ইত্যাদি – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Tue, 31 Aug 2021 15:35:18 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png ইত্যাদি – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 নজিরবিহীন কান্ড হ্যাকারের, বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েও অবশেষে ফেরৎ| https://runnerbangla.com/hacker-returns-massive-sum/4694/ Tue, 31 Aug 2021 13:23:48 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4694 রানার প্রতিবেদন: ৬০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি হাতিয়ে নিয়েও ফিরিয়ে দিলেন হ্যাকার। হ্যাকিংয়ের পর থেকেই হ্যাকারের কাছে ক্রিপ্টোকারেন্সি ও অন্যান্য তথ্য ফিরে চেয়ে আবেদন করেছিল পলি নেটওয়ার্ক। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে হ্যাক করে নেওয়া অর্থ ফিরিয়ে দেন হ্যাকার। তবে এখন পর্যন্ত সেই হ্যাকারের পরিচয় জানা যায়নি। এমনকি তিনি একা নাকি দলগতভাবে কাজ করছেন সেটাও জানা যায়নি।

সেই হ্যাকারকে পাঁচ লক্ষ মার্কিন ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছে হ্যাকিংয়ের শিকার হওয়া ব্লকচেইন সাইট পলি নেটওয়ার্ক। তবে পুলিশ বলছে, কোনো ফৌজদারি অপরাধ সংঘটিত হলে অপরাধীকে দায়মুক্তি দেওয়ার অধিকার কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নেই।

গত মঙ্গলবার পলি নেটওয়ার্কের ওয়েবসাইটের একটি দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ক্রিপ্টোকারেন্সির ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ ওই হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটে। এদিকে পলি জানিয়েছে, হ্যাক হওয়া ক্রিপ্টোকারেন্সির মধ্যে আর মাত্র ৩৩.৪ মিলিয়ন ডলার সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি হ্যাকারের দখলে আছে। বাকিগুলো একটি ডিজিটাল ওয়ালেটে ফিরিয়ে দিয়েছেন ওই হ্যাকার। তবে পলি নেটওয়ার্কের পাশাপাশি এখন সেই ডিজিটাল ওয়ালেটের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে হ্যাকারের কাছেও।

হ্যাকারের দখলে থাকা ক্রিপ্টোকারেন্সি ‘ফ্রোজেন’ অবস্থায় আছে বলে জানান লন্ডন ভিত্তিক ক্রিপ্টোকারেন্সি বিশ্লেষণী প্রতিষ্ঠান এলিপটিকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা টম রবিনসন। হ্যাকিংয়ের ঘটনা নজরে আসার পরপরই সেগুলো ফ্রিজ করে দেওয়া হয়। ফলে হ্যাকারেরও সেগুলো আর ব্যবহারের সুযোগ নেই। ইতোমধ্যে সেই হ্যাকারকে ‘দ্য হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার’ আখ্যা দিয়ে বার্তা দিয়েছে পলি নেটওয়ার্ক। হ্যাকিংয়ের জগতে যারা ভালো উদ্দেশ্যে অথবা কোনো সিস্টেমের দুর্বলতা ধরিয়ে দিতে হ্যাকিং করে থাকেন তাদের হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার বলা হয়। সেই বার্তায় হ্যাকারের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে না বলে পলি নেটওয়ার্ক জানায়।

হ্যাকারদের চিহ্নিত করা তো দূরের কথা বরং উলটে হ্যাকারদের কাছে কারেন্সিগুলো ফেরত চেয়ে কাকুতিমিনতি করছে পলি নেটওয়ার্ক। প্রতিষ্ঠানটি টুইটারে লিখেছে, যে পরিমাণ অর্থ আপনারা হ্যাক করেছেন তা ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ। পৃথিবীর যে কোনও দেশের পুলিশ এটাকে গুরুতর আর্থিক অপরাধ হিসেবেই দেখবে এবং আপনাদের খুঁজবে। যে টাকা আপনারা চুরি করেছেন তা হাজার হাজার সদস্যের। আপনারা আমাদের সঙ্গে একটু যোগাযোগ স্থাপন করুন এবং হ্যাক করে নেওয়া ক্রিপটোকারেন্সিসহ যাবতীয় বিষয়গুলো ফিরিয়ে দিন।

তবে পলি নেটওয়ার্কের এমন বার্তায় বেশ ক্ষিপ্ত পুলিশ। তারা বলছে, এমনটা করলে মূলত হ্যাকিংকে উৎসাহিত করা হবে এবং যারা অসৎ উদ্দেশ্যে ভবিষ্যতে হ্যাকিং করবে তারা এই নজিরকে সামনে রেখে পার পেয়ে যাওয়ার অজুহাত পাবে।এছাড়াও কোনো প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের এমন ঘোষণা করার অধিকার নেই বলেও মতামত নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের।

