Europe – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Fri, 18 Jun 2021 14:42:55 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Europe – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 Cheerleaders : যাত্রা শুরু এক বিন্দুতে, শেষ হলো দুই পাহাড়ের দুই চূড়ায় https://runnerbangla.com/former-us-president-ronald-reagan-pop-singer-madonna-cheerleaders/ Fri, 18 Jun 2021 08:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2636 রানার প্রতিবেদন : এদেশে চিয়ার লিডার ( Cheerleaders ) নতুন হলেও মাৰ্কিন যুক্তরাষ্ট্ৰ ( USA ) ও ইউরোপের ( Europe ) দেশগুলিতে তাঁদের দেখা গেছে বহু আগে। বস্তুত খুবই প্রাচীন তাঁদের ইতিহাস। বৰ্তমানে মাৰ্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের খেলাতেই চিয়ার লিডাররা ( Cheerleaders ) অপরিহাৰ্য হয়ে উঠেছেন। এঁদের প্রধান কাজই হলো নিজের দলের সমৰ্থনে একেবারেই নামমাত্র পোশাক পরে লাফালাফি করা, চিৎকার করা, উত্তেজক ভঙ্গিতে নাচা, ব্যায়াম করার অছিলায় শরীর দেখানো কিংবা গান করা।

শুনলে অবাক হতে হয়, তবু এটা সত্য যে মাৰ্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পেশাদার চিয়ার লিডারের সংখ্যা ১৫ লক্ষ। এঁরাই দেশে-বিদেশের নানা প্রতিযোগিতায় যান লাফালাফি-নাচানাচি করতে। এই চিয়ার লিডাররা প্রত্যেকেই কিন্তু অত্যন্ত সুশিক্ষিত, প্রশিক্ষিত এবং এঁদের মধ্যে কেউ-কেউ তো স্টারেরও মর্যাদা পান। চিয়ার লিডারের জন্ম ১৮৮৪ সালে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক ক্ৰীড়া প্রতিযোগিতায় খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করার জন্য ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই কিছু ছাত্ৰী স্বল্পবসনা হয়ে নাচগান পরিবেশন করেন। সেটাই শুরু। এর কয়েক বছর পর ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই ছাত্ৰ থমাস পিবলস প্রথম চিয়ার লিডারদের এক সংগঠন তৈরি করেন এবং তাঁরা বিপুল জনপ্রিয়ও হন। পিবলস এই সংগঠনের মাধ্যমে মোটা টাকা আয় করেন। এরপর সারা দেশেই বহু চিয়ার লিডার সংগঠন গড়ে ওঠে এবং পেশা হিসেবে অত্যন্ত লোভনীয় হয়ে পড়ে।

তবে চিয়ার লিডাৰ্স নামে দলটির জন্ম হয় ১৮৯০ সালে। তবে এই দলে কোনও যুবতী ছিলেন না, সবাই যুবক। ১৯২৩ সালের পর এই দলে যুবতীরাও অংশগ্রহণ করেন। মজার ব্যাপার হলো প্রাক্তন মাৰ্কিন রাষ্ট্ৰপতি রোনাল্ড রেগান ( Ronald Reagan ) ও পপগায়িকা ম্যাডোনাও ( Madonna Louise Ciccone ) চিয়ার লিডার হিসেবেই তাঁদের পেশাদার জীবন শুরু করেছিলেন। পরে দুজনেই হলিউডে তাঁদের নাম লিখিয়েছিলেন, বাকিটুকু তো রীতিমতো অবাক করার মতোই উত্থানের ইতিহাস।

