রানার প্রতিবেদন : কর্তারপুর করিডর খুলে দেওয়া নিয়ে হটাৎ করে ইসলামাবাদের আগ্রহে একটু বিস্মিত হয়েছিলেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরেন্দ্র সিং। আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিলেন, পাকিস্তানের এত আগ্রহের পেছনে কোনও অসৎ উদ্দেশ্য লুকিয়ে থাকাটা আশ্চর্য্যজনক কিছু নয়।

আরও পড়ুন : প্রশান্তর পরিকল্পনা, খড়্গপুরে আড়াইশো “কান ফুসফুস” কর্মী নিয়োগ তৃণমূলের

তার সেই আশঙ্কাই প্রমান হলো। গভীর ষড়যন্ত্র নিয়েই কর্তারপুর ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করা হয়েছে। আর কেউ নন, স্বয়ং পাক মানবাধিকার কর্মী এবার সরব হলেন এই চক্রান্তের বিরুদ্ধে।


পাক মানবাধিকার কর্মী আমজাদ মির্জা পাকিস্তানের এই গোপন ষড়যন্ত্র-এর কথা ফাঁস করে দিয়ে বলেছেন, পাকিস্তানের উদ্দেশ্য হলো পাঞ্জাবের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মহান হিসাবে পুণ্যার্থীদের সামনে লাগাতার ভাবে তুলে ধরা, বিচ্ছিন্নতাবাদকে উস্কে দেওয়া এবং শিখদের মনে ভারত বিরোধিতার আগুন উস্কে দেওয়া। পাকিস্তান থেকে দূরে গ্লাসগোতে বসে এভাবেই কামান দেগেছেন আমজাদ মির্জা।


পাক করিডর দিয়ে প্রতিদিন শিখ পুণ্যার্থীরা এখন যেতে শুরু করেছেন কর্তারপুর। সেখানে পৌঁছে অনেকেই এই ষড়যন্ত্রের গন্ধ পেতে শুরু করেছিলেন। ওখানে বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের ছবি ও তাদের সম্পর্কে লেখা অনেকের নজরে এসেছে। এমনকি ওখানে ওই সব নেতাদের বক্তব্য সম্মিলিত ভিডিও ছড়ানোর কাজও শুরু হয়েছে। আমজাদ বলেছেন,কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী ঢোকানোর কাজ এখন কঠিন হয়ে গেছে পাকিস্তানের জন্য। তাই ইসলামাবাদ মরিয়া নতুন ক্ষেত্র তৈরি করে ভারতে অশান্তি তৈরি করার জন্য। সামরিক বাহিনীর চাপেই কর্তারপুর নিয়ে এত উদ্যোগী হয়েছেন ইমরান খান।