BJP – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Sat, 24 Jul 2021 14:46:11 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png BJP – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 দিল্লিতে মোদি বিরোধী মঞ্চের যাত্রারম্ভ বুধবার, মধ্যমনি মমতা, কটাক্ষ বিজেপির https://runnerbangla.com/anti-narendra-modi-alliance-journey-delhi-july-26-led-mamata-banerjee/ Sat, 24 Jul 2021 14:20:31 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4428 #দিল্লি : আগামী বুধবার অর্থাৎ ২৮ জুলাই দিল্লিতে মোদি বিরোধী জোটের যাত্রা শুরু হতে চলেছে। সম্ভবত বঙ্গভবনেই এই বৈঠক হতে পারে। আগামী সোমবার অর্থাৎ ২৬ শে জুলাই থেকে ৩০ শে জুলাই পর্যন্ত দিল্লিতে থাকবেন মমতা ( Mamata Banerjee )। গত ২১ শে জুলাই শহীদ দিবসের ভাষণে তিনি প্রথম জানিয়েছিলেন, দিল্লিতে থাকাকালীন বিরোধীদলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর জোট গঠনের উদ্দেশ্যে বৈঠকের ডাক দিয়েছিলেন তিনি।

তৃণমূল সূত্রের খবর, ২৮ তারিখ বুধবার বঙ্গভবনে সমস্ত তৃনমূল সাংসদকে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে। সেদিনই চেষ্টা হচ্ছে বিরোধী নেতৃত্বকে বঙ্গভবনে নিয়ে আসার। যাদের ডাকা হতে পারে , তাদের মধ্যে আছেন শারদ পাওয়ার, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, জয়া বচ্চন, পি চিদাম্বরম। অর্থাৎ কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলোকে এ বৈঠকে নিয়ে আসার প্রয়াস শুরু হয়েছে তৃণমূলের ( TMC ) তরফ থেকে। একুশে জুলাই মমতার সভা দিল্লিতে দেখানোর ব্যবস্থা করেছিল তৃণমূল ।

দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে আয়োজিত সেই ভার্চুয়াল সভায় যোগ দিয়েছিলেন জয়া বচ্চন, চিদাম্বরম , শারদ পাওয়ার সহ বিরোধী দলের একাধিক ব্যক্তিত্ব। যারা এসেছিলেন মমতার ভাষণ শুনতে তাদের বাইরেও, বিভিন্ন আঞ্চলিক দল এবং জাতীয় স্তরে কংগ্রেসকে একমঞ্চে আনা যায় কিনা সেই চেষ্টা চলছে। তৃণমূল সূত্রের দাবি, এখনো চূড়ান্ত হয়নি কারা বৈঠকে থাকবেন, কারা থাকবেন না। নির্দেশ এসেছে ২৮ তারিখ বৈঠকের জন্য, সেই অনুযায়ী ময়দানে ঝাপিয়েছেন তৃনমূল সাংসদরা।

সেই লক্ষেই অন্যান্য বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন তারা। ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনের আগে বিভিন্ন বিজেপি বিরোধী দলগুলোকে এক মঞ্চে নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । ব্রিগেডে সভাও হয়েছিল । সেই সভায় কংগ্রেসের প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ছিলেন একাধিক প্রথম সারির বিজেপি বিরোধী আঞ্চলিক দলের নেতা। লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বিরোধী শক্তি কার্যত মুখ থুবরে পড়ে।

একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফেরেন নরেন্দ্র মোদী ( Narendra Modi )। বিজেপি সেই ১৯ এর উদাহরণ টেনে এবারের উদ্যোগকে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না। তাদের কথায় ভোট এলেই জোটের নাটক শুরু হয়। উনিশেও সবাই হাতে হাত ধরে এক সঙ্গে ভোটে ভেসে গিয়েছিলেন খড়কুটোর মতো। এবারও তারই পুনরাবৃত্তি হবে, দাবি বিজেপি নেতৃত্বের।

]]>
হরিচাঁদ ঠাকুরের প্রতিকৃতি নিয়েই মন্ত্রণালয়ে ঢুকলেন শান্তনু ( ভিডিও ) https://runnerbangla.com/shantanu-thakur-shipping-and-sports-ministry-harichand-tagore-portrait/ Wed, 14 Jul 2021 10:22:57 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3955 রানার ডেস্ক : দিল্লির মন্ত্রণালয়ে হরিচাঁদ ঠাকুরের প্রতিকৃতি বসালেন শান্তনু ঠাকুর ( Shantanu Thakur )। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদলে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন শান্তনু। তাঁকে দেয়া হয়েছে জাহাজ চলাচল এবং ক্রীড়া মন্ত্রকের ( Ministry Of Shipping And Sports ) প্রতিমন্ত্রীর পদ। দিল্লিতে এবার মন্ত্রণালয়ে নিজস্ব চেম্বার হলো মন্ত্রী শান্তনুর। আজ সেই চেম্বারে পা রাখলেন, হাতে করে নিয়ে ঢুকলেন হরিচাঁদ ঠাকুরের ( Harichand Tagore ) ছবি, ঠাকুরের পাশে তাঁর স্ত্রী জগৎ মাতা শান্তি মাতার ছবি।

তারপর দেয়ালের প্রতিষ্ঠা করে প্রণাম জানিয়ে নিজের চেয়ারে বসলেন তিনি। নতুন চেম্বারের আজ থেকে শুরু হল মন্ত্রী হিসেবে তাঁর কর্ম যাত্রা। মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ এই সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। দীর্ঘ বছর ধরে যারা নাগরিক মর্যাদার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন, সেই সম্প্রদায়ের মানুষের একজন প্রতিনিধি আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়ের ঢুকলেন ঠাকুরের ছবি বুকে চেপে।

