রানার প্রতিবেদন : পুলিশ বাহিনীতে যে সব মুসলিম সদস্য লম্বা দাড়ি রাখেন তাদের ওপর নেমে এলো সরকারি খাড়া। ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের আলোয়ার জেলায় এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিয়েছে, ধর্মীয় রীতি মেনে লম্বা দাড়ি রাখা যাবে না।

আরও পড়ুন : বুটিকের আড়ালে নারী দেহের দোকান, কসবায় ধৃত চার

ইতিমধ্যে বাহিনীর ৯ জন সদস্যকে বলা হয়েছে দাড়ি কেটে ফেলতে। বাকি সকলকেই বলা হয়েছে, বাহিনীর সদস্যরা এমন কিছু করবেন না, যাতে তার নিদিষ্ট কোনও ধর্ম পরিচয় প্রকাশ্যে ফুটে ওঠে।


পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পুলিশ কর্মীরা ভারতীয় ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক সমাজের রক্ষা কর্তা। তাদের কাছে সবাই সমান। তারাও যাতে সকলের চোখে সমান হিসাবে পরিগণিত হন, সেটা মাথায় রেখেই নিজেদের কাজ করতে হবে।

আরও পড়ুন : বিজেপিকে রুখতে সিপিএম – তৃনমূল সখ্যতার ফর্মুলা, জোর বিতর্ক

কোথায় যেন ধর্মের বেড়াজাল সামনে না আসে। একারণেই মুসলিম রীতি মেনে যারা লম্বা দাড়ি রাখেন তারা অবশ্যই সেই দাড়ি কেটে ফেলবেন বলে নির্দেশ জারি করা হয়েছে।


এই নির্দেশ ঘিরে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজস্থানে। মানবাধিকার সংগঠন সহ একাধিক সংস্থা এবং রাজনৈতিক শক্তি এর প্রতিবাদে সরব হয়েছে। তাদের যুক্তি দেশটা গণতান্ত্রিক এবং ধর্মনিরপেক্ষ বলেই প্রতিটি নাগরিকের তার ধর্মচারনের অধিকার আছে। যদিও পুলিশ কর্তৃপক্ষ মনে করেন গোটা সমাজের সাধারণ নিয়ম আর শৃঙ্খলাবব্ধ বাহিনীর রীতি ও নিয়ম স্বতন্ত্র। কিন্তু প্রবল চাপে পড়ছে পুলিশ কর্তৃপক্ষ। যদিও রাজ্যসরকার এনিয়ে বিতর্ক থামাতে চাইছে এখন। ফলে সর্বশেষ খবর, সরকারি হস্তক্ষেপেই নয়া ফরমান বাতিলের সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত।