CPIM – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Sun, 08 Aug 2021 15:52:22 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png CPIM – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 নজিরবিহীন সিধান্ত সিপিআই(এম)এর, পার্টি অফিসে উড়বে জাতীয় পতাকা https://runnerbangla.com/cpim-party-office-national-flag-unprecedented-decision/ Sun, 08 Aug 2021 15:51:24 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4622 রানার ডেস্ক : কার্যত নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি। আগামী ১৫ই আগস্ট পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিল তারা। দলের অন্দরে প্রথমে এই প্রস্তাব দেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। এই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে, যাতে অনুমোদন দিয়েছে তারা।

এরপরেই সিপিএম তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসে রাজ্যজুড়ে সমস্ত দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে আজ। গোটা দেশজুড়ে স্বাধীনতা দিবসে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা তোলার রেওয়াজ এতদিন ছিল না, সেটাই আংশিকভাবে চালু হলো বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও এই নিয়ে বিরোধী শিবিরের তোপের মুখে পড়েছে সিপিএম।

মূলত বিজেপির কথায়, এতদিন পরে তাদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ বলে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তারা জেগেছে। একে স্বাগত জানিয়েছেন, সেইসঙ্গে সমালোচনা করতে ছাড়েননি। গেরুয়া শিবিরের কথায়, যে দল দেশ পরিচালনার জন্য চিন-রাশিয়ার দিকে তাকিয়ে থাকা রেওয়াজ, সেই দলের কাছে এ ধরনের সিদ্ধান্ত অপ্রত্যাশিত। তাদের খোঁচা, এই দেশপ্রেম বাস্তব নাকি এটা একধরণের মেকি কৈশল, তানিয়েও নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি শিবির।

যদিও পাল্টা কটাক্ষ করতে ছাড়েনি সিপিএম। তাদের অভিযোগ বিজেপির মাথার উপরে বসে রয়েছে যে সংগঠন তারা নাম আরএসএস। যারা নিজেদের জাতীয়তাবাদী বলে সারাক্ষণ গলা ফাটাচ্ছে, তারা নিজেদের দপ্তরে কবে থেকে জাতীয় পতাকা তুলতে শুরু করল, সেই ইতিহাস আগে সামনে নিয়ে আসুক সমালোচকের। তর্কবিতর্কের মধ্যেই এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়ে সরগরম রাজনৈতিক মহল।

]]>
বিধান পরিষদের বিপুল খরচ জনগনের কাঁধে চাপাচ্ছে তৃনমূল সরকার https://runnerbangla.com/west-bengal-legislative-assembly-huge-cost-tmc-government/ Wed, 07 Jul 2021 03:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3442 সূর্যকান্ত মিশ্র
রাজ্য সম্পাদক, সিপিআই(এম)


মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় ( West Bengal Assembly ) উচ্চকক্ষ অর্থাৎ বিধান পরিষদ ( Legislative Assembly ) গঠনের পক্ষে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। রাজ্যবাসীর স্বার্থ এবং রাজ্যের বর্তমান আর্থ-সামাজিক প্রয়োজনীয়তাকে বিবেচনা না করে সরকারপক্ষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে এই প্রস্তাব পাস করিয়েছে।ভারতের মত বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশে আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্ব সুনিশ্চিত করতে জাতীয় স্তরে আইনসভার উচ্চকক্ষ বা রাজ্যসভা ( Legislature Rajya Sabha ) থাকার দরকার আছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যস্তরে আইনসভার উচ্চকক্ষের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই।

বর্তমানে দেশে মাত্র ৬টি রাজ্যে বিধান পরিষদ বা উচ্চকক্ষ রয়েছে। প্রায় সব রাজ্যই বিধানসভায় প্রস্তাব নিয়ে বিধান পরিষদ তুলে দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গেও স্বাধীনতার পরে বিধান পরিষদ ছিল, কিন্তু আইনসভার কার্যপ্রণালীতে তার কোনো কার্যকরী ভূমিকা ছিল না। ১৯৫২ থেকে পরবর্তী ১৭বছরে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় ৪৩৬টি বিল পাস হয়েছিলো, তারমধ্যে মাত্র দুটি বিল সংশোধিত হয়েছিলো বিধান পরিষদে।

১৯৬৯ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাব নিয়ে বিধান পরিষদ তুলে দেয়। ২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল সরকার গঠিত হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী বিধান পরিষদ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু তখন বিধানসভায় বামফ্রন্টের যুক্তিপূর্ণ বিরোধিতার মুখে তিনি পিছু হঠতে বাধ্য হয়েছিলেন। এখন পুনরায় কোনো যুক্তি ছাড়াই বিধান পরিষদ ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব পেশ করে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে পাস করালেন।

