রানার প্রতিবেদন : গতকাল আস্থা ভোটে উৎরেছেন উদ্ভব। তৈরি হয়েছে নতুন জোট সরকার। নয়া সরকার ২৪ ঘন্টা অতিক্রম করার আগেই সরকারের জোট শরিক কংগ্রেস এবং এনসিপিকে চরম বিপাকে ফেলে দিলেন শিবসেনা প্রধান এবং নয়া সরকারের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরে। বিধানসভা অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি জানিয়ে দিলেন তার দল শিবসেনা কখনোই হিন্দুত্ববাদের পথ থেকে সরে আসবে না। অথচ কংগ্রেস-এনসিপির সঙ্গে সরকার তৈরি করতে গিয়ে যে নূন্যতম অভিন্ন কর্মসূচি রচনা করা হয়েছে সেখানে লেখা হয়েছে, ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শকে সামনে রেখেই চলবে এই সরকার।


নয়া সরকারের ভাবমূর্তি যদি হিন্দুত্ববাদী হয়, তবে কংগ্রেসের পক্ষে এই সরকারকে সমর্থন করা অসম্ভব। একারণেই সুপ্রিমকোর্ট অযোধ্যা রায় ঘোষণার পর যখন অযোধ্যা যাবার কথা ঘোষণা করেছিলেন তখন বাঁধ সেধেছিলেন এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ার। তিনি বুঝিয়েছিলেন, শিবসেনা খোলাখুলি হিন্দুত্বের পথে চললে কংগ্রেসের পক্ষে শিবসেনা নেতৃত্বাধীন সরকারকে সমর্থন দেওয়া সম্ভব হবে না। সেই নিষেধ মেনেই উদ্ভব তখন অযোধ্যা যাত্রা বাতিল করেন। কিন্তু সরকার তৈরি হয়ে যেতেই এবারকি উদ্ভব পাল্টি খেতে শুরু করলেন? এই প্রশ্নই এখন রাজনৈতিক মহলের অন্যতম আলোচনার বিষয়।


এদিন ভাষণ দিতে গিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবেই দেবেন্দ্র ফরনবিশের ভূয়সী প্রশংসা করেন উদ্ভব। তিনি বলেন উদ্ভবকে আমি বিরোধী দলনেতা বলে নয়, একজন দায়িত্বশীল নেতা বলেই গণ্য করি। ব্যক্তি মানুষ হিসাবে ফরনবিশের প্রশংসা করে বলেন, তিনি আমার ব্যক্তিগত বন্ধু ছিলেন এবং থাকবেন। আমাদের পক্ষ থেকে ওর প্রতি সহযোগিতার কোনও অভাব ছিল না। আমাদের বোঝাবুঝিতে চির না ধরলে বন্ধুত্ব অটুট থাকতো। সেই সঙ্গে নয়া সরকার পরিচালনার জন্য ফরনবিশের সহায়তাও চেয়েছেন।