালিকের সঙ্গে টাকা পয়সা নিয়ে আলচনায় অনেক সুবিধা হবে।

আবার সেই তথ্য ডাউনলোড করে প্রিন্ট আউট বের করে রাখতে পারবেন। পরে কর্পোরেশন যদি সেই তথ্যের বাইরে গিয়ে বকেয়া কর বা অন্য কোনো বকেয়া টাকা দাবি করে তখন এনকামবেরেন্স দেখালে পৌর কর্তৃপক্ষ মেনে নিতে বাধ্য থাকবেন। বিশেষ করে শহরে নিত্যনতুন বহুতলা আবাসন তৈরি হচ্ছে। সেখানে এই ধরনের অভিযোগ ভুরি ভুরি। প্রোমোটার অনেক সময় ক্রেতাদের ঠকিয়ে দিচ্ছেন। সেখানে এই সার্টিফিকেট ব্যবস্থা চালু হলে সেই ফ্ল্যাট সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য ক্রেতা নিজেই খতিয়ে দেখে নিতে পারবেন। ফলে হয়রানি বন্ধ হবে বলে আশাবাদী কলকাতা পুরসভা।

]]>
টিকা নিয়ে ছেলেখেলার চূড়ান্ত, উধাও কোভ্যাকসিন https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-covaxin-vaccine/ Sat, 24 Jul 2021 05:59:01 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4399 #কলকাতা : কোভ্যাকসিন ( Covaxin ) ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না। এবার কোভ্যাকসিন কলকাতা কর্পোরেশনের হাতে এলে শুধুমাত্র দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। এই ভ্যাকসিনের আর প্রথম ডোজ দেওয়া হবে না। তেমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। পাশাপাশি, কোভ্যাকসিন সেন্টার বন্ধ থাকার পরে হোয়াটসঅ্যাপ বিওটি বুকিং দিনও পরিবর্তন করেছে কলকাতা কর্পোরেশন।

এপ্রসঙ্গে এদিন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim ) জানিয়েছেন, কোভ্যাকসিন রাজ্যের হাতে নেই। কলকাতা পুরসভার তাই এই টিকা দিতে পারছে না। বহু মানুষ সংকটে পড়েছে। কেন্দ্র কবে টিকা দেবে আমি জানি না। কোভ্যাকসিন যদি শনিবার রাতে আসে তাহলে সোমবার থেকে আবার দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু তা নিয়ে কোনও নিশ্চয়তা নেই।

তবে এদিন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কলকাতার যে ১৮ টি মেগা সেন্টার রয়েছে, সেখানে সকাল থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত টিকা দেওয়া হয়ে গেলে পরের দিনের টিকার জন্য কুপন দিয়ে দেওয়া হবে। তবে সেই কুপনেও জালিয়াতি হতে পারে বলে আশঙ্কা তাঁর। তাই যাদের কুপন ইস্যু করা হবে, তাঁদের অরিজিনাল ভোটার কার্ড এবং আধার কার্ড এবং সেগুলির ফটোকপি আনতে হবে।

সেগুলিতে স্ট্যাম্প মেরে দেওয়া হবে। প্রত্যেকটি মেগা সেন্টারে ( Mega Center ) পুলিশ মোতায়েন থাকবে। থানা গুলিকে ওই সেন্টারগুলিতে পুলিশ মোতায়েনের জন্য বলা হয়েছে। পুলিশ এই কুপন দেখে তবেই টিকা দিতে দেবে। ভিড় নিয়ন্ত্রণ এর জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কলকাতা শহরে বাকি যে ১৪৮ টি সেন্টার রয়েছে সেখানে যদি প্রয়োজন হয় তাহলে কুপন ইস্যু করা হবে।

তবে এখন আপাতত মেগা সেন্টারগুলোতে কুপন ইস্যু করা হবে। পাশাপাশি, হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে টিকা নিতে গেলে রয়েছে নির্দিষ্ট বুকিং নম্বর। কোভ্যাকসিন না থাকায় ইতিমধ্যেই অনির্দিষ্টকালের জন্য শহরের ৩৯টি কোভ্যাকসিন টিকাকেন্দ্র বন্ধ রেখেছে কলকাতা পুরসভা। এবার সেই হোয়াটস্যাপ নম্বরের বুকিং করার সময়েরও পরিবর্তন নিয়ে আসা হল।

