রানার প্রতিবেদন : শোভন – বৈশাখীর কাছে ইঙ্গিত গেছে এবার নারদ কাণ্ডে শোভনকে টার্গেট করবে সিবিআই। ইতিমধ্যে তৃণমূলের একগুচ্ছ নেতাকে জেরা করতে শুরু করেছে সিবিআই। এখনও সেই তালিকায় আসেননি শোভন এবং মদন মিত্র। ডাক পাঠিয়ে সৈয়দ মির্জার মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হয়েছে প্রাক্তন তৃনমূল নেতা বর্তমানে বিজেপি নেতা মুকুল রায়কে।

আরও পড়ুন : সৌরভ – অমিত শাহ বৈঠক, মহারাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে

কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সৌগত রায় এবং শুভেন্দু অধিকারীকেও ডাক পাঠানো হয়েছে, কয়ক জনকে একপ্রস্থ জেরা করা হয়েছে। এমনকি সাঈদ মির্জাকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। বর্তমানে তিনি জেল হাজতে। এবার একে একে বাকিদের শমন পাঠিয়ে জেরার সিধান্ত নিয়েছে সিবিআই। খুব তাড়াতাড়ি ডাক পেতে পারেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র।


শোভনের বিরুদ্ধে নারদ কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের পাশাপাশি তার আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিবিহীন সম্পত্তির হিসাব নিয়েও আলাদাভাবে তদন্ত করছে ইডি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, তদন্তের হাত থেকে বাঁচতেই তিনি বিজেপিতে এসেছিলেন, কিন্তু শুরু থেকেই তার বান্ধবীর সঙ্গে বিজেপি নেতৃত্বের বনিবনার অভাবের জেরে বিজেপিতে নাম লেখানোই সার হয়েছে শোভনের। তিনি নতুনদলকে প্রথম থেকেই এড়িয়ে চলতে শুরু করেছেন। উল্টে বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছেন শোভন।

আরও পড়ুন : সায়ন্তন বসুর বিরুদ্ধে মামলার হুমকি দিলেন মহ: সেলিম

এক কদম এগিয়ে বৈশাখী বলেছেন, বিজেপিতে এত লোক আছেন, যাদের কোনও শিষ্টাচার নেই, এই তথ্য তার জানা ছিল না, বিজেপিতে এসে সেটা বুঝতে পেরেছেন, এটাও বুঝতে পেরেছেন তৃনমূল দল হিসাবে বিজেপির থেকে অনেক ভালো। এই মন্তব্যের পরই বিজেপির সঙ্গে শোভন-বৈশাখীর তিক্ততা ও দূরত্ব চরমে পৌঁছায়। এই অবস্থায় সিবিআই তৎপরতার কথা কানে যেতেই সেই বিজেপির দরজায় এখন কড়া নাড়তে শুরু করেছেনক্স বৈশাখী। আর্জি একটাই, তিনি যা মন্তব্য করছেন তারজন্য তিনি দুঃখিত কিন্তু দল এটা অন্তত দেখুক, শোভনের যেন কোনও ক্ষতি না হয়।