Corona Third Wave – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Thu, 22 Jul 2021 06:11:02 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Corona Third Wave – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 সরকারি তথ্যে ভুল, ভারতে করোনার বলি দশগুন বেশি, বলছে গবেষণা রিপোর্ট https://runnerbangla.com/center-for-global-development-research-report-indian-govt-corona-death-data-incorrect/ Thu, 22 Jul 2021 04:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4296 রানার ডেস্ক : ভারতে করোনায় ( Corona ) মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশিত সরকারি সংখ্যার তুলনায় ১০ গুণ বেশি হতে পারে। সেন্টার ফর গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট নতুন এক গবেষণা ( Research ) প্রতিবেদনে দাবি করেছে ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত ভারতে ৩০ থেকে ৪৭ লক্ষ মানুষ করোনায় মারা গেছে। তিনটি ভিন্ন সূত্র থেকে সংগৃহীত পরিসংখ্যানের আলোকে গবেষণা প্রতিবেদনে ভারতের মৃত্যুচিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

প্রথমত, ৭ রাজ্যের সিভিল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম থেকে সাধারণ মানুষের জন্ম এবং মৃত্যু তারিখের তথ্য সংগ্রহ, দ্বিতীয়ত ৯ লক্ষ মানুষের অর্থনৈতিক সমীক্ষা এবং তৃতীয়ত রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট। এছাড়া সেরোলজিক্যাল সার্ভে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে করোনায় মৃত্যুর একটি সার্বিক চিত্র তুলে ধরতে। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘২০২১ সালের জুন পর্যন্ত করোনায় ভারতে সরকারিভাবে মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লক্ষ। কিন্তু প্রকৃত সংখ্যা আরও ভয়াবহ, মৃতের সংখ্যা কয়েক মিলিয়ন।’

নির্ধারিত সময়ে স্বাভাবিকের তুলনায় কত মানুষ বেশি মারা গেছে সেই হিসাবে অতিরিক্ত মৃত্যু গণনা করা হয়। অতিরিক্ত মৃত্যুর পুরোটাই করোনার কারণে হয়নি, কিন্তু অধিকাংশই করোনামৃত্যুর অন্তর্গত। সরকারি গণনার চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে এই সংখ্যা। প্রতিবেদনের অন্যতম লেখক অরবিন্দ সুব্রহ্মণ্যম ( Arvind Subramanian ) বলেছেন, ‘মৃত্যুর সংখ্যা কম থাকায় প্রথম ঢেউয়ের পর ভারতে এমন একটি ধারণা হয়েছিল যে, দেশ খারাপ পরিস্থিতি এড়াতে পেরেছে।

এই আত্মসন্তুষ্টি ভয়াবহ বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে গেছে। দ্বিতীয় ঢেউয়ে ( Second Wave ) আমরা তাই এমন সব ভয়ংকর ছবি দেখেছি, যা অনভিপ্রেত।’ স্বাধীনতা ও দেশভাগের পর ভারতের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় মানবিক বিপর্যয়। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, করোনার প্রথম ঢেউয়েই দেশে ২০ লক্ষের কাছাকাছি মৃত্যু হয়েছিল। এই প্রথমবার নয়, এরআগেও বহু সাংবাদিক কোভিড মৃত্যু নিয়ে একই ধরনের দাবি করেছিল। কিন্তু যাবতীয় দাবি ভিত্তিহীন বলে দাবি করা হয় সরকারের পক্ষ থেকে।

]]>
যাদের মুঠোয় ছিল শিল্পের যাদু, সেই হাজার হাতকে নিঃস্ব করেছে লকডাউন https://runnerbangla.com/corona-lockdown-unemployed-central-avenue-twig-artists/ Tue, 20 Jul 2021 09:09:08 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4222 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : সময় পাল্টেছে। যার জেরে আরও সঙ্কটে ডোমপাড়ার কঞ্চি শিল্পীরা ( Twig Artist )। লকডাউন সেই সঙ্কট আরও বাড়িয়েছে। এক সময় বাঁশের কঞ্চি ধরা শিল্পী এখন রাজমিস্ত্রির কাজ করছেন। কেউ আবার মুটে মজুর। শারদোৎসবের আগে কি আসবে কাজের অর্ডার? নাকি তৃতীয় ঢেউর ( Third Wave ) ধাক্কা! এমনই আশা, আশঙ্কায় দিন কাটছে তাঁদের। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউের ( Central Avenue ) ধারে ডোমপাড়ার কঞ্চি শিল্পীদের বসবাস।

ভোট এলেই এক সময় রাজনৈতিক দলগুলির তরফে বিপুল সংখ্যক প্রতিক চিহ্ন তৈরি করার অর্ডার আসত। নিরদিষ্ট সময়ের আগে এই সব তৈরি করে দিয়ে রঙ করে লিখে দিতে এক মহুর্ত সময় থাকত না। ফুটবল বা ক্রিকেট বিশ্বকাপে ট্রফির রেপলিকা তৈরি বা পুজো অনুষ্ঠানে প্রতিমার চালচিত্র থেকে প্যাণ্ডেল তৈরি। ফ্লেক্সর যুগে সেসব এখন অতীত। এখন ভোট আসে ভোট যায় রাজনৈতিক দলগুলির কর্মীদের ভিড় জমে ফ্লেক্স প্রিন্টিং-র ছাপাখানায়।