]]>
জৈব খাদ্য মানেই ভালো, এই ধারণা ভুল, বলছেন গবেষকরা https://runnerbangla.com/organic-food-means-good-wrong-idea-researchers/4505/ Tue, 27 Jul 2021 05:46:57 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4505 রানার প্রতিবেদন : যাঁরা স্বাস্থ্যবান থাকার জন্য অৰ্গানিক বা জৈব খাদ্যের ( Organic Food ) উপর নিৰ্ভরশীল, তাঁদের জন্য সম্প্ৰতি কিছু তথ্য প্রকাশ করেছেন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ( Stanford University ) একদল বিজ্ঞানী। এক সমীক্ষা চালিয়ে এই বিজ্ঞানীরা তাঁদের প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছেন যে, প্রচলিত ও জৈব দুধের মধ্যে প্রোটিন ও চৰ্বির কোনো পাৰ্থক্য নেই। এছাড়া প্রচলিত ও জৈব খাদ্যের মধ্যে ভিটামিনেরও কোনো পাৰ্থক্য পাননি বিজ্ঞানীরা।

শুধু ফসফরাস নামের পরিপোষকটি জৈব খাদ্যে প্রচলিত খাদ্যের তুলনায় বেশি পরিমাণে থাকে। জৈব খাদ্যের একমাত্ৰ উপকার হল, এটি কীটনাশকবিহীনভাবে উৎপাদন করা হয়, যা মানুষের স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। ইন্টারনাল মেডিসিনের মেডিক্যাল জাৰ্নালে ( Internal Medical Medicine Journals ) প্রকাশিত এই সমীক্ষার ফলাফল মতে, প্রচলিত শাক-সবজি ও ফলমূলের তুলনায় জৈব খাদ্যে ৩০ শতাংশ কম পেসটিসাইড ব্যবহার হয়।

তবে সব জৈব খাদ্য ১০০ শতাংশ কীটনাশকবিহীন হয় না। এছাড়া জৈব মুরগি ও শূকরের মাংস অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ব্যাক্টেরিয়াকে হ্ৰাস করে। জৈব তথা প্রচলিত খাদ্যে বিশেষ কোনো পাৰ্থক্য থাকে না। ‘তাই প্রাপ্তবয়স্কদের খাবার আগে নিজেদেরই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত তাঁরা কী খাবেন’, এই বক্তব্য জৈবখাদ্য নিয়ে সমীক্ষাকারী দলের সদস্য তথা বরিষ্ঠ লেখক দিনা ব্ৰভাতের।

এ-সম্পৰ্কে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, জৈব খাদ্য এখনও সেভাবে চালু না হলেও এটা সত্য যে জৈব খাদ্য ও প্রচলিত খাদ্যের গুণে বিশেষ কোনো তফাত থাকে না। তাঁরা আরও বলেন, তাঁরা আমমানুষকে সৰ্বদা প্রচলিত খাদ্য খাওয়ারই পরামৰ্শ দিয়ে থাকেন। তবে ভালমতো ধুয়ে পরিষ্কার করে। বিশেষজ্ঞরা সংগৃহীত খাদ্যের পরিবৰ্তে মরশুমি শাকসবজি তথা ফলমূল খাবার উপরই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।

গবেষকরা তাঁদের গবেষণার বিশ্লেষণে মানুষের জৈবিক ও চিরাচরিত খাদ্য গ্রহণণ সম্পৰ্কিত ১৭টি পরীক্ষা-নিরীক্ষাপত্ৰ সহ সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক মোট ২৩৭টি গবেষণাপত্ৰ চিহ্নিত করেছেন যা কি-না তুলনামূলকভাবে বিচার করতে গেলে পুষ্টিগত বা ব্যাক্টেরিয়া, ফাঙ্গাল অথবা কীটনাশক দূষণ পৰ্যায়ে জৈবিক অথবা পরম্পরাগত পদ্ধতিতে উৎপাদন করা হয়েছে।

]]>
৩৫ বছর পর ৯২টি নরকঙ্কাল নিয়ে ফিরল নিখোঁজ বিমান https://runnerbangla.com/missing-plane-returned-92-skeletons-after-35-years/4373/ Fri, 23 Jul 2021 08:09:20 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4373 রানার প্রতিবেদন : ১৯৮৯ সালের কথা। ‘উইকলি ওয়ার্ল্ড নিউজ’ ( Weekly World News ) নামে এক পত্রিকার একটা খবরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছিল বিশ্বে। কী সেই খবর? ১৯৫৪ সালে হারিয়ে যাওয়া বিমান ফিরে এসেছে ৩৫ বছর পরে। বিমানের ভিতরে সব যাত্রী ও ক্রু ততদিনে হয়ে গিয়েছে নরকঙ্কাল! সেই নরকঙ্কাল নিয়েই আকাশে ঘুরে বেরিয়েছে বিমান! জানা যায়, ১৯৫৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর তৎকালীন পশ্চিম জার্মানি থেকে ব্রাজিলের উদ্দেশে উড়েছিল ফ্লাইট ৫১৩ ( Flight 513 )।

পোর্তো আলেগ্রেতে পৌঁছতে তার ১৮ ঘণ্টা লাগার কথা । কিন্তু আচমকাই সব যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে গেল। অনেক চেষ্টা করেও কোনও খোঁজ মিলল না। বিমান তখন আটলান্টিক মহাসাগরের ( Atlantic Ocean ) উপরে দিয়ে উড়ছিল। ম্বভাবতই মনে করা হল বিমানটি ভেঙে পড়েছে। অনুসন্ধানকারী দল গেল। ফ্লাইট ৫১৩-র কিছুই মিলল না। বছর দুয়েক পরে ব্যবসা বন্ধ করে দিল সান্টিয়াগো এয়ারলাইন্স ( Santiago Airlines )। এদেরই ছিল ওই বিমান।