এই পরিবারের একাধিক সদস্য জড়িত হয়েছেন রাজনীতিতে। প্রথমে বাম তারপর তৃণমূল এখন নতুন সংযোজন বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনে বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন শান্তনু। বিজেপির জয়জয়কার তিনি অব্যাহত রাখতে পেরেছেন বিধানসভা ভোটেও। বনগা লোকসভার অন্তগত সাতটি বিধানসভার মধ্যে ছটি বিধানসভা কেন্দ্র জিতে নিয়েছে বিজেপি। যদিও নাগরিকত্ব ইস্যুতে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে তাদের মধ্যে।

বিজেপি কথা দিয়েছিল, তারা দ্রুত নাগরিকত্বের শংসাপত্র তুলে দেবেন মতুয়াদের হাতে। বিজেপির সেই আশ্বাস বা প্রতিশ্রুতি এখনো পূরণ করা সম্ভব হয়নি। তাহলে কি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে বিজেপি? এই প্রশ্ন উঠেছে মতুয়া সমাজের মধ্যে। শান্তনু কে মন্ত্রী করার মধ্যে দিয়ে সেই সমাজকেই বার্তা দিলো বিজেপি। মতুয়া সম্প্রদায়কে ভোলেনি গেরুয়া শিবির, বরং যথাযোগ্য সম্মান দিতে যে প্রস্তুত, শান্তনুকে মন্ত্রী করে সেই বার্তাই দিল বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

]]>
কে ফোন পেল, কে মন্ত্রী হলো? চাঞ্চল্য রাজ্য বিজেপি’র অন্দরে https://runnerbangla.com/bjp-union-miniter-cabinet-reshuffle-delhi-west-bengal-bjp-confusion/ Tue, 06 Jul 2021 15:55:53 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3432 রানার ডেস্ক : দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল আসন্ন। ইতিমধ্যে তার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। অনেকেই ফোন পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে। অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালকে ডেকে পাঠানো হয়েছে, তাকে কেন্দ্রে মন্ত্রী করা হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় ( Union Cabinet ) আসবেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। বিভিন্ন রাজ্যের বিজেপি এবং তার শরিক দলগুলির মধ্যে চলছে জোর জল্পনা। শরিকরা রীতিমতো দরকষাকষি করে যাচ্ছে চেয়ারের দখল পেতে।

রাজ্য বিজেপিকেও এখন গ্রাস করেছে কৌতূহল আর চাঞ্চল্য। ২০১৪ সালে বিজেপি দুটো আসন পেয়েছিল। দার্জিলিং থেকে জিতেছিলেন সুরিন্দ্রর সিং আলুওয়ালিয়া এবং আসানসোল থেকে জিতেছিলেন বাবুল সুপ্রিয় ( Babul Supriyo )। সেবার দুজনকেই প্রতিমন্ত্রী করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি ( Narendra Modi )। ২০১৯ সালে এক লাফে সংখ্যাটা পৌঁছায় ১৮ তে, কিন্তু পাওনার ঝুলিতে শ্রীবৃদ্ধি হয়নি। ১৮ সাংসদ পেয়েও কপালে জুটেছে দুই হাফ মন্ত্রী।

ভোটের পর রাজ্য নেতারা ধরেই নিয়েছিলেন, একুশের কথা মাথায় রেখে অন্তত একজন ক্যাবিনেট এবং একাদিক প্রতিমন্ত্রী পাবে রাজ্য। সেই গুড়ে বালি, খালি হাতেই ফিরে এসেছেন ১৬ জন সাংসদ। এবার দলের অন্দরে গুঞ্জন, মুখ তুলে তাকাবে দিল্লি। দুই থেকে সংখ্যাটা বাড়বে। কিন্তু কার কপালে শিকে ছিরবে, তা অজানা, আর অজানা বলেই, ফিসফাস হচ্ছে ঝড়ের গতিতে। সকালেই খবর এলো, দিল্লি যাচ্ছেন লকেট। ওমনি ডানা মেলতে শুরু করলো জল্পনা।

সাংবাদিকরা ফোনে ধরলেন লকেটকে। দিল্লি থেকে ফোন পেয়েছেন? একটাই প্রশ্ন। লকেটের কাতর অনুরোধ,” প্লিস এসবে আমার নাম যুক্ত করবেন না। কোনও ফোন আসেনি। স্ট্যান্ডিং কমিটির রুটিন বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি যাওয়া। তাহলে? বিজেপির মেজো নেতার বললেন, খোঁজ নিন শান্তনু ঠাকুর কোথায়? শুরু হলো খোঁজ। কোথায়? জানা গেল দিল্লিতে। কোনও সাংবাদিকের ফোন তুললেন না তিনি।

মেজো নেতারা কার্যত ঘোষণা করে দিলেন, মন্ত্রী হলে শান্তনুই হবে। মতুয়া সম্প্রদায় কিছুটা হলেও অখুশি নাগরিক আইন কার্যকর না হওয়ায়। তাই শান্তনুকে খুশি করে মতুয়া সম্প্রদায়কে বার্তা দিতে চায় বিজেপি। তাহলে দিলীপ ঘোষ? এক সাংবাদিকের প্রশ্নে নেতারা বললেন, দিলীপ দা দলের সভাপতি থাকবেন। দলের এক ব্যক্তি-এক পদ নিয়মের গেরোয় তাঁর মন্ত্রী হওয়া হবে না। এবার নজর দিলীপ ঘোষের দিকে। এক ফাঁকে বিধানসভায় এসেছিলেন দিলীপ ঘোষ। তখন তাকে এক ফাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, রাজ্যের কে বা কারা প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে ফোন পেয়েছে? দিলীপ ঘোষ বলেন, “এখনও পর্যন্ত কেউ ফোন পেয়েছে বলে আমার জানা নেই।”

