Britain – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Tue, 15 Jun 2021 07:28:22 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Britain – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 করোনায় নিঃস্ব, চলছে শরীর বেচে পড়াশোনা https://runnerbangla.com/corona-students-forced-sell-bodies/ https://runnerbangla.com/corona-students-forced-sell-bodies/#respond Tue, 15 Jun 2021 06:04:59 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2482 রানার প্রতিবেদন : করোনা ( Covid-19 ) মহামারির ফলে ব্ৰিটেনসহ ( Britain ) পশ্চিমি বিশ্বের অনেক দেশেই মল, বার, পাব এবং দোকানপাট অনেকদিন ধরেই বন্ধ। এসব স্থানে কাজ করে বহু শিক্ষাৰ্থী তাঁদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ফি পরিশোধ করেন। পেটও চলে তাঁদের। কিন্তু পাব ও দোকানপাটে কৰ্মরত অসংখ্য এমন শিক্ষার্থী করোনার জন্য তাঁদের কাজ হারিয়েছেন। ফলে বাধ্য হয়ে এসব শিক্ষাৰ্থীর অনেকেই এখন শরীর বিক্ৰিতে নামতে বাধ্য হয়েছেন।

এমন অবস্থায় এসব শিক্ষাৰ্থীকে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে দেহপসারিণীদের ইউনিয়ন ইংলিশ কালেকটিভ অব প্রস্টিটিউটস (ইসিপি)। ইসিপির সদস্যরা বলেছেন, তাঁদের কাছে এ-বছর বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজপড়ুয়া বহু যুবতী সাহায্য চেয়ে হেল্পলাইনে যোগাযোগ করেছেন। তাঁরা শরীর বিলিয়েই ব্যবসা করতে চান। কিন্তু কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা তাঁদের উপার্জনে ভাগ বসাচ্ছেন। শরীর বিক্রির অর্থ দিয়ে এসব শিক্ষাৰ্থী ছাত্রীরা তাঁদের ফি পরিশোধ করতে চান।

পতিতাদের জন্য তো বটেই, সমাজের জন্যও এটা ঠিক নয়। ইসিপির প্রতিনিধি বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উচিত এই ছাত্রীদের সামলানো, নয়তো যাদের দেহদানই পেশা, তাঁদের বাজার সংকুচিত হয়ে আসবে। এক্ষেত্ৰে ইসিপির এই চিঠি পেয়ে কোনও কোনও ইউনিভাৰ্সিটি নিৰ্দেশনাও প্রকাশ করেছে। তাতে বলা হয়েছে যে, কীভাবে নিরাপদে দেহ বিক্ৰি করতে হবে। ইসিপি যে এই নির্দেশনায় সন্তুষ্ট নয় তা বলাই বাহুল্য।

ইসিপি-র মুখপাত্ৰ লরা ওয়াটসন বলেছেন, টিউশন পেটের ভাত জোগাড় করা ও ফি পরিশোধ করতে গিয়ে পতিতাবৃত্তিতে যুবতী শিক্ষাৰ্থীদের যুক্ত হওয়ার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেহ বিক্রয়ে যেসব যুবতী যুক্ত হয়েছেন, তাঁরা কমপক্ষে ৩০ হাজার পাউন্ড ঋণ পরিশোধ করতে এই পেশায় এসেছেন। এই পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করতে গিয়ে ছাত্রীদের বহু পুরুষের সঙ্গে যৌনসংসর্গে জড়িত হতে হচ্ছে।

তাছাড়া লকডাউন চলার ফলে গ্রাহকরাও খুব বেশি অর্থ দিতে পারছেন না। লরা ওয়াটসন আরও বলেন, করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে অসংখ্য যুবতী তাঁদের দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে যৌনকৰ্মকেই সহজ আয়ের পথ হিসেবে বেছে নিতে শুরু করেছেন। মল, মোটেল, রেস্তোরাঁ, পাব এবং দোকানপাট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এসব যুবতীর কাছে কোনও বিকল্পও আর খোলা নেই। তাই তাঁরা বেঁচে থাকার জন্য এসব কাজ করছেন।

১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইউনিয়ন ইংলিশ কালেকটিভ অব অব প্রস্টিটিউটস ( Union English Collective of Prostitutes – ECP )। তখন থেকেই এই ইউনিয়ন যৌনকৰ্মীদের প্রতি বৈষম্যের প্রতিবাদে, তাঁদের অধিকার ও নিরাপত্তা উন্নত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ওয়াটসন আরও বলেন, প্রথমবার লকডাউন দেওয়ার পর গণহারে যুবলীরা অনলাইনের সঙ্গে যুক্ত হন। ইসিপি বলেছে, এ বছর দেহদানের মাধ্যমে অৰ্থ উপাৰ্জনকারী এমন শিক্ষাৰ্থীর সংখ্যা এরইমধ্যে এক-তৃতীয়াংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