বন্ধ হয়ে গেল ফ্লাইট ৫১৩-র তল্লাশি অভিযানও। ১৯৮৯ সালের ১২ অক্টোবর এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলাররা দেখলেন আকাশে উড়ছে এক অচেনা বিমান। কিন্তু যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। কেউই কোনও সাড়া দিচ্ছে না। এরপর আকাশ থেকে নেমে এলো বিমানটি। বিমানকর্মীরা বিমানটির দরজা খুলে থ। বিমানের ভিতরে যাত্রীদের আসনে বসে রয়েছে নরকঙ্কালগুলি। ৯২টি নরকঙ্কাল। ৮৮ জন যাত্রী ও ৪ জন ক্রু।

পাইলট ক্যাপ্টেন মিগুয়েল ভিক্টর কারির কঙ্কালও আছে। ভুতুড়ে বিমানটিকে ততক্ষণে চিনতেও পেরেছেন বিমান কর্তৃপক্ষ। এ সেই ৩৫ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া সান্টিয়াগো এয়ারলাইন্সের বিমান। তাহলে এত বছর ধরে একটানা আকাশে উড়েছে এই ভূতের দল? এই খবর নিয়ে সারা দুনিয়ায় সাড়া পড়ে গেলেও বাস্তবে সেটা ছিল একেবারেই গাঁজাখুরি।

‘উইকলি ওয়ার্ল্ড নিউজ’ এমন আজগুবি খবর হামেশাই ছাপত। ১৯৮৫ সালেও এমন গাঁজাখুরি খবর ছেপেছিল তারা। সেবারের নায়ক ফ্লাইট ৯১৪। সেটি নাকি নিরুদ্দেশ হওয়ার ৩৭ বছর পরে ফিরে আসে। আসলে ১৯৫৪ সালে ওই নামের কোনও বিমানের নিরুদ্দেশ হওয়ার খবর কেউ জানতই না। কেননা এমন ঘটনাই তো ঘটেনি।

]]>
সুস্থ জীবন কাটানোর সহজ উপায়, আপনার জন্য রইলো ১০টি টিপস https://runnerbangla.com/10-healthy-habit-tips-longer-happier-life/4239/ Wed, 21 Jul 2021 05:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4239 রানার প্রতিবেদন : বেশিরভাগ মানুষ কোনও উৎসব – অনুষ্ঠানে অনেকটা বেশি খেয়ে ফেলেন। হয়তো বা তাঁরা উৎসবটাকে ভূরিভোজ করার জন্যে একটা উত্তম উপলক্ষ্ হিসেবে বেছে নেন। কয়েকটা দিন প্রচুর মিষ্টি এবং তেলে ভাজা খেতে পেরে রসনার দুঃখ মেটান। আবার অনেকে আছেন তাঁরা সবসময়ই বেশি খেতে অভ্যস্ত। তাঁরা আবার ঝালমশলাযুক্ত খাবার খেতেও পছন্দ করেন। তবে এ-ধরনের খাদ্য বেশি খেলে মানুষের পাকস্থলীর ভিতরের আবরণে প্রদাহ সৃষ্টি হতে পারে।

এতে দেহের ভিতরে বেশি উত্তাপ সৃষ্টি হতে পারে এবং অন্যান্য সমস্যাও দেখা দিতে পারে। সুস্থ থাকার প্রচেষ্টাকে একটা ভ্ৰমণের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে, তবে এই প্রচেষ্টার কোনও শেষ নেই। ভালো স্বাস্থ্য আমাদের সকলেরই হতে পারে, আর এই ভালো স্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়ার ব্যাপারটা আমাদের নিজেদের মধ্যেই আছে। সেজন্য কোনও ওষুধ না খেলেও চলে। কারণ আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই আছে প্রাণ, আর সেই প্রাণের কাছেই আছে নিজেকে সুস্থ রাখার উপায়।

আমাদের যা কিছু করতে হবে, সেটা হচ্ছে, নিজেদের খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনধারণের পথকে সংশোধন করতে হবে। আমাদের খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনধারণের পদ্ধতির মধ্যে সামান্য কিছু পরিবৰ্তন আনতে পারলেই, আমাদের স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্যে একটা বিরাট পদক্ষেপ দেওয়া হবে। তারপরে ধীরে ধীরে আমাদের স্বাস্থ্য এবং আমাদের চেহারার দীপ্তি ফিরে আসতে শুরু করবে।

নীচে স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্যে ১০টি পদ্ধতির কথা উল্লেখ করা হলো :

