ভারত – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Sat, 12 Nov 2022 08:29:45 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.1 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png ভারত – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 সংরক্ষণের উদ্দেশ্য লঘু হবে নতুন সিদ্ধান্তে https://runnerbangla.com/caste-reservation-objectives-reduced-supreme-court-new-decision/ Sat, 12 Nov 2022 08:29:41 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4841 অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠীর জন্য দশ শতাংশ সংরক্ষণের রায় বিস্ময়কর, যা আদৌ সমর্থনযোগ্য নয়। যদি “অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে” থাকার বর্তমান সংজ্ঞাকেই অপরিবর্তিত রাখা হয়, তাহলে এই রায় উপযুক্ত বিবেচনার ধারে কাছে নয়। বর্তমান সরকারি নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর(OBC) লোকেরা এই সংরক্ষণের সুবিধা পান।

অর্থাৎ এই জনগোষ্ঠীতে যাদের পরিবারে বছরে রোজগার ৮ লক্ষ টাকার কম তারাই সংরক্ষণের সুবিধা পাবেন। এই সিধান্ত সমর্থনযোগ্য। কারন, অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী একটি পরিবারের জন্য বিশেষ রাষ্ট্রীয় মদতের দরকার হয় না। ব্যতিক্রম এসসি-এসটি ,তাদের ক্ষেত্রে আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনা করা হয় না। এবার অর্থনৈতিক মাপকাঠি না পাল্টে জেনারেল কাস্টকেও যদি সংরক্ষণের আওতায় নিয়ে আসা হয় তাহলে সেটা হবে এক নিছক রসিকতা।

আদালতের রায় অনুযায়ী বছরে ৮ লক্ষ টাকার কম রোজগেরে জেনারেল কাষ্টের সকলেই দশ শতাংশের আওতায় আসবেন। এই রায়ের ফলে ভারতের প্রায় সমস্ত মানুষই সংরক্ষণ নামক বিশেষ সুবিধার আওতায় চলে আসবেন। কারন প্রায় সমস্ত মানুষের আয় বছরে ৮ লক্ষ টাকার নিচেই। সরকারি হিসেবেই দেখা যায় এরকম মানুষের সংখ্যা দেশে প্রায় ৯৯ শতাংশের বেশি। এটাই যদি তথ্য হয় তাহলে এই সংরক্ষনের কোনও মূল্য থাকে না। কারন সকলকেই যদি সংরক্ষেনের আওতায় আনা হয়, তাহলে এর গুরুত্ব এবং উপযোগীতাই লঘু হতে বাধ্য।

এই নিয়মের কবলে প্রকৃত আর্থিক সংকটে থাকা মানুষরাই দিনের শেষে সেই বঞ্চনার তালিকাতেই থেকে যাবেন। বছরে সাত লক্ষ ৯০ হাজার টাকা রোজগেরে পরিবারের সদস্যের সঙ্গে সুবিধা পাবার লড়াইয়ে তিনিও থাকবেন যার রোজগার বছরে হয়ত এক লক্ষ টাকার কম। সাত লক্ষ টাকা রোজগেরে পরিবারের একজন সদস্য বেড়ে ওঠার জন্য যে পরিকাঠামো পান তারসঙ্গে বছরে এক লক্ষ বা তার কম টাকা রোজগেরে পরিবারের কোনো তুলানাই চলে না।

আর এই সংখ্যাটাও বিপুল এবং সঙ্কটও ভয়ঙ্কর। এদের একাসনে বসিয়ে বিবেচনা যুক্তি-বুদ্ধির পরিধির বাইরে। এই অবস্থায় সরকার কিংবা আদালতের উচিৎ জেনারেল কাষ্টের জন্য সংরক্ষণের সুবিধা চূড়ান্ত করার আগে এই জনগোষ্ঠীর আর্থিক মাপকাঠি নতুন করে নির্ধারণ করা । নতুবা সংরক্ষণের নামে বিভ্রান্ত করা ছাড়া এর অন্য কোনও অর্থ দাঁড়াবে না

]]>
গরিব কৃষকের ব্যাংক ঋণের টাকা গিলে খাচ্ছে কর্পোরেট সংস্থাগুলি https://runnerbangla.com/abject-farmers-exploited-by-affluent-capitalists/ Thu, 30 Dec 2021 10:34:11 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4787 রানার প্রতিবেদন: কৃষি ঋণের নামে ব্যাপক দুর্নীতি সামনে এল right to information(RTI) এর হাত ধরে। যে তথ্য সামনে আসার পরে কার্যত চক্ষুচড়কগাছ সকলের। দেখা যাচ্ছে কৃষি ঋণের জন্য বরাদ্দ অর্থের গোটাটাই গিলে খাচ্ছে কর্পোরেশন স্থানগুলি। অথচ গরীব কৃষক ঋণ পাচ্ছেন না। তাদের হাত পাততে হচ্ছে মহাজনের কাছে। চড়াহারে ঋণ নিয়ে, শোধ করতে না পেরে গলায় দড়ি দিচ্ছেন তাঁরা। অথচ তাদেরই টাকা আত্মসাৎ করে ক্রমাগত ফুলেফেঁপে উঠছে কর্পোরেট সংস্থাগুলি।

একটি ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে আরটিআই করা হয়েছিল যার উত্তর দিতে গিয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে ২০১৫ সালে মোট ৬০৪টি সংস্থাকে ৫৩১৪৩ কোটি টাকা কৃষি ঋণ দিয়েছে। ২০১৬ সালে মোট৬১৫ টি সংস্থাকে একইভাবে ৫৮৫৬১ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে। কৃষিক্ষেত্রে সুদের পরিমাণ মাত্র চার শতাংশ। এই টাকা পাওয়ার কথা গরিব কৃষকের। কিন্তু সেই টাকা গিলে খেতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে কর্পোরেট গুলি। তার কারণ ,ইচ্ছে করেই আইনের ফাঁকফোকর রাখা হয়েছে যাতে, সংস্থাগুলিকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া যায়। আইনে বলা হয়েছে কৃষি ঋণ পেতে পারেন তারাও যারা কৃষি পণ্য বিপণন এবং গুদাম এই দুই বিষয়ে সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। ফলে মাত্র ৪ শতাংশ হারে ব্যাপক পরিমাণে ঋণ নিচ্ছে রিলায়েন্স ফ্রেশ। সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো মুম্বাইয়ের সবচেয়ে ধনী এলাকায় মোট ১২ টি সংস্থাকে ৫৭ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে সরকারি ব্যাংক ।

মুম্বাইয়ের সবচেয়ে ধনী এলাকায় ঋণ গ্রহীতারা অবশ্যই গরিব চাষি নন । অথচ মহারাষ্ট্রের বিদর্ভ এলাকার তুলো চাষীরা চরম সংকটে পড়ে দিনের-পর-দিন ঋণের জন্য আবেদন জানিয়ে তা পাচ্ছেন না। তাদেরকে হাত পাততে হচ্ছে মহাজনদের কাছেই। ফলে দেশ জুড়ে কৃষক আত্মহত্যার ঘটনা আজও থামানো যায়নি।

]]>
তৃণমূল থেকে আসা নেতারাই পুর ভোটেও গেরুয়া ব্রিগেডের দায়িত্বে https://runnerbangla.com/bjp-forms-municipal-election-committee-for-kolkata-and-howrah/ Wed, 17 Nov 2021 13:33:50 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4776 রানার বাংলা:কোথাও বছর অতিক্রান্ত হয়েছে, কোথাও দু’বছর ধরে ঝুলে আছে পুরনির্বাচন। বিজেপির দাবি, গোটা রাজ্যে শতাধিক পুর সভায় ভোট বকেয়া, সেই সব পুরসভাতেই নির্বাচন করাতে হবে। রাজ্য সরকার চাইছে, প্রথমে হাওড়া এবং কলকাতার পুর নির্বাচন করে তারপর ধাপে ধাপে রাজ্যের বাকি পুরসভাগুলিতে ভোট করাতে। সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে গেরুয়া শিবির । আদালত নির্বাচন কমিশনকে তাদের বক্তব্য জানিয়ে হলফনামা জমা দিতে বলেছে। ফলে গোটা বিষয়টি এখন বিচারাধীন।

এই অবস্থায় হাওড়া এবং কলকাতা পুরভোটের জন্য নিজেদের নির্বাচনী কমিটি ঘোষণা করে দিল গেরুয়া শিবির। বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, একদিকে আইনি লড়াই অন্যদিকে ভোটের জন্য প্রস্তুতি দুটোই একসঙ্গে করতে চাইছেন তারা। কারণ তারা ধরেই নিয়েছেন, বিষয়টি আদালতে গেলেও নিকট ভবিষ্যতেই হতে চলেছে পুরভোট।

পুরভোটের জন্য দুটি কমিটি তৈরি হয়েছে। একটি কলকাতা এবং একটি হাওড়া। কলকাতার জন্য তৈরি কমিটির মাথায় রাখা হয়েছে তিন জনকে, অর্জুন সিং রাজু ব্যানার্জি এবং জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো । এছাড়াও একটি প্রচার কমিটি তৈরি করা হয়েছে গোটা কলকাতার জন্য। কমিটির মাথায় রয়েছেন তৃণমূল থেকে আসা দীনেশ ত্রিবেদী। তার সহযোগী হিসেবে কাজ করবেন চারজন, তুষার কান্তি ঘোষ, রুদ্রনীল ঘোষ, বিজয় ওঝা এবং বৈশালী ডালমিয়া। এছাড়া ১৪ সদস্যের একটি প্রচার কমিটিও তৈরি করা হয়েছে। এই কমিটিতে আছেন রূপা গাঙ্গুলী, স্বপন দাশগুপ্ত, শিশির বাজরিয়া এবং রিতেশ তিওয়ারি। এছাড়া কলকাতা পুরসভার ১৩টি বোরোর জন্য আলাদা আলাদা নির্বাচনী কমিটি তৈরি করা হয়েছে। এই কমিটিগুলির মাথায় রয়েছেন একজন করে বিধায়ক। এছাড়াও কলকাতা উত্তর এবং কলকাতা দক্ষিণ, দুটি স্বতন্ত্র নির্বাচনী কমিটিও তৈরি করা হয়েছে। কলকাতা উত্তর নির্বাচন কমিটির মাথায় রয়েছেন কল্যান চৌবে এবং কলকাতা দক্ষিণের নির্বাচন কমিটির মাথায় রয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল।

