রানার বাংলা – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Mon, 21 Sep 2026 07:25:59 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png রানার বাংলা – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 ভারতীয় ক্রিকেটের স্বার্থে ব্যতিক্রমী দাওয়াই বাৎলে দিলেন সানি https://runnerbangla.com/sunil-gavaskar-interview-discussing-indian-cricket-board-reforms/ Mon, 21 Sep 2026 07:24:50 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4869 ক্রিকেট নিয়ে লোকটা বরাবরই “ঠোঁটকাটা”, ব্যতিক্রম হলো না এবারও। ভারতীয় ক্রিকেটের চলতি পরিস্থিতি নিয়ে তিনি যে খুশি নন, অকপটে উগরে দিলেন সেকথা। “মিড ডে” পত্রিকাতে তিনি লিখেছেন,” দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে বোর্ডের ক্ষমতার সম্প্রসারণ দরকার। এখন তো শুধু একটা নির্বাচক কমিটি সব ঠিক করে। আর আছে ছোট্ট একটা ক্রিকেট অ্যাডভাইসারি কমিটি।”

নির্বাচক এবং কোচ নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক এবং প্লেয়ার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে নানাবিধ অসঙ্গতি ঘিরে ব্যাপক জলঘোলা হয়ে চলেছে। চলছে নিরন্তর বিতর্ক। এই পরিস্থিতিতে এই কমিটির ভূমিকা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

বর্তমানে অ্যাডভাইসারি কমিটিতে আছেন মাত্র তিন জন। অশোক মালহোত্রা, যতীন পরাঞ্জপে এবং সুলক্ষণ নায়েক। আর এটা নিয়েই খোঁচা দিয়েছেন গাভাস্কার। বুঝিয়ে দিয়েছেন মুষ্টিমেয় কিছু লোক যেন সবটাই পরিচালনা করতে চাইছে। আর বাইরে বসে আছে ভারতীয় ক্রিকেটের রথি মহারথীরা।

একেবারে নাম করেই তিনি লিখেছেন,” তিনজনের পরিবর্তে পরামর্শদাতা কমিটি আরও বড় করা হোক। সেই কমিটিতে আনা হোক সচিন তেন্ডুলকর, এমএস ধোনি, রাহুল দ্রাবিড়, সৌরভ গাঙ্গুলি, অনিল কুম্বলে, রবি শাস্ত্রী এবং বীরেন্দ্র সেওয়াগের মতো দক্ষ এবং অভিজ্ঞ প্রাক্তনদের। “

গাভাস্কার তাঁর নিবন্ধে লিখেছেন,”এই কমিটির হাতে বোর্ডের নির্বাচকদের নির্বাচন করার ক্ষমতা দেয়া হোক। শুধু তাই নয়,এদের হাতে থাকুক কোচ বাছাইয়ের ক্ষমতা।” গাভাস্কার লিখেছেন, “একবার ভাবুনতো ভারতীয় ক্রিকেটের এই উজ্জ্বল নক্ষত্রগুলোকে কাজে লাগাতে পারলে শুধু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই নয়, দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের চেহারাও এরা কতটা পাল্টে দিতে পারবে!”

]]>
ভারত – বাংলাদেশ ক্রিকেট সিরিজ ঘিরে অনিশ্চয়তা https://runnerbangla.com/india-bangladesh-cricket-series-august-2026/ Tue, 11 Aug 2026 09:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4858 ভারত – বাংলাদেশ ক্রিকেট সিরিজ ঘিরে ফের অনিশ্চয়তার কালো মেঘ। আগামী সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশের মাটিতে শুরু হবার কথা দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। প্রথমে তিনটি ওয়ানডে এবং পরে তিনটি টি-20 হবার কথা। সবকিছু ঠিকঠাক চললে আগামী ২৮ আগষ্ট ঢাকায় পৌঁছবে ভারতীয় দল। কিন্তু সবকিছু আদৌ ঠিকঠাক চলবে কিনা, সেটা নিয়েই সংশয় তৈরি হয়েছে।

বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরিস্থিতির অবনতি না হলেও উন্নতি হয়েছে এটা বলা যাচ্ছে না। বরং শেখ হাসিনার সাংবাদিক সম্মেলন ঘিরে সামান্য উত্তাপ তৈরি হয়েছে। এই আবহে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হবেই সেটা হলফ করে বলতে পারছেন না বিসিসিআই কর্তারা। বিসিসিআই সূত্রকে উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, গোটা বিষয়টি এখন দিল্লির কোর্টে। বিসিসিআই সরকারকে এই মর্মে অবগত করেছে এবং এখন তারা সরকারের সংকেতের অপেক্ষায়।