১) প্রতিদিন এক গ্লাস করে সবজির জুস খেতে শুরু করুন। গাজর, আমলা এবং অন্যান্য সবজির রস একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে পান করুন।এই জুসের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং উৎসেচক থাকে যা আমাদের দেহের বিষাক্ত জিনিস বার করে দেয় এবং হজমে সাহায্য করে।
২) ঠিকঠাক পরিমাণে প্রোটিন গ্রহণ করতে হবে, যা আমাদের দেহস্থ পেশিকে মেরামত করে।
৩) আমাদের রোজকার খাদ্যতালিকায় থাকতে হবে ফল, সবজি, বাদাম এবং বীজ-শস্য কারণ এগুলিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান যেমন ভিটামিন সি এবং ই, বিটা-কেরোটিন ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে থাকে।
৪) নিজের দেহের গঠন ঠিক রাখতে চেষ্টা করুন। কারণ এটা একটা খুব উত্তম পন্থা নিজের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্যে এবং নিজেকে ভালো দেখাবার জন্যে।
৫) সপ্তাহে একটা দিন ভারী কিছু খাবেন না। তার বদলে খেয়ে নিন কাঁচা সবজির রস। নতুবা এমনটাও করতে পারেন মাসে একনাগাড়ে তিনদিন ভারী কিছু না খেয়ে শুধু কাঁচা সবজির রস এবং ফলমূল খেয়ে কাটিয়ে দিন। ভেতরের সব বিষাক্ত জিনিস বেরিয়ে যাবে। মাথা ধরা, হজমের গোলমাল, অ্যালাৰ্জি এসব সমস্যা একেবারে সেরে যাবে।
৬) চিনি অতিরিক্ত না খাওয়াই উচিত। প্রক্ৰিয়াজাত খাদ্য, পরিশোধিত খাদ্য, ভাজা খাদ্য ইত্যাদি না খাওয়াই উচিত। কারণ এইসব খাদ্য অতিরিক্ত গ্রহণ করলে চেহারায় বয়সের ছাপ খুব তাড়াতাড়ি পড়ে যায়।
৭) মানসিক চাপকে নিয়ন্ত্ৰণে রাখুন। এটা সকলেই জানেন, মানসিক অশান্তি থেকেই মানুষ অসুস্থ হয়। মানসিক চাপ বেশি থাকলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ে যায়।
৮) নিজের পরিবারের সকলের সঙ্গে, বন্ধুবান্ধব, পোষা জন্তুর সঙ্গে গড়ে তুলুন ভালোবাসার আর মমতার সম্পৰ্ক। কারণ মনে ভালোবাসা, স্নেহ, দয়া ইত্যাদি থাকলেই দেহ হয় শক্তিশালী এবং নিরোগ।
৯) এটা ঠিক করে নিন যে, আপনাকে সাপ্তাহে অন্তত ৫ বার ব্যায়াম করতে হবে। অন্তত ৩০-৪০ মিনিট ধরে। যোগব্যায়াম হজম শক্তি বাড়ায়। দেহের মধ্যে সজীব উপাদানের রাসায়নিক পরিবৰ্তনের পদ্ধতিকে ত্বরান্বিত করে।
১০) ধূমপান করবেন না। ধূমপান স্বাস্থ্যের ভয়ংকর ক্ষতি করে দেয়। স্বাস্থ্যকে ঠিক রাখতে আপনাকে খাওয়া-দাওয়া করতে হবে খুব বাছবিচার করে। জীবনধারাতেও আনতে হবে পরিবৰ্তন। স্বাস্থ্য ভালো করার অৰ্থ এই নয় যে আপনি দেহে জমিয়ে তুলবেন বাড়তি মেদ। তবে স্বাস্থ্য ভালো করে তুলতে প্রথম পদক্ষেপ দিতে হলে আপনাকে দেহের ওজন স্বাভাবিক করে তুলতে হবে। কারণ দেহের ওজন কম থাকাও স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক।

]]>
ডেল্টা ঠেকাতে দুটো ডোজ যথেষ্ট নয়, এসে গেল তৃতীয় টিকা https://runnerbangla.com/third-vaccine-dose-two-doses-not-enough-prevent-delta/3863/ Tue, 13 Jul 2021 07:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3863 রানার প্রতিবেদন : ডেল্টা প্রজাতির করোনাভাইরাসের দাপট এতটাই যে দুটো টিকা নিয়েও তার মোকাবিলা করা সম্ভব নাও হতে পারে। কারণ ডেল্টা প্রজাতির ভাইরাসকে ( Delta Variant Virus ) ঠেকানোর জন্য শরীরে যে প্রতিরোধ ব্যবস্থা দরকার সেটা যথেষ্ট পরিমাণে গড়ে উঠছে না। সমীক্ষায় উঠে এসেছে এই তথ্য। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একারণেই তৃতীয় টিকা নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে।

সুইডেন ( Sweden ) ইতিমধ্যেই সমীক্ষা করে দেখেছে একটি বড় সংখ্যক মানুষের দেহে দুটি টিকা প্রয়োজনীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারেনি। তাদের ক্ষেত্রে খুব দ্রুত তৃতীয় টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সুইডেনের রাষ্ট্রীয় মহামারী প্রতিরোধ বোর্ডের প্রধান বিজ্ঞানী এন্ডার্স টেগনেল ( Anders Tegnell ) জানিয়েছেন, তৃতীয় কোভিড ভ্যাকসিন ( Third Covid Vaccine ) প্রয়োগ এর বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।

ইজরায়েলের চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা ( Israeli Medical Scientist ) সমীক্ষা করে দেখেছেন দুটো টিকা নেওয়ার পরে ৬০ শতাংশ মানুষের দেহে প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। যারা দুটো টিকা নিয়েছেন তাদের ১০০ জনের মধ্যে, ৪০ জনের দেহের এন্টিবডি সন্তোষজনক নয়। এই ৪০ জন ডেল্টা ভেরিয়েন্ট ভাইরাসের মাধ্যমে আক্রান্ত হতে পারেন।