দেহপসারিণীদের অধিকার বিষয়ক এই সংস্থাটি আরও বলেছে, লকডাউন দেওয়ার ফলে অসংখ্য শিক্ষাৰ্থী আৰ্থিক সংকটে পড়েছেন। ফলে দেহব্যবসার মাধ্যমে উপাৰ্জনকারী যুবতী শিক্ষাৰ্থীর সংখ্যা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। এঁরা অধিকাংশই নিম্নবিত্ত পরিবারের হলেও বহু উচ্চবিত্ত পরিবারের মেয়েরাও এই পেশায় এসেছেন। অনেক শিক্ষাৰ্থী নিজের নগ্ন ছবিও বিভিন্ন সাইটে বিক্ৰি করছেন।

অনেকে ভিডিও চ্যাটে নগ্ন শরীর দেখান, অশ্লীল ও উত্তেজক গল্প করেন। কারণ বার ও দোকানপাটে তাঁদের জন্য কোনও কাজ নেই। তাই প্রতিদিন এভাবে অৰ্থ উপাৰ্জন এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরামৰ্শ চেয়ে প্রতিদিন গড়ে ৮ জন যুবতী শিক্ষাৰ্থী ইসিপির কাছে ফোন করছেন।

]]>
https://runnerbangla.com/corona-students-forced-sell-bodies/feed/ 0
বেশিক্ষন টিভি দেখেন? জানেন কি ভয়ঙ্কর ক্ষতি করছেন নিজের? https://runnerbangla.com/watching-tv-for-a-long-time-after-50-years-bringing-danger-to-yourself/ https://runnerbangla.com/watching-tv-for-a-long-time-after-50-years-bringing-danger-to-yourself/#respond Sun, 13 Jun 2021 06:16:25 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2408 রানার প্রতিবেদন : আপনার বয়স কি ৫০ পেরিয়ে গেছে? ধীরে ধীরে ষাটের কোঠায় পৌঁছচ্ছেন? তাহলে টেলিভিশন দেখার উপর একটু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করুন। কেননা ৫০-এর পরেও যদি আপনি একটানা তিন থেকে সাড়ে তিনঘণ্টা টেলিভিশন দেখে যান, তাহলে স্মৃতিশক্তি অনেকটাই কমে যেতে পারে। সম্প্ৰতি হওয়া একটি গবেষণালব্ধ ফলাফল থেকেই এমনটা বলা হয়েছে। এই গবেষণার জন্য ৫০-এর বেশি বয়স এমন ৩,০০০ মানুষের উপর পৰ্যবেক্ষণ চালানো হয়েছিল।

৬ বছর ধরে এই সমীক্ষাটি চালানো হয়েছে। তাতে দেখা গেছে যারা টিভি কম দেখে তাদের তুলনায় যারা বেশি টিভি দেখে তাদের স্মৃতির যে অংশটি ভাষার সঙ্গে জড়িত, তা হ্ৰাস পেয়েছে। প্ৰকৃতির সাধারণ নিয়মেই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের স্মৃতিশক্তি নষ্ট হতে থাকে। কিন্তু বয়স ৫০ পেরোলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যদি বোকাবাক্সের সামনে বসে থাকা হয়, তাহলে দ্ৰুতই স্মৃতিশক্তি ক্ষয় হতে থাকে। ইউনিভাৰ্সিটি কলেজ অব লন্ডনের ( University College London ) একটি গবেষণাই এটা প্ৰমাণ করেছে।

গবেষক থেকে শুরু করে মনোবিদ সকলেই বলেছেন টেলিভিশন দেখার চেয়ে মস্তিষ্কের জন্য অনেক বেশি উত্তেজনাকর কাজ বই পড়া বা শরীরচর্চা করা। এসবের মাধ্যমে স্মৃতিশক্তিকে দীৰ্ঘদিন ধরে সচল রাখা যায়। এই গবেষণায় দেখা গেছে ৫০-৫৫ বছরের ব্যক্তিদের মধ্যে যারা দিনে গড়ে সাড়ে তিনঘণ্টার বেশি টেলিভিশন দেখছে তাদের ক্ষেত্ৰে ১০ শতাংশ পৰ্যন্ত ভারবাল মেমোরি হ্ৰাস পায়। আর যাঁরা দিনে দু থেকে আড়াইঘণ্টা টিভি দেখেন ওই একই বয়ঃসীমার ব্যক্তিরা, তাঁদের স্মৃতিশক্তি কমে ৭ শতাংশ।

