রানার প্রতিবেদন : জাকির নায়েককে নিয়ে তিক্ততার সূত্রপাত। দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় বসে ভারত বিরোধী, হিন্দু ধর্ম বিরোধী এমনকি মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী ভারতীয় হিন্দুদের বিরুদ্ধে লাগাতার বিষোদগার করে যাচ্ছেন জাকির নায়েক। বহুবার দিল্লি অনুরোধ করেছে, একাধিক মামলার আসামি জাকিরকে বিচারের জন্য ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হোক। মালয়েশিয়া ভারতের চাপে পড়ে জাকিরের মুখে লাগাম পড়ালেও তাকে ভারতের হাতে তুলে দেবার আর্জি কানেই তুলছে না।

আরও পড়ুন : সৌরভ নিয়ে মুখে কুলুপ কোহলির, পেছনে কি কোচের কলকাঠি ? উঠছে প্রশ্ন

এনিয়ে দিল্লির ক্ষোভে এবার ঘি ঢাললো কাশ্মীর ইস্যু। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণসভার অধিবেশনে কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়ে ভারতের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনায় সরব হয় মালয়েশিয়া। বিস্মিত দিল্লির শীর্ষ আমলা মহল। তারা মনে করছেন, মালয়েশিয়ার অর্থনীতি অনেকটাই ভারত নির্ভর, সেটা তাদের উপলদ্ধি করানোর সময় এসে গেছে এবং সেটা করা হবে এবার।


আমলাদের বক্তব্য, মালয়েশিয়ার অর্থনীতি অনেকটাই ভারত নির্ভর। তাদের মূল অর্থকরী ফসল পামতেলের প্রধান ক্রেতাই হলো ভারত। বছরে হাজার হাজার কোটি টাকার পামতেল আমদানি করে ভারত। মালয়েশিয়ার অর্থনীতিকে মদত দিতে ভারত ওই দেশে রফতানি করে কম, আমদানি করে বেশি। গত অর্থ বছরে যার পরিমান ২৮৪৩৬ কোটি টাকা। মালয়েশিয়াকে বন্ধু দেশ হিসেবে চিরকাল উঁচু মর্যাদা দিয়ে এসেছে ভারত।

আরও পড়ুন : কাশ্মীরে রক্তারক্তি চায় পাকিস্তান, বিপুল অর্থ খরচে ভাড়াটিয়া খুনি

২০১৮ সালে সেদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজেককে নিয়ে আসা হয়েছিল প্রজাতন্ত্রে দিবসের প্রধান অতিথি হিসাবে। এছাড়া সামরিক ও প্রযুক্তি গত সাহায্য করে আসছে ভারত। আমলা মহলের ইঙ্গিত, এবার পাম তেল আমদানির নীতি বদল করা হতে পারে। মালয়েশিয়ার ওপর ধীরে ধীরে নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প হিসেবে বাণিজ্য বাড়াতে হবে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে। তবে মালয়েশিয়ার কৃষকরা যাতে আচমকা সঙ্কট না পড়ে যায় তা মাথায় রেখে খুব ধীরে এই প্রক্রিয়ায় হাত দিতে চাইছে নয়াদিল্লি।