রক্সি সিনেমা হল, সাউথ সিটি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এবং সেন্ট জেভিয়ার্সের মেগা সেন্টারে টিকা নেওয়ার জন্য ২১ জুলাইয়ের বুকিংয়ের বদলে ২৬ জুলাই থেকে বুকিং শুরু হবে। অন্যদিকে, সাউথ সিটি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ২৩ জুলাই যে বুকিং রয়েছে, সেগুলি ২৭ জুলাই স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে, দিনের পরিবর্তন হলেও সময়সূচী একই রকম থাকছে। যার বুকিং যে সময়ে ছিল তিনি সেই সময়ে আসতে পারবেন বলেই জানাচ্ছে কলকাতা পুরসভা।

]]>
তৃণমূল পুরসভার কীর্তি, পাম্প ছাড়াই পাম্পিং স্টেশনের উদ্বোধন https://runnerbangla.com/kmc-inaugurate-pumping-station-without-pump-before-election/ Sun, 18 Jul 2021 05:57:50 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4125 কলকাতা : পাম্প নেই। বলা ভালো পাম্প বসানোর টাকা নেই কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal Corporation ) কাছে। বসানো হয়নি নিকাশি পাইপও। অথচ শুধু তৈরি হওয়া ঘরটুকু নীল সাদা রঙ করেই ভোটের আগে বেমালুম উদ্বোধন হয়েছে গল্ফগ্রিনের ( Golf Green ) জোড়াপুকুর পাম্পিং স্টেশনের। এই কীর্তি করেছে কলকাতা পুরসভার তৃণমূল বোর্ড। এখন টাকা জোগাড়ের তোড়জোড় শুরু করেছে কলকাতা পুরসভা।

জোড়াপুকুর পাম্পিং স্টেশন হলে, জমা জলের দুর্ভোগের হাত থেকে রেহাই পাবেন ৯৪, ৯৫, ৯৬, ৯৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ। বিজয়গড়, বিক্রমগড়, আজাদগড়, অশকনগর, গল্ফ গ্রিন এলাকা জল নিষ্কাশনের বেহাল অবস্থা। অল্প বৃষ্টিতেই এসমস্ত এলাকা দীর্ঘ সময় থাকছে জলের তলায়। বর্ষাকালে জমা জলের দুর্ভোগের জেরে বিপর্যস্ত হচ্ছে এই সমস্ত এলাকার জনজীবন।

এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে পরিকল্পনা হয় গল্ফগ্রিনের কাঁটাপুকুর এলাকায় হবে নতুন পাম্পিং স্টেশন। পাম্পিং স্টেশনে আসা জল স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে আদিগঙ্গায় পড়ার কথা। কলকাতা কর্পোরেশন সূত্রে খবর, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে যে সংস্থা ছিল তারা কর্পোরেশনের থেকে টাকা না পেয়ে কাজ থামিয়ে দিয়েছিল। এখন ১৬ কোটি টাকা বকেয়া।

টাকা হাতে না পেলে কাজ করা অসম্ভব, সংস্থার তরফে এমনই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সদ্য পাম্পিং স্টেশনের সরঞ্জাম সব স্তূপাকারে রাখা হয়েছে, অর্ধের বেশি বাকি কাজ। সেই অবস্থায় ভোটের তিন মাস আগেই জেনে শুনেই তৃণমূল পৌর বোর্ড উদ্বোধন করে এই পাম্পিং স্টেশনের। উদ্বোধন করেন খোদ ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )। উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ( Arup Biswas )। ছিলেন বরো কো-অর্ডিনেটর তপন দাশগুপ্ত।