বিজ্ঞানীরা একই সঙ্গে এটাও বলেছেন, দুটো টিকা নেওয়ার পর যে অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে তার সাহায্যে আক্রান্ত মানুষরা যথেষ্ট লড়াই করতে পারছেন, যে লড়াই স্বস্তিদায়ক। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের কথায় যারা টিকা নিয়েছেন সেইসব লোকেরাও ভাইরাস বহনে সক্ষম।

ইসরাইল সরকার এখন খতিয়ে দেখছে তাদের দেশের সমস্ত মানুষকে তৃতীয় ডোজ দেবে কিনা। বিষয়টি আপাতত তাদের বিবেচনাধীন। বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ এখন তাদের নাগরিকদের করোনার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রাখতে তৃতীয় ডোজের বিষয়টি গভীরভাবে ভাবনা চিন্তা করছে।

]]>
হাসপাতালে করোনা রুগীর একাকিত্ত্ব ঘোচাতে এলো “বন্ধু রোবট” https://runnerbangla.com/laluchi-robotina-corona-patient-loneliness/3787/ Mon, 12 Jul 2021 04:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3787 রানার প্রতিবেদন : বৰ্তমানে করোনা ( Corona ) চিকিৎসার অনেককিছুতেই রোবটের ব্যবহার হচ্ছে। ওষুধ দেওয়া, রোগীদের মনিটরিং করা, তাঁদের খাবার পৌঁছে দেওয়া ইত্যাদি কাজ রোবট করেছে। এবার রোগীদের একাকীত্ব কাটানোর কাজেও নেমে পড়ল রোবট ( Robot )। করোনা রোগীদের এমনিতেই সকলের থেকে আলাদা করে আইসোলেশন ওয়াৰ্ডে রাখা হয়, কেননা রোগটি অসম্ভব ছোঁয়াচে। আত্মীয়-পরিজন-বন্ধু কারও সঙ্গেই দেখা করতে দেওয়া হয় না।

ফলত তাঁদের একটা অবসাদ তৈরি হয়। সেই একাকীত্ব কাটাতেই মেক্সিকো সিটির একটি হাসপাতালে এক রোবট ঘুরে ঘুরে সকলের সঙ্গে কথা বলে। ৪.৬ ফুট উচ্চতার এই রোবটটি হাসপাতালের ঘরে ঘরে গিয়ে রোগীকে বলে, ‘হাই, আমি লালুচি রোবোটিনা ( Laluchy Robotina ), তোমার নাম কী?’ প্ৰথমটায় সকলে অবাক হয়ে গেলেও এখন সয়ে গেছে। চাকার উপর দাঁড়িয়ে এই রোবট একঘর থেকে অন্যঘরে যায়। এর শরীরে লাগানো আছে ক্যামেরা যাতে রোগীর পরিবারের লোক বা চিকিৎসকরা রোগীর সঙ্গে কথা বলতে পারছেন।

মেক্সিকোর ন্যাশনাল মেডিক্যাল সেন্টারের নিউরোসাইকোলজিস্ট লুসিয়া লেডেসমা জানান, ‘এই রোবটটিকে শারীরিকভাবে সব জায়গায় উপস্থিত থাকতে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কোভিড ১৯ সংক্ৰামিত এলাকার মধ্যে যাতে এরোসলের সংস্পৰ্শে না আসে সেটাও দেখা হচ্ছে। কেননা এই এরোসল থেকেই তো সংক্ৰমণ ছড়ায়।’ করোনা মেডিক্যাল টিম মনে করছে এই অতিমারির সময়ে রোবটের ব্যবহার করোনা সংক্ৰমণের ঝুঁকি কমাবে এবং সেজন্যই একে কো থেরাপিস্ট হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এখনও পৰ্যন্ত লালুচি রোবোটিনা প্ৰায় ১৬০ জন রোগীর সঙ্গে তাঁদের পরিবার ও মনোচিকিৎসকদের ভিডিও কলিংয়ের মাধ্যমে কথা বলিয়ে দিয়েছে। ভাইরাস নিয়ন্ত্ৰণ কৰ্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত সান্তা মু্যনোজ জানান, ‘করোনা রোগীদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য কাজ করছে এই রোবট। এতে রোগীরাও উপকৃত হচ্ছেন।’ যেমন রোসা মারিয়া ভ্যালেজকু্যয়েজ, ৫৫ বছরের এই মহিলা হাসপাতালের শয্যা থেকেই জানালেন, ‘পরিবারের লোকজনের এখানে আসার অনুমতি নেই, কাজেই রোবটের মাধ্যমেই আমরা তাদের দেখছি, তারা আমাদের দেখছে, এভাবেই কথা হচ্ছে। এটাই যথেষ্ট।’ বৰ্তমানে করোনা আবহে যখন মানুষের সংস্পৰ্শ দূরে রাখতে বলা হচ্ছে, তখন রোবটরা কাৰ্যকরীভাবে তাদের কাজ করে যাচ্ছে।

