Fake Vaccine – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Thu, 22 Jul 2021 09:59:27 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.1 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Fake Vaccine – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 দেবাঞ্জন কাণ্ডের পরেও নির্বাক প্রশাসন, নাকের ডগায় চলছে অবৈধ টিকাকরণ https://runnerbangla.com/kmc-illegal-vaccination-continue-debanjan-deb-fake-vaccine-scam-administration-silent/ Thu, 22 Jul 2021 09:49:03 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4320 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : ফের টিকা শিবির নিয়ে সরকারি নিয়ম ভাঙ্গার অভিযোগ উঠল শহরে। এবার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে কলকাতা পুরসভার ( KMC ) ১১৫ ওয়ার্ডের পুটিয়ারি পঞ্চানন তলা রোডে। সেখানে সরকারি নিয়ম বহির্ভূতভাবে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি নিজের ক্লাবের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে চলছে সেই টিকাকরণ কর্মসূচি। কিন্তু বাড়ি বাড়ি টিকাকরণের কোনও অনুমতি নেই, জানাচ্ছে স্বাস্থ্যভবন।

যা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কলকাতা পুরসভাও জানিয়ে দিয়েছে, এমন কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি। দেবাঞ্জন কাণ্ডের পর টিকা শিবির নিয়ে করা নির্দেশিকা জারি করেছিল স্বাস্থ্যভবন। কিন্তু সেই নির্দেশিকাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শহরে ফের বাড়ি বাড়ি টিকা দেওয়া হয়েছে। সেটা কলকাতা পুরসভার ঢিলেঢালা নজরদারিকে চোখে আঙ্গুল তুলে দেখিয়ে দিল। পশ্চিম পুটিমারির দা ইউনাইটেড ক্লাব। সেখানেই চলছে টিকা শিবির।

স্থানীয় বাসিন্দা রজত শেখর হাওলাদার নিজের সোশ্যাল মিডিয়াতে বুক ফুলিয়ে ক্লাবের সহযোগিতায় এবং উদ্যোগে ত্রান কমিটির পক্ষ থেকে টিকা শিবিরের প্রচার করে বেড়াচ্ছেন। নিজেকে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তীর অনুগামী বলেই প্রচার করেছেন তিনি। রজতবাবুর দাবি, স্বাস্থ্যভবন এবং কলকাতা পুরসভার অনুমতি নিয়েই টিকা শিবির চলছে। কিন্তু বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়ার অনুমতি কি তিনি পেয়েছেন? এই প্রশ্নের উত্তরে উল্টো সুর রজতবাবু মুখে।

বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়ার ভিডিও এবং ছবি তিনি নিজেই নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। কিন্তু প্রতিবেদকের প্রশ্নের উত্তরে রজতবাবুর দাবি, ওরকম ফেসবুকে অনেকেই অনেক কিছু দেয়। আমি তো ফেসবুক ব্যবহার করি না। তাহলে কি তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর ফেসবুক অন্য কেউ ব্যবহার করেছে? সেই প্রশ্নের উত্তর মেলেনি ওই ব্যক্তির থেকে। স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে ওই ক্লাবেই টিকাকরণ শিবিরের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ওই ক্লাবকে সিভিসি হিসেবে ওই হাসপাতাল ব্যবহার করছে। কিন্তু সেই অনুমতিকে ঢাল করেই সরকারি নিয়ম ভাঙছে ওই ক্লাব। স্বাস্থ্যভবন বাড়ি বাড়ি টিকা দেওয়ার অনুমতি দেয়নি। স্বাস্থ্যভবন জানাচ্ছে, বেসরকারি হাসপাতাল নিজের ওয়ার্কপ্লেস সিভিসি হিসেবে ওই ক্লাবে টিকা শিবির চালানোর অনুমতি চেয়েছিল। সেটা আমরা দিয়েছি। কিন্তু বাড়ি বাড়ি টিকা দেওয়ার অনুমতি নেই। এটা বেআইনি।


