Corona – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Wed, 28 Jul 2021 09:39:44 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Corona – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 টিকা নেবার পর আপনি কেমন আছেন, জানতে পুরকর্মী আসবে বাড়িতে https://runnerbangla.com/corona-vaccination-after-effect-kmc-staff-visit-home-survey/ Wed, 28 Jul 2021 09:22:40 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4547 #কলকাতা : শহরে কতজন টিকায় নিয়েছেন, তা জানতে সমীক্ষা ( Survey ) শুরু করছে কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। তাদের মধ্যে কতজনের কো-মর্বিডিটি আছে, তারও সমীক্ষা করা হবে। আগামী মাস থেকে সেই সমীক্ষার কাজ শুরু করছে কলকাতা পুরসভা। তার জন্য একটি তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। কিভাবে সমীক্ষা চালানো হবে তার পর্যালোচনাঃ করছেন কলকাতা পৌরসভা স্বাস্থ্য ( Health ) বিভাগের আধিকারিকরা। আপাতত ঠিক হয়েছে, প্রত্যেকটি ওয়ার্ড এর জন্য ৩-৪টি স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতিনিধিদল বানানো হবে।

একেকটি দলে থাকবে ৫ জন স্বাস্থ্য কর্মী। আপাতত পুরো কলকাতার সমীক্ষা চালাতে ১০০০ স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ করার ভাবনা চিন্তা রয়েছে। ইতিমধ্যে কলকাতায় ৬১ শতাংশ মানুষের প্রথম টিকাকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে। ২১ মানুষ দ্বিতীয় টিকা পেয়েছেন। কিন্তু সেই টাকা পাওয়ার পর তাদের শারীরিক অবস্থা কেমন, নতুন করে শরীরের অন্য কোন সমস্যা তৈরি হয়েছে কিনা, তিনি কোনও ওষুধ খাচ্ছেন কিনা এমন নানা ধরনের বিষয়গুলি নিয়ে সমীক্ষা করা হবে।

আগামী তিন মাসের মধ্যে সমীক্ষা শেষ করে একটি রিপোর্ট স্বাস্থ্য ভবনে পেশ করবে কলকাতা পুরসভা। তারপর কলকাতা পুরসভার পাশাপাশি রাজ্যের অন্যান্য পুরসভায় হোক এ ধরনের একটি সমীক্ষা করানোর ভাবনা চিন্তা রয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তরের। কলকাতার সব মিলিয়ে প্রায় ৫২ লাখ মানুষ টিকা পেয়েছেন। কিন্তু তার মধ্যে কতজন কলকাতার বাসিন্দা তা জানতেই সমীক্ষা করা হচ্ছে। কারণ কলকাতায় প্রতিদিন বিভিন্ন মানুষ কর্মসূত্রে আসেন।

কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং মেগা সেন্টার থেকে তারাও টিকা নিয়েছেন। ফলে শুধুমাত্র কলকাতার কত শতাংশ বাসিন্দা নিয়েছেন তা জানতে এই সমীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডক্টর সুব্রত রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, দিন কয়েকের মধ্যেই কিভাবে সমীক্ষা করা হবে কতজনকে নিযুক্ত করা হবে তার একটা তালিকা তৈরী হয়ে যাবে। তারপর সেই প্রফর্মা হাতে স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি ঘুরবেন।

এবং সেই মতো তথ্য সংগ্রহ করবেন। এর আগে কলকাতা পুরসভা গত বছর কো-মর্বিডিটির সমীক্ষা চালিয়ে ছিল। সেখানে দেখা গিয়েছিল, করোনা আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৮৭ শতাংশ মানুষের আগে থেকেই নানা ধরনের রোগ রয়েছে। তারা টিকা পাওয়ার পর এই মুহূর্তে তাদের শারীরিক অবস্থা কেমন তা জানতেই সমীক্ষা করা হবে।

]]>
দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় ৫০ দিন অতিক্রান্ত, কোভ্যাক্সিন নিয়ে হাহাকার https://runnerbangla.com/kmc-covaxin-vaccine-second-dose-crisis-people-waiting-50-days/ Tue, 27 Jul 2021 07:02:13 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4513 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : শহরের বাজারগুলিতে কোভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। ৫০ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও দেওয়া হয়নি দ্বিতীয় ডোজ ( Second Dose )। কলকাতার বাজারে দোকান কর্মচারী বা মালিক করোনা টিকার ( Corona Vaccine ) প্রথম ডোজ পেয়েছেন এমন সংখ্যা ১৮৩০০। এঁদের অনেককেই কোভ্যাকসিন ( Covaxin ) দেওয়া হয়েছে আবার অনেককে কোভিশিল্ড ( Covishield )। তাঁদের মধ্যে কোভ্যাকসিন প্রাপকদের বড় অংশের ন্যূনতম ২৮ দিন পেরিয়েছে। এমনকি ৫০ দিন পার হতে চললেও এখনও পর্যন্ত জানেন না তাঁরা কবে পাবেন দ্বিতীয় ডোজের টিকা?

