রানার প্রতিবেদন : সিবিআই আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিল, পুজোর উৎসবে তারা রাশ টানবে তদন্তে, পুজো মিটলেই শুরু হবে নতুন উদ্দমে নারদ সন্ধান। আগামী শুক্রবার রেড রোডে দুর্গা কার্নিভালের দিন ঠিক করেছেন মমতা ব্যানার্জি। তারপরই আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে দুর্গোৎসব। গোয়েন্দা সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই সপ্তাহ পার হলেই কাজ শুরু হবে নতুন করে। তবে বিজেপি বিরোধী শিবিরের অভিযোগ, মুকুলকে নিয়ে সিবিআই-এর ভূমিকা কি হবে, তার ওপরই নির্ভর করছে তদন্তের গতিপ্রকৃতি।

আরও পড়ুন : মমতা হিজাব পড়লে ভালো আর নুসরত অঞ্জলি দিলেই খারাপ ? তোপ দাগলেন তসলিমা

গত ১ অক্টোবরে নেতাজি ইনডোরে অমিত শাহর সঙ্গে একই মঞ্চে মুকুল ভাষণ দেবার পর, সিপিএম নেতৃত্ব প্রথম এই ঘটনার দিকে আঙ্গুল তুলে প্রশ্ন করেছিল, যে নেতা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে একই মঞ্চে ভাষণ দেয়, তাকে সত্যি ঘাটাঘাটি করার সাহস পাবে সিবিআই? যদিও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা বলছেন, এই ঘটনার একটা গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র মুকুল রায়, সে দোষী কি দোষী নয়, সেটা বিচার সাপেক্ষ কিন্তু মুকুলের সঙ্গে কথা না বললে, এই তদন্ত নিয়ে এগুনো যাবে না।


এই মুহূর্তে জেল হেফাজতে আছেন ধৃত সৈয়দ মির্জা। সিবিআইকে তিনি জানিয়েছেন, টাকা পয়সা যা নিয়েছিলেন সবই মুকুলের হাতে তুলে দিয়েছেন এলগিন রোডের বাড়িতে এসে। অভিনয় করে দেখিয়েছেন সেই ঘটনা। কত টাকা ? মির্জা নাকি বলেছেন ১ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। তার অভিযোগ, মুকুলের নির্দেশে এসব করতে হতো। কেননা, সেই সময় তৃণমূলের হয়ে পুলিশের বিষয়টা দেখার দায়িত্ব ছিল মুকুলের হাতেই। সুতরাং সহজেই অনুমান করা যায়, কেন মুকুলের কথা শুনতেন পুলিশ কর্তারা।

আরও পড়ুন : বিশ্ব জোড়া চমকের অপেক্ষা, সর্ববৃহৎ ‘সবুজ প্রাচীর’, নির্মাণের সিধান্ত মোদির

কিন্তু মুকুল বলছেন, তদন্ত শুরুর সময় মির্জা যে বয়ান দিয়েছিল, তাতে সে যে কথা বলছিল, তার সঙ্গে এখনকার বক্তব্যে কোনও মিল নেই। এগুলো মমতার নির্দেশে চক্রান্তমূলক কথাবার্তা বলছে মির্জা। অন্যদিকে ম্যাথু অবশ্য বলেছেন, টাকা দিতে তিনি নিজে গিয়েছিলেন মুকুলের বাড়ি, এবং মুকুলই তাকে বলেছিলেন, মির্জার হাতে টাকা দিতে। গোয়েন্দারা বলছেন, এবার ম্যাথুকে কলকাতায় ডেকে পাঠানো হয়েছে, পুজোর পরই মুকুল-ম্যাথু মুখমুখি বসিয়ে জেরা করা হবে।