]]>
দিলীপ-শুভেন্দু, এবার জোড়া ফলার রণ কৌশল নিচ্ছে বিজেপি https://runnerbangla.com/dilip-ghosh-suvendu-adhikari-bjp-double-fight-strategy/ Sun, 27 Jun 2021 15:21:23 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3005 রানার ডেস্ক : আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি ( BJP ) নেতৃত্ব এবার গ্রহন করছে রাজ্যের যৌথ নেতৃত্বের রণকৌশল। দিলীপ ঘোষের ( Dilip Ghosh ) সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari ) ও এখন থেকে সমান গুরুত্ব পাবেন রাজ্য রাজনীতিতে। ভোটের আগে রথ যাত্রার সময় রথে একাধিক রাজ্য নেতার ছবি লাগানো হয়েছিল। সেই সময় এই ছবি ঘিরে যথেষ্ট বিতর্ক হয়েছে বিজেপির অন্দরে। কার ছবি থাকা উচিত আর কার ছবি নয়, এ নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে।

তারপর থেকে বিজেপির দিল্লি নেতৃত্ব পরিষ্কার জানিয়ে দেয়, রাজ্যে দলীয় কোনো অনুষ্ঠানে দিলীপ ঘোষ ছাড়া অন্য কোনও রাজ্য নেতার ছবি ব্যবহার করা যাবে না। লোকসভা নির্বাচনের সময় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পাশাপাশি রাজ্য নেতাদের মধ্যে একমাত্র দিলীপ ঘোষের পোস্টার এবং কাটআউট ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই সিধান্ত থেকে এবার সরে আসছে বিজেপি।

আগামী দিনে রাজ্যে বিজেপির যেকোনও ধরনের অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তারা দিলীপ ঘোষের পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারীর ছবিও ব্যবহার করতে পারবেন। এই দুইজনের বাইরে অন্য কোনও নেতা বা নেত্রীর ছবি ব্যবহার করা যাবে না। আগামী মঙ্গলবার বিজেপি রাজ্য দফতরে বসছে দলের রাজ্য কমিটির কার্যনির্বাহী বৈঠক। এই বৈঠকে সম্বর্ধনা দেয়া হবে দিলীপ ঘোষকে এবং একইসঙ্গে সম্বর্ধনা দেয়া হবে শুভেন্দু অধিকারীকেও।

বিজেপি রাজ্য নেতৃত্ব জানিয়েছেন, সংবর্ধনা পর্বে এর বাইরে আলাদাভাবে সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হবে প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় সভাপতিকে। বৈঠকে রাজনৈতিক প্রস্তাব পেশ করা হবে কিন্তু সেই প্রস্তাবে পরিষ্কার করে এটা কোথাও লেখা থাকবে না যে দিলীপ ঘোষের পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারীকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে দল।

অনুচ্চারিত ভাবে স্পষ্ট বুঝিয়ে দেওয়া হবে, এখন থেকে দল যৌথভাবে দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারী কে সামনে রেখেই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগঠিত করবে। এই বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে গোটা রাজ্যজুড়ে এবং ছবি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও একই সঙ্গে বিধিনিষেধের পরিবর্তন আনা হবে। অর্থাৎ আগামী দিনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপির জোড়া ফলে হবেন দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারী।

]]>
মমতার নেতৃত্বে থার্ড ফ্রন্ট? সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেন প্রশান্ত কিশোর https://runnerbangla.com/third-front-against-bjp-prashant-kishor-possibilities-mamata-banerjee/ Tue, 22 Jun 2021 06:41:11 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2801 রানার প্রতিবেদন : ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর ( Prashant Kishor ) এককথায় খারিজ করে দিলেন বিজেপির ( BJP ) বিরুদ্ধে কোনও ধরনের থার্ড ফ্রন্ট ( Third Front ) গঠনের উদ্যোগকে। গতকাল বিরোধী দলগুলোকে নিয়ে বৈঠক ডেকেছেন তৃণমূল কংগ্রেসে ( TMC ) যোগ দেওয়া বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ যশবন্ত সিনহা ( Yashwant Sinha )। আজ মঙ্গলবার দিল্লিতে এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ারের ( Sharad Pawar ) বাড়িতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে বিরোধী শিবিরের একমাত্র কংগ্রেসকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

ধরে নেওয়া হচ্ছে, বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেস কে বাদ দিয়েই একটি থার্ড ফ্রন্ট ( Third Front ) গঠন এর তৎপরতা শুরু হলো। মোট ১৯ টি রাজনৈতিক দলকে এ বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সেই তালিকায় নাম নেই কংগ্রেসের। স্বভাবতই দেশজুড়ে আলোচনা চলছে তাহলে কি নতুন করে তৃতীয় ফ্রন্ট গঠনের প্রয়াস শুরু হলো? এমনকি এই আলোচনাও শুরু হয়েছে, সেই প্রস্তাবিত থার্ড ফ্রন্টের নেতৃত্বে থাকবেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee )।

সদ্যসমাপ্ত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটের পর দেশের বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, যদি দিল্লির শাসক দলের বিরুদ্ধে বিরোধীদের একজোট হতে হয় তাহলে মমতার মত একজন নেত্রী কে সামনে রাখা প্রয়োজন। গতকাল বিরোধীদের এই বৈঠক ডাকার পর সেই জল্পনা যখন তুঙ্গে তখন এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে এক প্রশ্নের উত্তরে প্রশান্ত জানান, অতীতের মতো কোনও জোট তৈরি করে বিজেপিকে আটকানোর সম্ভব নয়।

তিনি বলছেন, বিজেপিকে কিভাবে রোখা সম্ভব সে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। গত সপ্তাহে তিনি মুম্বাইতে গিয়েছিলেন শরদ পাওয়ারের সঙ্গে বৈঠক করতে। দীর্ঘসময় ধরে চলে বৈঠক, তারপর সোমবার তিনি দিল্লিতে দীর্ঘ সময় কথা বলেন পাওয়ারের বাড়িতে। এই নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, পাওয়ার একজন দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তি, একজন কুশলী রাজনীতিবিদ। পাওয়ারের যে অভিজ্ঞতার ঝুলি রয়েছে সেটার সম্পর্কে তার কোনো প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ছিলনা।

এনসিপি ( NCP ) নেতার সঙ্গে কথা বলেছেন, রাজনৈতিক আলোচনাই হয়েছে এদিন। ২০২৪ এ একদিকে যেমন লোকসভা ভোট অন্যদিকে তেমনি মহারাষ্ট্র বিধানসভা ভোট। মহারাষ্ট্র বিধানসভা ভোটে এনসিপি’র সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পারে প্রশান্ত কিশোরের আইপ্যাক ( Prashant Kishor Ipac ) । ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্রে গুঞ্জন উঠেছে শিবসেনা, কংগ্রেস, এনসিপি তারা আলাদা আলাদাভাবেই লড়াই করবেন। কংগ্রেসের সঙ্গে এনসিপি’র ও তিক্ততা তৈরি হচ্ছে ধীরে ধীরে।

মনে করা হচ্ছে, মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে সহায়তা নিতে চাইছেন পাওয়ার। এটাও ধারণা করা হচ্ছে কেন্দ্রের শাসক দল বিরোধী জোট তৈরীর ক্ষেত্রে অনুঘটক হিসেবে কাজ করতে চলেছেন প্রশান্ত কিশোর। যদিও গতকাল তিনি জানিয়ে দেন , এ ধরনের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। পিকে বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন বিজেপিকে রুখতে হলে কোন থার্ড ফ্রন্ট গঠন করে তা সম্ভব নয়। অতীতে এ ধরনের জোট তৈরি হয়েছে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে সুতরাং এ ধরনের জোট সম্পর্কে তাদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে।

একইসঙ্গে এটাও বলেন, বিজেপিকে রোখা সম্ভব, বেশ কয়েকটি রাজ্যের বিরোধী দল সেটা প্রমান করে দিয়েছে। সুতরাং কিভাবে কোন পদ্ধতির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় শাসক দলকে রুখে দেওয়া যায় তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। আজ শুধু মাত্র ১৯ টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিই নন, দিল্লিতে পাওয়ারের বাড়িতে বৈঠকে ডাকা হয়েছে বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, অধ্যাপক এবং সমাজের বিভিন্ন বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট মানুষদেরও।

]]>
অভিমানীদের দলে ফেরান, জেলা নেতৃত্বকে এক্ষুনি ঝাঁপিয়ে পড়তে বললো বিজেপি https://runnerbangla.com/bjp-west-bengal-instructed-district-leadership-return-old-members-immediately/ Fri, 18 Jun 2021 14:19:06 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2655 রানার ডেস্ক : আদি-নব্য টানাপড়েন সামলাতে পুরনো কর্মীদের অবিলম্বে কাছে টানার নির্দেশ দিল বিজেপি কেন্দ্রীয় ( Central BJP ) নেতৃত্ব। যে পুরনো কর্মীরা অভিমান করে দূরে সরে গিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে অবিলম্বে যোগাযোগ করতে হবে, নির্দেশ দেওয়া হলো জেলা কমিটিগুলিকে। শুক্রবার হেস্টিংস দফতরে দক্ষিণ বঙ্গের ১৮টি জেলার নেতাদের নিয়ে বৈঠক করলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

ছিলেন শিব প্রকাশ, অরবিন্দ মেনন ( Arvind Menon ) এবং অমিত মালবীয় ( Amit Malviya )। রাজ্য নেতৃত্বের তরফে ছিলেন অমিতাভ চক্রবর্তী, প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় ( Raju Banerjee ), সঞ্জয় সিং। মূলত ‘ সন্ত্রাস’ কবলিতএলাকা গুলি সম্পর্কে রিপোর্ট নেয়া হয় এদিন। ‘ ঘরছাড়াদের’ সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট নেন তারা। ঘর সামলাতে অবিলম্বে পুরনো কর্মীদের ফেরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়, বলা হয় যারা অভিমান করে দলের থেকে দূরে সরে গেছে, তাদের অবিলম্বে দলে ফেরাতে হবে।

মান অভিমান দূর করে তাদের আবার সক্রিয় করে তুলতে হবে। ভোটের সময় তৃণমূল থেকে নেওয়া নেতাদের বেশি গুরুত্ব দেওয়াকে অনেক পুরনো নেতাকর্মী ভাল চোখে দেখেননি। তাঁরাই দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে নিয়েছিলেন, ভোটে দলের হয়ে কাজ করেননি। ভোটে হারের পরে যখন নব্যদের মধ্যে দল ছাড়ার হিড়িক, তখন আবার খোঁজ পড়ল পুরনোদের।

]]>
কেন তৃনমূলে ফিরলেন মুকুল ? জটিল এক নেপথ্য কাহিনী দল বদল ঘিরে https://runnerbangla.com/why-mukul-roy-return-to-tmc-complexity-behind-the-scenes-story/ https://runnerbangla.com/why-mukul-roy-return-to-tmc-complexity-behind-the-scenes-story/#respond Sat, 12 Jun 2021 03:00:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2318 Mukul Roy : গতকাল সকাল থেকে সমস্ত খবর দখল করে নিয়েছিলেন মুকুল রায় ( Mukul Roy )। জল্পনা সত্যি করে দুপুরের পর যোগ দিলেন তৃনমূলে ( Trinamool Congress- TMC )। এসব দৃশ্য বাংলার মানুষকে অবশ্যই ঝাকুনি দিয়েছে যথেষ্ট। যে মানুষটার রাজনৈতিক উত্থান হয়েছিল মমতার হাত ধরে, তৃণমূলে তিনিই ছিলেন সেকেন্ড ইন কমান্ড। কিন্তু জেলের ভয় পেয়েছিলেন মুকুল। সারদা কাণ্ডে ( Saradha Chit Fund ) তাঁকে গ্রেফতার করে জেলে পুরে দেবে এই আতঙ্কে ঘোষণা করেই তৃনমূল ছেড়ে দেন তিনি।

পরে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিড়ে যান গেরুয়া শিবিরে। তার নতুন দলে যাত্রা স্থায়ী হলো মাত্র তিন বছর আট মাস। আবার ফিরে গেলেন পুরনো ঘরে। কেন? এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে গভীর জটিল গহ্বরে। প্রথম কারন, মুকুল সম্পর্কে সাধারণের মধ্যে প্রচলিত ধারনায় প্রভাবিত হয়েছিলেন কৈলাশ বিজয়বর্গীয় ( Kailash Vijayvargiya )। মুকুল একজন চাণক্য, তার হাতের মুঠোয় আছে তৃনমূল দলটা।

