21 July – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Wed, 21 Jul 2021 14:53:27 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png 21 July – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 এবার দেশজুড়ে খেলা হবে, ২১ জুলাইয়ের বার্তা মমতার https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-massage-21-july-khela-hobe/ Wed, 21 Jul 2021 11:48:54 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4268 #কলকাতা : এবার দেশজুড়ে খেলা হবে ( Khela Hobe )। একুশে জুলাইয়ের ভার্চুয়াল মঞ্চ থেকে তেমনটাই বার্তা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, একটা খেলা পশ্চিমবঙ্গে হয়েছে। বিজেপি বাংলার মাঠের বাইরে চলে গিয়েছে। এবার বিজেপিকে না সরানো পর্যন্ত দেশজুড়ে প্রত্যেকটা রাজ্যে খেলা হবে। তার জন্য দেশজুড়ে সমস্ত বিরোধীদলকে ফ্রন্ট বানানোর আর্জি জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতার বার্তা, আপনারা সবাই এক হোন। ওদের বিরুদ্ধে একত্রে লড়াই করতে হবে। আগামী ২৬ জুলাই থেকে ২৯-৩০ জুলাই তিনি দিল্লীতে থাকবেন বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee )। তখন বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করতে চান। সেটাও নিজের বার্তায় শুনিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এবারের একুশে জুলাই এর প্রেক্ষাপট আলাদা। দিল্লি, ত্রিপুরা, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট সহ দেশের ৩০টি রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এবারের বক্তৃতার ভার্চুয়ালি দেখানোর ব্যবস্থা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বক্তৃতা শুনতে উপস্থিত হয়েছেন কংগ্রেস নেতা দ্বিগবিজয় সিং, পি চিদাম্বরম সহ একাধিক বিরোধী দলের নেতারা। তারা প্রত্যেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য শুনেছেন। তাদের প্রতি তৃণমূল সুপ্রিমো বার্তা, ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঝাপানোর সময় এসেছে। আসুন একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

পাশাপাশি, সুপ্রিমকোর্টের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গণতন্ত্রকে বাঁচানোর আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যেভাবে দেশের বিরোধী রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের ফোন ট্যাপ করা হচ্ছে, সেখানে বিচারব্যবস্থা স্বপ্রণোদিতভাবে মামলা দায়েরের করুক। দেশের গণতন্ত্রকে বাঁচানোর জন্য সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজনৈতিক মহলের মতে, এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য স্পষ্ট ছিল তার টার্গেট আগামীর লোকসভা। যার জন্য দেশের সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক দলকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। যে কারণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিনের বক্তব্য তিনি তিনটি ভাষায় বলেছেন। বাংলার পাশাপাশি কখনও ইংরেজি, কখনও হিন্দিতে ভাষণ দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

]]>
করোনা বিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মদনের একুশ ( ভিডিও ) https://runnerbangla.com/madan-mitra-21-se-july-breaking-corona-regulations/ Wed, 21 Jul 2021 10:15:17 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4262 Madan Mitra 21st July : করোনা বিধি-নিষেধের কথা মাথায় রেখেই এবছর ভার্চুয়াল একুশে জুলাই ( 21st July ) পালন করছে তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC )। এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের অনুষ্ঠান হয় ধর্মতলায় মঞ্চ বেঁধে। এ বছর প্রকাশ্য সমাবেশের পরিবর্তে ভার্চুয়াল। এবছরের একুশে জুলাই কে একটু ভিন্নভাবে উপস্থাপন করছে তৃণমূল। দেশের বেশ কিছু রাজ্যে বড় স্ক্রিনের মাধ্যমে মমতার বক্তব্য সম্প্রচারিত হবে।

তৃণমূল শিবিরে বেশ কিছুদিন ধরেই এই সভা নিয়ে হইহই চললেও তাকে কথায় কথায় কটাক্ষ করে চলেছে বিরোধী শিবির বিজেপি। তাদের মন্তব্য, গুজরাট, তামিলনাড়ু ,অন্ধপ্রদেশ কিংবা মধ্যপ্রদেশে তৃণমূল কংগ্রেসের ক’জন কর্মী সমর্থক আছে, সেটা তৃণমূলের অতি বড় সমর্থকও জানেন না। হাতে গুনে একজন-দুজনকে খুঁজে পাওয়াও মুশকিল। অথচ সেখানে ঠিকাদারকে লাগিয়ে বড় স্ক্রিনের ব্যবস্থা করে ভাষণ দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে।