এই মহামারীর বিপদের সময় সরকার মানুষকে ওষুধ, অক্সিজেন, চিকিৎসা পরিষেবা দিতে পারছে না। হাসপাতালে শয্যা ও পরিকাঠামোর ব্যবস্থা করতে পারছে না। শিক্ষাব্যবস্থা বিপর্যস্ত, মানুষের রুটিরুজির ব্যবস্থা করতে সরকার ব্যর্থ। তৃণমূল সরকার এই সব সমস্যার সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বদলে শাসকদলের কয়েকজনকে পিছনের দরজা দিয়ে পুনর্বাসন দিতে বিধান পরিষদ গঠনের নামে সাদা হাতি পোষার ব্যবস্থা করতে চাইছে, যার বিশাল খরচ জনগণের ঘাড়ে চাপবে। তাই আমরা বিধান পরিষদ গঠনের প্রস্তাবের বিরোধিতা করছি এবং এই পরিকল্পনা বাতিল করার দাবি জানাচ্ছি।

]]>
প্রতারককে আড়াল করে প্রতিবাদকে স্তব্ধ করতে চাইছে সরকার https://runnerbangla.com/tmc-government-want-suppress-left-front-protest-movement-activists/ Tue, 29 Jun 2021 16:09:01 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3092 সূর্যকান্ত মিশ্র
রাজ্য সম্পাদক, সিপিআই(এম)


মহামারীর সময়ে টিকা নিয়ে জালিয়াতির প্রতিবাদে সোমবার কলকাতা কর্পোরেশনের ( KMC ) সামনে ছাত্র, যুব ও মহিলা সংগঠনগুলির কর্মীদের এবং বিধাননগরে ( Bidhannagar ) স্বাস্থ্যভবনের সামনে বামপন্থী কর্মীদের ( CPM Workers ) প্রতিবাদ আন্দোলনকে ( Movement ) রাজ্যের তৃণমূল সরকার যেভাবে পুলিশ দিয়ে দমন করার চেষ্টা করেছে, আমরা তার তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছি। জালিয়াতি রোধ ও প্রতারকদের শাস্তির ব্যবস্থা করার বদলে এরাজ্যের সরকার যেভাবে মানুষের প্রতিবাদের কন্ঠস্বরকে স্তব্ধ করার চেষ্টা করছে, তা চরম নিন্দনীয়।

কসবায় ভুয়ো টিকাকেন্দ্রের ( Kasba Fake Vaccination Center ) ঘটনায় এটা প্রকাশ্যে এসে গেছে যে মহামারীর সময়ে মানুষের জীবনকে বিপদে রেখে টিকা নিয়ে জালিয়াতি হয়েছে। রাজ্যের সরকার ও পুলিশ প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কোনো কঠোর পদক্ষেপ না নিয়ে উলটে এই জালিয়াতির প্রতিবাদ ও বিনামূল্যে সকলের টিকাকরণের দাবিতে মানুষের প্রতিবাদকে দমন করতে চাইছে।

নারদ ঘুষকান্ডে অভিযুক্ত দলের নেতাদের রক্ষা করতে ক’দিন আগেই মহামারীর বিধিনিষেধকে বিন্দুমাত্রও আমল না দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই যখন কলকাতায় নিজাম প্যালেসে দলবল সহ জমায়েত করে হাজির হয়েছিলেন তখন কিন্তু পুলিশ প্রশাসনকে নিশ্চুপ থাকতে দেখা গেছিল। আসলে জালিয়াতি কারবারকে আড়াল ও মদত দেওয়াই এই সরকারের মনোভাব, তৃণমূল সরকার বরাবরই জালিয়াতি দুর্নীতি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

এই সরকার এর আগেও চিট ফান্ড কেলেঙ্কারি থেকে শুরু করে অজস্র কেলেঙ্কারি আড়াল করতে এবং অপরাধীদের সঙ্গে শাসকদলের যোগসাজস আড়াল করতে পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করেছে। এখন প্রতিবাদ আন্দোলনকে মহামারী আইনের অছিলায় আটকাতে চাইছে, অথচ মহামারীর সময়ে জালিয়াতির কারবার বাড়ছে, সেদিকে সরকারের কোনও দৃষ্টি নেই। আমাদের দাবি, ভুয়ো টিকাকরণ কেন্দ্র নিয়ে জালিয়াতির পূর্ণাঙ্গ নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে।

অভিযুক্তদের যে যোগাযোগই থাকুক না কেন তাদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। টিকা নিয়ে কালোবাজারি বন্ধ করতে এবং সকলের জন্য বিনামূল্যে টিকাকরণের জন্য সরকারকে ব্যবস্থা করতে হবে।ছাত্র, যুব, মহিলা সংগঠন এবং ট্রেড ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন সংগঠন আগামী মঙ্গল ও বুধবার রাজ্যের সর্বত্র থানার সামনে এই দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শনের ডাক দিয়েছে। এই কর্মসূচীকে আমাদের পার্টি সমর্থন করছে এবং তাতে শামিল হতে পার্টিকর্মী ও সমর্থকদের আবেদন জানানো হচ্ছে।