এদিকে হাওড়া পুরভোটের জন্য তৃনমূল থেকে আসা রথিন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর নেতৃত্বেই তৈরি করা হয়েছে কমিটি। যে রথীন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে নিয়ে বিবাদের সূত্রপাত এবং দলের হাওড়া জেলা সভাপতির বিদ্রোহ এবং বহিস্কার সেই রথীন চক্রবর্তীর হাতেই থাকছে কমিটির নেতৃত্ব। তৃণমূল নেতার সঙ্গে চারজন কনভেনার এবং আট জন সদস্য রাখা হয়েছে। আট সদস্যের মধ্যে আছেন তৃনমূল থেকে আসা জটু লাহিড়ী, বাণী সিংহ রায় এবং শীতল সরদার এর মত নেতা। বিজেপির দাবি, এই কমিটি তাদের কাজ এখন থেকেই শুরু করে দেবে। অদূর ভবিষ্যতেই পুরভোটের লড়াইয়ে নামতে হবে ধরে নিয়েই কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়ল গেরুয়া শিবির

]]>
১৫ আগস্টেই কেন স্বাধীনতা? জানুন রহস্যময় তারিখের নেপথ্য কাহিনী https://runnerbangla.com/why-august-15-independence-day-story-behind-the-mysterious-date/ Sun, 15 Aug 2021 13:43:10 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4647 রানার প্রতিবেদন : দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ শেষ। ১৯৪৬ সালে পালা বদল হলো ব্রিটেনে। ক্ষমতায় এলো লেবার পার্টি। প্রধানমন্ত্রী হলেন ক্লিমেন্ট এটলি। ক্ষমতায় বসেই বুঝতে পারলেন, ভারতকে আর পদানত করে রাখা যাবে না। একদিকে ভারতে তুমুল ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, যা রীতিমতো ব্যাপক গন আন্দোলনের চেহারা নিয়েছে অন্যদিকে প্রবল আন্তর্জাতিক চাপ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষের পর ব্রিটেনের ওপর চাপ বাড়তে শুরু করলো, উপনিবেশিক দেশগুলিকে মুক্ত করার জন্য। এটলির নেতৃত্বাধীন ব্রিটিশ মন্ত্রিসভা নীতিগতভাবে সিধান্ত নিল, তারা ভারত থেকে ব্রিটিশ শাসন প্রত্যাহার করে নেবে। কবে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে, সেই সিধান্ত গ্রহণের ভার থাকলো প্রধানমন্ত্রীর হাতেই। এটলি ঠিক করলেন ১৯৪৮ সালের জুন মাসে নাগাদ ক্ষমতা হস্তান্তর করে দেয়ায় হবে।

এরপরই ভারত জড়িয়ে পড়লো ব্যাপক রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধে। মহম্মদ আলি জিন্নার নেতৃত্বধীন মুসলিম লিগ দাবি করলো, ভারতকে টুকরো করে মুসলিমদের জন্য আলাদা দেশ দিতে হবে। শুরু হলো দাঙ্গা, ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে মর্মান্তিক এক কালো অধ্যায়। মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাকে হিন্দু মুক্ত করে সেই এলাকা স্বাধীন মুসলিম দেশে অন্তর্ভুক্ত করতে লিগ নেমে পড়লো হিন্দু নিধনে।

অবিভক্ত বাংলা, পাঞ্জাব এবং বিহারের মাটি ভেসে গেল রক্তে। হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হলো।ঘর-বাড়ি ফেলে পালাতে হলো লক্ষ লক্ষ মানুষকে। এমনকি জিন্না গো ধরে বসলো, তার প্রস্তাবিত পাকিস্তানে কলকাতাকে চাই। তিনি এমনও বলেছিলেন, কলকাতা ছাড়া পাকিস্তান নেবার কোনও মানেই হয় না। কিন্তু কলকাতায় হিন্দুদের সংখ্যা ছিল বেশি।

এই কারনে জিন্নার দাবি ধোপে টিকবে না বুঝতে পেরে লিগ সিধান্ত নিল, হিন্দুদের মেরে তাড়িয়ে কলকাতাকে মুসলিম সংখ্যাধিক্য শহর বানাতে হবে। জিন্নার দলের নেতা সুরাবর্দী সেই সিধান্ত কার্যকর করতে ১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্ট ডাক দিলেন হিন্দু নিধনের। যা পরবর্তীতে কুখ্যাত কলকাতা নিধনযজ্ঞ নামে পরিচিত। ইংরেজিতে বলা হয় গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং।