]]>
ঢিল ছুড়লেই পাটকেল, তৈরি হচ্ছে ব্রিটেনের মুসলিম মেয়েরা https://runnerbangla.com/khadijah-safari-teaches-britain-islam-convert-women-self-defence/ https://runnerbangla.com/khadijah-safari-teaches-britain-islam-convert-women-self-defence/#respond Fri, 28 May 2021 07:42:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1509 রানার ডেস্ক : সারা ইউরোপেই মুসলিমরা নির্যাতিত। বিশেষ করে মেয়েদের অবস্থা তো খুবই খারাপ। ব্ৰিটেনেও তার কোনও ইতরবিশেষ হয় না। পথেঘাটে অকারণে নাকাল হন মেয়েরা। তাই আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে মুসলিম নারীদের কিকবক্সিং শেখাচ্ছেন মুসলিম এক মহিলা কিকবক্সার। তাঁর নাম খাদিজা সাফারি। মাৰ্শাল আৰ্টে ব্ল্যাক বেল্টের অধিকারী তিনি।

প্ৰচুর মুসলিম নারী তাঁর কাছে এই কিকবক্সিং শিখতে আসছেন। তাঁরা বলছেন, ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণেই তাঁরা ব্রিটেনের যে কোনও জায়গায় শ্বেতাঙ্গ তথা খ্রিস্টান হামলার শিকার হতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন। আর সে-কারণেই তাঁরা ডল বেঁধে বক্সিং শিখতে আগ্ৰহী হয়েছেন।

খাদিজা সাফারি তাঁর এই অভিনব ভাবনা সম্পর্কে বলেছেন, ‘ব্রিটেনে আমরা রাস্তাঘাটে নানা নির্যাতনের শিকার। তাছাড়া মুসলিম নারীদের সম্পৰ্কে বেশিরভাগ মানুষেরই একটি প্ৰচলিত ধারণা রয়েছে যে তাঁরা শুধু বাড়িতে রান্নাবান্না আর ধোওয়ামোছার মতো গৃহস্থালি কাজেই ব্যস্ত থাকেন, এসবই শুধু পারেন। আমাকেও তাঁরা সে-রকম একজন মহিলার মতোই মনে করেন। কিন্তু এটা তাঁদের একটি ভ্ৰান্ত ধারণা। আমি আদৌ সে-রকম নরম ধাঁচের নই। আমি শক্তিশালী মাৰ্শাল আর্ট জানি, সেটাই এখন অন্য মেয়েদের শেখাই।’

মুসলিম যুবতীদের মূলত থাই বক্সিং শেখান খাদিজা। তিনি জানান, ‘এই মেয়েরা যখন বাইরে ঘুরে বেড়ান তখন খুব একটা স্বস্তিবোধ করেন না। তাঁরা যখন মাথায় স্কাৰ্ফ পরে কিংবা বোরখা পরে এখানে সেখানে যান প্ৰায়শই তাঁরা শ্বেতাঙ্গ তথা খ্রিস্টান পুরুষদের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন। এটা তো চলতে দেওয়া যায় না। তাই আমি এই পথ নিয়েছি।’

এমনই একজন ছাত্ৰী, মাথায় হিজাব পরে আছেন তিনি, দেখতে অসাধারণ সুন্দরী, কিন্তু কঠোর নিয়ম মেনে বক্সিং শিখছেন তিনি। শিখতে শিখতেই বলছিলেন, ‘স্কাৰ্ফ পরার জন্য রাস্তাঘাটে আমাকে অনেকবার নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছহে। অনেক অপমানজনক কথা শুনতে হয়েছে। এমনকী অনেকে এমনও বলেছেন যে আমি নাকি বোমা নিয়ে রাস্তায় বেরিয়েছি।’

আরেক নরমসরম মুসলিম যুবতী জানান, ‘অপমান অবমাননা থেকে বাঁচার জন্য এই কিকবক্সিং আমাকে নতুন করে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। নোংরা সব মানুষজন যখন আগে আমাকে দেখে চিৎকার করে মুসলিম বলে অপমান করত, আজেবাজে কথা বলত, তখন আমি অনেকবার কান্নায় ভেঙে পড়েছি। তখন আমি বুঝতে পারতাম না কী করতে হবে। কাঁদতে কাঁদতে আমি রাস্তা থেকে দৌরে এসে ঘরের ভেতরে গিয়ে সেঁধিয়ে যেতাম।‘