যদিও পুরো কর্তাদের আশা, চলতি সপ্তাহের মধ্যে ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ শুরু করে দেওয়া যাবে। কেন্দ্রীয় সরকার টিকা না পাঠালেও আজ মঙ্গলবার এর মধ্যে বিভিন্ন জেলায় পড়ে থাকা ভ্যাকসিনের কিছু দোষ কলকাতায় নিয়ে আসার কথা হয়েছে বলেই কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর। সম্প্রতি ব্যবসায়ী সংগঠনগুলি কলকাতা কর্পোরেশনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিল দ্বিতীয় ডোজ তাঁদের বাজার এলাকায় এসেই দিয়ে যাক। তবে কলকাতা কর্পোরেশন জানিয়েছিল বাস পাঠানো আর সম্ভব নয়।

তাঁদের সুবিধা মতো কোনও কোভ্যাকসিন বা কোভিশিল্ড সেন্টারে এসেই নিতে হবে। এর ফলে প্রথম ডোজ নেওয়া দোকানকর্মী থেকে মালিকরা চরম সমস্যায় পড়েন। কারণ টিকাকেন্দ্রগুলিতে এমনই ওই এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘ লাইন থাকে। প্রতিদিন যে পরিমাণ লাইন থাকে সেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনকেই ফিরে যেতে হয় টিকা না পেয়ে। এর উপরে গত শুক্রবার থেকে কলকাতারয় ৩৯টি কোভ্যাকসিন টিকাকরণ কেন্দ্র সোমবার পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হয়েছে টিকা না থাকায়।

ফলে যাঁরা লাইন দিয়ে দ্বিতীয় ডোজ নিতে গেছিলেন তাঁদেরও ফিরতে হয়েছে। তবে সম্প্রতি ব্যবসায়ীদের দাবি মেনে পৌর কর্তৃপক্ষ তাঁদের জানিয়েছেন, প্রথম বারের মতো বাস গিয়ে তাঁদের দ্বিতীয় ডোজ দেবে। পাশাপাশি জানিয়েছেন, কবে যাবে তা নির্দিষ্ট নয়। তবে যেমন যেমনভাবে কোভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল সেই তালিকা অনুসারে প্রাপকদের দ্বিতীয় ডোজ নিতে আমরা জানিয়ে দেব। তবে কোভ্যাকসিন হাতে এলে তারপর এসব হবে।

কলকাতা কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, কলকাতার বাজারগুলিতে ৩ জুন থেকে টিকাকারণ শুরু হয়। ৪৫টি শিবিরে কোভ্যাকসিন দেওয়া হয়। ৩৪টি শিবিরে কোভিশিল্ড দেওয়া হয়। ১৮ উর্ধ্ব এমন ১২৮১১ জন টিকা পেয়েছেন। ৪৫ উর্ধ্ব ৫৪৮৫ জন পেয়েছেন। যাঁরা কোভিশিল্ড পেয়েছেন তাঁদের হাতে যথেষ্ট সময় আছে। তবে কোভ্যাকসিন নিয়েছেন এমন অনেকের ৫০ দিন পার হতে চলায় দ্বিতীয় ডোজ কবে মিলবে! এই চিন্তা ক্রমশ চেপে বসছে।

কোভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে এমন দোকানদারদের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। এই প্রসঙ্গে এফটিও’র তরফে শুভেন্দু ঘোষ জানান, আমরা যে দাবি করেছিলাম তা পৌর কর্তৃপক্ষ মেনেছেন। তবে এদিকে সময় অতিক্রান্ত হয়ে চলেছে। বাস কবে পাঠানো হবে? এটা তাঁরা নির্দিষ্টভাবে কিছু জানাননি। যত দিন যাচ্ছে দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় থাকা কর্মচারী থেকে মালিকদের চিন্তা বাড়ছে। তাঁরা ভয় পাচ্ছেন সময় না পেলে কোনও ক্ষতি হবে কি না।

তাই পরিস্থিতি বিবেচনা করেই হাতে টিকা আসা মাত্র সেন্টারগুলির সঙ্গেই আমাদের বাজারে প্রথম বারের মতো বাস পাঠিয়ে শিবিরের মাধ্যমে দ্বিতীয় ডোজ দ্রুত দেওয়া হোক। কলকাতা কর্পোরেশনের জানিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে ফের কোভ্যাকসিন সেন্টারগুলিতে টিকা দেওয়া শুরু হবে। তবে শুধুমাত্র দ্বিতীয় ডোজ। কারণ কলকাতায় এই মহূর্তে কোভ্যাকসিন দ্বিতীয় ডোজের দাবিদার প্রায় ৭৫ হাজার নাগরিক। পাশাপাশি বাজার এলাকায় শিবির করে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