সব মিলিয়ে ৩৭ কোটি টাকার এই প্রকল্পে প্রাথমিকভাবে ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। কিন্তু নির্মাণকারী সংস্থা অভিযোগ, তাঁরা হাতে পেয়েছে মাত্র ৯ কোটি টাকা। সেই টাকায় যতটুকু কাজ হওয়ার ছিল হয়েছে। বাকি কাজ গত তিন চার মাস ধরে বন্ধ। প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি জানান ১০ নম্বর বরোর কো-অর্ডিনেটর তপন দাশগুপ্ত। তখনই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

প্রসঙ্গে ১০নম্বর বরোর ( Borough ) কো-অর্ডিনেটর তপন দাশগুপ্ত বলেছেন, ৯৪ নম্বর ওয়ার্ডে যে পাম্পিং স্টেশনের কাজ টাকার অভাবে আটকে আছে। নির্মাণকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, টাকা না পেলে কোনো কাজ হবে না। কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম জানান, নির্মাণকারী সংস্থার সঙ্গে কথা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রকে বলেছি। টাকা দিলেই হয়ে যাবে।

৯৪ নম্বর ওয়ার্ডের গল্ফ ক্লাব রোডস্থিত জোড়াপুকুর নিকাশ পাম্পিং স্টেশন। ২০১৮ সালে ম্যাকিনটোস বার্ন লিমিটেড বরাত পেয়েছিল এই কাজের। শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের মাঝামাঝি। তবে কলকাতা কর্পোরেশন চুক্তি মতো টাকা দিতে না পারায় বিরাট টাকা বকেয়া। মাঝপথে কাজ থামিয়ে দিয়েছে নির্মাণকারী সংস্থা।

]]>
তৃতীয় ঢেউয়ের আগে সবাইকে টিকা দেয়া যাবে না, জানালেন ফিরহাদ | Covid Vaccine https://runnerbangla.com/kmc-corona-vaccination-possibility-third-wave-firhad-hakim/ Sat, 17 Jul 2021 13:49:48 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4107 রানার প্রতিবেদন : তৃতীয় ঢেউ আসছে। চিকিৎসকরা বারবার সাবধান বাণী উচ্চারণ করছেন। পুজোর আগে পরেই তৃতীয় ঢেউয়ের ( Third Wave ) থাবা আছে পড়তে পারে। তৃতীয় ঢেউ আসার আগেই যদি সকলের টিকাকরণ সম্ভব হয়, তাহলে করোনার থাবা মারাত্মক আকার নিতে পারবে না। এ কারণেই টিকাকরণের ওপর সর্বাধিক জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। যেকোনও অবস্থায় তৃতীয় ঢেউয়ের আগেই যদি সকলকে টিকা দেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে কোভিডের এর হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

বাস্তবে কি সেটা সম্ভব? কলকাতা পৌরসভার প্রাক্তন মেয়র বর্তমানে যিনি প্রশাসনের প্রধান, সেই ফিরহাদ হাকিম জানালেন, তৃতীয় ঢেউয়ের আগে কলকাতার সমস্ত মানুষকে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে না। কারণ হিসেবে তিনি আঙুল তুলেছেন কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে। তার অভিযোগ, কলকাতায় তৃতীয় ঢেউ এর আগে সকলকে টিকা দেওয়ার জন্য, যে পরিমাণ টিকা দরকার সেটা পাওয়া যাচ্ছে না। কেন্দ্রের কাছে যা চাওয়া হচ্ছে তার ৫০ শতাংশও পাওয়া যাচ্ছে না।

কলকাতা পুরসভা টিকা করনের জন্য যে পরিকাঠামো গড়ে তুলেছে, তাতে প্রতিদিন এক লক্ষ মানুষকে টিকা দেওয়া সম্ভব। ফিরহাদ বলেন, পরিকাঠামো থাকলেই তো হবে না, দরকার সরবরাহ। তিনি বলেন, সরবরাহ ঠিকমত করা হচ্ছে না। এমনকি সুপার স্প্লেন্ডার যারা, ২১থেকে ৪৫ এর মধ্যে যাদের বয়স, সেই তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মাত্র ২১ শতাংশকেই টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