এই প্রসঙ্গে স্থানীয় ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটর রত্না সুর বলেন, খবর এসেছে। কলকাতা পুরসভাকে বিষয়টা জানিয়েছি। কলকাতা পুরসভার এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, অভিযোগ এসেছে। বেসরকারিভাবে কিছু হয়ে থাকলে সেটা স্বাস্থ্যভবনকেই দেখতে হবে। কয়েকদিন আগে একইভাবে বাড়ি বাড়ি টিক্কা দিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন তৃণমূলের ৭০ নম্বর ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটর অসীম বসু। যার জেরে কলকাতা পুরসভার স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল।

]]>
আসল আইডি নিয়েই ঘুড়তেন ভুয়ো দেবাঞ্জন? কাঠগড়ায় পুরসভা https://runnerbangla.com/fake-debanjandeb-real-id-kmc-court/ Sun, 18 Jul 2021 06:31:17 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4128 কলকাতা : ভুয়ো IAS দেবাঞ্জন দেবের ( Debanjan Deb ) আই কার্ড নকল হলেও আইডি নম্বর আসল! এবার এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। কলকাতা পুরসভার ( KMC ) যুগ্ম কমিশনার হিসেবে নকল আইকার্ড ( Fake Id Card ) তৈরি করেছিল দেবাঞ্জন। কলকাতা পুরসভার আভ্যন্তরীণ তদন্তে এমনটাই উঠে এসেছে। কার্ডটির এমপ্লয়ি আইডি ২৫৭৫৭। এই নম্বরের আইডি কার্ড ব্যবহার করেছিল প্রতারক দেবাঞ্জন।

নিজেকে তিনি কলকাতা পুরসভার যুগ্ম কমিশনার হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল দেবাঞ্জন। সেই ডেজিগনেশন বা পদ ছিল সম্পূর্ণ ভুয়ো। কিন্তু কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, আইডি কার্ডের নম্বরগুলি আসল। সেই নম্বর পুরসভার একজন প্রাক্তন কর্মীর। যাঁর নাম সুভাষ পাল। তিনি পুরসভার বাজার বিভাগের একজন সাব ইন্সপেক্টর ছিলেন। গত ৩১ অক্টোবর তিনি অবসর নিয়েছেন।

নৈহাটির বাসিন্দারাই বাসিন্দা সুভাষবাবু দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিকভেবে অত্যন্ত অসুস্থ। রয়েছে হৃদপিন্ডের সমস্যা। শ্বাসকষ্টজনিত কারণে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ভুগছেন। এমত অবস্থায় বিষয়টি জানতে পেরে মাথায় হাত সুভাষবাবুর। অত্যন্ত অস্বস্তিতে পড়েছেন তিনি। ফোনে তাঁকে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাননি। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি পুরসভায় কথাও বলেছেন বলে জানিয়েছে সুভাষবাবুর পরিবার।

বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট বিব্রত তাঁরা। পরিবারের এক মহিলা সদস্য বলেন, উনি অত্যন্ত অসুস্থ। আমরা পুরসভার সঙ্গে কথা বলেছি। কিভাবে কী হয়েছে, বলতে পারব না। কলকাতা পুরসভা বিষয়টি দেখছে। এই অসুস্থতার মধ্যে আর ফোন করে আমাদের বিব্রত করবেন না। এই বলে ফোন রেখে দেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে পুর কর্তৃপক্ষ। একজন প্রাক্তন কর্মীর আইডি নম্বর কিভাবে দেবাঞ্জনের হাতে গেল তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে।

তাহলে কি পুরসভার কোনও কর্মী এই ঘটনার পিছনে যুক্ত? যিনি দেবাঞ্জনকে আসল এমপ্লয়ি আইডি সরবরাহ করেছিলেন। এই প্রশ্নগুলি এখন ঘুরপাক খাচ্ছে পুরসভার অলিন্দে। যদিও এই প্রসঙ্গে এক শীর্ষকর্তা বলেন, ওই আইকার্ড সম্পর্কে আমাদেরকে পুলিস জিজ্ঞাসা করেছে। আমরা জানিয়ে দিচ্ছি, এমন কোনও আইকার্ড আমরা ইস্যু করিনি।

তবে, সেই নম্বর সঠিক বা বেঠিক কিনা তা আমরা বলতে পারব না। কলকাতা পুরসভা অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে। কিভাবে একজন প্রাক্তন কর্মীর আইডি নম্বর অভিযুক্ত দেবাঞ্জনের হাতে গেল, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিতে কলকাতা পুরসভা।

]]>