Containment Zone – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Wed, 16 Jun 2021 15:02:32 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.1 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Containment Zone – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 BREAKING : আবার কনটাইনমেন্ট জোন তৈরির সিধান্ত, জারি নয়া বিধিনিষেধ https://runnerbangla.com/west-bengal-govt-new-restrictions-issued-containment-zone-again/ Wed, 16 Jun 2021 07:45:18 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2541 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : ফের কলকাতা ( Kolkata ) তথা রাজ্যজুড়ে করোনা ( Corona ) মোকাবিলায় হতে চলেছে কনটেইনমেন্ট জোন ( Containment Zone )। গতবছর এই কৌশল অবলম্বন করে পরিস্থিতি সার্বিক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু এ বছর প্রথমদিকে গতবারের থেকে কয়েক গুণ বেশি সংক্রমিত হওয়ার কারণে আলাদা করে শহরে কিংবা পুরসভা এলাকায় কনটেইনমেন্ট জোন করা সম্ভব ছিল না। এখন পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে।

কিন্তু উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা ও পূর্ব মেদিনীপুর ছাড়াও কয়েকটি জেলায় প্রতি ২৪ ঘণ্টার সংক্রমণ এখনও পুরোপুরি বাগে নিয়ে আসা যায়নি। সেইসঙ্গে দিন প্রতি মৃত্যুহার এখনও পঞ্চাশের নিচে নামানো যায়নি। এই পরিস্থিতিতে যেসব জেলায় সংক্রমণ এখনও বেশি ছড়াচ্ছে, সেখানে বিশেষ নোডাল অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal Corporation ) ক্ষেত্রে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন কমিশনার তথা বর্তমানে রাজ্যের পুরসচিব খলিল আহমেদকে।

সেই সঙ্গে কোভিড ( Covid-19 ) ম্যানেজমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে নবান্ন ( Nabanna )। বিধিনিষেধের কারণে রাজ্যে করোনা গ্রাফ নিম্নমুখী। তবে এখন‌ই কোনও শিথিলতা দেখাতে রাজি নয় সরকার। তাই চারদফা নির্দেশিকা জারি করছেন মুখ্যসচিব। সেই নির্দেশিকাতে স্পষ্ট বলা হয়েছে যেসব অঞ্চলে আক্রান্তের সংখ্যা এখনও বেশি রয়েছে সেখানে কনটেইনমেন্ট জোন ফিরিয়ে নিয়ে আসতে হবে। গতবারের মতোই পুলিশ পাহারা বসিয়ে অন্যান্য অঞ্চলের থেকে সেই জায়গাটি বিচ্ছিন্ন করে ব্যারিকেড দিয়ে রাখতে হবে।

কিন্তু সেটা করা যাবে কিভাবে? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, কিছু ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ ছাড়া প্রায় সব চালু রয়েছে। সরকারি এবং বেসরকারি অফিস খোলা। হলে যে অঞ্চলে কনটেইনমেন্ট জোন করা হবে সেখানকার বাসিন্দারা কি কাজে যেতে পারবেন না? সেক্ষেত্রে বাধা দেওয়া সম্ভব নয়। সেই আবাসন বা ফ্লাটের বাসিন্দারা বাইরে যাবেন। কর্মক্ষেত্রের যোগ দেবেন। সংক্রমণ ছড়ানোর ক্ষেত্রে অনুঘটক হবেন।

তাহলে আর কনটেইনমেন্ট জোন করে কি লাভ! যদি প্রকৃত অর্থে লকডাউন হতো তাহলে কনটেইনমেন্ট জোনের গুরুত্ব থাকত। কী কী বলা হয়েছে সেই নির্দেশিকায়? –
১) স্থানীয় স্তরে কোথাও বা কোনও এলাকাতে যদি কোভিড সংক্রমনের সংখ্যা বাড়তে থাকে, তাহলে সেই এলাকাকে কনটেনমেন্ট বা মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন হিসেবে দেখতে হবে।
২) সেইসব এলাকায় কঠোর ভাবে কোভিদ প্রটোকল অর্থাৎ সামাজিক দূরত্ব বিধি ইত্যাদি মানতে হবে।
৩) এসব ক্ষেত্রে সঠিক ভাবে টেস্টিং, ট্রাকিং ও ট্রেসিং করতে হবে।
৪) এছাড়া কোভিড চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত সকল স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে নির্দিষ্ট সময় অন্তর বৈঠক করে কোভিড সংক্রমনের বিষয়ে আপডেট থাকতে হবে।

গত বছর এই পদ্ধতি অবলম্বন করেছিল নবান্ন। একটা সময় কলকাতা পুর এলাকায় কনটেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছিল প্রায় দেড়শ’র ঘরে। পরে ধীরে ধীরে করোনা গ্রাফ নিম্নমুখী হয়। এবছর এখন সংক্রমণ কিছুটা বাগে আনা গিয়েছে। কিন্তু পুরোপুরি কমানো যাচ্ছে না। সেই পরিস্থিতিতে ফের কনটেইনমেন্ট জোন তৈরির কৌশলের পথেই হাঁটলো রাজ্য প্রশাসন। কিন্তু সেটা কতটা ফলপ্রসূ হবে তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।

]]>