ইউসিএল ইন্সটিটিউট অব এপিডেমিওলজি হেলথ কেয়ারের ( UCL Institute of Epidemiology Health Care ) গবেষক ড. ডেইজি ফ্যানকোটের ( Daisy Fancote ) মতে, ‘সাৰ্বিকভাবে আমাদের গবেষণা থেকে যেটুকু আমরা বুঝতে পেরেছি, তার উপর ভিত্তি করে বলা যায় পঞ্চাশের উপর যেসকল মানুষের বয়স চলে গেছে তাঁদের টিভি দেখার পাশাপাশি অন্যান্য সৃষ্টিশীল কাজেও নিজেদের ব্যস্ত রাখতে হবে।’ ব্রিটেনে ( Britain ) এই গবেষণা করা হয়। তাতে প্ৰত্যেকে কতদিন টিভি দেখেন তা জানতে চাওয়া হয়।

পাশাপাশি তাদের জীবনযাপন পদ্ধতি, কতটা সময়ে তারা বসে থাকে বা কাজ করলে কী ধরনের কাজের মধ্যে থাকে, শরীরচর্চা করে কি না ইত্যাদি প্ৰশ্নও করা হয়। তবে এই গবেষণায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা টেলিভিশনে মূলত কী ধরনের অনুষ্ঠান দেখেন তা নিয়ে কোনও প্ৰশ্নাবলি করা হয়নি। তবে কিছু কিছু টেলিভিশন অনুষ্ঠান যে তাদের মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তিতে প্ৰভাব ফেলছে, সে সম্পৰ্কে গবেষকরা নিশ্চিত।

ইউসিএলের বিজ্ঞানীদের মতামত এ-বিষয়ে প্ৰণিধানযোগ্য। তাঁরা জানান, ‘বয়স্ক মানুষেরা বেশিরভাগ ক্ষেত্ৰে নাটক দেখেন, আর ওইসব নাটকের চরিত্ৰের সঙ্গে নিজেদের ভীষণভাবে একাত্মবোধ করতে পারে। আর এটাই মস্তিষ্কের স্মৃতিধারণ ক্ষমতার উপর চাপ তৈরি করে।’ তবে বিষয়টি নিয়ে আরও বিশদে গবেষণা করা হবে।পাশাপাশি টিভি দেখার সময়সীমা কত হবে, তা নিয়েও আরও ভালো করে পরিমাপ করতে হবে।

ইউনিভাৰ্সিটি অব সারের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজির ( University of Surrey Clinical Psychology ) অধ্যাপক ড. বব প্যাটন জানান, ‘টিভি দেখা মানেই মস্তিষ্ক নষ্ট হয়ে যাওয়া নয়। তবে পঞ্চাশের বেশি বয়সের মানুষের বেশি টিভি দেখা মস্তিষ্কে কোনও না কোনও পরিবৰ্তন আনছে সেটা সত্যি।’

]]>
https://runnerbangla.com/watching-tv-for-a-long-time-after-50-years-bringing-danger-to-yourself/feed/ 0
বিশ্বের বিরল ঘটনা, মল দান করে অসংখ্য মানুষকে সুস্থ করছেন এক যুবতী https://runnerbangla.com/world-rare-event-britain-young-woman-healing-countless-people-donating-stool/ https://runnerbangla.com/world-rare-event-britain-young-woman-healing-countless-people-donating-stool/#respond Thu, 03 Jun 2021 08:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1840 রানার প্রতিবেদন : ক্লডিয়া ক্যাম্পোলিনা (Claudia Campolina ) ব্ৰিটেনের এক সুন্দরী যুবতীর নাম। তিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্ৰশাসনিক পদে চাকরি করেন। কিন্তু অবসর সময়ে তিনি যে কাজ করেন সেটাই সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয়। কী করেন তিনি? তিনি আসলে কাজের ফাঁকে ফাঁকে নিজের মল অন্যদের দান করেন।