তিনি চাইলেই তৃনমূল ভেঙে চুরমার করে দিতে পারেন এবং তার রণকৌশল অনুযায়ী দল এগিয়ে যাবে সাফল্যের শিখরে। অচিরেই ভুল ভাঙলো বিজেপি ( BJP ) নেতাদের। তারা দেখলেন, তৃনমূল দলে একজনের কথাই শেষ কথা তিনি মমতা ব্যানার্জি ( Mamata Banerjee )। মুকুল দু’একজন বিক্ষুব্ধকে গেরুয়া ছাতার নিচে আনতে পারলেও দলে আঁচড়টুকু কাটতে পারেননি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলেন, যিনি সত্যি উঁচু মাপের নেতা হবার ক্ষমতা রাখেন, যিনি তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ধরেন, তিনি কোনও দিনই মমতা ব্যানার্জির সুনজরে থাকেননি।

তাদের নানাভাবে দলে কোণঠাসা হয়েই থাকতে হয়েছে। যেমন অজিত পাজা, পঙ্কজ ব্যানার্জি, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় কিংবা সৌগত রায়ের রাজনৈতিক জীবন দেখলেই তা স্পষ্ট। যার নিজস্ব ক্ষমতা সীমিত, যিনি ইয়েস বস হয়ে থাকতেই চান, তিনি একমাত্র থাকতে পারেন তৃনমূল নেত্রীর ঘনিষ্ঠ বৃত্তের মধ্যে এবং দলে যার উত্থানও হয় মসৃনভাবে। মুকুল রায় দলের সংগঠনের দায়িত্ব হাতে পেয়েছিলেন দল ক্ষমতায় আসার পর, শাসক দলের হয়ে সংগঠন বিস্তার কোনও কঠিন কম্ম নয় বলেই মত পর্যবেক্ষকদের।

তাদের দাবি, মুকুলকে তৃনমূল নেত্রী কাঁধের ওপর বসিয়ে রেখেছিলেন বলেই তার উচ্চতা এত বেশি দেখাতো। মমতার কাঁধ থেকে নেমে আসতেই মুকুলের আসল উচ্চতা সামনে চলে আসে। লোকসভায় মোদির ক্যারিশমা, পুলওয়ামা হত্যাকান্ড, ভারত-পাক সংঘর্ষের আবহ, পাকিস্তানের কাছ থেকে গ্রেফতার পাইলট অভিনন্দন বর্তমানকে ছিনিয়ে আনা, সব মিলিয়ে এমন এক পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, যার ঢেউয়ে চেপে নজিরবিহীন সাফল্য পায় বিজেপি।

যে ঢেউ আছড়ে পড়েছিল এরাজ্যেও। পশ্চিমবঙ্গের সাফল্যের জন্য মুকুলের কোনও অবদান ছিল বলে মনে করেননি দিল্লির নেতারা। ফলে মুকুল থেকে যান উপেক্ষার আড়ালে। কোনও পদ ছাড়াই সাধারণ সদস্য হয়ে। এসময়ই মুকুল আবার তৃণমূলের দিকে পা বারবার ইঙ্গিত দিতে শুরু করেন। ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেন কৈলাশ, তার অনুরোধেই মুকুলকে দলের কেন্দ্রীয় পদ দিয়ে সেই যাত্রা নিরস্ত্র করা হয়।

কৈলাসের বিশ্বাস ছিল, মুকুলকে দিয়ে কাজ হবে। কিন্তু দিল্লির মনে হয়, মুকুল সেই আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আসরে নামছেন না। দ্বিতীয়ত সারদা মামলা সামনে এনে তৃণমূলকে কোণঠাসা করার পরিকল্পনা নিয়ে মুকুলকে কার্যত উপেক্ষা করছিল বিজেপি। দিল্লি চেয়েছিল সারদা মামলার জালে তৃণমূলকে টেনে আনলে প্রতিপক্ষকে অনেকটাই গুঁড়িয়ে দেয়া যাবে। কিন্তু মুকুলকে দলে কেন্দ্রীয় পদ দেবার পর, সারদা-নারদা দুটো মামলাই কার্যত ফাইলবন্দী হয়ে পড়ে।

কারন দুটো মামলাতেই জড়িয়ে মুকুল রায়ের নাম। মুকুলকে বড় পদে এনে তাকে নেতার মর্যাদা দেয়া হলেও মুকুল কিন্তু সেই উৎসাহ নিয়ে লড়াইয়ে তীব্রতা আনতে পারেননি। এমনকি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, নদিয়ায় তিনি ভোটে লড়লেন কিন্তু জেলার অন্য কোনও প্রার্থীর হয়ে প্রচারে তাকে দেখা গেল না। এমনকি নিজের কেন্দ্রেও তাঁকে তেমনভাবে প্রচারে দেখা যায়নি। ওই কেন্দ্রটিতে যেহেতু বিজেপির একচ্ছত্র আধিপত্য আছে, তাই জিততে অসুবিধা হয়নি।

অন্যদিকে তৃনমূল নেত্রীর চোখে চোখ রেখে তীব্র লড়াই দিয়েছেন শুভেন্দু। সংঘাতের তুঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন নন্দীগ্রামকে। ফলে দুটো পাশাপাশি রেখে তুলনা হয়েছে দলে। ভোট শেষ হতেই বিরোধী দল নেতার দায়িত্ব দেওয়া হয় শুভেন্দুকে। সিনিয়র নেতা মুকুলকে উপেক্ষা করে হালে দলে আসা শুভেন্দুর হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়। বার্তা পৌঁছে যায় মুকুলের কাছে। ভোট শেষ হতেই রাজ্যজুড়ে তৈরি হয় সন্ত্রাসের পরিবেশ।

বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনা, ধর্ষণ, এমনকি বাড়ি ছাড়া হতে হয় অনেককে। এই অভিযোগে সরব হয় বিজেপি। এরপরই ঘটে নারদ কান্ডে চারজনের গ্রেফতার। দলের একাংশ চায় সারদা কাণ্ডে ঝাঁপিয়ে পড়ুক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ান মুকুল। দলের কেন্দ্রীয় নেতা জড়িয়ে পড়লে দলের ভাবমূর্তি ঘা লাগবে বলেই সারদার ফাইলে ধুলোর আস্তরণ পুরু হতে থাকে। দলকে বাঁচাতে, দলীয় কর্মীদের ওপর আক্রমণে রাশ টানতে পাল্টা ব্যবস্থা নেবার ক্ষেত্রে এই মুকুল নামক এই প্রতিবন্দকতাকে আবার উপেক্ষার আড়ালে ঠেলে দেওয়া হয়।

মুকুল বুঝতে পারেন গেরুয়া শিবিরে চিরকাল তাকে বহিরাগত হিসাবেই থাকতে হবে। আবার তিনি যোগাযোগ করেন তৃণমূলের সঙ্গে। বিজেপির অন্দরে খবর , শুভেন্দুকে মাথায় তুলে নাচানাচি শুরু হতেই মুকুল তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছিলেন, এবং সেই অনুযায়ী পা ফেলতে শুরু করেছিলেন। যার প্রতিফলন হয়েছে মমতার গলায়,” ভোটের সময় মুকুল তৃণমূলের বিরুদ্ধে কোনও কথাই বলেনি।” ভোটের প্রচারে একদিন মমতা এও বলেছিলেন, মুকুলকে কোণঠাসা করে রেখেছে বিজেপি। ওকে প্রার্থী করা উচিত ছিল বাড়ির আশেপাশে, তা না করে পাঠানো হয়েছে কৃষ্ণনগরে।

মুকুল বিজেপি ছেড়ে তৃনমূলে আসতেই অভিষেক মনু সিংভির টুইট, “বিজেপি এখন সারদা নিয়ে কি করবে, সেটা দেখাই মজার বিষয় হয়ে উঠবে।” তৃনমূল ইঙ্গিত দিয়েছে, সারদার ফাইল খুললে তারা উটলে সেটার রাজনৈতিক লাভ তোলার চেষ্টা করবেন প্রতিহিংসার তত্ত্ব খাড়া করে।

]]>
https://runnerbangla.com/why-mukul-roy-return-to-tmc-complexity-behind-the-scenes-story/feed/ 0
মুকুল ঘরের ছেলে, ঘরে ফিরে এসেছে, মন্তব্য মমতার https://runnerbangla.com/mukul-roy-come-back-rejoin-trinamool-mamata-banerjee-comment/ https://runnerbangla.com/mukul-roy-come-back-rejoin-trinamool-mamata-banerjee-comment/#respond Fri, 11 Jun 2021 13:00:58 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2291 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : দীর্ঘ ৩ বছর ৯ মাসের ব্যবধান। তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC ) ছেড়ে বিজেপিতে গিয়ে ফের ঘাসফুলে ফিরলেন নেতা কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায় ( Mukul Roy )। শুক্রবার তৃণমূল ভবনে যে যোগদান পর্বকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee ) আখ্যা দিয়েছেন, ‘ঘরের ছেলে ঘরে ফেরা’। মুকুলের সঙ্গে তাঁর ছেলে শুভ্রাংশু রায়ও তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দিয়েছেন।

আগামী দিনে আরও বেশ কয়েকজন বিজেপির বিধায়ক এবং সাংসদ তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দেবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মুকুল রায়। পাশাপাশি, মুকুলকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেন, মুকুল ঘরের ছেলে। ও ফিরে এসেছে। মানসিক ভাবেও এখন ভালো থাকবেন। বিজেপিতে কেউ ভালো থাকতে পারে না।

ওখানে কোনও গণতন্ত্র নেই। শুধু শোষণ চলে। পাশাপাশি মুকুলের সঙ্গে কোনওদিন মত বিরোধ ছিল না বলেই জানিয়েছেন মমতা। মুকুলকে ভয় দেখিয়ে মানসিক অত্যাচার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল নেত্রী। নেত্রীর বক্তব্যে সায় দিয়ে মুকুল রায় শুধু বলেছেন, পুরনো জায়গায় এসেছি। পুরনো মানুষজনকে কাছে পেয়ে ভাল লাগছে। এখন দেশের ভবিষ্যত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

যদিও তৃণমূল ভবন সূত্রে খবর, এদিন তৃণমূল ভবনে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখোমুখি হওয়ার পর হাত জোড় করে পায়ে হাত দিয়ে তৃণমূল নেত্রীকে প্রণাম করেছেন মুকুল। বলেছেন, বড্ড দেরি হয়ে গিয়েছে। বড় ভুল করে ফেলেছি। ক্ষমা করে দাও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘদিনের সঙ্গী ছিলেন মুকুল। একটা সময় কার্যত তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড বলে পরিচিত ছিলেন তিনি।

সংগঠনে তিনি ছিলেন শেষ কথা। মুকুল তাঁর এতটাই আস্থাভাজন ছিলেন যে তাঁর সিদ্ধান্তে শুধু সীলমোহর দিতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এহেন ‘মধুর’ সম্পর্ক ধাক্কা খেল ২০১৭ সালে। সারোদা এবং নারদা ( Narada ) কাণ্ডে নাম জড়িয়ে সিবিআই ( CBI ) নোটিশ পেলেন মুকুল। ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছিলেন, তিনি কখনওই জেলে যাবেন না। সেই সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের বেড়ে ওঠা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ( Abhishek Banerjee ) কর্তৃত্ব নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ধীরে ধীরে মতবিরোধ তৈরি হচ্ছিল মুকুলের।

