রানার প্রতিবেদন : সারদা মামলায় আগাম জামিনকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হয়েছে সিবিআই। কিন্তু কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা মনে করছেন, ফাক-ফোকর খুঁজে এই মামলায় ক্রমশ পিছলে যাচ্ছেন দুদে এই পুলিস অফিসার, তাই যে কোনও মূল্যে রাজীবকে হাতের মুঠোয় পেতে চলছিল বিকল্পের সন্ধান।

আরও পড়ুন : এক্ষুনি রাজ্য ছাড়তে হবে, শুরু হলো বাঙালিদের হুমকি উঃ-পূর্বে

সিবিআই কর্তারা ইঙ্গিতে দিয়েছেন, তার হদিস তারা পেয়ে গেছেন, এবার রোজভ্যালি মামলায় জাল ফেলতে শুরু করলো কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। তাকে এই মামলায় দুবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, দুবারই সেই নোটিশকে উপেক্ষা করেছেন তিনি। আদলতে জমা দেওয়া হলফনামায় রোজভ্যালি মামলায় অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছে সিবিআই।


সিবিআই-এর বক্তব্য কি করে দিনের পর দিন রোজভ্যালি পুলিশের নাকের ডগায় চরম দুর্নীতি আর প্রতারণা চালিয়ে গেল? এই সংস্থার প্রতারণা চক্র যে ভাবে কাজ করে গেছে তাতে পুলিশ কর্তার ভূমিকা কখনই সন্দেহের উর্ধে নয়। এমনকি রোজভ্যালি তদন্ত কমিটির মাথায় ছিলেন রাজীব কুমার। অথচ এই সংস্থার বিরুদ্ধে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় যেসব অভিযোগ জমা পড়েছিল, তদন্তের স্বার্থে সেগুলি বারবার চেয়েও হাতে পায়নি সিবিআই। পুলিশ প্রথম থেকে চূড়ান্ত অসহযোগিতা করে আসছে।

আরও পড়ুন : ইমরানের দিন শেষ ? সেনা প্রধানের তৎপরতায় ক্ষমতা দখলের ইঙ্গিত

ফলে ওড়িশার একটি অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করে সিবিআই।রাজীবের অসহযোগিতার জোরালো প্রমান আছে সিবিআই-এর হাতে। আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রোজভ্যালি মামলায় সিবিআই চাইলে রাজীব কুমারকে গ্রেফতার করতেই পারে। সিবিআই সূত্র মোতাবেক, রোজভ্যালি নিয়ে আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন গোয়েন্দারা। এমনকি গোটা বিষয়টা জানানো হয়েছে দিল্লিতে সদর দফতরে। এখন শুধু দিল্লির সবুজ সংকেতের অপেক্ষা। সবুজ সংকেত এলেই রাজীবকে গ্রেফতার করা হবে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তারা।