তৃনমূল

রানার প্রতিবেদন : শোভনকে নিয়ে এখন টানাটানি শুরু হলো তৃনমূল -বিজেপিতে। শাসক দলে কোণঠাসা হয়ে শোভন যখন দলচ্যূত, তখনই তার দিকে হাত বাড়িয়েছিলেন মুকুল রায়। কিন্তু কোনও এক অজ্ঞাত কারণে, শোভন আলোচনা চালিয়েও শেষপর্য্ন্ত নিজেকে ঘরবন্দি রাখারই সিধান্ত নেন। আবার দৃশ্যপট পরিবর্তন হতে শুরু করেছে বাংলার রঙ্গমঞ্চে। পরিবর্তন হতে শুরু করেছে শোভনকে ঘিরে তৃণমূলের অবস্থান। লোকসভা ভোটে বিপর্য্যের পর এক ঝটকায় পাল্টে গেছে তৃণমূলের ঘরে বাইরের পরিবেশ। ভেসে থাকতে এখন আবার লড়াইয়ের মাঠের পুরনো মুখ গুলোর খোঁজ শুরু হয়েছে। নজর পড়েছে শোভনের ওপর।

আরও পড়ুন : কলকাতায় ম্যাসেজ পার্লারের আড়ালে সেক্স পার্লার,বাড়ছে মহিলা খদ্দের (পর্ব – ৩)


মুখ্যমন্ত্রী শোভনের ঘনিষ্ঠদের মাধ্যমে বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন, উনি চান শোভন ফিরে আসুন। কিন্তু কোনও সাড়া না পেয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দিয়েছেন শোভনের বিষয়টা দেখার জন্য। যদিও সবটাই হচ্ছে অত্যন্ত গোপনীয়তার মধ্যে। দলের বৈঠকেও মমতা বলেছেন, অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েই এবার সমস্ত পূরনো নেতাকে দলে ফেরাতে হবে। দলের দুর্দিনে শোভন ছিলেন মমতার একান্ত অনুগত সৈনিক। গত পাঁচ বছরে দলে অভিষেকের উত্থান, অন্দরে সম্পর্কের রসায়নগুলোকে পাল্টে দিতে শুরু করে। সেই লম্বা তালিকায় একজনের নাম শোভন। মমতাকে উৎখাত করতে মমতা ঘনিষ্ট মুকুলকে যেমন হাতিয়ার করেছে বিজেপি, একইসঙ্গে তারা চাইছে, মমতা ঘনিষ্ঠ শোভনকে তাদের নয়া অস্ত্র বানাতে।

আরও পড়ুন : কলকাতায় ম্যাসেজ পার্লারের আড়ালে সেক্স পার্লার,বাড়ছে মহিলা খদ্দের (পর্ব – ৩)


একদিকে শোভনকে অনুরোধ করা অন্যদিকে তার ওপরে চাপ সৃষ্টি করা, এই দুই কৌশলে শোভনকে ফাঁদে ফেলতেই, তাকে আরও বিচ্ছিন্ন করার প্রক্রিয়াও শুরু করলো তৃনমূল। আজ বিধানসভায় নিজের ঘরে মমতা ডেকেছিলেন শোভনের খাসতালুক বেহালার কাউন্সিলরদের। বেশ কিছু সময় ধরে তাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের গুঞ্জন, লোকসভা ভোটের পর দলের বিপর্যয় সামাল দিতে মমতা কাটমানি ফেরতের নিদান দেবার পর ব্যাপক ক্ষোভ এবং আতঙ্ক তৈরি হয়ছে কাউন্সিলার মহলে। জানাগেছে ক্ষুব্ধ বেশ কিছু কাউন্সিলার যোগাযোগ করেছেন শোভনের সঙ্গে। শোভনকে সামনে রেখেই নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ঠিক করতে চান তারা। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ব্যাপকহারে তৃনমূল কাউন্সিলার ভাঙানোর চেষ্টা করেছে বিজেপি। তৃণমূলের উদ্দেশ্য,একদিকে বিজেপির চেষ্টা ব্যর্থ করা অন্যদিকে শোভনকে ঘিরে বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলরদের সংগঠিত হবার প্রয়াসকে রুখে দেওয়া। কারন এই লোকসভা ভোটে কলকাতা পুর এলাকার মোট ১৪৪ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৫০ টি ওয়ার্ডে এগিয়ে থেকে তৃণমূলের ঘাড়ে গরম নিশ্বাস ফেলছে বিজেপি।


রানারের খবর ভালো লাগলে Like করুন ‘ runnerbangla ‘ Facebook Page