কিন্তু যখন এই অতিমারি শেষ হয়ে যাবে, তখন কি তারা কৰ্মহীন হয়ে পড়বে? গবেষকরা বলছেন তখন তাদের হয়তো-বা অন্য কাজে লাগানো হবে, বারে বিয়ার দিতে, কিংবা ব্যাংককের শপিংমলে স্যানিটাইজার বিলি করতে, ওয়াশিংটনে মুদির দোকানের জিনিস সরবরাহ করতে অথবা বেলজিয়ামের হাসপাতালে রোগীকে মনিটর করে জানাবে কার জ্বর হেয়েছ আর কার হয়নি। এমন হরেক কাজ তাদের জন্য পড়ে আছে।

]]>
শারীরিকভাবে আপনি ফিট থাকতে চান? তাহলে আগে জিম বিদায় করুন https://runnerbangla.com/want-physically-fit-active-goodbye-gym/3740/ Sun, 11 Jul 2021 04:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3740 রানার প্রতিবেদন : শারীরিকভাবে ফিট রাখতে জিমে যাওয়ার কথা ভাবেন অনেকেই। ভাবার কিন্তু কারণ নেই। কারণ সম্প্ৰতি গবেষণার তথ্য অনুসারে, জিমে না যাওয়ার জন্য কোনও ব্যক্তির অপরাধবোধ বা অনুশোচনায় ভোগার কোনও ভাবনা মাথায় যেন না আসে। গবেষণাটি করেছে আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটি ( American Cancer Society )। এই সোসাইটির সমীক্ষা অনুসারে, জিমে ( Gym ) যাওয়ার পরিবৰ্তে প্রতি সপ্তাহে ছয় ঘণ্টা হাঁটাচলা করলে একজন মানুষ বেশি সময় বাঁচার শক্তি পায়।

অৰ্থাৎ অধিক সময় বাঁচতে সহায়তা করে এই হাঁটা। গবেষকরা বলেছেন, ফিট এবং স্বাস্থ্যকর থাকার উপায় কখনও ভারী কোনও যন্ত্ৰপাতি বহন করে ব্যস্ত থাকা হতে পারে না। প্রত্যেক মানুষকে চলমান থাকতে হবে। হাঁটা, নাচা, পোষ্য প্রাণীর সঙ্গে হাঁটাচলা করা, নিজেকে যেভাবে ভালো লাগে তেমনই করা, কিন্তু সবকিছুর মধ্যে চলতে থাকুন। সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে, প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে দ্ৰুত হাঁটলে হৃৎপিণ্ড ও রক্তপ্রবাহের ফিটনেস ভালো থাকে।

শুধু তাই নয়, হাড়কে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে, মেদ কমে, সহনশীলতা ও পেশি বৃদ্ধিতে সহায়ক। এটি টাইপ টু ডায়াবেটিস ( Type 2 Diabetes ), হাড়ের ক্ষয়ের পাশাপাশি কিছু কিছু ধরনের ক্যানসার ও হৃরোগের ঝুঁকি হ্ৰাস করতে সাহায্য করে। এ-বিষয়ে অ্যালপা প্যাটেল, ডিরেক্টর সিপিএস-3, আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটির এই গবেষণায় প্রধান তদন্তকারী ছিলেন, তিনি বলেছেন, গড়পড়তা হাঁটার তুলনায় দ্ৰুত হাঁটা মানুষেরা অবিশ্বাস্যভাবে স্বাস্থ্য সুবিধা লাভ করেন।

আর এটি সহজ, মূল্যহীন এবং যে কোনও স্থানে চৰ্চা করা যায়। কিন্তু যাঁরা সকাল নয়টা থেকে পাঁচটায় ব্যস্ত অফিস কৰ্মের সময়সুচি, যেখানে মানুষ চেয়ারের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাঁদের চোখ কম্পিউটারের স্ক্ৰিনে আটকে থাকে, সেখানে দ্ৰত হাঁটার সময় খুব কমই সময় পান। এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলার দুৰ্দান্ত উপায় হল পাবলিক ট্ৰান্সপোৰ্ট ব্যবহার করা। মেট্ৰোতে চলাচল করা। অন্য কাউকে নিজের সিট ছেড়ে দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা। ক্যাব পাওয়ার স্টেশন পৰ্যন্ত হেঁটে যাওয়া।

এছাড়া হাৰ্ভাৰ্ড মেডিক্যাল স্কুল প্রকাশিত অন্য একটি প্রতিবেদন বলেছে, হাঁটাচলা হৃদরোগের সম্ভাবনা ৩১ শতাংশ এবং মৃত্যুর সম্ভাবনা ৩২ শতাংশ হ্ৰাস করে। প্রতি ঘণ্টায় কয়েক মিনিট হাঁটা বা দ্ৰুত হাঁটার জন্য এক ঘণ্টা উৎসৰ্গ করা জিমে যাওয়ার চেয়ে অধিকতর উত্তম। জিম এড়িয়ে চলার জন্য অপরাধবোধে ভোগার কোনও কারণ নেই। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, স্বাস্থ্যকর মানুষরা জিমে যাওয়ার পরিবৰ্তে নিজেকে চলমান রাখতেই ব্যস্ত থাকেন