]]>
ভিড়ের চাপে হিমশিম পুরসভা, টিকাকেন্দ্রে এবার কুপন https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-applicable-coupon-corona-vaccination-center/ Mon, 26 Jul 2021 09:10:21 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4488 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : টিকাকরণ কেন্দ্রে মাত্রাতিরিক্ত ভিড় এবং গন্ডগোল এড়াতে এবার কলকাতায় চালু হল কুপন ( Coupon )। আজ সোমবার থেকে শহরের মেগা টিকা সেন্টারে কুপন দেওয়া শুরু করেছে কলকাতা পুরসভা। সেইসঙ্গে কুপন যাচাইয়ের জন্য থাকবে পুলিশি পাহারা। কলকাতা পুরসভা বিভিন্ন থানার সঙ্গে কথা বলে পুলিশ পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। বর্তমানে কলকাতা পুরসভার ( KMC ) বিভিন্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে টিকাকরণের পাশাপাশি ১৮টি মেগা সেন্টারে ( Mega Center) টিকা দেওয়া হচ্ছে।

সেই মেগা সেন্টারের ( Mega Center ) ভিড় সামলাতে কুপন ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত সেখানে চালু করা হবে। এরপর আগামী দিনে অন্যান্য পুরো স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ( Health Center ) ও টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে কুপন চালুর ইচ্ছা রয়েছে পুরো কর্তৃপক্ষের। তবে সেটা শুধুমাত্র প্রথম ডোজের টিকার ক্ষেত্রেই। দ্বিতীয় রোগের টিকা এমনি পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুরসভা। বর্তমানে পুরসভার হাতে ভ্যাকসিন নেই।

সেই কারণে ৩৯টি কোভাক্সিন টিকাকরণ ( Covaxin Vaccination ) কেন্দ্রে টিকা দেওয়া বন্ধ রয়েছে। কোভিশিল্ড ( Covishield ) রয়েছে নামমাত্র। সোমবার নতুন টিকা আসার কথা। সেক্ষেত্রে টিকা আসলে দ্বিতীয় ডোজ প্রাধান্য দিয়ে দেওয়া হবে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত টিকা মিলবে। পরের দিনের জন্য কুপন দিয়ে দেওয়া হবে। কুপন মিলবে শুধুমাত্র প্রথম রোজার জন্য। এক্ষেত্রে আধার কার্ড এবং ভোটার কার্ডের আসল এবং ফটোকপি নিয়ে আসতে হবে।

তার ওপর স্টাম্প দিয়ে দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে কুপন জালিয়াতির উঠতেও ব্যবস্থা নিয়েছে পুরসভা। ব্যবহার করা হচ্ছে স্থানীয় থানা কে। মেগা সেন্টারের বাড়ি থাকবে পুলিশ। ভীর সামলানো থেকে শুরু করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুরসভা। সে ক্ষেত্রে কুপন যাচাই করে সেন্টারে ঢোকাবে পুলিশ। কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, সোমবারের মধ্যে কোভ্যাকসিন এবং আসার কথা।

কিন্তু সেটা আসলেও দেওয়া হবে শুধুমাত্র দ্বিতীয় ডোজ। কারণ পর্যাপ্ত টিকা নেই। কিন্তু কোভিশিল্ড স্বাভাবিক নিয়মেই দেয়া হবে। টিকা না থাকার কারণে ভিড় হচ্ছে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাইরে এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। সেই কারণেই কুপন ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন। কলকাতায় ইতিমধ্যেই ৬১ শতাংশ মানুষকে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দ্বিতীয় টিকা পেয়েছেন মাত্র ২১ শতাংশ মানুষ। কলকাতা পুরসভাকে এখনো পর্যন্ত দু লক্ষ টাকার দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে। যার মধ্যে শুধুমাত্র কোভ্যাকসিন লাগবে ৭৫০০০।

]]>
টিকা নিয়ে ছেলেখেলার চূড়ান্ত, উধাও কোভ্যাকসিন https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-covaxin-vaccine/ Sat, 24 Jul 2021 05:59:01 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4399 #কলকাতা : কোভ্যাকসিন ( Covaxin ) ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না। এবার কোভ্যাকসিন কলকাতা কর্পোরেশনের হাতে এলে শুধুমাত্র দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। এই ভ্যাকসিনের আর প্রথম ডোজ দেওয়া হবে না। তেমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। পাশাপাশি, কোভ্যাকসিন সেন্টার বন্ধ থাকার পরে হোয়াটসঅ্যাপ বিওটি বুকিং দিনও পরিবর্তন করেছে কলকাতা কর্পোরেশন।

এপ্রসঙ্গে এদিন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim ) জানিয়েছেন, কোভ্যাকসিন রাজ্যের হাতে নেই। কলকাতা পুরসভার তাই এই টিকা দিতে পারছে না। বহু মানুষ সংকটে পড়েছে। কেন্দ্র কবে টিকা দেবে আমি জানি না। কোভ্যাকসিন যদি শনিবার রাতে আসে তাহলে সোমবার থেকে আবার দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু তা নিয়ে কোনও নিশ্চয়তা নেই।

