নিজস্ব সংবাদ :দীর্ঘ সময় ধরে এপাশ-ওপাশ করেই যান কিন্তু ঘুম আর আসে না। প্রতিদিন ঘুমের সঙ্গে কুস্তি লড়তে হয়। যদিও বা ঘুম এলো তাও সেটা দীর্ঘ সময় ধরে হয় না। মাঝে মাঝেই ঘুমের ট্যাবলেটও খেতে হয়। আপনার হয় এরকম? এতে ঘবড়ানোর কিছু নেই। চিকিৎসকরা বলছেন, এই মুহূর্তে দেশের ৩০ শতাংশ মানুষ ঘুমের সমস্যায় ভোগেন। এর অনেকগুলো কারণকে তাঁরা চিহ্নিত করেছেন। কাজের চাপ, মানসিক চাপ, বেশি মাত্রায় উদ্বেগ, খাদ্য ও পানীয় গ্রহণের মাত্রা, এরকম নানান কারণকে দায়ী করেন তাঁরা। কিন্তু এর সমাধানও আছে।


নিজেকে উদ্বেগমুক্ত রাখার চেষ্টা করুন, সব সমাধান আপনার হাতে নেই। কাজ করুন কিন্তু দুশ্চিন্তা করবেন না । একটা নির্দিষ্ট সময়ে বিছানায় যাওয়া আবশ্যক। এটা মেনে চলুন ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন জানাচ্ছে, ঘুমের জন্য পরিবেশ খুব গুরুত্বপূর্ণ। ঘরটা গুমোট থাকা চলবে না, অন্ধকার হতে হবে এবং গরম থাকলে হবে না। ঘর ঠান্ডা থাকা জরুরি ৩) প্রতিদিন ব্যায়াম করেন? ঘুমের সমস্যা থাকলে অবশ্যই ব্যায়াম করুন। তবে শুতে যাবার আগে চার ঘণ্টা কোনো ব্যায়াম নয়। এতে শরীরের তাপমাত্রা বাড়ে , ঘুমের সমস্যা হয়। ঘুমোতে যাবার আগে শারীরিক কসরৎ করতে হয়, এমন কাজ এড়িয়ে চলুন।


কখনোই দিনে বেশি ঘুমাবেন না। বড়জোর ১৫ মিনিটের তন্দ্রা নেওয়া যেতে পারে, এর বেশি নয় ৫) ঘুমোতে যাবার আগে মদ্যপান কখনোই করবেন না। এতে মনে হবে ঘুম আসবে কিন্তু সঠিক ঘুম হয় না,কিছু সময় পর ঘুম উধাও হয়ে যায়। তাছাড়া কফি এড়িয়ে চলুন ঘুমোতে যাবার অন্তত দু ঘন্টা আগে থেকে। কফি ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।এই নিয়মগুলি মানার পাশাপাশি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মানসিক ভাবে নিজেকে সতেজ রাখা। খেয়াল রাখবেন উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা যেন স্থায়ীভাবে আপনার ওপর চেপে বসতে না পারে। যতটা সম্ভব নিজেকে হাসিখুশি রাখতে পারাটাই আপনার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।।