রানার প্রতিবেদন : একজন বাঙালি যখন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার ” নোবেল”-এ ভূষিত হয়েছেন, তখন বিশ্বের সর্বত্র ছড়িয়ে থাকা বাঙালিরা আনন্দিত এবং গর্বিত। সেই সময় অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে একাংশ বিজেপির নেতা কুৎসা এবং ব্যক্তিগত চরিত্র হননের কাজে নেমে পড়েছেন। আর এটাকে কি আদৌ ভালো ভাবে নিচ্ছে বাঙালি সমাজ? এই প্রশ্ন উঠেছে গেরুয়া শিবিরের অন্দরে।

আরও পড়ুন : একটি বহুজাতিক সংস্থা বিক্রি করছে বিষাক্ত বেবি পাউডার, রিপোর্টে চাঞ্চল্য

বিজেপির নেতা রাহুল সিনহা যে মন্তব্য করেছেন তা নিয়ে এখন সমাজের সর্বত্র শোনা যাচ্ছে সমালোচনার সুর। হটাৎ নোবেল প্রাপককে কেন কুৎসিত আক্রমণ করতে গেলেন রাহুল সিনহা, অনেকের তা বোধগম্য হচ্ছে না। আরএসএস ঘনিষ্ঠ গেরুয়া শিবিরের নেতা এবং গত লোকসভা ভোটে হাওড়া কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রন্তিদেব সেনগুপ্ত টুইটার হ্যান্ডেলে রাহুলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন কড়া ভাষাতেই। তারপরই হইচই শুরু হয়েছে দলে।


রন্তিদেব সেনগুপ্ত মনে করেন, রাহুল সিনহা যে ভাবে নোবেল প্রাপককে নিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন, তা মানুষ কখনোই ভালোভাবে মেনে নিতে পারে না। মানুষ ভালো ভাবে নেবেও না। এসব মন্তব্যের জেরে দলের ক্ষতি হয়। দলের সামনে এখন ২০২১ এর কঠিন চ্যালেঞ্জ। সেটা মাথায় রেখে কাজ করলে দেখা যাবে, অন্যের চরিত্র নিয়ে কথা বলার বাইরেও অনেক কাজ পরে আছে দলের জন্য। তিনি বলেছেন, যে কাজ বা তত্ব-এর জন্য অভিজিৎ নোবেল পেয়েছেন সেটা অনেকের কাছে ঠিক মনে নাও হতে পারে , তার তত্ব নিয়ে বিতর্ক হতে পারে, কিন্তু উনি নোবেল পেয়েছেন বলে ওনার চরিত্র নিয়ে টানাটানি করতে হবে, এমন জিনিস সমাজের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, যেহেতু অভিজিৎ মোদি সরকারের আর্থিক সিধান্ত ও নীতিগুলির বিরোধিতা করেছেন সেহেতু অভিজিতের বিরোধিতা করতে হবে। এটাই সারমর্ম একাংশ বিজেপি নেতার কাছে, তাসে রাজ্যস্তরেই হোক বা কেন্দ্রীয় স্তরে।