তবে এদিন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কলকাতার যে ১৮ টি মেগা সেন্টার রয়েছে, সেখানে সকাল থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত টিকা দেওয়া হয়ে গেলে পরের দিনের টিকার জন্য কুপন দিয়ে দেওয়া হবে। তবে সেই কুপনেও জালিয়াতি হতে পারে বলে আশঙ্কা তাঁর। তাই যাদের কুপন ইস্যু করা হবে, তাঁদের অরিজিনাল ভোটার কার্ড এবং আধার কার্ড এবং সেগুলির ফটোকপি আনতে হবে।

সেগুলিতে স্ট্যাম্প মেরে দেওয়া হবে। প্রত্যেকটি মেগা সেন্টারে ( Mega Center ) পুলিশ মোতায়েন থাকবে। থানা গুলিকে ওই সেন্টারগুলিতে পুলিশ মোতায়েনের জন্য বলা হয়েছে। পুলিশ এই কুপন দেখে তবেই টিকা দিতে দেবে। ভিড় নিয়ন্ত্রণ এর জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কলকাতা শহরে বাকি যে ১৪৮ টি সেন্টার রয়েছে সেখানে যদি প্রয়োজন হয় তাহলে কুপন ইস্যু করা হবে।

তবে এখন আপাতত মেগা সেন্টারগুলোতে কুপন ইস্যু করা হবে। পাশাপাশি, হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে টিকা নিতে গেলে রয়েছে নির্দিষ্ট বুকিং নম্বর। কোভ্যাকসিন না থাকায় ইতিমধ্যেই অনির্দিষ্টকালের জন্য শহরের ৩৯টি কোভ্যাকসিন টিকাকেন্দ্র বন্ধ রেখেছে কলকাতা পুরসভা। এবার সেই হোয়াটস্যাপ নম্বরের বুকিং করার সময়েরও পরিবর্তন নিয়ে আসা হল।

রক্সি সিনেমা হল, সাউথ সিটি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এবং সেন্ট জেভিয়ার্সের মেগা সেন্টারে টিকা নেওয়ার জন্য ২১ জুলাইয়ের বুকিংয়ের বদলে ২৬ জুলাই থেকে বুকিং শুরু হবে। অন্যদিকে, সাউথ সিটি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ২৩ জুলাই যে বুকিং রয়েছে, সেগুলি ২৭ জুলাই স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে, দিনের পরিবর্তন হলেও সময়সূচী একই রকম থাকছে। যার বুকিং যে সময়ে ছিল তিনি সেই সময়ে আসতে পারবেন বলেই জানাচ্ছে কলকাতা পুরসভা।

]]>
চাকরিহারা মানুষ আসছে ব্যবসায়, ট্রেড লাইসেন্সে আয় করছে পুরসভা https://runnerbangla.com/kmc-earning-huge-money-trade-licence-job-lost-turn-businessman/ Thu, 22 Jul 2021 14:15:53 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4328 #কলকাতা : প্রথম লকডাউনে আয় ধাক্কা খেলেও দ্বিতীয় লকডাউনে সেটা যথেষ্ট সন্তোষজনক পর্যায়ে আছে। কলকাতা পুরসভার লাইসেন্স বিভাগের তথ্য অন্তত তেমনটাই বলেছে। যে আয় দেখে আধিকারিকদের আশা, বছর শেষে অচিরেই টার্গেট পূরণ করা যাবে। চলতি জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে কলকাতা পুরসভার লাইসেন্স ( Trade License ) বিভাগের আয় হয়েছে আনুমানিক ২০ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা। গত অর্থবছরে সেই আয় ছিল প্রায় ১২ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা।

হোয়াটসঅ্যাপ গত বছরের থেকেও প্রায় ৭-৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত আয়ের হয়েছে পুরসভার। যদিও লকডাউন পূর্ববর্তী বছরে সেই আয় ছিল অনেকটাই বেশি, আনুমানিক ২৫ কোটি টাকা। কিন্তু চলতি বছর দ্বিতীয় লকডাউন এর মধ্যেও লাইসেন্স বিভাগের এই আয় যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal Corporation ) আধিকারিকরা। তাঁদের বক্তব্য, প্রথম লকডাউনের সময় সবকিছু বন্ধ থাকায় ব্যবসা ধাক্কা খেয়েছিল।

পরবর্তীকালে যখন ২০২০ সালের জুলাই মাস থেকে ফের লাইসেন্স বিভাগ ফি আদায় শুরু করে তখন দেখা যায় আদায় ভালই হচ্ছে। নতুন লাইসেন্স ফি এবং পুরনো লাইসেন্সের পুনর্নবীকরণ বাবদ গত অর্থবছরে কলকাতা পুরসভার আয় করেছিল প্রায় ৬৫ কোটি টাকা। এই বছর সেই অর্থপ্রাপ্তির টার্গেট রাখা হয়েছে ৭৫ কোটি টাকা। কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা মনে করছেন, দ্বিতীয় লকডাউনের ( Lockdown ) ধাক্কার মধ্যেও এই বছর আদায় সন্তোষজনক হয়েছে।