]]>
মুসলিম মেয়েদের নিলামে বিক্রি করছে কারা? তদন্তে পুলিশ https://runnerbangla.com/github-app-auction-muslim-women-sale-investigation-delhi-police/3747/ Sun, 11 Jul 2021 03:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3747 রানার বাংলা প্রতিবেদন : অনলাইনে একজন-দু’জন নয়, ৮০ জন মুসলিম মহিলার ছবি ( Muslim Women Picture ) দিয়ে নিলামে বিক্রির ঘোষণায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে দিল্লি পুলিশ ( Delhi Police )। কারা এই ঘটনা ঘটালো তা চিহ্নিত করা যায়নি বলে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। GitHub নামে একটি সফ্টওয়ার ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম, এটি একটি ওপেন প্ল্যাটফর্ম, এখানেই এই কুকর্ম ঘটেছে।

GitHub এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের রীতি-নীতি লঙ্ঘন করা হয়েছে এই এই ঘটনায়। ফলে যে সমস্ত একাউন্ট থেকে এই কাজ হয়েছে সব আক্যাউন্ট গুলিকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই ঘটনায় ব্যাপক আলোড়ন পড়েছে সামাজিক মাধ্যমেও। এই নিলামের ডাক দিয়ে লেখা হয়েছে সুল্লি ডিল অফ দা ডে ( Sulli Deal of the Day ), এই শব্দটি মুসলিম মেয়েদের সম্পর্কে অশ্লীল ভাষা প্রয়োগের সময় ব্যবহার করা হয়।

Fatema Khan Twitter

যাদের ছবি আপলোড করা হয়েছে, তারা কেউ সাধারণ নন, এরা বেশির ভাগই সমাজের পরিচিত মানুষ। আছেন সমাজকর্মী, সংবাদিক, বৈমানিক সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। বিমান চালক হানা মহসিন খান আজ সংবাদ সংস্থাকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, গতকাল তার এক বন্ধু তাকে প্রথম বিষয়টি জানায়। একটি লিঙ্কও পাঠিয়ে দেয় সে। হানা বলেন, লিংক খুলে তিনি হতবাক হয়ে যান। চার নম্বর ছবিটি তার।

হানার কথায়, তিনি এখনো আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে আছেন। মুখ খুলেছেন সাংবাদিক ফাতিমা খানও। তারও ছবি আছে ওই নিলামের তালিকায়। তিনি বলেন, এই জিনিস ভাবতেও কষ্ট হয়। বলেন,”যারা এই কাজ করলো তারা কি আদৌ শাস্তি পাবে? এই প্রশ্নটাই তাকে ভাবিয়ে তুলেছে। কারন, এরা ছাড় পেয়ে গেলে এই নোংরামি আরও উৎসাহিত হবে।

]]>
কোভিশিল্ড নিয়েছেন? তৃতীয় ঢেউয়ে আপনি কার্যত সুরক্ষিত https://runnerbangla.com/corona-vaccine-covishield-third-wave-protection/3304/ Mon, 05 Jul 2021 04:00:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3304 রানার ডেস্ক : যারা কোভিশিল্ডের টিকা ( Covishield Vaccine ) নিয়েছেন, তারা ডেল্টা প্রজাতির করোনা ( Delta Variant Corona Virus ) আক্রমণের মুখে কার্যত সুরক্ষিত। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিকেল রিসার্চ ( Indian Council of Medical Research ) জানিয়েছে, যারা কোভিশিল্ডের টিকা নিয়েছেন, তাদের ওপর সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। সমীক্ষার ফলাফল সামনে আসার পর দেখা গেছে, ডেল্টা প্রজাতিকে রুখতে পারে এমন উন্নত অ্যান্টিবডি ( Antibody ) তৈরি হয়েছে ৮৪ শতাংশ মানুষের দেহে। ১৬ শতাংশ মানুষের দেহে সেই এন্টিবডির সন্ধান পাওয়া যায়নি।

অর্থাৎ যারা কোভিশিল্ডের ( Covishield ) দুটো টিকাই নিয়েছেন, তাদের ১০০, জনের মধ্যে ৮৪ জনই সম্পূর্ণ সুরক্ষিত বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। তৃতীয় ঢেউয়ের ( Third wave ) আশঙ্কার মধ্যে দাঁড়িয়ে তারা এখন অনেকটাই নিরাপদ। একইসঙ্গে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিকেল রিসার্চ ( Indian Council of Medical Research ) এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যারা এখনো পর্যন্ত কোভিশিল্ডের প্রথম টিকা গ্রহণ করেছেন, তাদের মধ্যে ৪২,শতাংশ মানুষের শরীরে ইতিমধ্যে উন্নত অ্যান্টিবডির সন্ধান পাওয়া গেছে।

৫৮ শতাংশ মানুষের দেহে উন্নত অ্যান্টিবডির সন্ধান পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এরাই যখন দুটো টিকাই নেবেন তখন ছবিটা পাল্টে যাবে। যাদের শরীরে অ্যান্টিবডি সন্ধান পাওয়া গেল না, সেই ১৬ শতাংশ মানুষদের ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা বলছেন, উন্নত অ্যান্টিবডির সন্ধান পাওয়া যায়নি মানে তার শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়নি এমনটা নয়। হয়তো অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে কিন্তু সেই উন্নত মানে পৌঁছতে পারেনি।

