Beijing – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Wed, 16 Jun 2021 15:25:27 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Beijing – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 পৃথিবীকে ক্রমশ উত্তপ্ত করছে ঠান্ডা পানীয় কোম্পানিগুলি https://runnerbangla.com/cold-drink-companies-cause-global-warming/ Wed, 16 Jun 2021 08:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2538 রানার প্রতিবেদন : করোনাকালে ২০২০ সালে কাৰ্বন ( Carbon ) নিঃসরণ রেকৰ্ড সাত শতাংশ কমেছে। এই কাৰ্বন নিঃসরণ কমার কারণ লকডাউন এবং যোগাযোগ ও চলাচলের বিধিনিষেধ। গ্লোবাল কাৰ্বন প্রোজেক্ট ( Global Carbon Project ) সম্প্ৰতি তাদের বাৰ্ষিক সমীক্ষায় এ-কথা উল্লেখ করেছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, এ পৰ্যন্ত সৰ্বোচ্চ আনুমানিক ২.৪ বিলিয়ন টন নিঃসরণ হ্ৰাস পেয়েছে। এর আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে ০.৯ বিলিয়ন টন অথবা ২০০৯ সালের অৰ্থনৈতিক মন্দার সময় ০.৫ বিলিয়ন টন নিঃসরণ কমে যায়।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতৰ্ক করে দিয়ে বলেছেন, ২০১১ সালে নিঃসরণ পুনরায় দ্ৰুত বাড়তে পারে। কাৰ্বন নিঃসরণ কমার বিষয়ে আন্তৰ্জাতিক গবেষক দলের রিপোৰ্টে বলা হয়েছে, জৈবজ্বালানি ও শিল্পকারখানা থেকে ২০২০ সালে ৩৪ বিলিয়ন টন কাৰ্বন নিঃসরণ হয়েছে। এ বছর সবচেয়ে বেশি আমেরিকার ২ শতাংশ এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে ১১ শতাংশ কাৰ্বন নিঃসরণ কমেছে। যদিও বেজিংয়ের ( Beijing ) অৰ্থনৈতিক অক্ষশক্তি হিসাবে অৰ্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টায় ২০২০ সালে চিনে মাত্ৰ ১.৭ শতাংশ কাৰ্বন নিঃসরণ হ্ৰাস পেতে পারে।

কাৰ্বন নিঃসরণ হ্ৰাসে বড় অংশের অবদান পরিবহন খাতের। কোভিড-১৯ ( Covid-19 ) মহামারির প্রথম ধাপে যাতায়াত ও পরিবহন সারা দুনিয়াতেই অৰ্ধেকে নেমে আসায় এই নিঃসরণ কমে যায়। বিমান চলাচল ৪০ শতাংশ কমে যাওয়ায় এবং সড়ক পরিবহন ১০ শতাংশ কমে যাওয়ায় কাৰ্বন নিঃসরণ হ্ৰাস পায়। শিল্পকারখানা থেকে নিঃসরণের মাত্রা ২২ শতাংশ হ্ৰাস পেয়েছে। কড়া লকডাউনের কারণে কিছু কিছু দেশে ৩০ শতাংশ নিঃসরণ কমেছে।

কিন্তু গ্রিনহাউস গ্যাস ( Greenhouse gas ) নিঃসরণ হ্ৰাস ও বিশ্বনেতাদের প্রতিশ্ৰুতি সত্ত্বেও পৃথিবী আরও তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধির পথেই এগোচ্ছে।উষ্ণতা আদৌ কমেনি।চলতি বছরের সাত শতাংশ কম কাৰ্বন নিঃসরণ উষ্ণায়ন প্রক্ৰিয়ায় যৎসামান্য প্রভাব ফেলেছে। মাত্ৰ এক শতাংশ ধনী দুনিয়ার অৰ্ধেক জনগোষ্ঠী বা ৩১০ কোটি মানুষের তুলনায় দ্বিগুণ কাৰ্বন নিঃসরণ করে। এর ফলে দ্ৰুতগতিতে বাড়ছে উষ্ণায়ন। ঘটছে জলবায়ু পরিবৰ্তন ( Climate change )। আসছে একের পর এক সাইক্লোন ( Cyclone )।

এর মোকাবিলায় তাই ধনীদেরই এগিয়ে আসতে হবে। এজন্য চলতি শতাব্দীর মধ্যে বিপজ্জনক সব প্রাকৃতিক দুৰ্যোগ ও প্রভাব এড়াতে অনতিবিলম্বে পরিবেশ দূষণ করে এমন বিলাসী ও আয়েশি জীবন থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। রাষ্ট্ৰপুঞ্জের ( United Nations ) এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে এবং জলবায়ু বিষয়ক বাৰ্ষিক প্রতিবেদনটি প্রকাশিতও হয়েছে। অক্সফামের এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কাৰ্বন নিঃসরণের এক-তৃতীয়াংশের জন্য দায়ী ধনী দেশগুলো।