একই সঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে ফিরহাদ হাকিম বলেন, বস্তি অঞ্চলগুলোতে এখনও সঠিকভাবে টিকাকরণ হচ্ছে না বলে যে অভিযোগ উঠছে তাও ঠিক নয়। বিভিন্নভাবে বস্তির মানুষকে টিকাকরণ প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হচ্ছে। সব মিলিয়ে পুরসভার মুখ্য প্রশাসক এর দাবি কলকাতায় এখনো পর্যন্ত প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকাকরণ এর আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। ৩০ শতাংশ মানুষকে টিকা দেওয়ার কাজ ঠিক ততটাই সফল হবে যতটা ভালো সরবরাহ বজায় থাকবে।

]]>
বাইপাস এলাকায় জলযন্ত্রণা দ্রুত দূর হবে, আশ্বাস পুরসভার https://runnerbangla.com/kolkata-bypass-water-freezing-problem-assure-firhad-hakim/ Sat, 17 Jul 2021 03:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4093 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : বাইপাস সংলগ্ন খাল এবং সেখানকার পাম্পিং স্টেশন গুলির জল নিষ্কাশন ক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিচ্ছে কলকাতা পুরসভা ( kolkata Municipal Corporation)। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগকে এই মর্মে প্রজেক্ট রিপোর্ট জমা দিতে বলেছেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )।

বৃহস্পতিবার রুবি মোড় সংলগ্ন নোনাডাঙ্গা ড্রেনেজ পাম্পিং স্টেশন ( Pumping Station ) ও খাল এবং বি বি ওয়ান খাল ( অভিষিক্তা মোড় সংলগ্ন ) পরিদর্শন করেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )। যাদবপুর এবং টালিগঞ্জ এলাকায় জমা জল নিয়ে দুর্ভোগ দীর্ঘদিনের। তবে সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে কার্যত ভেঙে পড়েছিল। তার জেরে যেখানে কোনও দিন জল জমে না, তেমন জায়গাতেও জল টানা কয়েকদিন ঠায় দাঁড়িয়েছিল।

যার সমস্যা সমাধানে এবার আসরে কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। পাশাপাশি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বাইপাসের ওপর বিভিন্ন নিকাশি খাল থেকে তাদের সরঞ্জাম তুলে নিয়ে স্রোতের মুখে বাধা কাটানো হবে। তেমনটাই জানিয়েছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দর থেকে গড়িয়া পর্যন্ত মেট্রো রেলের সম্প্রসারণের কাজ চলছে। যে কাজ করছে রেলওয়ে বিকাশ লিমিটেড বা আর ভি এল এল।

ফিরহাদ হাকিম বলেন, মেট্রো করিডরের কাজের জন্য যে খালের চ্যানেলের ওপর দিয়ে পাইলিং কংক্রিটের পাইলিং করা হয়েছে, সেগুলি মেট্রো কর্তৃপক্ষ সরিয়ে দেবে। যাতে জলস্তর ঠিকমতো থাকে এবং খালের জল ঠিকমতো নিষ্কাশিত হতে পারে। পাশাপাশি ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডে পুরনো একটি কালভার্ট কম উঁচু থাকায় খালের জল তার তলা দিয়ে ঠিকমতো নিষ্কাশিত হতে পারছে না।

যার জন্য ওই কালভার্ট ভেঙ্গে নতুন উঁচু ব্রিজ করে দেওয়ার জন্য কেএমডিএকে নির্দেশ দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। বাইপাস জুড়ে তৈরি হয়েছে একের পর এক সুউচ্চ অট্টালিকা। সেখানকার নিত্যদিনের নোংরা জল প্রতিনিয়ত বার হয়ে নিচু জায়গায় জমা হচ্ছে। ওই অঞ্চলে নিকাশি নালার থাকলেও প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বসবাসকারীর চাপে তার কর্মক্ষমতা হারিয়ে গেছে। ফলে নতুন করে নিকাশি ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করে কলকাতা পুরসভা।