সে ক্ষেত্রে এই টার্গেট অচিরেই পূরণ করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি জোর দেওয়া হয়েছে পুরনো লাইসেন্সের বকেয়া অর্থ আদায়ের দিকে। ইতিমধ্যে অন্তত ৭০০০ পুরনো লাইসেন্স থেকে টাকা আদায় করা হয়েছে। কলকাতা পুরসভার লাইসেন্স বিভাগের বিশেষ টিম শহরজুড়ে অভিযান চালাচ্ছে। বকেয়া পড়ে থাকা পুরনো লাইসেন্সের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৪ লাখ। বকেয়ার আর্থিক পরিমান ধরলে সেটা দাঁড়ায় ৩৬০ কোটি টাকা। সেই টাকা আদায়ের নেমেছেন কলকাতা পুরসভার লাইসেন্স বিভাগের কর্তারা।

যদিও এই অর্থের অর্ধেকেরও কম টাকা ফেরত পাওয়া সম্ভব হবে বলেই তাদের মত। কলকাতা পুরসভার সমীক্ষা করে দেখেছে, বকেয়া পড়ে থাকা এই লাইসেন্স এর মধ্যে অন্তত ২৫-৩০ শতাংশ ব্যবসা বন্ধ হয়ে রয়েছে। ফলে, তাদের থেকে টাকা আদায় কোনভাবেই করা সম্ভব নয়। আদায় করতে হলেও আদালতের দ্বারস্থ হতে হবে। তাই বাকি যেসব ব্যবসা চলছে, তাঁদের থেকেই বকেয়া ফি আদায়ে জোর দিচ্ছে কলকাতা পুরসভা

]]>
দেবাঞ্জন কাণ্ডের পরেও নির্বাক প্রশাসন, নাকের ডগায় চলছে অবৈধ টিকাকরণ https://runnerbangla.com/kmc-illegal-vaccination-continue-debanjan-deb-fake-vaccine-scam-administration-silent/ Thu, 22 Jul 2021 09:49:03 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4320 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : ফের টিকা শিবির নিয়ে সরকারি নিয়ম ভাঙ্গার অভিযোগ উঠল শহরে। এবার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে কলকাতা পুরসভার ( KMC ) ১১৫ ওয়ার্ডের পুটিয়ারি পঞ্চানন তলা রোডে। সেখানে সরকারি নিয়ম বহির্ভূতভাবে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি নিজের ক্লাবের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে চলছে সেই টিকাকরণ কর্মসূচি। কিন্তু বাড়ি বাড়ি টিকাকরণের কোনও অনুমতি নেই, জানাচ্ছে স্বাস্থ্যভবন।

যা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কলকাতা পুরসভাও জানিয়ে দিয়েছে, এমন কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি। দেবাঞ্জন কাণ্ডের পর টিকা শিবির নিয়ে করা নির্দেশিকা জারি করেছিল স্বাস্থ্যভবন। কিন্তু সেই নির্দেশিকাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শহরে ফের বাড়ি বাড়ি টিকা দেওয়া হয়েছে। সেটা কলকাতা পুরসভার ঢিলেঢালা নজরদারিকে চোখে আঙ্গুল তুলে দেখিয়ে দিল। পশ্চিম পুটিমারির দা ইউনাইটেড ক্লাব। সেখানেই চলছে টিকা শিবির।

স্থানীয় বাসিন্দা রজত শেখর হাওলাদার নিজের সোশ্যাল মিডিয়াতে বুক ফুলিয়ে ক্লাবের সহযোগিতায় এবং উদ্যোগে ত্রান কমিটির পক্ষ থেকে টিকা শিবিরের প্রচার করে বেড়াচ্ছেন। নিজেকে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তীর অনুগামী বলেই প্রচার করেছেন তিনি। রজতবাবুর দাবি, স্বাস্থ্যভবন এবং কলকাতা পুরসভার অনুমতি নিয়েই টিকা শিবির চলছে। কিন্তু বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়ার অনুমতি কি তিনি পেয়েছেন? এই প্রশ্নের উত্তরে উল্টো সুর রজতবাবু মুখে।

বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়ার ভিডিও এবং ছবি তিনি নিজেই নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। কিন্তু প্রতিবেদকের প্রশ্নের উত্তরে রজতবাবুর দাবি, ওরকম ফেসবুকে অনেকেই অনেক কিছু দেয়। আমি তো ফেসবুক ব্যবহার করি না। তাহলে কি তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর ফেসবুক অন্য কেউ ব্যবহার করেছে? সেই প্রশ্নের উত্তর মেলেনি ওই ব্যক্তির থেকে। স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে ওই ক্লাবেই টিকাকরণ শিবিরের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ওই ক্লাবকে সিভিসি হিসেবে ওই হাসপাতাল ব্যবহার করছে। কিন্তু সেই অনুমতিকে ঢাল করেই সরকারি নিয়ম ভাঙছে ওই ক্লাব। স্বাস্থ্যভবন বাড়ি বাড়ি টিকা দেওয়ার অনুমতি দেয়নি। স্বাস্থ্যভবন জানাচ্ছে, বেসরকারি হাসপাতাল নিজের ওয়ার্কপ্লেস সিভিসি হিসেবে ওই ক্লাবে টিকা শিবির চালানোর অনুমতি চেয়েছিল। সেটা আমরা দিয়েছি। কিন্তু বাড়ি বাড়ি টিকা দেওয়ার অনুমতি নেই। এটা বেআইনি।


