রানার প্রতিবেদন : অনুব্রত আছেন অনুব্রততেই। কখনো গুড় বাতাসা, কখনো চরাম চরাম, এবারের ভোটে তার বাণী, “পাচঁন”। কি এই পাচঁন? আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকরা এই ওষুধ ব্যবহার করেন। অনুব্রত সেটা ব্যবহার করবেন এবারের লোকসভা ভোটে। আজ ভোট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেন বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। তাকে সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসা করেন, আপনি বলেছিলেন এবার নাকি পাচঁন দেবেন? অনুব্রত বলেন, এই তো আজ থেকে শুরু হয়ে গেল। এখন থেকে রোজ দেওয়া হবে।


১৩ সালের পঞ্চায়েত ভোটে দলীয় কর্মীদের সরাসরি হিংসায় অনুপ্রাণিত করেছিলেন অনুব্রত। বলেছিলেন নির্দলদের বাড়ি ভেঙে জ্বালিয়ে দিতে, পুলিশ বাধা দিলে পুলিশকে বোম মারতে। তারপরেও পুলিশ তাকে ছুঁয়ে দেখার সাহস পায়নি। ১৪ সালের লোকসভা ভোটে তার কুখ্যাত উক্তি ছিল ভোটাররা ভোট দিতে এলে তাদের গুড় বাতাসা দেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জমা পড়েছিল কিন্তু গুড় বাতাসার মধ্যে কোনও হিংসাত্মক অর্থ খুঁজে পায়নি কমিশন। একই ভাবে ২০১৬ সালে ছিল তার চরাম চরাম। কমিশনের পক্ষ থেকে তাকে গৃহ বন্দি করার চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।


এবারের ভোট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে অনুব্রতর দাওয়াই পাচঁন। এখন থেকে রোজ নাকি সেই পাচঁন দেওয়া হবে। কমিশন এবারে সেই পাঁচনের নিগুঢ় অর্থ বার করতে পারবে কিনা তা ভবিষ্যৎই বলবে। কিন্তু বিরোধী রাজনীতিকরা বুঝতে পারছেন এর প্রকৃত অর্থ কি। তাই অনুব্রতর মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে তাকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। তার পাল্টা হুঁশিয়ারি, এবার আর অনুব্রত পাচঁন দেওয়ার সুযোগ পাবেন না। উল্টে এবার তাকেই পাচঁন নিতে হবে।