এটা একটা নিছক নাটক বাজি ছাড়া আর কিছুই নয় বলে বিরোধীরা যে মন্তব্য করুক, ধুমধামের সঙ্গেই এবার দেশজুড়ে একুশে জুলাই করা হচ্ছে। একদিকে ভার্চুয়াল অন্যদিকে মমতারই দলের আরেক নেতা মদন মিত্র ( Madan Mitra ), তিনি ঘটা করে কামারহাটি তে একুশে জুলাই পালন করলেন সাতসকালে মিছিল করে। করোনা বিধিকে কে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে, ভিড় জমিয়ে সকাল থেকে কামারহাটি দাপালেন মমতা।

অতিনাটকীয় চমক দেখানোর জন্য টোটোতে মিছিল করলেন কামরাটিতে। তাহলে এই ভার্চুয়াল এর মানেটা কি রইল, প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা। তাদের কথায়, একুশে জুলাই ভার্চুয়াল করা হলো করণা বিধি-নিষেধকে মাথায় রেখে, তাহলে কামারহাটিতে টোটো চালিয়ে মদন মিছিল কবলেন কেন? আসলে মদন মিত্র ২০১১ সালে নির্বাচনে জিতে মন্ত্রী হয়েছিলেন। দলের প্রতি আনুগত্য দেখিয়ে দল না পাল্টে থেকে গিয়েছেন তৃণমূলে।

সারদা নিয়ে সিবিআইয়ের চাপ সত্ত্বেও জেল খেটেছেন। বলা ভালো হাসপাতাল খেটেছেন। তারপর ২০১৬ নির্বাচনে লড়েছেন, হেরেছেন। এবার নির্বাচনে জিতলেই তিনি মন্ত্রী হবেন এমন আশায় তার মন ছিল টইটুম্বুর। কিন্তু সে গুড়ে বালি। তৃণমূল নেতাকে মন্ত্রিসভার সদস্য করলেন না মমতা। হতাশায় মদন মিত্র এখন মন্ত্রিসভায় ফিরতে মরিয়া।

এজন্যে নানাভাবে তিনি খবরের শিরোনামে থাকতে চান।প্রতিদিন অভিনব উপায় বার করছেন ভেসে থাকতে। ছবি হচ্ছে, হচ্ছেন মদন মিত্র। ভেসে আছেন রাজনীতিতে। ভেসে থাকাটাই এখন মদনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, করোনার বিধি-নিষেধ নেহাতই তুচ্ছ ব্যাপার তার সামনে।

]]>
স্বয়ংসেবকের চোখে মমতার ২১শে জুলাই https://runnerbangla.com/swayamsevak-mamta-banerjee-21-se-july/ Wed, 21 Jul 2021 07:41:06 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4255 দীপন মজুমদার
দক্ষিণবঙ্গ সম্পর্ক প্রমুখ
ভারতীয় শিক্ষণ মন্ডল


১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে একটি বিশেষ দিন। বলা ভালো ২১শে জুলাই -এর ভয়ঙ্কর ঘটনাকে কেন্দ্র করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক গ্রাফ ধীরে ধীরে শিখরে পৌছে যায়। ১৯৯১ সালে জ্যোতি বসুর নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট সরকার জেলায় জেলায় রাজনৈতিক সংঘর্ষ এবং রিগিং করে পুনরায় পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়। সেই সময় ভোটার কার্ডে ফটো আই ডি থাকত না যার যেরে খুব সহজেই ফলস ভোট বা রিগিঙের মতো দুষ্কর্ম করা যেত।

১৯৯৩ সালে তৎকালীন যুব কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যুব কংগ্রেস ২১শে জুলাই এসপ্লানেড রোডে এক বিশাল জমায়েতের আয়োজন করে। প্রায় পঞ্চাশ হাজার যুব কংগ্রেসের কর্মীবৃন্দ সেই কর্মসূচিতে যোগ দেয় কারণ সেই সময় পশ্চিমবঙ্গে বামফ্রন্টের প্রধান বিরোধী দল ছিল জাতীয় কংগ্রেস। দুপুর থেকেই ওই দিন সমস্ত জেলা থেকে কংগ্রেসের কর্মীরা কলকাতার বুকে জরো হতে শুরু করে।

তাদের মূল দাবি ছিল ভোটার আই ডি কার্ডে সংশ্লীষ্ট ভোটারের নিজস্ব ফটো আই ডি থাকতে হবে নইলে ছাপ্পা ভোট বা রিগিং আটকানো সম্ভব নয়। সেদিন সবকিছুই এগোচ্ছিল আম জনতার স্বতঃস্ফুর্ত আন্দোলনের জন্য তবে মমতার পরিকল্পনা সম্পুর্ণ ভীন্ন ছিল কারণ এই আন্দোলনের ভেতরে লুকিয়ে ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বিশালাকার চক্রান্ত। তৎকালীন জাতীয় কংগ্রেসের পশ্চিমবঙ্গে মূলত দুটি লবি ছিল।