এই প্রসঙ্গে স্থানীয় ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটর রত্না সুর বলেন, খবর এসেছে। কলকাতা পুরসভাকে বিষয়টা জানিয়েছি। কলকাতা পুরসভার এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, অভিযোগ এসেছে। বেসরকারিভাবে কিছু হয়ে থাকলে সেটা স্বাস্থ্যভবনকেই দেখতে হবে। কয়েকদিন আগে একইভাবে বাড়ি বাড়ি টিক্কা দিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন তৃণমূলের ৭০ নম্বর ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটর অসীম বসু। যার জেরে কলকাতা পুরসভার স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল।

]]>
সরকারি তথ্যে ভুল, ভারতে করোনার বলি দশগুন বেশি, বলছে গবেষণা রিপোর্ট https://runnerbangla.com/center-for-global-development-research-report-indian-govt-corona-death-data-incorrect/ Thu, 22 Jul 2021 04:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4296 রানার ডেস্ক : ভারতে করোনায় ( Corona ) মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশিত সরকারি সংখ্যার তুলনায় ১০ গুণ বেশি হতে পারে। সেন্টার ফর গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট নতুন এক গবেষণা ( Research ) প্রতিবেদনে দাবি করেছে ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত ভারতে ৩০ থেকে ৪৭ লক্ষ মানুষ করোনায় মারা গেছে। তিনটি ভিন্ন সূত্র থেকে সংগৃহীত পরিসংখ্যানের আলোকে গবেষণা প্রতিবেদনে ভারতের মৃত্যুচিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

প্রথমত, ৭ রাজ্যের সিভিল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম থেকে সাধারণ মানুষের জন্ম এবং মৃত্যু তারিখের তথ্য সংগ্রহ, দ্বিতীয়ত ৯ লক্ষ মানুষের অর্থনৈতিক সমীক্ষা এবং তৃতীয়ত রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট। এছাড়া সেরোলজিক্যাল সার্ভে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে করোনায় মৃত্যুর একটি সার্বিক চিত্র তুলে ধরতে। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘২০২১ সালের জুন পর্যন্ত করোনায় ভারতে সরকারিভাবে মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লক্ষ। কিন্তু প্রকৃত সংখ্যা আরও ভয়াবহ, মৃতের সংখ্যা কয়েক মিলিয়ন।’

নির্ধারিত সময়ে স্বাভাবিকের তুলনায় কত মানুষ বেশি মারা গেছে সেই হিসাবে অতিরিক্ত মৃত্যু গণনা করা হয়। অতিরিক্ত মৃত্যুর পুরোটাই করোনার কারণে হয়নি, কিন্তু অধিকাংশই করোনামৃত্যুর অন্তর্গত। সরকারি গণনার চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে এই সংখ্যা। প্রতিবেদনের অন্যতম লেখক অরবিন্দ সুব্রহ্মণ্যম ( Arvind Subramanian ) বলেছেন, ‘মৃত্যুর সংখ্যা কম থাকায় প্রথম ঢেউয়ের পর ভারতে এমন একটি ধারণা হয়েছিল যে, দেশ খারাপ পরিস্থিতি এড়াতে পেরেছে।

এই আত্মসন্তুষ্টি ভয়াবহ বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে গেছে। দ্বিতীয় ঢেউয়ে ( Second Wave ) আমরা তাই এমন সব ভয়ংকর ছবি দেখেছি, যা অনভিপ্রেত।’ স্বাধীনতা ও দেশভাগের পর ভারতের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় মানবিক বিপর্যয়। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, করোনার প্রথম ঢেউয়েই দেশে ২০ লক্ষের কাছাকাছি মৃত্যু হয়েছিল। এই প্রথমবার নয়, এরআগেও বহু সাংবাদিক কোভিড মৃত্যু নিয়ে একই ধরনের দাবি করেছিল। কিন্তু যাবতীয় দাবি ভিত্তিহীন বলে দাবি করা হয় সরকারের পক্ষ থেকে।

]]>
যাদের মুঠোয় ছিল শিল্পের যাদু, সেই হাজার হাতকে নিঃস্ব করেছে লকডাউন https://runnerbangla.com/corona-lockdown-unemployed-central-avenue-twig-artists/ Tue, 20 Jul 2021 09:09:08 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4222 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : সময় পাল্টেছে। যার জেরে আরও সঙ্কটে ডোমপাড়ার কঞ্চি শিল্পীরা ( Twig Artist )। লকডাউন সেই সঙ্কট আরও বাড়িয়েছে। এক সময় বাঁশের কঞ্চি ধরা শিল্পী এখন রাজমিস্ত্রির কাজ করছেন। কেউ আবার মুটে মজুর। শারদোৎসবের আগে কি আসবে কাজের অর্ডার? নাকি তৃতীয় ঢেউর ( Third Wave ) ধাক্কা! এমনই আশা, আশঙ্কায় দিন কাটছে তাঁদের। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউের ( Central Avenue ) ধারে ডোমপাড়ার কঞ্চি শিল্পীদের বসবাস।