খাদিজার প্রতি শ্রদ্ধা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘এসব অপমানের পর এমন হতো যে আর বাইরে যেতে চাইতাম না। কিন্তু এখন আমি আর সে-রকম মনে করি না। এখন যদি কেউ আমাকে কোনও খারাপ কথা বলে, যৌন ইংগিত করে, তাহলে তাকে উচিত শিক্ষা দেবো আমি।‘ এদিকে খাদিজা সাফারি বলেছেন, ‘এটা এমন এক শিক্ষা যার মাধ্যমে মুসলিম নারীরা আত্মবিশ্বাস আর সাহস ফিরে পেয়েছেন। পাশাপাশি তাঁরা শিখেছেন বিপদের সময় নিজেদের রক্ষা করার কৌশলও। এখন ঢিল মারলে পাটকেল খেতে হবেই।‘

]]>
https://runnerbangla.com/khadijah-safari-teaches-britain-islam-convert-women-self-defence/feed/ 0
সুন্দরী মুসলিম মেয়েদের জোর করে নামানো হচ্ছে বেশ্যাবৃত্তিতে https://runnerbangla.com/beautiful-muslim-girls-forced-prostitution-europe/ Thu, 08 Apr 2021 05:57:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=574 রানার ডেস্ক : যুদ্ধ ও বিভিন্ন কারণে নিজের দেশ ছেড়ে ইউরোপে আনশ্ৰয়প্ৰাথী শরণার্থী নারীরা নিয়মিত যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এমনকী মাত্ৰ ১০ ইউরোর বিনিময়ে তাঁদের যৌনমিলনে বাধ্য করা হচ্ছে অভিযোগ করেছেন তাঁরা। জোর করে নামানো হচ্ছে বেশ্যাবৃত্তিতে।এঁদের অধিকাংশই মুসলিম শরণার্থী।মূলত সিরিয়া, সার্বিয়া, ক্রোয়েশিয়া থেকে আগত। এঁরা অত্যন্ত সুন্দরী এবং এই রূপ তাঁদের সর্বনাশের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এক প্ৰতিবেদনে বলা হয়েছে, জাৰ্মানির শরণার্থী আশ্ৰয়কেন্দ্ৰগুলোতে ধর্ষণ ও যৌন নিৰ্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। বাডেন-উইয়েরটেমবাৰ্গ প্ৰদেশের শরণার্থী ক্যাম্পে অন্তত ছয়টি ধৰ্ষণের ঘটনার প্ৰমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে জাৰ্মানির এক মানবাধিকার সংগঠন। এ ছাড়া শরণার্থী ক্যাম্পের বাইরে নিয়ে গিয়ে যৌনপেশায় জড়িত করার অভিযোগও পাওয়া গেছে অনেক।

মানবাধিকারকমী গেজেল হেগ বলেছেন, ‘অসহায় মহিলাদের নিয়ে এসব কুকীর্তি হচ্ছে প্ৰশাসনের নাকের ডগায়। কিন্তু কেউ কিছু করছে না। এই ওষায় যুবতীদের যেন দেখারই নেই কেউ। এঁরা যেন যৌনপুতুল।’ কিটজিনজেন শহরের একটি শরণার্থী কেন্দ্ৰে এক নারী সাফাইকর্মী ১০দিন নিয়মিত ধর্ষণ ও যৌন নিৰ্যাতনের শিকার হওয়ার পর পুলিসের কাছে অভিযোগ করেছেন।

