মমতা

রানার প্রতিবেদন : রাজ্যের আর্থিক সঙ্কটের কথা বললেন মমতা ব্যানার্জি। আজ বিধানসভায় তিনি বলেন, জন্ম থেকে মৃত্যু, বিভিন্ন প্রকল্পে বিপুল অর্থ খরচ হচ্ছে। সরকার আর পেরে উঠছে না । তিনি বিধানসভার সব সদস্যের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকার কিভাবে তার আয় বাড়াতে পারে তানিয়ে যদি কারো কোনও পরামর্শ থাকে তবে সেটা সরকারকে সে জানাতে পারে। সরকার খতিয়ে দেখবে। সকলের উদ্দেশ্যেই পরামর্শ দেবার আহবান করেন তিনি। একদিকে আর্থিক সঙ্কটের কথা বললেন, অন্যদিকে আজই মন্ত্রী-বিধায়কদের ভাতা একলাফে মাসিক তিরিশ হাজার টাকা করে বাড়িয়ে দিলেন। ফলে মন্ত্রীদের ভাতা ৬০০০০ টাকা থেকে বেড়ে হলো ৯০০০০ টাকা। আর বিধায়কদের ভাতা ৩০০০০ টাকা থেকে বেড়ে হলো ৬০০০০ টাকা।

আরও পড়ুন : পশ্চিমী সংস্কৃতির অবসান করলেন নির্মলা, বাজেটের দিনে গড়লেন নতুন নজির


ভাতার ক্ষেত্রে এই সরকার বৈষম্য করে চলেছে বলে অভিযোগ বিধায়কদের। শাসকদলের বিধায়করা প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও বিরোধী দলের বিধায়করা প্রকাশ্যেই এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের বক্তব্য মন্ত্রীরা এমনিতেই প্রচুর সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকেন তারওপর ভাতার ক্ষেত্রেও কেন তাদের বেশি সুবিধা দেওয়া হবে এই প্রশ্নের কোনও সদুত্তর নেই। বর্তমানে মন্ত্রীদের বেতন ২৭০০০ টাকা। এর সঙ্গে ভাতা যোগ হয়ে রোজগার দাঁড়াবে ১১৭০০০ টাকা। অন্যদিকে বিধায়কদের বেতন ২১ হাজার টাকা , এরসঙ্গে ৬০০০০ টাকা যোগ হয়ে তাদের রোজগার দাঁড়াবে ৮১০০০ টাকা। এই অংকটা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। তাদের বক্তব্য, সরকারে উচিত ছিল বৈষম্য দূর করা, উল্টে সরকার আরও বৈষম্য বাড়িয়ে দিল।

আরও পড়ুন : পশ্চিমী সংস্কৃতির অবসান করলেন নির্মলা, বাজেটের দিনে গড়লেন নতুন নজির


তবে ভাতার ক্ষেত্রে নিয়ম হলো, এই ভাতা পেতে হলে মন্ত্রী কিংবা বিধায়কদের কমিটি মিটিংয়ে অংশ নিতে হবে। প্রতি দুসপ্তাহে অন্তত একটি মিটিংয়ে থাকতেই হবে তাকে, নতুবা সে ওই ১৫ দিনের ভাতা পাবে না। বিধানসভায় স্ট্যান্ডিং কমিটি, কন্সাল্টেটিভ কমিটি সহ একাধিক কমিটি আছে। প্রতিটি মন্ত্রী-বিধায়ক কোনও না কোনও কমিটির সদস্য। যদিও বামেদের দাবি, সরকারের হাতে ক্ষমতা আছে বলে নিজেরাই নিজেদের বেতন-ভাতা দফায় দফায় বাড়িয়ে নেবার এই রীতি বন্ধ হওয়া দরকার। বেতন-ভাতা সংক্রান্ত সিধান্ত নেবার জন্য একটা কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে বাম বিধায়করা।

রানারের খবর ভালো লাগলে Like করুন ‘ runnerbangla ‘ Facebook Page