Central Avenue – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Thu, 29 Jul 2021 14:09:26 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Central Avenue – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 মুখ পুড়লো পুরসভার, ঢাক ঢোল পিটিয়েও ভাসতে হলো একঘন্টায় https://runnerbangla.com/kmc-sewerage-department-failed-slight-rainfall-kolkata-waterlogged/ Thu, 29 Jul 2021 13:50:36 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4571 #কলকাতা : মাঝারি বৃষ্টিতেই কার্যত বানভাসি কলকাতা। কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal Corporation ) নিকাশি বিভাগের ভঙ্গুর দশা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। তারপর বৃষ্টিতে একাধিক জায়গায় গাছ এবং একটি বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়। কলকাতা পুরসভার টিম গিয়ে বাড়ি ধ্বংসস্তূপ সরিয়েছে। ভেঙেপড়া গাছ সরিয়ে রাস্তা খালি করেছে। বুধবার মধ্যরাত থেকেই বৃষ্টি হয়েছে শহরে। বৃহস্পতিবার দিনভর বৃষ্টি চলেছে। যার জেরে জলমগ্ন হয়েছে শহরে বেশ কিছু এলাকা।

সুকিয়া স্ট্রিট, বিবি গাঙ্গুলী স্ট্রিট, সেন্ট্রাল এভিনিউ, ঠনঠনিয়া, টেংরা, পিকনিক গার্ডেন, বাইপাস সহ বিভিন্ন এলাকায় যথেষ্ট জল জমেছে। যদিও কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসককে জানিয়েছেন, কিছু কিছু জায়গায় জল জমেছে। কিন্তু দেশের অন্যান্য মেট্রো শহরে যেভাবে বানভাসি অবস্থা, তা কলকাতায় হয়নি। কিছু জায়গায় জল জমেছে তা দ্রুত নেমে যাচ্ছে। এদিকে, এদিন সকালে কলকাতায় লিবার্টি সিনেমা হলের পাশের গলিতে একটি তিনতলা বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ে।

বাড়ির বাসিন্দা তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের স্থানীয় কলকাতা মেডিকেল কলেজে ( Medical College ) নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি বাসিন্দাদের উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে যায় দমকল এবং কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগের কর্মীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় স্থানীয় গিরিশ পার্ক থানার পুলিশ। অন্যদিকে পার্কস্ট্রিটে ফুটপাতের একটি কাজ পুরোপুরি গোড়া থেকে ভেঙে পড়ে। পরে কলকাতা পুরসভার উদ্যান বিভাগের কর্মীরা গিয়ে গাছ কেটে তা সরিয়ে নিয়ে যায়।

কলকাতা শহরে এদিন দুপুর দুটো পর্যন্ত ৪০ মিলিমিটার গড় বৃষ্টিপাত হয়েছে। তাতেই ভেসে গিয়েছে কলকাতা। কলকাতা পুরসভার সব পাম্পিং স্টেশন ( Pumping Station ) কাজ শুরু করেছে। চালানো হচ্ছে ৩৭৭টি পাম্প ( Pump )। কিন্তু তারপরেও শহরের বিস্তীর্ণ এলাকায় জল নামানো যায় নি। বিশেষ করে মেট্রোর কাজের জন্য বাইপাসে বিভিন্ন জায়গায় জল জমেছে।

তবে কয়েকটি অঞ্চল থেকে ধীরে ধীরে জল নামছে বলে দাবি করেছে কলকাতা পুরসভা। বিশেষ করে, দুপুরে কয়েকঘণ্টা জোয়ার থাকায় লকগেট বন্ধ ছিল। তার ফলে জল জমেছে বলেই দাবি পুরসভা। বিকেলে লক গেট খুলে দেওয়ার পর আস্তে আস্তে জল নেমে গিয়েছে বলে দাবি করেছে কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষ।