ওই সাফাইকর্মী জানান, ওই ক্যাম্পে তাঁকে ১০ দিন ধরে তাঁর ওপর যৌন নিৰ্যাতন করা হয়েছে। কৰ্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এমন অভিযোগ পাওয়ার পর সেখানে শুধু পুরুষ সাফাইকর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে। এতেও সমস্যা মেয়েদেরই। কেননা তাঁরা চাকরি হারাচ্ছেন। যুদ্ধবিদ্ধস্ত সিরিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশ থেকে জীবন বাচাতে ও উন্নত জীবনের আশায় ইউরোপে অভিবাসন প্রত্যাশী শরণার্থীর সংখ্যা যে কোন সময়ের চাইতে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এসব শরণার্থীর প্রথম পছন্দ জার্মানি। পশ্চিম ইউরোপে শরণার্থীদের ক্রমবর্ধমান প্রবাহ নিয়ে শুরু হয়েছে সংকট। অভিবাসন প্রত্যাশীদের রুট নিয়ন্ত্রণে ক্রোয়েশিয়া ও স্লোভেনিয়া কঠোর হওয়ার ফলে উত্তেজিত গোটা ইউরোপ। মাঝেমধ্যেই দল বেঁধে শরণাথীরা সীমান্ত পাড়ি দেন সাইকেল চালিয়ে। আর মাত্ৰ একশো মিটারের কিছুটা বেশি পথ সাইকেল চালিয়ে এসে নরওয়েতে ঢুকেই তাঁদের একটি আবেদন করতে হয় আশ্ৰয়ের জন্যে।

একই সাথে ফেলে দিতে হয় সাইকেলটিও। এভাবে অনেক বাইসাইকেল সেখানে পরিত্যক্ত হয়ে যায়। দু’একদিন পর পর ট্ৰাকে করে সেগুলো আবার সরিয়ে নেন কৰ্তৃপক্ষ। শরণাথীদের জন্যে নতুন এ পথটি আস্তে আস্তে জনপ্ৰিয় হয়ে উঠছে। কারণ এখানে সহজেই অনুমতি মিলছে নরওয়ের কৰ্তৃপক্ষের দিক থেকে। রাষ্ট্রপুঞ্জের বিশ্বসংকট ও দুর্যোগ বিষয়ক সেন্টার রিলিফ ওয়েব ‘ভয়েস ফ্রম সিরিয়া’ নামক একটি বিস্তারিত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

এই প্রতিবেদনে সিরিয় নারীদের যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। ১৫৮ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদন দেশটির বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরগুলোতে নারী, কিশোরী ও আরো কমবয়সের মেয়েদের ওপর যৌন হামলা, নির্যাতন ও হয়রানির বিবরণ দিয়ে ভর্তি। আলেপ্পোর মেয়েদের জন্য সবচেয়ে অনিরাপদ জায়গা হচ্ছে ওই শিবিরগুলো। বেশির ভাগ সময় ত্রাণ বা সহায়তা দেওয়া হয় যৌনসংসর্গের বিনিময়ে।

দামেস্কের নিকটবর্তী গ্রাম কাফর বাতনা’র এক কিশোরীর দেওয়া সাক্ষ্য অনুসারে, একবেলা খাবার পাওয়ার বদলে ত্রাণকর্মীদের সঙ্গে বিছানায় শুতে হয়। দু’টি দাতব্য সংস্থা স্বীকার করেছে, তারা এরকম যৌনসংসর্গের ঘটনার বিষয়ে অবগত। তারা জানিয়েছে, এরকম কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ত্রাণকর্মীদের তারা বরখাস্ত করে দিয়েছে।

আলেপ্পোর নারীরা ত্রাণ প্যাকেজগুলোর ওপর নির্ভর করেফ জীবন যাপন করে। তাই অনেক যুবতী এরকম যৌনমিলনে অংশ নিলেও সে বিষয়ে অভিযোগ করে না পাছে খাবারদাবার বন্ধ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে সমাজের চোখে কলঙ্কিত হওয়ার ভয়ও কাজ করে।