একটি প্রয়াত কংগ্রেস নেতা প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির অন্যটি প্রয়াত নেতা সোমেন মিত্রের। মমতা প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির ঘনিষ্ট ছিল বলেই জানা যায়। তাই প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির প্রচুর অনুগামী নেতা ওই দিন রাইটার্স বিল্ডিঙের নিকটবর্তি স্থানে এসে জড়ো হয়। প্রথম দিকে সভাস্থল পুরোপুরি শান্ত ছিল এবং অপ্রীতিকর কোন ঘটনার সুত্রপাতও প্রথম দিকে হয়নি। পুরো এলাকাতে ঘোড় সওয়ার মাউন্টেড পুলিশ টহল দিচ্ছিল, এরপরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার অনুগামীরা জমায়েতে এসে উপস্থিত হওয়ার পর হঠাৎ তুমুল বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয় এবং দশ-পনেরো মিনিটেই এই বিশৃঙ্খলা বীভৎস আকাড় নেয়।

কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শিদের থেকে পরে আমরা জানতে পারি ওই দিন সভাস্থলে মমতার দেরি করে আসাটা ইচ্ছাকৃত ছিল এবং মাউন্টেড পুলিশের ঘোড়ার যৌনাঙ্গে আলপিন এবং স্পিরিট দিয়ে আঘাত করার পরিকল্পনা মমতা এবং তার অনুগামীরা আগেই ঠিক করেছিল। যার ফলে আন্দোলনকারী যুব কংগ্রেস সমর্থক এবং পুলিশের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। বিশৃঙ্খলা বাড়তে থাকায় পুলিশ প্রথমটাতে টিয়ার গ্যাসের ব্যাবহার করে এবং পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপকহারে লাঠিচার্জও করা হয়।

কিন্ত অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকায় তৎকালীন স্বরাষ্ট্র সচিব মনীষ গুপ্তের নির্দেশে কলকাতা পুলিশ কমিশনার তুষার তালুকদারের নেতৃত্বাধীন পুলিশ গুলি চালাতে বাধ্য হয়। এই মনীষ গুপ্ত প্রথম তৃণমূল সরকারের বিদ্যূত মন্ত্রী হন এবং বর্তমানে উনি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ। তৃণমূল থেকে দাবি করা হয় পুলিশের গুলিতে সেদিন অন্তত ১৩ জন যুব কংগ্রেসের কর্মকর্তা প্রাণ হারান। পুরো কর্মসূচিটি ছিল যুব কংগ্রেসের এবং এই ঘটনার সাথে তৃণমূল কংগ্রেসের দূর দুরান্ত অবধি কোন যোগাযোগ নেই।

২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাতে আসে এবং মুখ্যমন্ত্রী হন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওড়িশা উচ্চ আদালতের অবসরপ্রাপ্ত বিচারক জাস্টিস সুশান্ত চ্যাটার্জীর নেতৃত্বাধীন একটি কমিশন গঠন করে মমতা সরকার। এই কমিশন তার প্রিলিমিনারি রিপোর্টে বলেছে যে এই ১৩ জন শহিদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপুরণ দেওয়া হোক। সেই মতো ২১শে জুলাইয়ের সমস্ত শহিদদের পরিবারকে তৃণমূল সরকার ক্ষতিপুরণ সহ অন্য সরকারি সুযোগ সুবিধা দিয়েছে।

এই শহিদের তালিকাতে ১৩ নম্বর নামটি হচ্ছে “ইনু”! তবে এতো সুযোগ সুবিধা দেওয়া সত্বেও তৃণমূল ইনুর আসল পরিচয় এবং তার টাইটেল বা উপাধি কি সেটা জানতে ব্যার্থ! আসলে এই ১৩ জনের মধ্যে অধিকাংশই ভুয়ো এবং তাদের বাস্তবে কোন অস্তিত্ব নেই। তৃণমূল ভবনে বড় করে শহিদদের যেই লিস্ট লাগানো আছে সেখানে হুগলীর তাপসী মালিকের জায়গা হয়নি! যেই তাপসী মালিকের মৃতদেহের উপর দাড়িয়ে রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এরকম আরো একটি ভুয়ো শহিদ তৃণমূল কংগ্রেসের ওয়েবসাইটে গেলে পাওয়া যাবে। বর্ধমান জেলার শহিদদের তালিকার চতুর্থ নাম লকাই। সমস্ত শহিদদের পরিবারকে তৃণমূল সরকার নাকি সরকারি সাহায্য করেছে কিন্ত তারপরেও লকাইয়ের পুরো নামটা জানাতে পারেনি! এর ফলে প্রমাণিত যে মমতার রাজনীতিটা পুরোপুরি মিথ্যার উপর দাড়িয়ে আছে এবং প্রত্যেকটি মিথ্যা উনি সুকৌশলে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছেন সাধারণ মানুষের কাছে।

