রানার প্রতিবেদন : লোকসভা ভোট শেষ হতেই গেরুয়া শিবিরকে নিয়ে তৈরি হয়েছিল উন্মাদনা। একে একে পুরসভা ভেঙ্গে আসতে শুরু করেছিলেন কাউন্সিলররা। কিন্তু কিছু দিন যেতেই পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করে। মঞ্চে অবতীর্ণ হন প্রশান্ত কিশোর। শুরু হয় তৃণমূলকে ঘুরিয়ে দার করানোর কাজ। আত্মবিশ্বাস ফিরতে শুরু করে ঘাসফুলে। শুরু হয় দলছুট কাউন্সিলারদের ঘরওয়াপসি। বিষয়টা এতদিন কাউন্সিলার পর্যায়ে সীমিত ছিল এবার শোনা যাচ্ছে বিধায়ক স্তরে বিষয়টি পৌঁছতে শুরু করেছে। তৃণমূলের নাকি দাবি, একাধিক কাউন্সিলার লাইনে রয়েছেন দলে ফিরে আসার জন্য।


একাংশ সংবাদ মাধ্যম রিপোর্ট করেছে, তৃণমূলে ফিরে যাবার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, এমন বিধায়কদের তালিকায় যে কজন আছেন তাদের অন্যতম মুকুল রায়ের ছেলে শুভ্রাঙসু রায়। বাকি যে তিনজনের নাম শোনা যাচ্ছে, তাদের মধ্যে আছেন অর্জুন সিংয়ের শ্যালক সুনীল সিং, যিনি নোয়াপাড়ায় বিধায়ক। এছাড়া বাগদার বিধায়ক দুলাল বর এবং বনগা উত্তরের বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস। উত্তর, ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং পর্যবেক্ষক নির্মল ঘোষ নাকি জানিয়েছেন এ ব্যাপারে তৃনমূল নেত্রী নিজে সিধান্ত নেবেন।


এই খবর সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিজেপি রাজ্য নেতৃত্ব। তাদের দাবি, খবরের নামে মিথ্যা তথ্য লোককে গেলানো হচ্ছে। এর চারজনের কেউ তৃণমূলে যাবার ইচ্ছে প্রকাশ করেনি। তারা বিজেপির অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং প্রতিনিয়ত দলের সঙ্গে তাদের নিবিড় যোগাযোগ আছে। বিজেপি কর্মীদের মনোবল ভেঙে দেবার উদ্দেশ্য নিয়ে এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।