]]>
হংকং নিয়ে বাড়ছে চিন-আমেরিকা তিক্ততা, বেইজিংকে হুমকি ট্রাম্পের https://runnerbangla.com/hong-kong-china-us-bitterness-donald-trump-threat-beijing/ https://runnerbangla.com/hong-kong-china-us-bitterness-donald-trump-threat-beijing/#respond Thu, 25 Mar 2021 12:52:03 +0000 https://runnerbangla.com/?p=393 রানার ডেস্ক : ধীরে ধীরে চিনের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কে তিক্ততা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। করোনা নিয়ে যে বিতন্ডার সূত্রপাত সেটার সঙ্গে এখন একে একে যোগ হয়ে যাচ্ছে অন্যান্য বিতর্কিত ইস্যু। করোনার প্রসঙ্গ তুলে আমেরিকা একইসঙ্গে টেনে এনেছে হংকং এবং তাইওয়ান সমস্যাকে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য, চিন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তারা হংকং-এর স্বশাসন রক্ষা করে চলবে, কিন্তু বেইজিং সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি, এখন চিনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবার সময় এসেছে।

আমেরিকা সেই পদক্ষেপ নেবে। একইসঙ্গে ট্রাম্প জানিয়েছেন, আমেরিকার নিরাপত্তার স্বার্থেই এখন থেকে চিনা নাগরিকদের আমেরিকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। ফলে এখন থেকে যে কোনও চিনা নাগরিকের আমেরিকায় প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে আমেরিকা। করোনা নিয়ে চিনকে একহাত নিয়েছে আমেরিকা।

সেইসঙ্গে চিনের আঙ্গুলি হেলনেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা “হু”এনিয়ে গোটা বিশ্বকে ভুল পথে চালিত করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে এবং হু-কে অর্থ সাহায্য দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিবছর আমেরিকা হু-কে ৪৫ কোটি ডলার দিয়ে থাকে। এই বিপুল অর্থ আচমকাই বন্ধ করে দেওয়ায় হু আর্থিক সমস্যায় পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। কি করে করোনা ছড়ালো এবং চিন ইচ্ছে করে এই কান্ড করলো কিনা তা নিয়ে বিস্তর জলঘোলা চলেছে।

এনিয়ে আন্তর্জাতিক তদন্তের পক্ষে মত দিয়েছে বিশ্বের বেশকিছু দেশ। যাদের মধ্যে ইউরোপের দেশগুলোর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। আছে আমেরিকা এবং ভারতও। শুধু করোনা কিংবা হংকং নয়, তাইওয়ান নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে চিনের সংঘাত ক্রমশ বাড়ছে। সম্প্রতি চিনা কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ বৈঠকে চিনা প্রেসিডেন্ট দেশের সামরিক নেতৃত্বকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন।

ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, তাইওয়ান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই হয়ত এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমেরিকা ঘোষণা করেছে, তাইওয়ানের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনও আক্রমণ রুখে দিতে প্রস্তুত আমেরিকা। সম্প্রতি তাইওয়ান সীমান্তে সেনা তৎপরতা বাড়িয়েছে চিন। তারপর থেকেই সীমান্তে ব্যাপক সেনা মহড়া শুরু করেছে আমেরিকা। তাইওয়ানে বিশাল সেনা ঘাঁটি আছে আমেরিকার। ওয়াসিংটন-এর মেজাজ মর্জি বুঝেই সেনাকে চূড়ান্ত সতর্ক করেছেন চিনা প্রেসিডেন্ট।