যার জন্য ইতিমধ্যেই নিকাশি এবং জঞ্জাল সাফাই বিভাগকে প্রজেক্ট রিপোর্ট তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই জানিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। দু’দিন আগে যাদবপুর এলাকার শাসকদলের কো-অর্ডিনেটররা দল বেঁধে কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমের কাছে যান। তারা বিষয়টি তাকে বিস্তারিত জানান এবং সমাধানের পথ খুঁজে দিতে বলেন। তারপরেই ফিরহাদ খালগুলি পরিদর্শন করলেন।

]]>
বেলাগাম বাস ভাড়া, চূড়ান্ত ভোগান্তির শিকার সাধারণ যাত্রীরা https://runnerbangla.com/kolkata-bus-fare-hike-victim-ordinary-passengers/ Fri, 09 Jul 2021 13:56:24 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3648 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : ইতিমধ্যেই রোড ট্যাক্স ছাড় দেওয়ার ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। বিধানসভায় বাজেট ভাষণে সেই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee )। তারপরেও বেসরকারি বাস যাত্রীদের থেকে বেলাগাম ভাড়া আদায় করছে। আবার কোথাও কটুক্তি। কোথাও বাসে উঠলেই দিতে হচ্ছে ১২-১৫ টাকা। কোথাও আবার গুনতে হচ্ছে ন্যূনতম ২০ টাকা। কিন্তু বেসরকারি বাস মালিকদের বিরুদ্ধে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে না রাজ্য সরকার।

চলছে নাগরিক ভোগান্তি। গত বছর লকডাউনের পরে রাজ্য যখন বেসরকারি পথে নেমে নেমেছিল তখন থেকেই নির্ধারিত ভাড়ার তোয়াক্কা না করেই যথেচ্ছ ভাবে অতিরিক্ত ভাড়া নিতে শুরু করেছিল। সরকার রোড ট্যাক্সে ( Road Tax ) ছাড় দিয়েছিল। জনগণের করের টাকায় মাসিক ভর্তুকিও মিলেছিল ১০০০০ টাকা। রাজ্যজুড়ে 6 হাজার বেসরকারি ব্যাংক ১০০০০ টাকা করে ভর্তুকি দিয়েছিল রাজ্য সরকার। তারপরেও যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়েছে।

এবার সেই ভাড়া আরও বাড়িয়েছে বাসগুলি। অনেক টালবাহানার পরে গাড়ি রাস্তায় নামিয়ে ১০টাকা ১৫টাকা ২০টাকা এভাবেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। বাস মালিকদের কথায় তেলের দাম আকাশ ছোঁয়া। তাই অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়া হচ্ছে। কেউ দিতে রাজি না হলে জোর করা হচ্ছে না। তবে বাস্তবটা উলটো। যাত্রীরা বাধ্য থাকছেন অতিরিক্ত ভাড়া দিতে। এই সমস্যার এখনও কোনো সমাধান সূত্র বের করতে পারেনি রাজ্যের পরিবহন দপ্তর ( Department of Transportation )।

বেসরকারি বাস ( Private Bus ) যে ভাবে ভাড়া হাকতে শুরু করেছে তাতে যাত্রীরা নাজেহাল। পথে বেসরকারি বাস প্রায় নেই বললেই চলে। যেটুকু চলছে তাতেও ভিড়ের তোয়াক্কা না করে করোনা বিধি উধাও। দীর্ঘ দিন বিষয়টি জিইয়ে রাখলে তাঁদের যাত্রীদের সমস্যার মুখে পড়তে হবে। সেই ক্ষোভ দমাতে এবার পুলিশকে সঙগে নিয়ে অভিযানে নামার পরিকল্পনা নিচ্ছে পরিবহন দপ্তর। তবে এখন পর্যন্ত সমস্ত বেসরকারি বাস না নামায় সেপথে হাটতে পারছে না তড়িঘড়ি।

পরিবহন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim ) এবিষয় বলেন, বাস মালিক সংগঠনগুলির সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছি। আকাশ ছোঁয়া তেলের দাম। তবু বার বার বারন করেছি এখনই অতিরিক্ত ভাড়া না আদায় করতে। সবে মানুষ কাজ কর্মে যাওয়া শুরু করছে। দু’পয়সা রোজগার করুন। দুর্ভাগ্য এখন পর্যন্ত অনেক বাস মালিক বাস নামাচ্ছেন না।

