সম্পাদকের টেবিল – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Wed, 21 Jul 2021 14:21:22 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.1 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png সম্পাদকের টেবিল – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 স্বয়ংসেবকের চোখে মমতার ২১শে জুলাই https://runnerbangla.com/swayamsevak-mamta-banerjee-21-se-july/ Wed, 21 Jul 2021 07:41:06 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4255 দীপন মজুমদার
দক্ষিণবঙ্গ সম্পর্ক প্রমুখ
ভারতীয় শিক্ষণ মন্ডল


১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে একটি বিশেষ দিন। বলা ভালো ২১শে জুলাই -এর ভয়ঙ্কর ঘটনাকে কেন্দ্র করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক গ্রাফ ধীরে ধীরে শিখরে পৌছে যায়। ১৯৯১ সালে জ্যোতি বসুর নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট সরকার জেলায় জেলায় রাজনৈতিক সংঘর্ষ এবং রিগিং করে পুনরায় পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়। সেই সময় ভোটার কার্ডে ফটো আই ডি থাকত না যার যেরে খুব সহজেই ফলস ভোট বা রিগিঙের মতো দুষ্কর্ম করা যেত।

১৯৯৩ সালে তৎকালীন যুব কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যুব কংগ্রেস ২১শে জুলাই এসপ্লানেড রোডে এক বিশাল জমায়েতের আয়োজন করে। প্রায় পঞ্চাশ হাজার যুব কংগ্রেসের কর্মীবৃন্দ সেই কর্মসূচিতে যোগ দেয় কারণ সেই সময় পশ্চিমবঙ্গে বামফ্রন্টের প্রধান বিরোধী দল ছিল জাতীয় কংগ্রেস। দুপুর থেকেই ওই দিন সমস্ত জেলা থেকে কংগ্রেসের কর্মীরা কলকাতার বুকে জরো হতে শুরু করে।

তাদের মূল দাবি ছিল ভোটার আই ডি কার্ডে সংশ্লীষ্ট ভোটারের নিজস্ব ফটো আই ডি থাকতে হবে নইলে ছাপ্পা ভোট বা রিগিং আটকানো সম্ভব নয়। সেদিন সবকিছুই এগোচ্ছিল আম জনতার স্বতঃস্ফুর্ত আন্দোলনের জন্য তবে মমতার পরিকল্পনা সম্পুর্ণ ভীন্ন ছিল কারণ এই আন্দোলনের ভেতরে লুকিয়ে ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বিশালাকার চক্রান্ত। তৎকালীন জাতীয় কংগ্রেসের পশ্চিমবঙ্গে মূলত দুটি লবি ছিল।

একটি প্রয়াত কংগ্রেস নেতা প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির অন্যটি প্রয়াত নেতা সোমেন মিত্রের। মমতা প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির ঘনিষ্ট ছিল বলেই জানা যায়। তাই প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির প্রচুর অনুগামী নেতা ওই দিন রাইটার্স বিল্ডিঙের নিকটবর্তি স্থানে এসে জড়ো হয়। প্রথম দিকে সভাস্থল পুরোপুরি শান্ত ছিল এবং অপ্রীতিকর কোন ঘটনার সুত্রপাতও প্রথম দিকে হয়নি। পুরো এলাকাতে ঘোড় সওয়ার মাউন্টেড পুলিশ টহল দিচ্ছিল, এরপরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার অনুগামীরা জমায়েতে এসে উপস্থিত হওয়ার পর হঠাৎ তুমুল বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয় এবং দশ-পনেরো মিনিটেই এই বিশৃঙ্খলা বীভৎস আকাড় নেয়।

কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শিদের থেকে পরে আমরা জানতে পারি ওই দিন সভাস্থলে মমতার দেরি করে আসাটা ইচ্ছাকৃত ছিল এবং মাউন্টেড পুলিশের ঘোড়ার যৌনাঙ্গে আলপিন এবং স্পিরিট দিয়ে আঘাত করার পরিকল্পনা মমতা এবং তার অনুগামীরা আগেই ঠিক করেছিল। যার ফলে আন্দোলনকারী যুব কংগ্রেস সমর্থক এবং পুলিশের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। বিশৃঙ্খলা বাড়তে থাকায় পুলিশ প্রথমটাতে টিয়ার গ্যাসের ব্যাবহার করে এবং পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপকহারে লাঠিচার্জও করা হয়।