]]>
https://runnerbangla.com/hong-kong-china-us-bitterness-donald-trump-threat-beijing/feed/ 0
কোনও সন্তানই অবাঞ্ছিত নয়, অবাঞ্ছিত মনে হলে বাক্সে ফেলে দিন https://runnerbangla.com/berlin-hospital-new-scheme-child-unwanted-throw-it-box/ https://runnerbangla.com/berlin-hospital-new-scheme-child-unwanted-throw-it-box/#respond Sat, 05 Sep 2020 16:55:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=280 রানার প্রতিবেদন : বাৰ্লিনের একটি হাসপাতাল। ঢুকতেই চোখে পড়বে একটি লেখা বেবিহ্যাচ। তির চিহ্ন দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে কোথায় সেই বেবিহ্যাচ বা ইস্পাতের তৈরি বাক্স, যেখানে একজন মা তাঁর অবাঞ্ছিত সন্তানকে রেখে যেতে পারেন। যেসব মা কোনও কারণে তাঁদের সন্তান পালন করতে চান না, তাঁরা চাইলে জন্মের পরপরই বাচ্চাকে বেবিহ্যাচেতে রেখে আসতে পারেন।

এই বাক্সে নবজাতক রেখে আসার সঙ্গে সঙ্গে অ্যালাৰ্ম বেজে ওঠে। তখন সেবিকারা দু-তিন মিনিটের মধ্যেসেখানে উপস্থিত হয়ে বাচ্চার দেখাশোনার দায়িত্ব নিয়ে নেন। আর ওইটুকু সময়ের মধ্যে মা-ও বাচ্চাকে রেখে চোখের আড়ালে চলে যেতে পারেন। জাৰ্মানিতে এমন ১০০টি বেবিহ্যাচ রয়েছে। এরপর হাসপাতাল কতৃপক্ষ আট সপ্তাহ পৰ্যন্ত নবজাতকের দেখভাল করেন।

এই সময়ের মধ্যে কোনও মা তাঁর ইচ্ছা পরিবৰ্তন করে সন্তানকে ফিরিয়ে নিতে না এলে, দত্তক নিতে আগ্রহী কোনও পরিবারের কাছে বাচ্চাকে দিয়ে দেওয়া হয়। বাৰ্লিনের ওই হাসপাতালে এভাবে গত ১৩ বছরে ২০টিরও বেশি শিশু রেখে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। জাৰ্মানিতে এই ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর অন্যান্য দেশেও সেটা শুরু হয়েছে। তবে ইতিহাস বলছে, মধ্যযুগেও এমন ব্যবস্থা ছিল।

ঊনবিংশ শতাব্দী পৰ্যন্ত সেটা বলবৎ ছিল। জাৰ্মানির চাৰ্চগুলো এ ব্যবস্থা সমৰ্থন করলেও এর বিরোধী অনেক পক্ষ রয়েছে। টের ডেজম নামক একটি বেসরকারি সংস্থা দীৰ্ঘদিন ধরে বেবিহ্যাচের ঘোর বিরোধী। তাদের মতে, এই ব্যবস্থা নবজাতকের মৃত্যুর সংখ্যা কমাতে পারেনি। তাদের দাবি, যেসব মা নবজাতককে পরিহার করার মতো চিন্তা করতে পারেন, তাঁরা যে মানসিক অবস্থায় ওই চিন্তাটা করতে চান, তখন বেবিহ্যাচ খোঁজার মতো অবস্থা তাঁদের থাকে না।

রাষ্ট্ৰসংঘও এই ব্যবস্থার সমালোচনা করে বলেছিল, এর মাধ্যমে শিশুদের তাদের ইতিহাস জানা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এসব সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে জাৰ্মান সরকার বেবিহ্যাচের পরিবৰ্তে অন্য আরেকটি ব্যবস্থার প্রস্তাব করে নতুন একটি আইনের খসড়া উপস্থাপন করেছে।