অক্সফাম পরিচালিত এই গবেষণায় স্টকহোম এনভায়রনমেন্ট ইন্সটিটিউট ( Stockholm Environment Institute ) বলেছে, ১৯৯০-পরবৰ্তী সময়ে ৯ শতাংশ কাৰ্বন নিঃসরণ করেছে ১ শতাংশ ব্যক্তি বা ৬ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ। এই এক শতাংশ মানুষের কাৰ্বন নিঃসরণের পরিমাণ বিশ্বের অৰ্ধেক দরিদ্ৰ জনগোষ্ঠীর নিঃসরণের চেয়ে তিন গুণ বেশি। এদিকে প্লাস্টিক সৃষ্ট দূষণেও বড় সংকটে পড়েছে পৃথিবী। ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এর প্রকৃতি ও পরিবেশ।

আর এই দূষণের পুরো ভাগে রয়েছে বিশ্বের হাতেগোনা নামীদামি কয়েকটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান। কোকা-কোলা, পেপসির মতো পানীয় কোম্পানির সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগের তালিকার শীৰ্ষে রয়েছে খাদ্যপণ্য কোম্পানি নেসলেও। প্লাস্টিকবিরোধী আন্তৰ্জাতিক সংগঠন ফ্ৰি ফ্ৰম প্লাস্টিক-এর বাৰ্ষিক গবেষণা রিপোৰ্টে এই তথ্য উঠে এসেছে। রিপোৰ্ট মতে, পরপর তিন বছর শীৰ্ষ দূষণকারী কোম্পানি কোকা-কোলা, পেপসি ও নেসলে।

]]>
হংকং নিয়ে বাড়ছে চিন-আমেরিকা তিক্ততা, বেইজিংকে হুমকি ট্রাম্পের https://runnerbangla.com/hong-kong-china-us-bitterness-donald-trump-threat-beijing/ https://runnerbangla.com/hong-kong-china-us-bitterness-donald-trump-threat-beijing/#respond Thu, 25 Mar 2021 12:52:03 +0000 https://runnerbangla.com/?p=393 রানার ডেস্ক : ধীরে ধীরে চিনের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কে তিক্ততা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। করোনা নিয়ে যে বিতন্ডার সূত্রপাত সেটার সঙ্গে এখন একে একে যোগ হয়ে যাচ্ছে অন্যান্য বিতর্কিত ইস্যু। করোনার প্রসঙ্গ তুলে আমেরিকা একইসঙ্গে টেনে এনেছে হংকং এবং তাইওয়ান সমস্যাকে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য, চিন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তারা হংকং-এর স্বশাসন রক্ষা করে চলবে, কিন্তু বেইজিং সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি, এখন চিনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবার সময় এসেছে।

আমেরিকা সেই পদক্ষেপ নেবে। একইসঙ্গে ট্রাম্প জানিয়েছেন, আমেরিকার নিরাপত্তার স্বার্থেই এখন থেকে চিনা নাগরিকদের আমেরিকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। ফলে এখন থেকে যে কোনও চিনা নাগরিকের আমেরিকায় প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে আমেরিকা। করোনা নিয়ে চিনকে একহাত নিয়েছে আমেরিকা।

সেইসঙ্গে চিনের আঙ্গুলি হেলনেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা “হু”এনিয়ে গোটা বিশ্বকে ভুল পথে চালিত করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে এবং হু-কে অর্থ সাহায্য দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিবছর আমেরিকা হু-কে ৪৫ কোটি ডলার দিয়ে থাকে। এই বিপুল অর্থ আচমকাই বন্ধ করে দেওয়ায় হু আর্থিক সমস্যায় পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। কি করে করোনা ছড়ালো এবং চিন ইচ্ছে করে এই কান্ড করলো কিনা তা নিয়ে বিস্তর জলঘোলা চলেছে।

এনিয়ে আন্তর্জাতিক তদন্তের পক্ষে মত দিয়েছে বিশ্বের বেশকিছু দেশ। যাদের মধ্যে ইউরোপের দেশগুলোর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। আছে আমেরিকা এবং ভারতও। শুধু করোনা কিংবা হংকং নয়, তাইওয়ান নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে চিনের সংঘাত ক্রমশ বাড়ছে। সম্প্রতি চিনা কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ বৈঠকে চিনা প্রেসিডেন্ট দেশের সামরিক নেতৃত্বকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন।

ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, তাইওয়ান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই হয়ত এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমেরিকা ঘোষণা করেছে, তাইওয়ানের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনও আক্রমণ রুখে দিতে প্রস্তুত আমেরিকা। সম্প্রতি তাইওয়ান সীমান্তে সেনা তৎপরতা বাড়িয়েছে চিন। তারপর থেকেই সীমান্তে ব্যাপক সেনা মহড়া শুরু করেছে আমেরিকা। তাইওয়ানে বিশাল সেনা ঘাঁটি আছে আমেরিকার। ওয়াসিংটন-এর মেজাজ মর্জি বুঝেই সেনাকে চূড়ান্ত সতর্ক করেছেন চিনা প্রেসিডেন্ট।

]]>
https://runnerbangla.com/hong-kong-china-us-bitterness-donald-trump-threat-beijing/feed/ 0