কিন্ত অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকায় তৎকালীন স্বরাষ্ট্র সচিব মনীষ গুপ্তের নির্দেশে কলকাতা পুলিশ কমিশনার তুষার তালুকদারের নেতৃত্বাধীন পুলিশ গুলি চালাতে বাধ্য হয়। এই মনীষ গুপ্ত প্রথম তৃণমূল সরকারের বিদ্যূত মন্ত্রী হন এবং বর্তমানে উনি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ। তৃণমূল থেকে দাবি করা হয় পুলিশের গুলিতে সেদিন অন্তত ১৩ জন যুব কংগ্রেসের কর্মকর্তা প্রাণ হারান। পুরো কর্মসূচিটি ছিল যুব কংগ্রেসের এবং এই ঘটনার সাথে তৃণমূল কংগ্রেসের দূর দুরান্ত অবধি কোন যোগাযোগ নেই।

২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাতে আসে এবং মুখ্যমন্ত্রী হন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওড়িশা উচ্চ আদালতের অবসরপ্রাপ্ত বিচারক জাস্টিস সুশান্ত চ্যাটার্জীর নেতৃত্বাধীন একটি কমিশন গঠন করে মমতা সরকার। এই কমিশন তার প্রিলিমিনারি রিপোর্টে বলেছে যে এই ১৩ জন শহিদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপুরণ দেওয়া হোক। সেই মতো ২১শে জুলাইয়ের সমস্ত শহিদদের পরিবারকে তৃণমূল সরকার ক্ষতিপুরণ সহ অন্য সরকারি সুযোগ সুবিধা দিয়েছে।

এই শহিদের তালিকাতে ১৩ নম্বর নামটি হচ্ছে “ইনু”! তবে এতো সুযোগ সুবিধা দেওয়া সত্বেও তৃণমূল ইনুর আসল পরিচয় এবং তার টাইটেল বা উপাধি কি সেটা জানতে ব্যার্থ! আসলে এই ১৩ জনের মধ্যে অধিকাংশই ভুয়ো এবং তাদের বাস্তবে কোন অস্তিত্ব নেই। তৃণমূল ভবনে বড় করে শহিদদের যেই লিস্ট লাগানো আছে সেখানে হুগলীর তাপসী মালিকের জায়গা হয়নি! যেই তাপসী মালিকের মৃতদেহের উপর দাড়িয়ে রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এরকম আরো একটি ভুয়ো শহিদ তৃণমূল কংগ্রেসের ওয়েবসাইটে গেলে পাওয়া যাবে। বর্ধমান জেলার শহিদদের তালিকার চতুর্থ নাম লকাই। সমস্ত শহিদদের পরিবারকে তৃণমূল সরকার নাকি সরকারি সাহায্য করেছে কিন্ত তারপরেও লকাইয়ের পুরো নামটা জানাতে পারেনি! এর ফলে প্রমাণিত যে মমতার রাজনীতিটা পুরোপুরি মিথ্যার উপর দাড়িয়ে আছে এবং প্রত্যেকটি মিথ্যা উনি সুকৌশলে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছেন সাধারণ মানুষের কাছে।

জাস্টিস চ্যাটার্জীর কমিশনে জাস্টিস চ্যাটার্জী সরাসরি বলেছেন,“The people who were at the helm of the Home Department as well as the police brass cannot escape responsibility”। কিন্ত এখন যে স্বরাষ্ট্রসচিব গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলো সেই প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র সচিব মনীষ গুপ্ত এখন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ! যদিও জাস্টিস চ্যাটার্জী তার রিপোর্টে কোন আধিকারিকের নাম সরাসরিভাবে নেন নি, যার ফলে কমিশনের প্রিলিমিনারি রিপোর্ট যে তৃণমূল সরকার দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত তা বলাই বাহুল্য।

আজ প্রায় এতগুলো বছর কাটলেও ২১শে জুলাই বিষয়ক পুর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জাস্টিস চ্যাটার্জীর কমিশন এখনো জমা করে উঠতে পারেনি। রিপোর্ট কবে জমা করবে বা আদৌ জমা করবে কি না তা নিয়ে গভীর প্রশ্নচিহ্ণ থেকেই যায়। ২১শে জুলাই এর স্বতঃস্ফুর্ত জন আন্দোলনকে নোংরাভাবে ব্যাবহার করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যে সেদিন যারা প্রাণ হারিয়েছিল, তাদের পরিবার আজ তৃণমূলের ২১শে জুলাইয়ের জাক জমকের থেকে অনেক দুরে। প্রচারের আলো থেকে শত হস্ত দূরে অবহেলিত হয়ে মনে মনে বলে, – “বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে। কী যন্ত্রণায় মরেছে পাথরে নিষ্ফল মাথা কুটে। তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো।”

