পাকিস্তান

রানার প্রতিবেদন : কোনও দেশের সরকার প্রধানকে বিদেশ সফরে গিয়ে হোটেল বিল নিয়েও ভাবতে হয়? এই প্রশ্নই দেখা দিল ইমরানের আমেরিকা সফরে। হোটেলে উঠলে মোটা টাকার বিল দিতে হবে, এই আশঙ্কায় ইমরান ঠিক করেছেন তিনি আমেরিকায় গিয়ে হোটেলেই উঠবেন না। ওয়াশিংটনে আমেরিকার রাষ্ট্রদূতের সরকারি বাসভবনেই উঠবেন বলে ঠিক করেছেন তিনি। পাকিস্তানের সংবাদপত্র “দ্য ডন” এ এই খবর প্রকাশিত হয়েছে। বলা হয়েছে, তিনদিনের আমেরিকা সফরে আগামী ২১ জুলাই ওয়াশিংটন পৌঁছবেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সেখানে তিনি পাক রাষ্ট্রদূতের সরকারি বাসভবনে উঠবেন বলে ইতিমধ্যে পাক রাষ্ট্রদূতকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।


ইমরান ক্ষমতায় এসেই বুঝতে পারেন , দেশের অর্থনীতি এখন খাঁদের কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছেন ইমরান। নগদ অর্থের আশায় ছুটে বেড়াচ্ছেন এক দেশ থেকে আর এক দেশে, কারন ঋণের ভারে এখন জর্জরিত পাকিস্তান। এই পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আসার জন্য সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল( আই এম এফ) মোট ৬০০ কোটি মার্কিন ডলারের এক আর্থিক প্যাকেজ মঞ্জুর করেছে। যদিও একই সঙ্গে সরকারের বাজে খরচ কাটছাট করার জন্য কিছু কঠোর শর্ত আরোপ করেছে আই এম এফ।


ইমরানের এই সিদ্ধান্তে খুশি নয় মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস এবং নগর প্রশাসন। কারন যেখানে রাষ্ট্রদূতের অফিস ও বাড়ি সেটা ওয়াশিংটনের প্রাণকেন্দ্র। ওখানে ভারত সহ একাধিক দেশের এমব্যাসি হাউস। এমনকি ওই এলাকাতেই উপরাষ্ট্রপতির বাড়ি। সিক্রেট সার্ভিস থাকে অতিথির নিরাপত্তার দায়িত্বে, আর নগর প্রশাসনের দায়িত্ব শহরের যান চলাচল মসৃন রাখা। আশঙ্কা সিক্রেট সার্ভিসের গতিবিধির জন্য শহরের মাঝখানে যান চলাচল বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে। সমস্যায় পড়তে পারেন অন্য দেশের রাষ্ট্রদূতরা। এমনকি রাষ্ট্রদূতের বাড়ি একজন রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার প্রধানের নিরাপত্তার জন্য উপযুক্ত নয়।শহরে এমন কিছু হোটেল আছে যেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো। সিক্রেট সার্ভিস চায় বিদেশি ভিআইপি অতিথিরা থাকুক ওইসব হোটেল গুলিতেই।