১৬ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে গেল তান্ডব। দুদিন ধরে একতরফা খুন-জখম-ধর্ষণ-আগুন চলার পর তৃতীয় দিন থেকে শুরু হয় পাল্টা প্রতিরোধ। নেতৃত্ব দেন গোপাল পাঠা। দাঙ্গাকারীরা পিছু হটতে শুরু করে, পরে রণে ভঙ্গ দেয়। ব্রিটিশরা কংগ্রেসের আপত্তি সত্বেও মুসলিম লিগের দাবি মেনে ভারত ভাগে সম্মত হয়। শুরু হয় দেশ ভাগের তৎপরতা। সীমানা নির্ধারণের প্রক্রিয়া।

এই পরিস্থিতিতে ভারতের রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব এবং দাঙ্গা পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছায় যে, দেশের অন্তর্বর্তী সরকার ভেঙে যাবার উপক্রম হয়। অন্যদিকে লাশের সংখ্যা বাড়তেই থাকে। সেই সময় ভাইসরয় মাউন্টব্যাটেন বাধ্য হয়ে এটলিকে পরামর্শ দেন, ক্ষমতা হস্তান্তরের দিন এগিয়ে আনার জন্য। এটলি এবং মাউন্টব্যাটেন পরামর্শ করে ঠিক করেন এক বছর আগে ৪৭ সালেই ক্ষমতা হস্তান্তর করে দেয়ায় হবে।

কিন্তু তারিখ? মাউন্টব্যাটেন প্রস্তাব দিলেন, দিনটা ১৫ আগস্ট করা হোক। কারন ব্যাখ্যা করে মাউন্টব্যাটেন বললেন, এই দিনটি ব্রিটেনের জন্য ঐতিহাসিক দিন। পৃথিবীর শুভ শক্তির বিজয়ের দিন। ১৯৪৫ সালের ওই দিনই মিত্র শক্তির কাছে আত্মসমর্পনের কথা ঘোষণা করেছিলেন জাপানের সম্রাট হিরোহিতো। এটলি সম্মত হলেন।

১৯৪৭ এর ১৪ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে ভাগ হলো ভারত এবং পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হলেন মহম্মদ আলি জিন্না। প্রধানমন্ত্রী হলেন লিয়াকত আলি। জিন্না শপথ নিলেন ব্রিটেনের রাজা জর্জ ৬ এর প্রতিনিধি হিসেবে এবং শপথ নিলেন জর্জের নামেই। জিন্নার হাতে দেওয়া হলো পাকিস্তান শাসনের সর্বোচ্চ ক্ষমতা। জিন্নাকে শপথ বাক্য পাঠ করলেন স্থানীয় ফেডারেল কোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল সেই যে সর্বোচ্চ ক্ষমতা পেলেন, তা নিয়ে জন্মলগ্ন থেকেই শুরু হলো দ্বন্দ্ব। মানুষের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তেমন গুরুত্বই পেলেন না। স্বাধীনতার পর থেকে টানা ছয়জন প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত হতে হয়েছে গভর্নর জেনারেলের হাতে। ১৯৪৭ এর ১৪ই আগস্ট দিল্লির সংসদের সেন্ট্রাল হলে রাত এগারোটায় বসলো বিশেষ অধিবেশন।

স্বাধীন ভারতের প্রথম মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম গভর্নর জেনারেল মাউন্টব্যাটেনের হাতে তুলে দিলেন জহরলাল নেহরু। ঘড়ির কাঁটা ঠিক রাত বারোটার ঘর অতিক্রম করতেই শুরু হলো শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। মাউন্টব্যাটেন শপথ বাক্য পাঠ করালেন নেহরুকে। ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তিনি। পাকিস্তানের মতো গভর্নর জেনারেল কেন্দ্রিক সরকার হলো না ভারতে।

এখানে প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রিক সরকার হলো। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ব্রিটিশ রাজার নামে শপথ নিলেন না। তিনি দেশের আইন ও সংবিধানের নামে শপথ নিলেন। যদিও ভারতের নিজস্ব কোনও সংবিধান ছিল না সেইসময়। পরে আম্বেদকরের নেতৃত্বে সংবিধান কমিটি তৈরি হয়। তারাই তৈরি করেন স্বাধীন দেশের সংবিধান এবং ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি সেই সংবিধানকে গ্রহন করে দেশ।

১৯৪৮ সালে গভর্নর জেনারেল পদ থেকে অব্যাহতি নেন মাউন্টব্যাটেন। তার জায়গায় ২১ জুন ১৯৪৮ সালে দায়িত্বে আসেন চক্রবর্তী রাজা গোপালচারী। ভারতের গভর্নর জেনারেলের পদ, যা পরিচিত ছিল ব্রিটিশ রাজের প্রতিনিধি হিসেবে সেই পদও অবলুপ্ত হলো ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি, সংবিধান গ্রহনেরর দিন। ওই দিন থেকে ভারতের সর্বোচ্চ নিয়মতান্ত্রিক প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি। সেই গুরুত্বপূর্ন পদে প্রথম দায়িত্ব নিলেন প্রেসিডেন্সি কলেজের প্রাক্তন ছাত্র এবং হিন্দু হোস্টেলের আবাসিক ড.রাজেন্দ্র প্রসাদ।