শেষমেষ, ২০১৭ সালের দুর্গাপুজোর পঞ্চমী দিন নিজাম প্লেসে সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূল ছাড়ার ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তার কয়েক সপ্তাহ পর বিজেপিতে যোগ দেন মুকুল। দীর্ঘ কয়েক বছর কার্যত কোনও ভালো পদ ছাড়াই বিজেপিতে ছিলেন তিনি। ২০২১ সালে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগে মুকুল রায়কে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি পদে ছিল বিজেপি। সেই সঙ্গে কৃষ্ণনগর ( Krishnanagar ) উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে জয় পান তিনি।

মুকুলের তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদানের খবর চাউর হতে সকাল থেকেই বহু বিজেপি ( BJP ) নেতার ফোন এসেছে বলে সূত্রের খবর। কিন্তু সেই ফোন তিনি ধরেননি। যদিও এই বিষয়টি গুরুত্ব দিতে নারাজ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ( Dilip Ghosh )। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন, কেউ যেতে চাইলে যাবে। তবে উনার থাকাতে বিজেপির কোনও লাভ হয়নি। না থাকাতেও কোনও ক্ষতি হবে না। স্বাভাবিকভাবেই এই যোগদান ঘিরে আলোরন পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

এদিন মুকুল বলেন, আরও অনেকেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসবে। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, মুকুল ভোটের সময় তৃণমূল সম্পর্কে কোনও খারাপ কথা উল্লেখ করেনি। কিন্তু যাঁরা বিজেপিতে গিয়ে নিম্নরুচির পরিচয় দিয়েছেন, সেই গদ্দারদের কখনওই দলে ফেরানো হবে না। এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল কংগ্রেসের কোর গ্রুপ উপস্থিত ছিলেন।

]]>
https://runnerbangla.com/mukul-roy-come-back-rejoin-trinamool-mamata-banerjee-comment/feed/ 0
বিজেপি বিরোধী হাওয়া নিজেদের পালে টানতে এবার ত্রিপুরায় ঝাঁপাবে তৃনমূল https://runnerbangla.com/trinamool-congress-in-tripura-to-take-advantage-of-anti-bjp-wind/ https://runnerbangla.com/trinamool-congress-in-tripura-to-take-advantage-of-anti-bjp-wind/#respond Fri, 11 Jun 2021 08:32:20 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2281 রানার ডেস্ক : ২০১৩ বিধানসভা নির্বাচনের পরই হাওয়া ঘুরতে শুরু করে ত্রিপুরায় ( Tripura )। পশ্চিমবঙ্গে যেমন ২০০৬ এর বিধানসভা ভোটে সিপিএম সাফল্যের রেকর্ড গড়লেও সেই সাফল্যের মধ্যেই লুকিয়ে ছিল ব্যর্থতার বীজ। ত্রিপুরায় ১৩ ভোটে নজর কারা সাফল্য পেয়ে মানিক সরকারের নেতৃত্বে ক্ষমতায় ফিরেছিল বামফ্রন্ট। সেই ভোটে মাত্র ৬ টা আসন পেলেও কংগ্রেসের ঝুলিতে ছিল প্রায় ৩৭ শতাংশ ভোট। ফলে ভোটের নিরিখে নেহাৎ দুর্বল ছিল না বিরোধী পক্ষ।

ত্রিপুরায় বাম বিরোধী হওয়া তুলতে গিয়ে কংগ্রেসকে বারবার ধাক্কা খেতে হয়েছে জাতীয় স্তরে বাম-কংগ্রেস সখ্যতার জেরে। ফলে ত্রিপুরার মানুষ বাম বিরোধিতার প্রশ্নে কংগ্রেসকে বিশ্বাসযোগ্য মনে করেনি। জাতীয় স্তরে বাম-কংগ্রেস জোট তখন নেই, ফের যখন ঘর গোছাতে শুরু করলো কংগ্রেস, তখন পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলকে হারাতে ২০১৬ সালে ফের একমঞ্চে চলে এলো বাম-কংগ্রেস। ফের ব্যাকফুটে চলে গেল ত্রিপুরা কংগ্রেস। ১৬ ভোটে জিতলেন মমতা।

ব্যাপক সাফল্য পেয়েই ঘোষণা করলেন এবার তারা ঝাপাবেন ত্রিপুরায় সিপিএমকে উৎখাত করতে। দায়িত্ব দেয়া হলো মুকুল রায়কে। মুকুল রায় ( Mukul Roy ) ত্রিপুরা পৌঁছতেই ব্যাপক সাড়া পেলেন সেখানে। হুড়মুড় করে ভাঙতে শুরু করলো কংগ্রেস। রাজ্যে কংগ্রেসের প্রধান মুখ সুদীপ রায় বর্মনের নেতৃত্বে অসংখ্য কংগ্রেস নেতা কর্মী যোগ দিলেন তৃণমূলে। এক কথায় তখন ত্রিপুরায় ঘোর বাম বিরোধী হাওয়ায় তরতর করে এগুতে শুরু করলো তৃণমূলের তরী।

এরপর ফের পট পরিবর্তন। রহস্যজনক কারণে গা ছাড়া দিয়ে বসলো তৃনমূল। আবার নেমে এলো শূন্যতা। আমাদের অভিযোগ, বোঝাপড়ার ভিত্তিতেই, ত্রিপুরায় বিজেপির জন্য পথ তৈরি করে দিয়েছে তৃনমূল। তৃনমূল নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ায়, সেই শূন্যতা পূরণ করতে ত্রিপুরায় ঝাঁপিয়ে পড়লো কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি। দেশজুড়ে তখন জনপ্রিয় মুখ মোদি। ত্রিপুরার মানুষ বিশ্বাসযোগ্য বাম বিরোধী হিসাবে আকড়ে ধরলো বিজেপিকে।

তারপরের ঘটনা সকলের জানা। এবার বঙ্গে বিজেপিকে হারিয়ে বিপুল সাফল্য পেয়েছে তৃনমূল। ২০১৬ মতই এবার তারা আবার ঘোষণা করেছে, বঙ্গের বাইরে ক্ষমতার জন্য ঝাঁপাবে তারা। তৃনমূল সূত্রের খবর তাদের এখন প্রধান লক্ষ্য ত্রিপুরা। ইতিমধ্যে ত্রিপুরায় সরকার বিরোধী হওয়া বেশ জোরালো হতে শুরু করেছে। যার সুযোগ নিয়ে আবার নিজেদের ভীত শক্ত করতে শুরু করেছে সিপিএম।

