রানার প্রতিবেদন : এরনাম যুবরাজ। মহারাজের অত্যন্ত কাছের বলে যার পরিচয় ছিল মাঠের ভেতর, মাঠের বাইরেও তাদের সেই সম্পর্কের রসায়ন অটুট। যুবরাজ মানেই খুনসুটি, আর যুবরাজ মানেই সারাক্ষন হাহাহা! তার এই মজাদার চেহারা ধরা পড়তো মাঠের ভেতর, এবার সেটা ডিজিটাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত বিশ্বকাপ চলাকালীন। ৪৭ জন্মদিনের দিন কমেন্ট্রি বক্সে বসেই সৌরভ ঘোষণা করেন , আজ থেকে তিনি নিজের ইন্সট্রাগ্রাম একাউন্ট চালু করলেন। এই ঘোষণার পরই হুহু করে বাড়তে থাকে তার ফলোয়ার সংখ্যা। এখন সেটা দের লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে। একদিন সৌরভ ইন্সট্রাগ্রামে লিখলেন, ” এবার শুরু হচ্ছে দাদাগিরির অষ্টম পর্ব ” এই পোস্ট পড়েই একটু অবাক হয়ে যান ব্রায়ান লারা। তিনি লেখেন, “সৌরভ, এই দাদাগিরি শব্দটার মানে কি?”


সৌরভ জবাব দেবেন কি, স্লিপে কিংবা গালিতে যেভাবে বাজপাখির মতো ছো মেরে বল তুলে নিতেন যুবি, সেই স্বভাব তার আজও যায়নি। লারার প্রশ্ন পোস্ট হবার সঙ্গে সঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়লেন যুবি। সৌরভ উত্তর দেবার আগেই যুবি লিখলেন, ” দাদাগিরি মানে হলো মুরগি ধরো, মুরগি করো।” এই পোস্ট পরে লারা কি বুঝলেন তা বোঝা গেল না, কিন্তু নেট দুনিয়ায় ততক্ষনে হাসির রোল। সৌরভ-যুবরাজের সেই পুরনো মধুর সম্পর্কের মাঝে এই দুস্টুমি আর খুনসুটি ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। আবার তার স্বাদ পেলেন ক্রিকেট প্রেমীরা। যদিও সৌরভ বিভ্রান্তি রাখতে চাইলেন না, যুবির পোস্টের নিচেই তিনি লিখে দিলেন, “লারা, এটা হলো একটা গেম শো, এর আগে সাত পর্বে এই শো টা হয়েছে, এবার শুরু হবে অষ্টম পর্ব।” ক্রিকেট রসিকরা বলছেন, ভারতীয় দলে সবাই ভালোবেসে সৌরভকে ডাকতো দাদা বলে, আর দাদাই ছিলেন ক্যাপ্টেন। ফলে দাদাগিরির সঙ্গে যুবরাজদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা সেই খেলার মাঠ থেকেই। স্টুডিওতেও সেই নামটাই রাজ করছে আজ।