]]>
মোদি বিরোধী মঞ্চের উদ্যোগ, মমতা – সোনিয়া বৈঠকে নয়া সমীকরণের ইঙ্গিত https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-sonia-gandhi-meeting-indicates-anti-narendra-modi-alliance/ Wed, 28 Jul 2021 15:33:12 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4552 #কলকাতা : দীর্ঘ প্রায় তিন বছরের ব্যবধানে সোনিয়া গান্ধী ( Sonia Gandhi ) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক। স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে নানা রকম জল্পনা। তাহলে কি শেষ পর্যন্ত কাছাকাছি আসছে তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC ) এবং জাতীয় কংগ্রেস ( INC )? সেই প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে রাজ্য তথা জাতীয় রাজনীতিতে। বুধবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ ১০ নম্বর জনপথে সোনিয়া গান্ধীর বাড়িতে যান তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee )।

মনে করা হচ্ছে মোদি বিরোধী জোটের রণকৌশল স্থির করতে দুই হেভিওয়েট রাজনীতিবিদের এই বৈঠক। বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস এবং বামেদের জোট তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্কে ফাটল ধরিয়ে ছিল। কিন্তু দীর্ঘ পুরাতন সোনিয়া গান্ধী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত সম্পর্ক আগে যেমন ছিলে এখনও তেমন আছে। এদিন দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, মোদি বিরোধী ঐক্যবদ্ধ জোট তৈরি করতে হবে।

সেক্ষেত্রে জোটের মুখ কে তারপরে নির্ধারণ হবে। তার আগে সকলের সঙ্গেই তিনি আলোচনা করতে চান। সেই লক্ষ্যেই সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক। সোনিয়া গান্ধী নিজেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে ব্যক্তিগতভাবে যথেষ্ট পছন্দ করেন। তার উপর বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি কে যেভাবে দূর্মুস করেছে তৃণমূল কংগ্রেস সেক্ষেত্রে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের প্রতি সোনিয়া গান্ধীর ভরসা আরো বেড়েছে।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই বৈঠকের পর কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পর্ক আগের মতন ভালো হবে। সম্প্রতি সংসদে রাহুল গান্ধীর ডাকা বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেস উপস্থিত ছিল না। কিন্তু সংসদে বিভিন্ন ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ লড়াই করেছে তৃণমূল এবং কংগ্রেস। সেই বন্ধুত্বে এবার সরকারি সীলমোহর পড়তে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। সোনিয়া এবং মমতার বৈঠকের পর তাহলে কি ফের কাছাকাছি আসবে তৃণমূল এবং কংগ্রেস।

আবারো একত্রে হাত এবং ঘাসফুল জোট করবে, এই নানা প্রশ্ন যখন ঘোরাফেরা করছে রাজনৈতিক মহলে। বৈঠক সূত্রে খবর, সোনিয়া গান্ধী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে তার বিপুল জয় এর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এবং যেভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী জোট তৈরি করতে তৎপর তাতে নিজের সহমত পোষণ করেছেন কংগ্রেস সভানেত্রী। সেক্ষেত্রে আগামী দিনে বিরোধী জোটের রণকৌশল কি হবে, সহমতের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক এজেন্ডা কি হবে, সেই সব নিয়েই একপ্রস্থ সোনিয়ার সঙ্গে মমতার বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলেই তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর।

]]>
আগরতলায় গিয়ে পুলিশের হাতে আটক পিকের টিম https://runnerbangla.com/tripura-agartala-police-arrested-pk-team/ Mon, 26 Jul 2021 14:13:56 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4498 রানার প্রতিবেদন : ২০২৩এ ত্রিপুরার বিধানসভা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে, পিকের টিম ( PK Team ) আগরতলায় পা রেখেই আটক হয়ে পড়লো পুলিশের হাতে। শহরের উডল্যান্ড পার্ক ( Woodland Park ) নামের একটি হোটেলে তারা পা রাখার কিছুক্ষণ পরে এসে হাজির হয় পুলিশ । পিকের টিমের মোট ২৩ জনকে এখন নজর বন্দি করে রাখা হয়েছে হোটেলে। বলা হয়েছে তারা এখান থেকে বেরিয়ে কোথাও যেতে পারবেন না, একমাত্র বিমানবন্দর ছাড়া।

২০২৩ এর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে চায় তৃণমূল কংগ্রেস। সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে প্রশান্ত কিশোরের ( Prashant Kisore ) টিমকে। ত্রিপুরায় সমীক্ষা করতে ২৩ সদস্যের টিমটি পৌঁছেছে গতকাল। সেই খবর বিপ্লব দেব প্রশাসনের কাছে পৌঁছতেই তাদের নজর বন্দী করে ফেলা হয়। ত্রিপুরায় বর্তমানে বিজেপি সরকার ক্ষমতায়। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব ( Biplab Kumar Deb ) ভোটের সময় যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল বিজেপি তা পূরণ করতে সফল হয়নি বিপ্লব দেব সরকার।