]]>
EXCLUSIVE : ফিরছেন না ফিরহাদ, মেয়রের চেয়ারে মহিলা নেত্রীকে আনছেন মমতা https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-mayor-female-leader-firhad-hakim-mamata-banerjee/ Wed, 07 Jul 2021 14:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3482 কলকাতা : কলকাতার মেয়র ( Kolkata Mayor ) পদে এবার বড় চমক। কোনও মহিলা নেত্রীকে মেয়র করতে পারেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee )। দৌড়ে রয়েছে রাজ্যের দুই হেভিওয়েট মহিলা মন্ত্রী। শেষমেষ ফিরহাদ হাকিমের ( Firhad Hakim ) হাতে থেকে যাবে শুধুই মন্ত্রিত্ব। অন্তত তেমনটাই তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC ) সূত্রে খবর। কলকাতা পুরসভা সহ রাজ্যের অন্যান্য পুরসভা নির্বাচন কবে হবে তা এখনও ঠিক নেই। সেপ্টেম্বরে নির্বাচন হওয়ার একটা আভাস থাকলেও তা বাস্তবায়িত করা সম্ভব নয় বলেই রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর।

সেক্ষেত্রে আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন হতে পারে। তখনই মেয়র পদে দেখা যেতে পারে নতুন মুখ। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই প্রথম কলকাতা পেতে চলেছে কোনও মহিলা মেয়র ( Women Meyor )। স্বাধীনতার পূর্বে বা স্বাধীনতার পরবর্তী ইতিহাসে নজিরবিহীন। তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর দৌড়ে রয়েছে দুই হেভিওয়েট বিধায়কের নাম। একজন রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ( Chandrima Bhattacharya ) এবং অপরজন রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা ( Shashi Panja )।

সেক্ষেত্রে তাঁদের মধ্যে কেউ মেয়র হলে সম্ভবত মন্ত্রিত্ব খোয়াতে পারেন। চলতি মাস থেকেই তৃনমূল কংগ্রেসের কার্যকর হতে চলেছে ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নীতি ( One person one Position )। যার পরিপ্রেক্ষিতে দুটি লাভজনক পদে একসঙ্গে থাকা চলবে না। বিধায়ক কিংবা কাউন্সিলর একসঙ্গে থাকা যেতেই পারে। এমনকি জেলা সভাপতিও বিধায়ক কিংবা কাউন্সিলর হয়ে কেউ থাকতে পারেন। তবে জেলা সভাপতি কিংবা মন্ত্রিত্ব কিংবা মেয়র পদ একসঙ্গে রাখা চলবে না।

তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপছন্দের লোক হিসাবে চিহ্নিত ফিরহাদ হাকিম। তাছাড়া তিনি যেহেতু পরিবহন মন্ত্রীর পদ সামলাচ্ছেন সেই কারণে মেয়র পদে তাকে রাখা হবে না। যদিও বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে বিতর্ক কম নেই। তাছাড়া তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে একটা কথা প্রচলিত, তা হল দক্ষিণ কলকাতার সব সময় সুযোগ সুবিধা বেশি পেয়ে থাকে। সেই ধারণা ভাঙতেই সম্ভবত শশী পাঁজাকে মেয়র করা হতে পারে।

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের তুলনায় শশী পাঁজা দৌড়ে বেশি এগিয়ে রয়েছেন। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগত। গত সাত আট বছর ধরে দারুণভাবে দপ্তর সামলেছেন। তাছাড়া কলকাতা পৌরসভার কাউন্সিলর হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। ছিলেন শিক্ষা বিভাগ এবং সামাজিক সুরক্ষা বিভাগের মেয়র পরিষদ। বিতর্কের ছোঁয়া নেই। সেই কারণেই শশী পাঁজা নেত্রীর বিশেষ পছন্দের। শেষ পর্যন্ত শশী পাঁজা নাকি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য মেয়র পদে বাজিমাত করেন এখন সেটাই দেখার।

]]>