কারণ ডাক্তাররা আবিষ্কার করেছেন যে ক্লডিয়ার মলে এমন সব উৎকৃষ্ট মানের ব্যাকটেরিয়া আছে, যা মরণাপন্ন অন্য রোগীর দেহে প্রতিস্থাপন করে বিভিন্ন পেটের রোগের চিকিৎসা করা সম্ভব। ক্লডিয়ার বয়স এখন ৩২। তিনি মলদানকে রক্তদানের মতোই একটা স্বাভাবিক ব্যাপার বলেই মনে করেন। তিনি বলেছেন, ‘আমার অনেক বন্ধু মনে করে এটা একটা জঘন্য, ঘৃণ্য এবং উদ্ভট ব্যাপার।

কিন্তু এসব বাজে কথা আমাকে আদৌ বিচলিত করে না। মলদান করা খুবই সহজ এবং আমি চিকিৎসা গবেষণায় এভাবে অবদান রাখতে অত্যন্ত পেরে খুশি।’ এই ‘মল প্রতিস্থাপন’ কীভাবে কাজ করে? মনে রাখতে হবে এটা কোনও ঘেন্না করার মতো ব্যাপার নয়, বরং একটা জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা। মানুষের পেটের ভেতরকার নাড়িভুঁড়ি অৰ্থাৎ অন্ত্ৰের মধ্যে বাস করে অসংখ্যরকম অনুজীব।

কিন্তু বৰ্তমান যুগে মানুষ যে অ্যানটিবায়োটিক গুচ্ছে গুচ্ছে খায় তা অনেকসময় শরীরের ভালো এবং খারাপ দু’ধরনের ব্যাকটেরিয়াকেই নিৰ্বিচারে মেরে ফেলে। ব্যাকটেরিয়া নিমূল হয়ে যাওয়ার পর যে পেটের ভিতর শূন্যতার পরিবেশ তৈরি হয় তাতে ‘ক্লশটোডিয়াম ডিফিসিল’ (Clostridium Difficile Antibiotic ) নামে বিশেষ এক ধরনের ক্ষতিকর ও প্ৰাণঘাতী ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি ঘটাতে থাকে। এর ফলে এমন ডায়ারিয়া (Diarrhoea ) হয়।

যার সাথে রক্তপাত, জ্বর এবং পেট ব্যথা হতে পারে– এবং অনেকক্ষেত্ৰে এটা এত গুরুতর নেয় যে রোগী খুব শিগগিরই মারা যান। এই পরিস্থিতিতে ভালো বিকল্প হিসেবে বেরিয়ে এসেছে এই ‘মল প্রতিস্থাপন’ চিকিৎসা। অৰ্থাৎ একজন সুস্থ ব্যক্তির মল থেকে ভালো ব্যকটেরিয়াগুলো সংগ্ৰহ করে তা রোগীর মলদ্বার দিয়ে শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়া। ক্লডিয়ার মলে নাকি এত বেশি ভালো ব্যাকটেরিয়া ( Bacteria ) আছে যে তা রীতিমত বিরল।

বিজ্ঞানীরা একে বলছেন ‘সুপার পু’ (মহামল), যার মধ্যে ভালো ভালো সব ব্যাকটেরিয়ার চমৎকার সমন্বয় ঘটেছে এবং ক্লডিয়া হচ্ছেন একজন ‘সুপার ডোনার’ বা মহাদাতা। ক্লডিয়া একজন ভেজিটারিযান অৰ্থাৎ নিরামিষভোজী, আর জন্ম থেকেই নিরামিষভোজীরা ভালো মলদাতা হতে পারেন– এটা জানার পরেই তিনি একজন ডোনার হতে আগ্ৰহী হন। এরপরেই তাঁর মলে পাওয়া যায় উপকারী ব্যাকটেরিয়া সহ জীবনরক্ষাকারী নানা গুণাবলি।

]]>
https://runnerbangla.com/world-rare-event-britain-young-woman-healing-countless-people-donating-stool/feed/ 0
ঢিল ছুড়লেই পাটকেল, তৈরি হচ্ছে ব্রিটেনের মুসলিম মেয়েরা https://runnerbangla.com/khadijah-safari-teaches-britain-islam-convert-women-self-defence/ https://runnerbangla.com/khadijah-safari-teaches-britain-islam-convert-women-self-defence/#respond Fri, 28 May 2021 07:42:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1509 রানার ডেস্ক : সারা ইউরোপেই মুসলিমরা নির্যাতিত। বিশেষ করে মেয়েদের অবস্থা তো খুবই খারাপ। ব্ৰিটেনেও তার কোনও ইতরবিশেষ হয় না। পথেঘাটে অকারণে নাকাল হন মেয়েরা। তাই আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে মুসলিম নারীদের কিকবক্সিং শেখাচ্ছেন মুসলিম এক মহিলা কিকবক্সার। তাঁর নাম খাদিজা সাফারি। মাৰ্শাল আৰ্টে ব্ল্যাক বেল্টের অধিকারী তিনি।