ডোমপাড়া মাছি তাড়ায়। বিশ্বকাপেও তেমনই ছবি। নামমাত্র খরচে ফ্লেক্সে নিজের ইচ্ছা মত ছবি লেখা সবটাই দেওয়া যায়। তবে আশার আলো দেখিয়েছে বিভিন্ন শপিং মলের কাজকর্ম। তাঁদের কাজের ধরন পাল্টেছে। বিভিন্ন শপিং মলে বছরভর নানা অনুষ্ঠানে সাজানোর দায়িত্ব এখন এই শিল্পীরাই পান। বিয়ে বাড়ি কিংবা অন্য অনুষ্ঠান বাড়ির সামনে গেট বা মূর্তি তৈরির অর্ডার এই শিল্পীদের জোটে। বিভিন্ন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা কাজের বরাত দেয় এই কঞ্চি শিল্পীদের।

সেসবের ওপর এই কোনওরকমে বেঁচে আছে এই শিল্পের ভবিষ্যৎ। সঙ্কটময় অবস্থার সঙ্গে প্রতিদিন রুজির লড়াইয়ে টিকে ছিলেন এই এলাকার প্রায় ৫০০-৬০০জন শিল্পী, কর্মচারী। তবে সব শেষ করে দিয়ে গেছে করোনা মহামারি। যে নতুন নতুন পথে আয়ের মুখ দেখছিলেন সেই শপিংমল, বিয়ের বা জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কাজ বা বিভিন্ন ইভেন্টে সাজানোর কাজ একদমই বন্ধ। শিল্পী রাকেশ সর্দার জানাচ্ছেন, লকডাউনে প্রায় হাত শূণ্য। কোন অর্ডার নেই। একটা কেউ কিছু অর্ডার দিতে এলে দশজন ঝাঁপিয়ে পড়ছে।

কাচামালের দাম বেড়েছে। কৌশিক লোহার বলছেন, অনেকেই বসে থাকতে পারেননি। পরিবার আছে তাই সংসার টানতে অন্য কাজ খুঁজে নিয়েছেন। অনেকে ভিন রাজ্যে রাজমিস্ত্রীর কাজে যোগ দিয়েছেন। আবার অনেক কর্মচারী এখন বেকার। শিল্পী থেকে কর্মী সকলের কথায় উঠে এসেছে বর্তমান সময় ডোমপাড়ার এই কঞ্চি শিল্পের বেহাল অবস্থার কথা। তাঁরা এখন রোজগারের আশায় তাকিয়ে আসন্ন শারদোৎসবের দিকে। তার উপর তৃতীয় ঢেউয়ের ভ্রুকুটি। সেই আশা নিরাশার দোলাচলে দিন কাটে ডোমপাড়ায়।

]]>
তৃতীয় ঢেউয়ের আগে সবাইকে টিকা দেয়া যাবে না, জানালেন ফিরহাদ | Covid Vaccine https://runnerbangla.com/kmc-corona-vaccination-possibility-third-wave-firhad-hakim/ Sat, 17 Jul 2021 13:49:48 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4107 রানার প্রতিবেদন : তৃতীয় ঢেউ আসছে। চিকিৎসকরা বারবার সাবধান বাণী উচ্চারণ করছেন। পুজোর আগে পরেই তৃতীয় ঢেউয়ের ( Third Wave ) থাবা আছে পড়তে পারে। তৃতীয় ঢেউ আসার আগেই যদি সকলের টিকাকরণ সম্ভব হয়, তাহলে করোনার থাবা মারাত্মক আকার নিতে পারবে না। এ কারণেই টিকাকরণের ওপর সর্বাধিক জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। যেকোনও অবস্থায় তৃতীয় ঢেউয়ের আগেই যদি সকলকে টিকা দেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে কোভিডের এর হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

বাস্তবে কি সেটা সম্ভব? কলকাতা পৌরসভার প্রাক্তন মেয়র বর্তমানে যিনি প্রশাসনের প্রধান, সেই ফিরহাদ হাকিম জানালেন, তৃতীয় ঢেউয়ের আগে কলকাতার সমস্ত মানুষকে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে না। কারণ হিসেবে তিনি আঙুল তুলেছেন কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে। তার অভিযোগ, কলকাতায় তৃতীয় ঢেউ এর আগে সকলকে টিকা দেওয়ার জন্য, যে পরিমাণ টিকা দরকার সেটা পাওয়া যাচ্ছে না। কেন্দ্রের কাছে যা চাওয়া হচ্ছে তার ৫০ শতাংশও পাওয়া যাচ্ছে না।

কলকাতা পুরসভা টিকা করনের জন্য যে পরিকাঠামো গড়ে তুলেছে, তাতে প্রতিদিন এক লক্ষ মানুষকে টিকা দেওয়া সম্ভব। ফিরহাদ বলেন, পরিকাঠামো থাকলেই তো হবে না, দরকার সরবরাহ। তিনি বলেন, সরবরাহ ঠিকমত করা হচ্ছে না। এমনকি সুপার স্প্লেন্ডার যারা, ২১থেকে ৪৫ এর মধ্যে যাদের বয়স, সেই তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মাত্র ২১ শতাংশকেই টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

একই সঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে ফিরহাদ হাকিম বলেন, বস্তি অঞ্চলগুলোতে এখনও সঠিকভাবে টিকাকরণ হচ্ছে না বলে যে অভিযোগ উঠছে তাও ঠিক নয়। বিভিন্নভাবে বস্তির মানুষকে টিকাকরণ প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হচ্ছে। সব মিলিয়ে পুরসভার মুখ্য প্রশাসক এর দাবি কলকাতায় এখনো পর্যন্ত প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকাকরণ এর আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। ৩০ শতাংশ মানুষকে টিকা দেওয়ার কাজ ঠিক ততটাই সফল হবে যতটা ভালো সরবরাহ বজায় থাকবে।

]]>