ভোট এলেই এক সময় রাজনৈতিক দলগুলির তরফে বিপুল সংখ্যক প্রতিক চিহ্ন তৈরি করার অর্ডার আসত। নিরদিষ্ট সময়ের আগে এই সব তৈরি করে দিয়ে রঙ করে লিখে দিতে এক মহুর্ত সময় থাকত না। ফুটবল বা ক্রিকেট বিশ্বকাপে ট্রফির রেপলিকা তৈরি বা পুজো অনুষ্ঠানে প্রতিমার চালচিত্র থেকে প্যাণ্ডেল তৈরি। ফ্লেক্সর যুগে সেসব এখন অতীত। এখন ভোট আসে ভোট যায় রাজনৈতিক দলগুলির কর্মীদের ভিড় জমে ফ্লেক্স প্রিন্টিং-র ছাপাখানায়।

ডোমপাড়া মাছি তাড়ায়। বিশ্বকাপেও তেমনই ছবি। নামমাত্র খরচে ফ্লেক্সে নিজের ইচ্ছা মত ছবি লেখা সবটাই দেওয়া যায়। তবে আশার আলো দেখিয়েছে বিভিন্ন শপিং মলের কাজকর্ম। তাঁদের কাজের ধরন পাল্টেছে। বিভিন্ন শপিং মলে বছরভর নানা অনুষ্ঠানে সাজানোর দায়িত্ব এখন এই শিল্পীরাই পান। বিয়ে বাড়ি কিংবা অন্য অনুষ্ঠান বাড়ির সামনে গেট বা মূর্তি তৈরির অর্ডার এই শিল্পীদের জোটে। বিভিন্ন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা কাজের বরাত দেয় এই কঞ্চি শিল্পীদের।

সেসবের ওপর এই কোনওরকমে বেঁচে আছে এই শিল্পের ভবিষ্যৎ। সঙ্কটময় অবস্থার সঙ্গে প্রতিদিন রুজির লড়াইয়ে টিকে ছিলেন এই এলাকার প্রায় ৫০০-৬০০জন শিল্পী, কর্মচারী। তবে সব শেষ করে দিয়ে গেছে করোনা মহামারি। যে নতুন নতুন পথে আয়ের মুখ দেখছিলেন সেই শপিংমল, বিয়ের বা জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কাজ বা বিভিন্ন ইভেন্টে সাজানোর কাজ একদমই বন্ধ। শিল্পী রাকেশ সর্দার জানাচ্ছেন, লকডাউনে প্রায় হাত শূণ্য। কোন অর্ডার নেই। একটা কেউ কিছু অর্ডার দিতে এলে দশজন ঝাঁপিয়ে পড়ছে।

কাচামালের দাম বেড়েছে। কৌশিক লোহার বলছেন, অনেকেই বসে থাকতে পারেননি। পরিবার আছে তাই সংসার টানতে অন্য কাজ খুঁজে নিয়েছেন। অনেকে ভিন রাজ্যে রাজমিস্ত্রীর কাজে যোগ দিয়েছেন। আবার অনেক কর্মচারী এখন বেকার। শিল্পী থেকে কর্মী সকলের কথায় উঠে এসেছে বর্তমান সময় ডোমপাড়ার এই কঞ্চি শিল্পের বেহাল অবস্থার কথা। তাঁরা এখন রোজগারের আশায় তাকিয়ে আসন্ন শারদোৎসবের দিকে। তার উপর তৃতীয় ঢেউয়ের ভ্রুকুটি। সেই আশা নিরাশার দোলাচলে দিন কাটে ডোমপাড়ায়।

]]>
তৃতীয় ঢেউয়ের আগে সবাইকে টিকা দেয়া যাবে না, জানালেন ফিরহাদ | Covid Vaccine https://runnerbangla.com/kmc-corona-vaccination-possibility-third-wave-firhad-hakim/ Sat, 17 Jul 2021 13:49:48 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4107 রানার প্রতিবেদন : তৃতীয় ঢেউ আসছে। চিকিৎসকরা বারবার সাবধান বাণী উচ্চারণ করছেন। পুজোর আগে পরেই তৃতীয় ঢেউয়ের ( Third Wave ) থাবা আছে পড়তে পারে। তৃতীয় ঢেউ আসার আগেই যদি সকলের টিকাকরণ সম্ভব হয়, তাহলে করোনার থাবা মারাত্মক আকার নিতে পারবে না। এ কারণেই টিকাকরণের ওপর সর্বাধিক জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। যেকোনও অবস্থায় তৃতীয় ঢেউয়ের আগেই যদি সকলকে টিকা দেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে কোভিডের এর হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