]]>
https://runnerbangla.com/berlin-hospital-new-scheme-child-unwanted-throw-it-box/feed/ 0
ইউরোপে হটাৎ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কিস গেম, বাংলায় “চুমু খেলা” https://runnerbangla.com/europe-kissing-game-suddenly-become-popular/ https://runnerbangla.com/europe-kissing-game-suddenly-become-popular/#respond Sat, 06 Jun 2020 13:01:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=180 রানার প্রতিবেদন : একটা সময় ছিল, নারী-পুরুষের চুমু অশ্লীল হিসাবে দেগে দিত মানুষ। ফলে চুমু দীর্ঘদিন বন্দি ছিল শুধু চার দেয়ালের মধ্যে। এখন পাল্টে যাওয়া সময়ের হাত ধরে সাহসী হয়েছে মন, খোলামেলা ও সহনশীল হয়েছে সমাজ, তাই ঠোঁটও এখন অনেক আগলমুক্ত। বিশ্ব জুড়ে মধুর স্পর্শের এই শাশ্বত অনুভূতির গভীরে পৌঁছতে গবেষণাও হয়েছে প্রচুর।

দুনিয়ার বিজ্ঞানীরা এখন বলছেন, চুমু শুধু দুঅক্ষরের একটা ছোট্ট শব্দ নয়, এটা শব্দ ব্রম্মের এক অত্যাশ্চর্য বিস্ময়। একটা ছোট্ট চুমু, শরীরে অপরিসীম এনার্জির জন্ম দেয়। আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনতে একটা চুমু ,একগাদা ট্যাবলেটকে দূরে রাখে। এই চুমু নিয়ে পাগলামি ছিল আদিম যুগ থেকেই। এখন এসেছে নতুন পাগলামি। ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ছে নতুন মজার খেলা কিস গেম , বাংলায় বললে চুমু খেলা।

ভাবছেন চুমু তো খায়, খেলে কি করে। কেউ এটাও বলতে পারেন, খাওয়ার জিনিস নিয়ে আবার খেলতে আছে নাকি? যাই বলুন , এ এক উত্তেজক ও মজার খেলা। এই খেলা যারা চালু করেছেন তারা বলছেন, এটা শুধু খেলা নয়, এটা এক ধরনের দেহ চর্চা। যারা মিউজিক চালিয়ে নাচের ছন্দে শরীর চর্চা করেন তারা যেমন উপকৃত হন, এই খেলাও একধরনের শরীর চর্চা। নিয়মিত চুম্বন পেটের নানাবিধ গোলমাল দূরে রাখে, পেট ভালো রাখে।

চুমু শরীরে জীবাণু সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হৃদপিন্ডকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। একটা চুমুর জন্য ছয় ক্যালোরি শক্তি খরচ করতে হয়। আর সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো , চিকিৎসকরা বলছেন, একটা চুমুর জন্য মুখের তিরিশটি পেশির ব্যবহার হয়, পেশী গুলির এক্সসেরসাইজ হয়, ফলে দীর্ঘদিন পর্যন্ত মুখমন্ডলের উজ্জ্বল্য বজায় থাকে , এবং চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখে অনেক বয়স পর্যন্ত।

এই খেলায় ছয় জনও হতে পারে, আবার দশ-বার জনও হতে পারে। একটি গোল টেবিল ঘিরে এরা সবাই বসে। মাঝে রাখা হয় একটি বোতল। এবার ঘরে খুব অল্প আলো জ্বালিয়ে একটা স্বপ্নীল পরিবেশ তৈরি করা হয়। এবার বোতল টাকে বনবন করে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। ঘুরতে ঘুরতে বোতল থামবে একসময়। বোতল থামার পর দেখতে হবে, বোতলের মুখ কোনদিকে।

মুখ যার দিকে, এবার তার পালা, তার স্বাধীনতা। সে টেবিলের বসা যে কাউকে চুমু খেতে পারবে। চুমু শুধু খেলেই হবে না, যাকে চুমু দেওয়া হচ্ছে, সে ওই চুমুতে তৃপ্ত হলো কিনা তাও জানাবে। নাহলে ব্যর্থ চুম্বন দাতা গেম থেকে বাদ। এই এলিমিনেশন সিস্টেমে একে একে কমতে থাকে চুমু খেলোয়াড়ের সংখ্যা। যে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকবে সেই জয়ী।

]]>
https://runnerbangla.com/europe-kissing-game-suddenly-become-popular/feed/ 0