]]>
‘বিকাশ’ কোথায়? দারিদ্রের লাইনে দাঁড়িয়ে ভারত, উন্নয়নের এভারেস্টে ধনীরা https://runnerbangla.com/development-india-standing-poverty-line-rich-getting-richer/ https://runnerbangla.com/development-india-standing-poverty-line-rich-getting-richer/#respond Mon, 24 May 2021 15:16:34 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1398 রানার প্রতিবেদন : মোদির নেতৃত্বে এনডিএ সরকার যখন দিল্লির ক্ষমতায় এলো, তখন আর্থিক বিচারে ভারত দুনিয়ার সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় বিনিয়োগের জায়গা। দ্রুত হারে সম্প্রসারিত বাজার অর্থনীতির অন্যতম ঠিকানা ভারত। প্রতিবেশী দেশগুলির ঈর্ষার কারন, চিনের মাথা ব্যাথার কারন। গত সাত বছর পর, এখন আর ভারতবর্ষকে বিনিয়োগের উপযোগী দেশ বলে মনেই করে না আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী সংস্থাগুলো।

সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থা এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করতেও পিছপা হয়নি। সাত বছর আগে আমাদের প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের অর্থনীতি ছিল তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করার মতো। সেদেশের একজন নাগরিকের মাথাপিছু বাৎসরিক গর আয় ছিল ভারতের একজন নাগরিকের থেকে অর্ধেক। বাংলাদেশির তুলনায় একজন ভারতীয়র বাৎসরিক গর আয় ছিল দ্বিগুন।

এই মুহূর্তে ভারতের একজন নাগরিকের বাৎসরিক মাথা পিছু আয়, ১৯৪৭ মার্কিন ডলার( ভারতীয় টাকায় ১৪১৮৫২.৫৮ টাকা) অন্যদিকে বাংলাদেশের একজন নাগরিকের বাৎসরিক গর আয় ২২২৭ মার্কিন ডলার( ভারতীয় টাকায় ১৬২২৫১.৪৩ টাকা)। নরেন্দ্র মোদি যখন ক্ষমতায় এলেন সেই সময় ভারত ছিল বিশ্বের অন্যতম আর্থিক বিকাশশীল দেশ। জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৭.০৪ শতাংশ।

মোট জিডিপি ছিল ১৭৫২৭৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভারতে কোভিড হানা দেবার আগেই মুখ থুবড়ে পড়েছে দেশের অর্থনীতি। জিডিপি বৃদ্ধির হার নেমে যায় শূন্যের নিচে। ২০১৯-২০ আর্থিক বছরে মোট জিডিপি ছিল মাত্র ১৪৫.৭ লক্ষ কোটি টাকা। সেইসঙ্গে কমছে ব্যাংকে সুদের হার। বয়স্ক মানুষদের বিভিন্ন সঞ্চয় প্রকল্পের সুদের হার কমছে হুহু করে।

ব্যাপক হারে বিক্রি হচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থা। সেই অর্থ জমা হচ্ছে সরকারি কোষাগারে। প্রশ্ন উঠছে সেই টাকা যাচ্ছে কোথায়। কেননা সকলকে অবাক করে দিয়ে বর্তমান সরকার International Development Association থেকে ঋণ নিয়েছে ৫৪৬৫ লক্ষ কোটি টাকা। ( সূত্র ইকোনমিক টাইমস)। ২০১৪ সাল থেকে ২০১৯ সাল ( কোভিদের আগে) পর্যন্ত ভারত বিশ্ব ব্যাংক থেকে ধার নিয়েছে ২১৭৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ভারতের রিজার্ভ ব্যাংক থেকে ডিভিডেন্ট হিসাবে সরকার নিয়েছে ৯৯১২২ কোটি টাকা। মোদি সরকার ক্ষমতায় যখন এলো তখন একজন ভারতীয়র মাথার ওপর ঋণের বোঝা ছিল ৩৭৮০২ টাকা। এখন সেটা বেড়ে হয়েছে ৭৩৬৩৭ টাকা। অর্থাৎ গত সাত বছরে ঋণের বোঝা বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। আইএমএফ জানিয়েছে, এই মুহূর্তে মাথা পিছু আয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বের ১৩৮ নম্বর জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে ভারত।