বাস্তবে কি সেটা সম্ভব? কলকাতা পৌরসভার প্রাক্তন মেয়র বর্তমানে যিনি প্রশাসনের প্রধান, সেই ফিরহাদ হাকিম জানালেন, তৃতীয় ঢেউয়ের আগে কলকাতার সমস্ত মানুষকে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে না। কারণ হিসেবে তিনি আঙুল তুলেছেন কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে। তার অভিযোগ, কলকাতায় তৃতীয় ঢেউ এর আগে সকলকে টিকা দেওয়ার জন্য, যে পরিমাণ টিকা দরকার সেটা পাওয়া যাচ্ছে না। কেন্দ্রের কাছে যা চাওয়া হচ্ছে তার ৫০ শতাংশও পাওয়া যাচ্ছে না।

কলকাতা পুরসভা টিকা করনের জন্য যে পরিকাঠামো গড়ে তুলেছে, তাতে প্রতিদিন এক লক্ষ মানুষকে টিকা দেওয়া সম্ভব। ফিরহাদ বলেন, পরিকাঠামো থাকলেই তো হবে না, দরকার সরবরাহ। তিনি বলেন, সরবরাহ ঠিকমত করা হচ্ছে না। এমনকি সুপার স্প্লেন্ডার যারা, ২১থেকে ৪৫ এর মধ্যে যাদের বয়স, সেই তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মাত্র ২১ শতাংশকেই টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

একই সঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে ফিরহাদ হাকিম বলেন, বস্তি অঞ্চলগুলোতে এখনও সঠিকভাবে টিকাকরণ হচ্ছে না বলে যে অভিযোগ উঠছে তাও ঠিক নয়। বিভিন্নভাবে বস্তির মানুষকে টিকাকরণ প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হচ্ছে। সব মিলিয়ে পুরসভার মুখ্য প্রশাসক এর দাবি কলকাতায় এখনো পর্যন্ত প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকাকরণ এর আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। ৩০ শতাংশ মানুষকে টিকা দেওয়ার কাজ ঠিক ততটাই সফল হবে যতটা ভালো সরবরাহ বজায় থাকবে।

]]>
শর্ত মেনে চলবে মেট্রো, অনিশ্চিত লোকাল ট্রেন, খুলছে মল https://runnerbangla.com/kolkata-metro-shopping-mall-open-uncertain-local-train/ Wed, 14 Jul 2021 12:53:54 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3963 মেট্রোরেল | করণা সংক্রান্ত কড়াকড়ি অনেকটাই প্রত্যাহার করে নেওয়া হলো। সামান্য কিছু বিধি নিষেধ বহাল রেখে জনজীবন স্বাভাবিক করতে যাবতীয় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। আগামী ১৬ ই জুলাই অর্থাৎ শুক্রবার থেকে চালু হচ্ছে মেট্রো রেল ( Matro Rail )। সোম থেকে শুক্র এই পাঁচ দিন মেট্রো রেল চলাচল করবে। মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে, আপাতত ৫০%,যাত্রী বহন করা যাবে।

কিন্তু অনিশ্চিত থেকে গেল লোকাল ট্রেন ( Local Train )। লোকাল ট্রেন পরিষেবা বন্ধ থাকায় মানুষের ক্ষোভ বিক্ষোভ বারবার সামনে এলেও রাজ্য সরকার এখনই লোকাল ট্রেন চালানোর পক্ষে নয়। এদিকে আগামী শুক্রবার থেকেই দোকান বাজার এবং শপিংমলে কোন বিধি-নিষেধ থাকছে না তবে শপিংমলগুলোর ক্ষেত্রে শুধু বলা হয়েছে ৫০ শতাংশ গ্রাহক কে একসঙ্গে ভেতরে ঢোকানো যাবে।

ভিড় যাতে কম থাকে সেটা নজরে রাখতে বলা হয়েছে। এছাড়া সুইমিংপুল সংক্রান্ত বিধিনিষেধ তুলে নেয়া হলো শুক্রবার থেকে। বন্ধ থাকছে স্কুল-কলেজ সিনেমা হল। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কবে খুলবে কেউ বলতে পারছেন না। পঠন-পাঠন নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের অনিশ্চয়তা কাটলো না। স্কুল কলেজ কবে খুলবে, কবে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনো স্বাভাবিক হবে, এনিয়ে কেউ কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারছে না।

এরসঙ্গে চিকিৎসকরা বলছেন, পুজোর আগে-পরেই আবার আছড়ে পড়তে পারে করোনা। দ্বিতীয় ঢেউয়ের অভিজ্ঞতা ভয়ঙ্কর, তৃতীয় ঢেউ নাকি আরও মারাত্মক হতে পারে। এই আশঙ্কা থেকেই স্কুল-কলেজ খোলার বিষয়ে সিধান্ত এখনই নিতে পারছে না সরকার। দ্রুত টিকা করনের ক্ষেত্রে সরকারি ব্যর্থতা অনিশ্চয়তাকে আরও গভীর করে তুলেছে।

]]>