]]>
ভাইজানের দায় সিপিএম-এর ঘাড়ে চাপিয়ে দিলেন অধীর চৌধুরী https://runnerbangla.com/adhir-chowdhury-impose-all-responsibilities-related-abbas-siddiqui-on-shoulders-cpm/ Sat, 19 Jun 2021 15:15:41 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2702 রানার ডেস্ক : আইএসএফ-এর সঙ্গে জোট হয়নি কংগ্রেসের। ভাইজান আব্বাস সিদ্দিকী (Abbas Siddiqui )সংক্রান্ত যাবতীয় দায় সিপিএমের ( CPM ) ঘাড়ে চাপিয়ে দিলেন প্রদেশ কংগ্রেস ( Indian National Congress ) সভাপতি অধীর চৌধুরী ( Adhir Ranjan Chowdhury )। আজ প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তরে সাংবাদিক সম্মেলন করেন তিনি। অধীর বাবু বলেন , কংগ্রেস এবং সিপিএম একটি আসনও না পাওয়ার কারণ বিজেপির প্রচার। বিজেপির প্রচারের ফায়দা তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC )। এ প্রসঙ্গে স্পষ্ট করে তিনি বলেন, ভোটের আগে যেভাবে এনআরসি ( NRC ) নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বিজেপি তার ফায়দা তুলতে পেরেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

তিনি বলেন, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ( Amit Shah ) পর্যন্ত এনআরসি নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন এ রাজ্যে। স্বভাবতই সংখ্যালঘু মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। তারা জানেন যে বাম এবং কংগ্রেস এই দুই দলই ধর্মনিরপেক্ষ কিন্তু তাদের উদ্দেশ্য ছিল বিজেপিকে ঠেকানো। বিজেপিকে হারানোর এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে তারা ভোট দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসকে।

এনআরসি নিয়ে প্রচারের ফলে সংখ্যালঘুদের মনে ভীতির সঞ্চার হয়েছিল, তার ফায়দা পুরোপুরি ঘরে তুলতে পেরেছে তৃণমূল কংগ্রেস একই সঙ্গে তিনি এদিন আইএসএফ ( ISF )-এর সঙ্গে জোট সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে সরাসরি বলেন, আই এস এফ এর সঙ্গে কংগ্রেসের কোন ধরনের কোনো সমঝোতা বা জোট হয়নি আর হয়নি বলেই মুর্শিদাবাদে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে প্রার্থী দাঁড় করিয়েছিল আইএসএফ। অধীর চৌধুরী বলেন, জোট সংক্রান্ত আলোচনা এবং সমঝোতা কংগ্রেস করেছিল শুধুমাত্র সিপিএমের সংগে।

এই জোট আগামী দিনে থাকবে কিনা সেই প্রসঙ্গে অধীর বাবু জানান, জোট ভোটের আগে তৈরি হয়েছিল সেই জোট এখনো রয়েছে। জোট ভাঙার ব্যাপারে কোনো দলই কোন দলকে কোন বার্তা দেয় নি।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, আব্বাস সিদ্দিকীর সঙ্গে নির্বাচনী গাঁটছড়া বাঁধার জন্য অসংখ্য শিক্ষিত শহুরে মানুষ এবারের ভোটে তৃণমূলকেই বেছে নিয়েছেন। পর্যবেক্ষক মহলের দাবি যে সমস্ত শহুরে শিক্ষিত মানুষ এবার তৃণমূলকে ভোট দিয়েছেন,তাদের মূল লক্ষ্য ছিল যে কোনো মূল্যে ভোটে বিজেপিকে পরাস্ত করা।

অনেকের মধ্যে এই ধারণাটাও ছিল, আব্বাস সিদ্দিকীর মত মৌলবাদী কথাবার্তা বলা একজন ধর্মীয় নেতা রাতারাতি কি করে ধর্মনিরপেক্ষ হয়ে যান। কি করে বামেদের সঙ্গে নির্বাচনী গাঁটছড়া বাঁধতে পারেন? এই প্রশ্নে দ্বিধা দ্বন্দ্ব ছিল শহুরে শিক্ষিত মানুষের মনে।তাই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের বক্তব্য, শহুরে শিক্ষিত মানুষের ভোটের একটা বড় অংশ তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে চলে যাওয়ায় বিপর্যয় হয়েছে বামেদের সেই সঙ্গে বামেদের বিপর্যয়ের আরও একটি কারণ সংখ্যালঘু ভোট পুরোপুরি মুখ ফিরিয়ে নেওয়া।

]]>