রানার প্রতিবেদন : গোয়েন্দাদের সতর্কবার্তা পুরোপুরি মিলে গেল। রানার বাংলায় আমরা খবর করেছিলাম, পাক-অধিকৃত কাশ্মীর সীমান্তে ওঁৎ পেতে আছে আফগান জঙ্গিরা। এদের ভাড়া করে এনেছে আইএসআই। তাদের ভারতের কাশ্মীরে ঢোকাতে এখন মরিয়া পাক সেনা। যেকোনও সময় সীমান্তে তীব্র গোলাগুলি চালিয়ে জঙ্গিদের জন্য ভারতে ঢোকার রাস্তা তৈরির চেষ্টা করবে তারা। আজ সকাল থেকেই শুরু হয় সেই চেষ্টা। কুপওয়ারা সেক্টরে বিনা প্ররোচনায় ব্যাপক আক্রমন শুরু করে পাক সেনা। আক্রমণে মৃত্যু হয় দুই ভারতীয় জওয়ানের। একজন সাধারন নাগরিকও মারা যান পাক সেনারা গুলিতে। এরপরই পাল্টা আক্রমণ শানাতে শুরু করে ভারতীয় সেনা বাহিনী।


ভারতীয় সেনার কাছে সব তথ্য আগাম থাকায়,পরিকল্পনা মাফিক এবার জঙ্গিঘাটি গুলিকে বেছে নেয় তারা। সেনা সূত্র মোতাবেক, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নিলম ভ্যালির চারটি লঞ্চপ্যাড ( যেখানে জঙ্গিদের জড়ো করা হয় অভিযানের জন্য) সম্পূর্ন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সীমান্তের ওপারে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে এই আঘাত করার জন্য এবার বায়ু সেনার সাহায্য নেওয়া হয়নি। এবার নির্দিষ্ট লক্ষ্য আঘাত করতে সক্ষম স্বল্প পাল্লার ক্ষেপনাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। সমর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্ভবত গোয়েন্দা খবরের প্রেক্ষিতে জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে নিশানা প্রস্তুত করেই রেখেছিল ভারতীয় ফৌজ। ফলে পাক সেনাদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট হতেই সেই জঙ্গি ঘাঁটি গুলিকে কার্যত মুহূর্তের মধ্যেই গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনারা। এই ঘটনার পর এখন সীমান্তে যথেষ্ট উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। চূড়ান্ত সতর্ক করা হয়েছে, নিরাপত্তায় জড়িত সংশ্লিষ্ট সমস্ত কর্তৃপক্ষকে। ভারতীয় সেনার আক্রমণে কত জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে সেই তথ্য এখনও স্পষ্ট নয়, তবে গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী ওই চারটি ঘাঁটিতে অন্তত দেড়শ জঙ্গি আশ্রয় নিয়েছিল।