প্ৰচুর মুসলিম নারী তাঁর কাছে এই কিকবক্সিং শিখতে আসছেন। তাঁরা বলছেন, ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণেই তাঁরা ব্রিটেনের যে কোনও জায়গায় শ্বেতাঙ্গ তথা খ্রিস্টান হামলার শিকার হতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন। আর সে-কারণেই তাঁরা ডল বেঁধে বক্সিং শিখতে আগ্ৰহী হয়েছেন।

খাদিজা সাফারি তাঁর এই অভিনব ভাবনা সম্পর্কে বলেছেন, ‘ব্রিটেনে আমরা রাস্তাঘাটে নানা নির্যাতনের শিকার। তাছাড়া মুসলিম নারীদের সম্পৰ্কে বেশিরভাগ মানুষেরই একটি প্ৰচলিত ধারণা রয়েছে যে তাঁরা শুধু বাড়িতে রান্নাবান্না আর ধোওয়ামোছার মতো গৃহস্থালি কাজেই ব্যস্ত থাকেন, এসবই শুধু পারেন। আমাকেও তাঁরা সে-রকম একজন মহিলার মতোই মনে করেন। কিন্তু এটা তাঁদের একটি ভ্ৰান্ত ধারণা। আমি আদৌ সে-রকম নরম ধাঁচের নই। আমি শক্তিশালী মাৰ্শাল আর্ট জানি, সেটাই এখন অন্য মেয়েদের শেখাই।’

মুসলিম যুবতীদের মূলত থাই বক্সিং শেখান খাদিজা। তিনি জানান, ‘এই মেয়েরা যখন বাইরে ঘুরে বেড়ান তখন খুব একটা স্বস্তিবোধ করেন না। তাঁরা যখন মাথায় স্কাৰ্ফ পরে কিংবা বোরখা পরে এখানে সেখানে যান প্ৰায়শই তাঁরা শ্বেতাঙ্গ তথা খ্রিস্টান পুরুষদের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন। এটা তো চলতে দেওয়া যায় না। তাই আমি এই পথ নিয়েছি।’

এমনই একজন ছাত্ৰী, মাথায় হিজাব পরে আছেন তিনি, দেখতে অসাধারণ সুন্দরী, কিন্তু কঠোর নিয়ম মেনে বক্সিং শিখছেন তিনি। শিখতে শিখতেই বলছিলেন, ‘স্কাৰ্ফ পরার জন্য রাস্তাঘাটে আমাকে অনেকবার নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছহে। অনেক অপমানজনক কথা শুনতে হয়েছে। এমনকী অনেকে এমনও বলেছেন যে আমি নাকি বোমা নিয়ে রাস্তায় বেরিয়েছি।’

আরেক নরমসরম মুসলিম যুবতী জানান, ‘অপমান অবমাননা থেকে বাঁচার জন্য এই কিকবক্সিং আমাকে নতুন করে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। নোংরা সব মানুষজন যখন আগে আমাকে দেখে চিৎকার করে মুসলিম বলে অপমান করত, আজেবাজে কথা বলত, তখন আমি অনেকবার কান্নায় ভেঙে পড়েছি। তখন আমি বুঝতে পারতাম না কী করতে হবে। কাঁদতে কাঁদতে আমি রাস্তা থেকে দৌরে এসে ঘরের ভেতরে গিয়ে সেঁধিয়ে যেতাম।‘

খাদিজার প্রতি শ্রদ্ধা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘এসব অপমানের পর এমন হতো যে আর বাইরে যেতে চাইতাম না। কিন্তু এখন আমি আর সে-রকম মনে করি না। এখন যদি কেউ আমাকে কোনও খারাপ কথা বলে, যৌন ইংগিত করে, তাহলে তাকে উচিত শিক্ষা দেবো আমি।‘ এদিকে খাদিজা সাফারি বলেছেন, ‘এটা এমন এক শিক্ষা যার মাধ্যমে মুসলিম নারীরা আত্মবিশ্বাস আর সাহস ফিরে পেয়েছেন। পাশাপাশি তাঁরা শিখেছেন বিপদের সময় নিজেদের রক্ষা করার কৌশলও। এখন ঢিল মারলে পাটকেল খেতে হবেই।‘

]]>
https://runnerbangla.com/khadijah-safari-teaches-britain-islam-convert-women-self-defence/feed/ 0