রানার প্রতিবেদন : গত ২৩ মে, যেদিন লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হলো সেদিনই পরমাণু বোমা বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছিল পাকিস্তান।ভারত-পাক স্নায়ু যুদ্ধে পাকিস্তান নিজের শক্তি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যেই এই মিসাইল পরীক্ষা করলো বলে মনে করা হচ্ছিল। দিল্লিই তক্কে তক্কে ছিল পাল্টা জবাব দেবার। সেই জবাব দেওয়া হলো শনিবার। যেদিন এনডিএ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন নরেন্দ্র মোদি। সেইদিনটাকেই বেছে নিলেন ভারতীয় প্রতিরক্ষা নিজ্ঞানীরা। পরীক্ষামূলক ভাবে ফাটানো হলো ৫০০ কেজি ওজনের বোমা। ভয়ঙ্কর বিধ্বংসী এই বোমা মিসাইলের সাহায্যে ছোড়া যায়।


পাকিস্তানের মিসাইল পরীক্ষার দিনই ইসলামবাদ থেকে বিবৃতি দিলেন ইমরান খান। সেদিনই সামনে এলো আবার দিল্লির মসনদে আসছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। ইমরান শুভেচ্ছা জানালেন এবং একই সঙ্গে আশা প্রকাশ করলেন, দুদেশের মধ্যে আলোচনা শুরু হবে এবং দ্বিপাক্ষিক সমস্যা দূর হবে। দিল্লি বোমা ফাটানোর পর মার্কিন যুক্তরাষ্টে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বিবৃতি দিয়ে বললেন, আলোচনা তখনই সম্ভব, যদি পাকিস্তান সন্ত্রাসবাসীদের নির্মূল করতে আন্তরিক পদক্ষেপ নেয়।


বালাকটের ঘটনার পর দুদেশের সম্পর্কে উত্তাপ তৈরি হয়েছে তা স্বীকার করে নিয়েছেন পাক প্রধামমন্ত্রী। এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক স্তরে পাকিস্তানকে কোণঠাসা করতে ভারত যে উদ্যোগ নিয়েছে তাতে আক্ষরিক অর্থেই বেকায়দায় পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক চাপেই পাকিস্তান বাধ্য হয়েছে জঙ্গি বিরোধী অভিযান নামতে। কিন্তু ভারত এখনো মনে করে এই পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়। এর আগেও চাপে পড়ে পাকিস্তান বরাবর কিছু লোক দেখানো ব্যবস্থা নিয়েছে, এর বেশি কিছু নয়। এবার তাদের প্রমান করতে হবে এগুলো লোক দেখানো পদক্ষেপ নয়, একমাত্র তবেই দুদেশের মাঝে জমে থাকা বরফ গলাতে উদ্যোগ নেবে দিল্লি।