এ কারণেই সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে ধিরে ধিরে। অন্যদিকে হারানো জমি ফিরে পেতে শুরু করেছে সিপিএম । এই অবস্থায় দাড়িয়ে তৃণমূলের প্রবেশ রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ । ২০১৮ সালে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেস রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছিল ত্রিপুরায় । তারপর হঠাৎ করেই রহস্যময় কারণে পাততাড়ি গুটিয়ে নেয় তারা। সিপিএমকে হারিয়ে হইহই করে ক্ষমতায় আসে বিজেপি।

এবার আবার তৎপরতা শুরু হয়েছে তৃণমূল শিবিরে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কে অভাবনীয় সাফল্য এনে দেওয়ার পর ত্রিপুরায় কি সেই জাদু দেখাতে পারবেন প্রশান্ত কিশোর? তৃণমূলের অভিযোগ, বিপ্লব দেব ( Biplab Kumar Deb ) সরকার ভয় পেয়েছে। ভয় পেয়েছে বলেই বেআইনিভাবে ক্রিকেট টিমের সদস্যদের কে নজর বন্দী করে রাখা হয়েছে।

]]>
যোগী রাজ্যে রোহিঙ্গা শিবির গুঁড়িয়ে দিল প্রসাশন https://runnerbangla.com/yogi-administration-demolished-rohingya-camp/ Mon, 26 Jul 2021 03:38:24 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4472 রানার প্রতিবেদন : রোহিঙ্গাদের শিবির ( Rohingya camp ) গুঁড়িয়ে দিল দিল প্রশাসন। দিল্লি- উত্তরপ্রদেশ সীমান্ত লাগোয়া মদনপুর খাদারে বেশকিছু রোহিঙ্গা ( Rohingya ) পরিবার আস্তানা গেড়ে বসে ছিল। উত্তরপ্রদেশ ( Uttar Pradesh ) সেচ দপ্তরের জমি জবরদখল করে রোহিঙ্গাদের আস্তানা গড়ে উঠেছিল। বেশ কিছুদিন ধরে এনিয়ে চলছিল বিতর্ক। উত্তর প্রদেশ প্রশাসন দিল্লি ( Delhi ) প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছিল না।

শেষ পর্যন্ত দিল্লি প্রশাসন এবং উত্তর প্রদেশ প্রশাসনের মধ্যে বৈঠক হয়, সেখানেই সিদ্ধান্ত হয় রোহিঙ্গাদের শিবির গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। সিধান্ত অনুযায়ী বুলডোজার এনে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় রোহিঙ্গাদের বাড়িগুলি। এরপরই বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়েছে। রোহিঙ্গাদের অভিযোগ, সেখানে একটি মসজিদও ছিল সেটাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সেখানে কোন মসজিদের কাঠামোই ছিল না। যেখানে মসজিদের কোন অস্তিত্বই ছিল না, সেখানে গুঁড়িয়ে দেওয়ারও প্রশ্ন না। সেচ দপ্তরের জমি জবরদখল করে রোহিঙ্গারা এখানে বস্তি বানিয়ে ছিল, সেই বস্তি সরিয়ে দিয়ে জমিটি সেচ দপ্তরের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। বাড়ি ভেঙ্গে দেওয়ার ফলে রোহিঙ্গারা এখন আশ্রয়হীন।

রাস্তার ধারে বসবাস করছেন গৃহহীন রোহিঙ্গারা, এর ফলে যান চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই রোহিঙ্গাদের কোনও বিকল্প জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায় কিনা, তা ভেবে দেখা হচ্ছে। কিন্তু আপাতত খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে বেশ কিছু রোহিঙ্গা পরিবার।

]]>
দিল্লিতে মোদি বিরোধী মঞ্চের যাত্রারম্ভ বুধবার, মধ্যমনি মমতা, কটাক্ষ বিজেপির https://runnerbangla.com/anti-narendra-modi-alliance-journey-delhi-july-26-led-mamata-banerjee/ Sat, 24 Jul 2021 14:20:31 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4428 #দিল্লি : আগামী বুধবার অর্থাৎ ২৮ জুলাই দিল্লিতে মোদি বিরোধী জোটের যাত্রা শুরু হতে চলেছে। সম্ভবত বঙ্গভবনেই এই বৈঠক হতে পারে। আগামী সোমবার অর্থাৎ ২৬ শে জুলাই থেকে ৩০ শে জুলাই পর্যন্ত দিল্লিতে থাকবেন মমতা ( Mamata Banerjee )। গত ২১ শে জুলাই শহীদ দিবসের ভাষণে তিনি প্রথম জানিয়েছিলেন, দিল্লিতে থাকাকালীন বিরোধীদলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর জোট গঠনের উদ্দেশ্যে বৈঠকের ডাক দিয়েছিলেন তিনি।

তৃণমূল সূত্রের খবর, ২৮ তারিখ বুধবার বঙ্গভবনে সমস্ত তৃনমূল সাংসদকে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে। সেদিনই চেষ্টা হচ্ছে বিরোধী নেতৃত্বকে বঙ্গভবনে নিয়ে আসার। যাদের ডাকা হতে পারে , তাদের মধ্যে আছেন শারদ পাওয়ার, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, জয়া বচ্চন, পি চিদাম্বরম। অর্থাৎ কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলোকে এ বৈঠকে নিয়ে আসার প্রয়াস শুরু হয়েছে তৃণমূলের ( TMC ) তরফ থেকে। একুশে জুলাই মমতার সভা দিল্লিতে দেখানোর ব্যবস্থা করেছিল তৃণমূল ।

দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে আয়োজিত সেই ভার্চুয়াল সভায় যোগ দিয়েছিলেন জয়া বচ্চন, চিদাম্বরম , শারদ পাওয়ার সহ বিরোধী দলের একাধিক ব্যক্তিত্ব। যারা এসেছিলেন মমতার ভাষণ শুনতে তাদের বাইরেও, বিভিন্ন আঞ্চলিক দল এবং জাতীয় স্তরে কংগ্রেসকে একমঞ্চে আনা যায় কিনা সেই চেষ্টা চলছে। তৃণমূল সূত্রের দাবি, এখনো চূড়ান্ত হয়নি কারা বৈঠকে থাকবেন, কারা থাকবেন না। নির্দেশ এসেছে ২৮ তারিখ বৈঠকের জন্য, সেই অনুযায়ী ময়দানে ঝাপিয়েছেন তৃনমূল সাংসদরা।

সেই লক্ষেই অন্যান্য বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন তারা। ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনের আগে বিভিন্ন বিজেপি বিরোধী দলগুলোকে এক মঞ্চে নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । ব্রিগেডে সভাও হয়েছিল । সেই সভায় কংগ্রেসের প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ছিলেন একাধিক প্রথম সারির বিজেপি বিরোধী আঞ্চলিক দলের নেতা। লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বিরোধী শক্তি কার্যত মুখ থুবরে পড়ে।

একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফেরেন নরেন্দ্র মোদী ( Narendra Modi )। বিজেপি সেই ১৯ এর উদাহরণ টেনে এবারের উদ্যোগকে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না। তাদের কথায় ভোট এলেই জোটের নাটক শুরু হয়। উনিশেও সবাই হাতে হাত ধরে এক সঙ্গে ভোটে ভেসে গিয়েছিলেন খড়কুটোর মতো। এবারও তারই পুনরাবৃত্তি হবে, দাবি বিজেপি নেতৃত্বের।

]]>
বেইজিংয়ের নয়া ষড়যন্ত্র? গোপনে ভারত সীমান্তে চিনা প্রেসিডেন্ট https://runnerbangla.com/beijing-conspiracy-chinese-president-xi-jinping-secretly-visits-nyingchi-arunachal-pradesh-border/ Sat, 24 Jul 2021 09:54:25 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4420 রানার প্রতিবেদন : অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে অরুণাচল প্রদেশ ( Arunachal Pradesh ) সীমান্ত লাগোয়া নিংচি ঘুরে গেলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ( Xi Jinping )। গত ২১ তারিখে তিব্বতের এই এলাকায় এসেছিলেন চিনা প্রেসিডেন্ট, কিন্তু সেই সফর নিয়ে টুঁশব্দটিও করেনি চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম। তার সফর শেষ হওয়ার তিন দিন পরে সরকারি টেলিভিশন সিসিটিভিতে আজই প্রথম এই খবর সামনে আনা হলো। এর আগে ১৯৯০ সালে সেসময়কার চিনা প্রেসিডেন্ট জিয়াং জেমিন এসেছিলেন তিব্বতে।

তারপর দীর্ঘ এতগুলো বছর কেটে গেলেও কোন প্রেসিডেন্ট ভারত-চিন সীমান্ত এলাকায় আসেননি। হঠাৎ করে অত্যন্ত গোপনে কেন অরুণাচল লাগোয়া নিংচি ঘুরে গেলেন চিনা প্রেসিডেন্ট তা নিয়ে এখন জোর চর্চা চলছে দিল্লির কূটনৈতিক মহলে। বর্তমান চীনা প্রেসিডেন্ট এর আগে দু’বার তিব্বতে এসেছিলেন। একবার ১৯৯৮ এবং দ্বিতীয় বার আসেন ২০১১ সালে। সেই সময় তিনি ছিলেন দলের অন্য দায়িত্বে, তখনও তিনি প্রেসিডেন্ট হননি।

তিব্বত ( Tibet ) এলাকাটি জোর করেই দখলে রেখেছে চিন ( China )। তিব্বতের মুক্তির জন্য এখনো আন্দোলন চলছে। যে আন্দোলনের প্রাণ পুরুষ দলাই লামা। ভারত-চীন সীমান্ত লাগোয়া তিব্বত সামরিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই তিব্বতে চিনা প্রেসিডেন্টের গোপন সফর চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে দিল্লির কপালে। আজ চিনা সরকারি টেলিভিশনে দেখানো হয়েছে, লাল কার্পেটে চিনা প্রেসিডেন্ট কে স্বাগত জানানো হচ্ছে। অভ্যর্থনা গ্রহণ করার পর চীনা প্রেসিডেন্ট নিয়াং নদীর সেতু দেখতে যান।