]]>
যাদের মুঠোয় ছিল শিল্পের যাদু, সেই হাজার হাতকে নিঃস্ব করেছে লকডাউন https://runnerbangla.com/corona-lockdown-unemployed-central-avenue-twig-artists/ Tue, 20 Jul 2021 09:09:08 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4222 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : সময় পাল্টেছে। যার জেরে আরও সঙ্কটে ডোমপাড়ার কঞ্চি শিল্পীরা ( Twig Artist )। লকডাউন সেই সঙ্কট আরও বাড়িয়েছে। এক সময় বাঁশের কঞ্চি ধরা শিল্পী এখন রাজমিস্ত্রির কাজ করছেন। কেউ আবার মুটে মজুর। শারদোৎসবের আগে কি আসবে কাজের অর্ডার? নাকি তৃতীয় ঢেউর ( Third Wave ) ধাক্কা! এমনই আশা, আশঙ্কায় দিন কাটছে তাঁদের। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউের ( Central Avenue ) ধারে ডোমপাড়ার কঞ্চি শিল্পীদের বসবাস।

ভোট এলেই এক সময় রাজনৈতিক দলগুলির তরফে বিপুল সংখ্যক প্রতিক চিহ্ন তৈরি করার অর্ডার আসত। নিরদিষ্ট সময়ের আগে এই সব তৈরি করে দিয়ে রঙ করে লিখে দিতে এক মহুর্ত সময় থাকত না। ফুটবল বা ক্রিকেট বিশ্বকাপে ট্রফির রেপলিকা তৈরি বা পুজো অনুষ্ঠানে প্রতিমার চালচিত্র থেকে প্যাণ্ডেল তৈরি। ফ্লেক্সর যুগে সেসব এখন অতীত। এখন ভোট আসে ভোট যায় রাজনৈতিক দলগুলির কর্মীদের ভিড় জমে ফ্লেক্স প্রিন্টিং-র ছাপাখানায়।

ডোমপাড়া মাছি তাড়ায়। বিশ্বকাপেও তেমনই ছবি। নামমাত্র খরচে ফ্লেক্সে নিজের ইচ্ছা মত ছবি লেখা সবটাই দেওয়া যায়। তবে আশার আলো দেখিয়েছে বিভিন্ন শপিং মলের কাজকর্ম। তাঁদের কাজের ধরন পাল্টেছে। বিভিন্ন শপিং মলে বছরভর নানা অনুষ্ঠানে সাজানোর দায়িত্ব এখন এই শিল্পীরাই পান। বিয়ে বাড়ি কিংবা অন্য অনুষ্ঠান বাড়ির সামনে গেট বা মূর্তি তৈরির অর্ডার এই শিল্পীদের জোটে। বিভিন্ন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা কাজের বরাত দেয় এই কঞ্চি শিল্পীদের।

সেসবের ওপর এই কোনওরকমে বেঁচে আছে এই শিল্পের ভবিষ্যৎ। সঙ্কটময় অবস্থার সঙ্গে প্রতিদিন রুজির লড়াইয়ে টিকে ছিলেন এই এলাকার প্রায় ৫০০-৬০০জন শিল্পী, কর্মচারী। তবে সব শেষ করে দিয়ে গেছে করোনা মহামারি। যে নতুন নতুন পথে আয়ের মুখ দেখছিলেন সেই শপিংমল, বিয়ের বা জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কাজ বা বিভিন্ন ইভেন্টে সাজানোর কাজ একদমই বন্ধ। শিল্পী রাকেশ সর্দার জানাচ্ছেন, লকডাউনে প্রায় হাত শূণ্য। কোন অর্ডার নেই। একটা কেউ কিছু অর্ডার দিতে এলে দশজন ঝাঁপিয়ে পড়ছে।

কাচামালের দাম বেড়েছে। কৌশিক লোহার বলছেন, অনেকেই বসে থাকতে পারেননি। পরিবার আছে তাই সংসার টানতে অন্য কাজ খুঁজে নিয়েছেন। অনেকে ভিন রাজ্যে রাজমিস্ত্রীর কাজে যোগ দিয়েছেন। আবার অনেক কর্মচারী এখন বেকার। শিল্পী থেকে কর্মী সকলের কথায় উঠে এসেছে বর্তমান সময় ডোমপাড়ার এই কঞ্চি শিল্পের বেহাল অবস্থার কথা। তাঁরা এখন রোজগারের আশায় তাকিয়ে আসন্ন শারদোৎসবের দিকে। তার উপর তৃতীয় ঢেউয়ের ভ্রুকুটি। সেই আশা নিরাশার দোলাচলে দিন কাটে ডোমপাড়ায়।

]]>