জাস্টিস চ্যাটার্জীর কমিশনে জাস্টিস চ্যাটার্জী সরাসরি বলেছেন,“The people who were at the helm of the Home Department as well as the police brass cannot escape responsibility”। কিন্ত এখন যে স্বরাষ্ট্রসচিব গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলো সেই প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র সচিব মনীষ গুপ্ত এখন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ! যদিও জাস্টিস চ্যাটার্জী তার রিপোর্টে কোন আধিকারিকের নাম সরাসরিভাবে নেন নি, যার ফলে কমিশনের প্রিলিমিনারি রিপোর্ট যে তৃণমূল সরকার দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত তা বলাই বাহুল্য।

আজ প্রায় এতগুলো বছর কাটলেও ২১শে জুলাই বিষয়ক পুর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জাস্টিস চ্যাটার্জীর কমিশন এখনো জমা করে উঠতে পারেনি। রিপোর্ট কবে জমা করবে বা আদৌ জমা করবে কি না তা নিয়ে গভীর প্রশ্নচিহ্ণ থেকেই যায়। ২১শে জুলাই এর স্বতঃস্ফুর্ত জন আন্দোলনকে নোংরাভাবে ব্যাবহার করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যে সেদিন যারা প্রাণ হারিয়েছিল, তাদের পরিবার আজ তৃণমূলের ২১শে জুলাইয়ের জাক জমকের থেকে অনেক দুরে। প্রচারের আলো থেকে শত হস্ত দূরে অবহেলিত হয়ে মনে মনে বলে, – “বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে। কী যন্ত্রণায় মরেছে পাথরে নিষ্ফল মাথা কুটে। তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো।”

]]>
২১শে মমতার পাল্টা দিল্লিতে দিলীপ-কলকাতায় শুভেন্দু https://runnerbangla.com/21-july-mamata-banerjee-virtual-meeting-dilip-ghosh-delhi-suvendu-adhikari-kolkata/ Tue, 20 Jul 2021 15:41:42 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4234 রানার ডেস্ক : একুশে জুলাই ( 21 July ) নিয়েও এবার রাজনৈতিক দড়ি টানাটানি শুরু হল বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে। ১৩ জন তৃণমূল কর্মী পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন মহাকরণ অভিযানকে ( Mahakaran campaign ) ঘিরে। তাদের স্মরণে সেই দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে পালন করে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC )। বুধবার ২১ শে জুলাই একইভাবে পালিত হবে। এবার একটু অন্যভাবে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এবার ধর্মতলায় মঞ্চ বেঁধে অনুষ্ঠান হচ্ছে না। এবার যা কিছু হবে সব ভার্চুয়াল।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও একটি নতুন বিষয়, গোটা দেশজুড়ে বড় স্ক্রিনের মাধ্যমে শোনানো হবে তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য। তৃণমূল নেত্রীকে গোটা দেশের নেত্রী হিসেবে তুলে ধরতে চেষ্টা করছে তৃনমূল। সেই সময়ে একই দিনে পাল্টা কর্মসূচি নিল প্রধান বিরোধী দল বিজেপি ( BJP )। একইসঙ্গে দিল্লি এবং কলকাতায় অবস্থান বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে তারা। দিল্লীর অবস্থান-বিক্ষোভ এর নেতৃত্ব দেবেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ( Dilip Ghosh )।

সংসদ অধিবেশন চলায় বর্তমানে তিনি দিল্লিতে। অন্যদিকে কলকাতায় হেস্টিংসে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ অবস্থানে বসবেন বিজেপি নেতা ও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari )। বিজেপির বক্তব্য, সিপিএমের হিংসা সন্ত্রাসের প্রতিবাদ করতে গিয়ে মহাকরণ অভিযান হয়েছিল, ১৩ জন শহীদ হয়েছিলেন। সেই দিনটিত পালন করা হয় শহীদ দিবস হিসাবে।

বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকে এই রাজ্যে হিংসা সন্ত্রাস কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত কয়েক বছরে ২০০ জন বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছে। তৃণমূলই এখন হিংসা সন্ত্রাসের নায়ক, সুতরাং তৃণমূলের অত্যাচার এবং সরকারের অগণতান্ত্রিক আচরণের প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ অবস্থানের ডাক দেয়া হয়েছে, বলে জানিয়েছে বিজেপি।

]]>