এ প্রসঙ্গে তারা বলেছেন যাদের বয়স ৬৫ বছরের উপরে এবং যাদের দেহে কোমর্বিডিটি রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে সহজে প্রয়োজনীয় এন্টিবডি তৈরি হয় না। ১৬ শতাংশ এর মধ্যে এদের সংখ্যাটাই বেশি বলে মত চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের। তারা বলছেন, ৬৫ ঊর্ধে এবং যাদের নানান শারীরিক সমস্যা আছে ফলে প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবডি তৈরি হয়নি, তাদের ক্ষেত্রে তৃতীয় টিকার প্রয়োজন আছে।

]]>
লজ্জা আর ভয়ের আড়ালে বিপদজনক হয়ে ওঠে স্তন ক্যানসার https://runnerbangla.com/women-dangerous-breast-cancer-survey-report/3312/ Mon, 05 Jul 2021 03:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3312 রানার প্রতিবেদন : বৰ্তমানে বিশ্বব্যাপী মেয়েরা যেসব রোগে সবচেয়ে বেশি ভুগছেন, তার মধ্যে শীৰ্ষস্থানে রয়েছে স্তন ক্যানসার ( Breast Cancer ), এই সম্পৰ্কে আমরা অনেকেই কম-বেশি ওয়াকিবহাল। তবে যে-তথ্যটা অনেকেই জানি না, তা হল, অধিকাংশ মহিলাই স্তনের সমস্যা বা ক্যানসার ধরা পড়লে তা চট করে স্বামী বা পরিবারের অন্য কোনও সদস্যের সামনে প্রকাশ করতে চান না। যতক্ষণ পৰ্যন্ত না রোগটা বাড়াবাড়ির পর্যায়ে চলে যাচ্ছে ততক্ষণ চুপ করে থাকেন।

কারণ তাঁদের মনে ভয় থাকে, এর ফলে হয়তো ভেঙে যেতে পারে তাঁদের এতদিনকার সাজানো সংসার। সমীক্ষা বলছে, স্তন ক্যানসারে আক্ৰান্ত মহিলাদের প্রায় এক-চতুর্থাংশই চিকিৎসা করাতে চান না, এর জন্য দায়ী ভয়, লজ্জা, কুসংস্কার ও কিছুটা হলেও ধর্মীয় গোঁড়ামি ( Religious Orthodoxy )। রয়েছে উপযুক্ত শিক্ষা ও সচতেনতা বোধের ঘাটতিও।

ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসাৰ্চ অন ক্যানসারের ( International Agency for Research on Cancer ) করা একটি সমীক্ষা থেকে প্রাপ্ত তথ্য জানাচ্ছে, মোট ক্যানসার আক্ৰান্তদের অধিকাংশই স্তন ক্যানসারে আক্ৰান্ত ও নারীদের মধ্যে যেখানে প্রায় একটি দেশে কমপক্ষে ১৬-১৭ শতাংশ ক্যানসারে ভুগছেন, সেখানে আক্ৰান্ত পুরুষদের সংখ্যাটা মাত্ৰ ১ শতাংশ। স্তন ক্যানসার আক্ৰান্ত মহিলাদের গড় বয়স ৪০-৪৫।

মেনোপোজের পরেই বেড়ে যায় রোগটির ঝুঁকি। তবে অবিবাহিত মহিলাদেরও ঝুঁকি থাকে। তবে তৃতীয় বিশ্বের অনেক দেশে স্তন ক্যানসার নিয়ে শহরাঞ্চলে নানারকম চিকিৎসা ব্যবস্থার উপযুক্ত পরিকাঠামো থাকলেও, গ্রামে সে ব্যবস্থা নেই। তেমনি অনেক প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ এখনও নানা কুসংস্কারের বশবর্তী হয়ে চিকিৎসা করাতে চান না।

আসল সমস্যাটা হল, স্তন ক্যানসার সম্পৰ্কে আমাদের সমাজে নারীদের, বিশেষত বিবাহিতা মহিলাদের মধ্যে নানান মিথ এখনও রয়ে গেছে। স্তন ক্যানসারও যে আরও পাঁচটা অসুখের মতো একটা রোগ ও সঠিক সময়ে চিকিৎসা করালে রোগটি যে সম্পূৰ্ণ সেরে যায়, এই ভাবনা বা সচেতনতাটাই সকলের মধ্যে আনতে হবে। তার জন্য প্রয়োজন কাউন্সেলিং আর সঠিক প্রচারমূলক কৰ্মসূচি। চিকিৎসক থেকে শুরু করে সমাজবিজ্ঞানী, গবেষক সকলের একই মন্তব্য।

অনেক চিকিৎসক তাঁদের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছেন, মেয়েরা যখনই স্তনের সামান্যতম কোনও পরিবৰ্তনও লক্ষ করেন, তা সেরে যাবে বলে রেখে দেন। কিংবা লজ্জায় তা চিকিৎসককে দেখান না। এর ফলে নিঃশেব্দ শরীরে দানা বাঁধে রোগ। অথচ সঠিক সময়ে ধরা পড়লে নানা চিকিৎসা রয়েছে।
তাছাড়া ৩৫-এর উপর বয়স হলেই প্রতি তিন বছর অন্তর একবার করে করানো যেতে পারে ম্যাম্মোগ্রাফি। তবে স্তন ক্যানসার সম্পৰ্কে সবার আগে প্রয়োজন মানসিক সচেতনতা।

]]>