ভারতের সাধারণ মানুষের আর্থিক ক্ষমতা যখন কমছে তখন উল্টোদিকে হুহু করে বাড়ছে ধনীর ধন। আন্তর্জাতিক সংস্থা অক্সফাম World Economic Forum: Davos Dialouge এ যে রিপোর্ট পেশ করেছে তাতে বলা হয়েছে, মহামারীরকালে ভারতের প্রথম সারির ১০০ জন ধনী ব্যক্তির মোট আয় বেড়েছে ১২৯৭৮২২ কোটি টাকা।

বলা হয়েছে মহামারিতে বিপর্যস্ত সাধারণ ভারতীয়দের মধ্যে ধনীরা যদি তাদের অতিরিক্ত লাভ বন্টন করে দিত, তাহলে এক এক জন ভারতীয় হাতে পেতেন ৯৪০৪৫ টাকা করে। শুধু তাই নয়, প্রথম ১০০ জন ধনী ব্যক্তির কাছ থেকে সরকার যদি ১ শতাংশ অতিরিক্ত কর নিত মহামারী মোকাবিলায় তাহলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা যেত।

শুধুমাত্র “জন আয়ুস” প্রকল্পের তহবিল বৃদ্ধি পেত ১৪০ গুন। ভারত হলো বিশ্বের এমন দেশ যেখানে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সবচেয়ে অবহেলিত। বিশ্বের এমন চারটি দেশ আছে যারা স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে কম অর্থ খরচ করে, সেই চার দেশের অন্যতম দেশের নাম ভারতবর্ষ। গত কয়েক বছরে দেশে ধনী-দরিদ্রের পার্থক্য হুহু করে বেড়েই চলেছে।

বছর কয়েক আগে মুকেশ আম্বানি এক ঘন্টায় যা রোজগার করতেন, সেটা রোজগার করতে হলে একজন সাধারন শ্রমিককে ব্যয় করতে হতো দশ হাজার বছর। বর্তমানে পরিস্থিতি পাল্টে গেছে। একজন সাধারন শ্রমিক দশ হাজার বছর যত টাকা রোজগার করতে পারবেন, মুকেশ আম্বানির এখন সেই পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে লাগবে এক সেকেন্ড।

ভারতের ধনীরা এখন বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলির সঙ্গে বসে আছে একাসনে। ভারতের প্রথম দশ জন ধনীর রোজগার এরকম:১) মুকেশ আম্বানি ৮৪.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ২) গৌতম আদানি ৬৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ৩) শিব নাদার ২৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ৪) রাধাকৃষ্ণন দামিনি ১৬.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ৫) উদয় কোটাক ১৫.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার

৬) লক্ষী মিত্তাল ১৪.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ৭) কুমার বিরলা ১২.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ৮) সাইরাম পুনাওয়ালা ১২.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ৯) দিলীপ সাংভি ১০.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ১০) সুনীল মিত্তাল ১০.০৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একদিকে যখন টাকার পাহাড় তৈরি করছে ধনীরা অন্যদিকে মহামারীর ধাক্কায় তখন সংগঠিত ক্ষেত্রে চাকরি গেছে ১২ কোটি ২০ লক্ষ মানুষের।

আর অসংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মহীন হয়েছে প্রায় ৯২ কোটি মানুষ। গোটা বিশ্বের সাধরন মানুষের আর্থিক ক্ষমতার বিচারে দেশ এখন দাড়িয়ে আছে দুনিয়ার ১৩৮ তম স্থানে। উল্টো দিকে দেশের গুটিকয় ধনীর ধন বাড়তে বাড়তে তারা এখন পৌঁছে গেছে বিশ্বের ষষ্ঠ স্থানে। ভারতের ধনীদের ঘরে যা ধন আছে তার থেকে বেশি ধন আছে বিশ্বের মাত্র পাঁচটি দেশের ধনীদের কাছে।

এই দেশগুলো হলো আমেরিকা, চিন, জার্মানি, রাশিয়া এবং ফ্রান্স। দিন যত গড়াচ্ছে ধনী-গরিবের পার্থক্যও তত বাড়ছে হুহু করে। যেটা এখন ৬ আর ১৩৮ এ দাঁড়িয়ে। অর্থাৎ জগতের দুই মেরুতে অবস্থান দুই গোষ্ঠীর। একদিকে দেশের তিন শতাংশ ধনী দেশের ৯৭ শতাংশ ধন কব্জা করে বিশ্বের প্রথম সারিতে, অন্যদিকে ৯৭ শতাংশ হতভাগ্য মানুষ দাঁড়িয়ে বিশ্বের শেষ সারিতে।

]]>
https://runnerbangla.com/development-india-standing-poverty-line-rich-getting-richer/feed/ 0