এই অবস্থায় তৃণমূলের আগমনে সেই বিজেমূল-তত্ত্ব দেখছে বামেরা। কারন, ওখানে বিজেপিকে রক্ষা করতে বিরোধী ভোট ভাগাভাগির খেলায় নামবে তৃনমূল। দেয়া-নেওয়ার মাধ্যমে এই দুই দল নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া করেই রাজনীতি করে বলে অভিযোগ বামেদের।

]]>
https://runnerbangla.com/trinamool-congress-in-tripura-to-take-advantage-of-anti-bjp-wind/feed/ 0
হাতে পরিচয়-ঘাসে পরিণয়-পদ্মে বিচ্ছেদ, আবার ঘাসেই ঘর বাঁধার স্বপ্ন সুজাতার https://runnerbangla.com/sujata-mondal-invite-saumitra-khan-to-join-trinamool-in-front-of-media/ https://runnerbangla.com/sujata-mondal-invite-saumitra-khan-to-join-trinamool-in-front-of-media/#respond Mon, 07 Jun 2021 13:12:49 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2087 রানার ডেস্ক : কোনও রাজনৈতিক দল নয়, সুজাতার ( Sujata Mondal khan ) সম্পর্ক তৈরি হয় রাজনৈতিক ব্যক্তির সঙ্গে। সৌমিত্র ( Saumitra Khan ) যখন কংগ্রেসে তখন দুজনের সম্পর্ক গভীর হয়। তারপর পরিণয় সূত্রে এক ছাদ,এক হাঁড়ি। কংগ্রেস ( Indian National Congress ) ছেড়ে তৃনমূলে চলে আসেন সৌমিত্র। এই সময়টা সৌমিত্রর জন্য ছিল ঘর আর ঘাসফুল। সব কিছু ধীরে ধীরে পাল্টাতে শুরু করে ২০১৮ সাল থেকে। গেরুয়া শিবিরে নাম লেখেন সৌমিত্র। লোকসভা ভোটে তাকে বিষ্ণুপুরে প্রার্থী করা হয়।

সেই সময় মামলার জেরে সৌমিত্রর পক্ষে বিষ্ণুপুর ( Bishnupu ) গিয়ে প্রচার করা অসম্ভব হয়ে পরে। আদালতের নির্দেশে বিষ্ণুপুরে তার প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। সেই সঙ্কটে হাল ধরেন সুজাতা মন্ডল খান। সৌমিত্রর ভোট মেশিনারি নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন তিনি। সেই সময় অভিষেকের বিরুদ্ধে তার একটা মন্তব্যই তাকে সংবাদে নিয়ে আসে। বলেছিলেন, একদিন আসবে যেদিন অভিষেকের জ্বিব ছিঁড়ে কুকুর দিয়ে খাওয়াবো। ভোটে জয় পান সৌমিত্র।

জয়ী সাংসদ এবং তার স্ত্রী সুজাতাকে নিয়ে ব্যাপক হৈচৈ হয় মিডিয়ায়। এরপরই দলের যুব মোর্চার সভাপতির দায়িত্ব পান সৌমিত্র। চষে বেড়াতে শুরু করেন বাংলার এপ্রান্ত থেকে সেপ্রান্ত। উচ্চাভিলাসী সুজাতা ভেবেছিলেন, বিষ্ণুপুর জয়ের কৃতিত্ব মাথায় রেখেই বিজেপি ( BJP ) হয়ত তাকে নেতৃত্বের আসনে জায়গা দেবে। কিন্তু ভাবনাই সার। সুজাতা বিজেপিতে দৌড়ঝাঁপ করতে শুরু করলেন বিজেপি নেত্রী হিসাবে নয়, সৌমিত্রর বউ হিসাবে।

দীর্ঘ অপেক্ষার পর যখন দেখলেন গেরুয়া নেতৃত্ব তাঁকে জায়গা দেবে না, তখনই তার সঙ্গে যোগাযোগ হয় তৃণমূলের ( TMC )। সৌমিত্র এই ঘটনার পর নাটকীয় ভাবে মিডিয়ার একাধিক ক্যামেরার সামনে সুজাতার সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘোষণা করে দেন। যদিও সুজাতা বলেছিলেন, দল আলাদা হলেই ঘর আলাদা হতে হবে তেমন কোনও যুক্তি নেই। কিন্তু সৌমিত্র তার বাড়িতে ডিভোর্সের কাগজপত্র পাঠিয়ে দেন।

যদিও এখনও বিবাহ বিচ্ছেদ হয়নি দুজনের, এরই মধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়লো বিজেপিতে ভালো নেই সৌমিত্র। কার্যত লুফে নিলেন সুজাতা। পত্রপাঠ মিডিয়ার সামনে সৌমিত্রকে আহবান করলেন পদ্ম ফেলে ঘাসফুলে চলে আসার জন্য। কংগ্রেসে পরিচয়, তৃনমূলে বিয়ে, বিজেপিতে বিচ্ছেদ, আবার তৃণমূলে ভাঙা ঘর জোড়া লাগাবার স্বপ্ন দেখছেন কি সুজাতা?

সুজাতা কোনও দিন বিচ্ছেদের পক্ষে ছিলেন না। কিন্তু দুজন দুই ভয়ঙ্কর প্রতিপক্ষ শিবিরে থেকে সেই ইচ্ছেকে এক ছাদের তলায় আনতে পারছিলেন না সুজাতা। এবার দল এক হলে ছাদও এক করার সম্ভাবনা জোরালো হবে। সুজাতা যদি সৌমিত্রর কাছ থেকে দূরে থাকতে চাইতেন তবে তৃণমূলে চলে আসার জন্য আহবান করতেন না।

]]>
https://runnerbangla.com/sujata-mondal-invite-saumitra-khan-to-join-trinamool-in-front-of-media/feed/ 0