তিনি নিংচি স্টেশনও পরিদর্শন করেন। তারপর ঘুরে দেখেন সিটি প্যালেস মিউজিয়াম। ভারতবর্ষে করোনা আছড়ে পড়ার পর ,দেশ যখন করোনা মোকাবেলায় ব্যতিব্যস্ত, ঠিক সেই সময়ে সীমান্তে আক্রমণ চালায় চীনা সেনাবাহিনী। দু’দেশের চুক্তি অনুযায়ী সীমান্তে কোনও পক্ষের সেনাই অস্ত্র বহন করে না। কিন্তু ভোতা দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করেই ভারতীয় সেনাদের ওপর ব্যাপক হামলা চালিয়েছিল চীনা সেনারা। ভারতীয় জওয়ানের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে পাল্টা জবাব দিয়েছিল ভারতীয় সেনা।

ভারতীয় সেনার ( Indian Army ) আক্রমণে বেশ কয়েকজন চিনা সেনা সেনার মৃত্যু হয়। যদিও সেই তথ্য গোপন রাখার জন্য সব রকম চেষ্টা করেছে চিন। এখনও ভারত-চীন সীমান্তে প্রচুর পরিমাণ সেনা মোতায়েন করে রেখেছে চিন। লাদাখের একটি অংশ দখলে নিয়ে, তার ওপর নজরদারি চালাচ্ছে তারা। দফায় দফায় আলোচনা হলেও সীমান্ত জটিলতাকে বজায় রাখতে বেইজিং যে আগ্রহী, তাদের আচরণ থেকে সেটাই বারবার স্পষ্ট হচ্ছে। এই আবহের মধ্যে গোপনে চীনা প্রেসিডেন্টের তিব্বত সফর নতুন জল্পনার জন্ম দিল।

]]>
সরকারি তথ্যে ভুল, ভারতে করোনার বলি দশগুন বেশি, বলছে গবেষণা রিপোর্ট https://runnerbangla.com/center-for-global-development-research-report-indian-govt-corona-death-data-incorrect/ Thu, 22 Jul 2021 04:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4296 রানার ডেস্ক : ভারতে করোনায় ( Corona ) মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশিত সরকারি সংখ্যার তুলনায় ১০ গুণ বেশি হতে পারে। সেন্টার ফর গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট নতুন এক গবেষণা ( Research ) প্রতিবেদনে দাবি করেছে ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত ভারতে ৩০ থেকে ৪৭ লক্ষ মানুষ করোনায় মারা গেছে। তিনটি ভিন্ন সূত্র থেকে সংগৃহীত পরিসংখ্যানের আলোকে গবেষণা প্রতিবেদনে ভারতের মৃত্যুচিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

প্রথমত, ৭ রাজ্যের সিভিল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম থেকে সাধারণ মানুষের জন্ম এবং মৃত্যু তারিখের তথ্য সংগ্রহ, দ্বিতীয়ত ৯ লক্ষ মানুষের অর্থনৈতিক সমীক্ষা এবং তৃতীয়ত রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট। এছাড়া সেরোলজিক্যাল সার্ভে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে করোনায় মৃত্যুর একটি সার্বিক চিত্র তুলে ধরতে। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘২০২১ সালের জুন পর্যন্ত করোনায় ভারতে সরকারিভাবে মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লক্ষ। কিন্তু প্রকৃত সংখ্যা আরও ভয়াবহ, মৃতের সংখ্যা কয়েক মিলিয়ন।’

নির্ধারিত সময়ে স্বাভাবিকের তুলনায় কত মানুষ বেশি মারা গেছে সেই হিসাবে অতিরিক্ত মৃত্যু গণনা করা হয়। অতিরিক্ত মৃত্যুর পুরোটাই করোনার কারণে হয়নি, কিন্তু অধিকাংশই করোনামৃত্যুর অন্তর্গত। সরকারি গণনার চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে এই সংখ্যা। প্রতিবেদনের অন্যতম লেখক অরবিন্দ সুব্রহ্মণ্যম ( Arvind Subramanian ) বলেছেন, ‘মৃত্যুর সংখ্যা কম থাকায় প্রথম ঢেউয়ের পর ভারতে এমন একটি ধারণা হয়েছিল যে, দেশ খারাপ পরিস্থিতি এড়াতে পেরেছে।

এই আত্মসন্তুষ্টি ভয়াবহ বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে গেছে। দ্বিতীয় ঢেউয়ে ( Second Wave ) আমরা তাই এমন সব ভয়ংকর ছবি দেখেছি, যা অনভিপ্রেত।’ স্বাধীনতা ও দেশভাগের পর ভারতের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় মানবিক বিপর্যয়। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, করোনার প্রথম ঢেউয়েই দেশে ২০ লক্ষের কাছাকাছি মৃত্যু হয়েছিল। এই প্রথমবার নয়, এরআগেও বহু সাংবাদিক কোভিড মৃত্যু নিয়ে একই ধরনের দাবি করেছিল। কিন্তু যাবতীয় দাবি ভিত্তিহীন বলে দাবি করা হয় সরকারের পক্ষ থেকে।

]]>