ইউনূস সরকারের সময় , আইপিএল শুরু হবার মুখে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে মুস্তাফিজুর রহমানকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেয় কেকেআর। মনে করা হয়, দিল্লির নির্দেশ মোতাবেক বিসিসিআই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এরপরই প্রকাশ্যে নিজদের ক্ষোভের কথা বলেন সরকারের প্রতিনিধিরা। এমনকি একারণেই ভারতে অনুষ্ঠিত টি২০ বিশ্বকাপেও অংশ নেয়নি বাংলাদেশ।

তদারকি সরকারকে সরিয়ে তারেক রহমান ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড স্পষ্ট জানিয়েছিল, অতীত ভুলে তারা দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সম্পর্ক মজবুত করতে আগ্রহী। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনায় ফের অস্থিরতা তৈরি হবার ফলে নতুন করে সংশয় তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এখন সকারের মনোভাব জানতে চায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তবে অসংখ্য ক্রিকেট প্রেমী মনে করেন, দু’দেশের রাজনীতির মধ্যে ক্রিকেটকে জড়িয়ে ফেলা উচিত হবে না। অনেকে উল্টো মতও পোষণ করেন।

]]>
সংরক্ষণের উদ্দেশ্য লঘু হবে নতুন সিদ্ধান্তে https://runnerbangla.com/caste-reservation-objectives-reduced-supreme-court-new-decision/ Sat, 12 Nov 2022 08:29:41 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4841 অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠীর জন্য দশ শতাংশ সংরক্ষণের রায় বিস্ময়কর, যা আদৌ সমর্থনযোগ্য নয়। যদি “অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে” থাকার বর্তমান সংজ্ঞাকেই অপরিবর্তিত রাখা হয়, তাহলে এই রায় উপযুক্ত বিবেচনার ধারে কাছে নয়। বর্তমান সরকারি নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর(OBC) লোকেরা এই সংরক্ষণের সুবিধা পান।

অর্থাৎ এই জনগোষ্ঠীতে যাদের পরিবারে বছরে রোজগার ৮ লক্ষ টাকার কম তারাই সংরক্ষণের সুবিধা পাবেন। এই সিধান্ত সমর্থনযোগ্য। কারন, অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী একটি পরিবারের জন্য বিশেষ রাষ্ট্রীয় মদতের দরকার হয় না। ব্যতিক্রম এসসি-এসটি ,তাদের ক্ষেত্রে আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনা করা হয় না। এবার অর্থনৈতিক মাপকাঠি না পাল্টে জেনারেল কাস্টকেও যদি সংরক্ষণের আওতায় নিয়ে আসা হয় তাহলে সেটা হবে এক নিছক রসিকতা।

আদালতের রায় অনুযায়ী বছরে ৮ লক্ষ টাকার কম রোজগেরে জেনারেল কাষ্টের সকলেই দশ শতাংশের আওতায় আসবেন। এই রায়ের ফলে ভারতের প্রায় সমস্ত মানুষই সংরক্ষণ নামক বিশেষ সুবিধার আওতায় চলে আসবেন। কারন প্রায় সমস্ত মানুষের আয় বছরে ৮ লক্ষ টাকার নিচেই। সরকারি হিসেবেই দেখা যায় এরকম মানুষের সংখ্যা দেশে প্রায় ৯৯ শতাংশের বেশি। এটাই যদি তথ্য হয় তাহলে এই সংরক্ষনের কোনও মূল্য থাকে না। কারন সকলকেই যদি সংরক্ষেনের আওতায় আনা হয়, তাহলে এর গুরুত্ব এবং উপযোগীতাই লঘু হতে বাধ্য।

এই নিয়মের কবলে প্রকৃত আর্থিক সংকটে থাকা মানুষরাই দিনের শেষে সেই বঞ্চনার তালিকাতেই থেকে যাবেন। বছরে সাত লক্ষ ৯০ হাজার টাকা রোজগেরে পরিবারের সদস্যের সঙ্গে সুবিধা পাবার লড়াইয়ে তিনিও থাকবেন যার রোজগার বছরে হয়ত এক লক্ষ টাকার কম। সাত লক্ষ টাকা রোজগেরে পরিবারের একজন সদস্য বেড়ে ওঠার জন্য যে পরিকাঠামো পান তারসঙ্গে বছরে এক লক্ষ বা তার কম টাকা রোজগেরে পরিবারের কোনো তুলানাই চলে না।

আর এই সংখ্যাটাও বিপুল এবং সঙ্কটও ভয়ঙ্কর। এদের একাসনে বসিয়ে বিবেচনা যুক্তি-বুদ্ধির পরিধির বাইরে। এই অবস্থায় সরকার কিংবা আদালতের উচিৎ জেনারেল কাষ্টের জন্য সংরক্ষণের সুবিধা চূড়ান্ত করার আগে এই জনগোষ্ঠীর আর্থিক মাপকাঠি নতুন করে নির্ধারণ করা । নতুবা সংরক্ষণের নামে বিভ্রান্ত করা ছাড়া এর অন্য কোনও অর্থ দাঁড়াবে না

]]>